৩০ অক্টোবর, ২০২২ ০৯:৪৪

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন সাময়িক বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন সাময়িক বন্ধ

কারিগরি ত্রুটির কারণে দেড় ঘণ্টা পর দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয়েছে। বেলা ১১টায় শুরু হওয়া লেনদেন চলবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।

ডিএসই জানিয়েছে, বিনিয়োগকারীরা দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে অংশ নিতে পারবেন; আর পোস্ট ক্লোজিং সেশন চলবে ২টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত। 

স্বাভাবিক নিয়মে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের সুযোগ থাকে। আর ‘পোস্ট ক্লোজিং’ সেশন চলে ১০ মিনিট, অর্থাৎ বেলা ২টা পর্যন্ত।

বিদ্যুৎ বাঁচানোর চেষ্টায় সরকারি অফিস ও ব্যাংকের পরিবর্তিত সময়সূচির সঙ্গে মিল রেখে গত ২৪ অগাস্ট থেকে পুঁজিবাজারে এ সূচি অনুযায়ী লেনদেন চলছে। কিন্তু রবিবার ‘সার্কিট ব্রেকারে ভুল’ হওয়ায় লেনদেন শুরু করতে বেলা ১১টা বেজে যায়।

ডিএসইর জনসংযোগ বিভাগের প্রধান শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লেনদেন বন্ধ থাকার কারণ কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়।

“ডিএসই মার্কেট অপারেশন ভুলবশত ৭০টি সিকিউরিটিজের পরিবর্তে সব সিকিউরিটিজের উপর থেকে সার্কিট ব্রেকার তুলে দেয়। ফলে মার্কেট বন্ধ রাখা হয়।”

সার্কিট ব্রেকার হল লেনদেনে অংশ নেওয়া কোনো সিকিউরিটিজের দর ওঠানামার সর্বোচ্চ সীমা। কোনো শেয়ারের দর ওই সীমায় পৌঁছালে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। 

সার্কিট ব্রেকার হল লেনদেনে অংশ নেওয়া কোনো সিকিউরিটিজের দর ওঠানামার সর্বোচ্চ সীমা। কোনো শেয়ারের দর ওই সীমায় পৌঁছালে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। 

তবে ডিভিডেন্ড ঘোষণার দিনে সিকিউরিটিজের ‘প্রাইস লিমিট ওপেন’ থাকে; অর্থাৎ সেদিন ‍দর কমা-বাড়ার সীমা থাকে না। যে কোনো দরে এটি লেনদেন হতে পারে।

রবিবার ৭০টি সিকিউরিটিজ ডিভিডেন্ড ঘোষণার তথ্য ডিএসইকে জানিয়েছে, যা ডিএসই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জানাবে। এজন্য এদিন এসব সিকিউরিটিজের কোনো দর সীমা থাকবে না।

সে অনুযায়ী ৭০টি সিকিউরিটিজের সার্কিট ব্রেকার তুলে নেওয়ার কথা থাকলেও সবগুলো সিকিউরিটিজের দর সীমা তুলে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় লেনদেন শুরু হলে সব শেয়ার, বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধির সুযোগ থাকত সীমাহীন। সে কারণে লেনদেন শুরু করেনি ডিএসই।

এই ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩৪ কোটি টাকার। ওই সময় পর্যন্ত ৩৪টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়, ৯৬টির কমে এবং ২২৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর