শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ নভেম্বর, ২০১৬ ২৩:৩৫

‘১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় পৌঁছে যাবে প্রাথমিকের বই’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় পৌঁছে যাবে প্রাথমিকের বই’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন বলেছেন, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের বই ছাপানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে এবং ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় বই পৌঁছে যাবে। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার জন্য পৃথক প্রাইমারি এডুকেশন বোর্ড গঠনের প্রস্তাব, এনসিটিবির পরিবর্তে প্রাথমিকের জন্য স্বতন্ত্র ছাপাখানার প্রস্তাবসহ সংসদীয় কমিটির ৭৪টি সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

গতকাল জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন। এ সময় কমিটির সদস্য আবুল কালাম ও আলী আজম উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, শিক্ষানীতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা, এসএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষা থাকবে না। প্রাথমিকের সমাপনী হবে ৮ম শ্রেণির সমাপনীতে। আর এইচএসসির পর একটি সমাপনী ও অনার্স পরীক্ষা হবে। এই তিন পরীক্ষাই থাকবে। প্রাথমিকের বই ভারত থেকে ছাপানো সম্পর্কে তিনি বলেন, আগামী শিক্ষা বছরের জন্য প্রায় ৩৪ কোটি বই ছাপানো হচ্ছে।

এরমধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ বই ভারতে ছাপানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমেই ভারতের দুটি প্রতিষ্ঠান বই ছাপার কাজ পেয়েছে। বাংলাদেশের ২৭টি প্রতিষ্ঠান বই ছাপার কাজ করছে। তিনি বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজে আরও গতি আনতে চায় সংসদীয় কমিটি। তিনি বলেন, কমিটি এ পর্যন্ত ১০৫টি সুপারিশ করেছে। এরমধ্যে ৭৪টি সুপারিশই বাস্তবায়ন করতে পারেনি মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, কমিটি প্রাথমিক শিক্ষার জন্য আলাদা বোর্ড করার সুপারিশ করেছে। প্রাথমিক শিক্ষার বই ছাপানোর জন্য আলাদা প্রেস করারও সুপারিশ করেছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও কোনো লক্ষণ দেখছি না। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা চালু হওয়ার কথা। আমরা সেভাবেই সুপারিশ করেছি। এর আগে সংসদ ভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩১তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, মো. আবুল কালাম, আলী আজম অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে কমিটি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিজস্ব খাত থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ নিশ্চিত করার সুপারিশ করে। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ উজ জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মন্তব্য