Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জুন, ২০১৯ ০২:০৪

পল্টন কমিউনিটির মতবিনিময়

মাদক ও জঙ্গিবাদ সমাজসহ রাষ্ট্রকে কলুষিত করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাদক ও জঙ্গিবাদ সমাজসহ রাষ্ট্রকে  কলুষিত করছে

‘মাদক ও জঙ্গিবাদ পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে কলুষিত করছে। ইসলাম ধর্মে মাদক ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই। যদিও সরকারের কঠোর অবস্থানে জঙ্গিবাদের কাঠামো তছনছ হয়ে গেছে, কিন্তু একেবারে নিষ্ক্রিয় হয়নি। ভিতরে ভিতরে এরা সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। তাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’ গতকাল বাদ জুমা রাজধানীর পল্টন কমিউনিটিতে মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী এক মতবিনিময় সভায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, পুলিশ কর্মকর্তা, ইমাম, ওলামা ও মাশায়েকরা এ কথা বলেন। পল্টন থানা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, পল্টন থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তবা জামান পপি এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। তার পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মতিঝিল জোনের ডিসি আনোয়ার হোসেন, ঢাকা মহানগর মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মুকুল চাকমা, বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভারপ্রাপ্ত খতিব মুফতি মিজানুর রহমানসহ পল্টন থানার সব মসজিদের ঈমাম ও খতিব, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকরা।

সভায় সভাপতির বক্তৃতায় কাউন্সিলর মোস্তবা জামান পপি বলেন, বর্তমান সরকার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সে কারণে জঙ্গিদের আস্তানা তছনছ হয়ে গেছে। কিন্তু তারা থেমে আছে- এমনটা ভাবার সুযোগ নেই।

 সে কারণে আমাদের সমাজকে সুন্দর ও নিরাপদ রাখতে একযোগে কাজ করতে হবে। জঙ্গিবাদের মতোই মরণনেশা মাদক আমাদের সমাজকে কুলষিত করছে। যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে মসজিদের ইমাম, খতিব, স্কুল-কলেজের প্রধানরা ভূমিকা রাখতে পারেন। পল্টন এলাকায় আমরা বসবাস করি। এ এলাকা নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আপনার-আমার সবার। এ সময় তিনি এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা চান।  

মাদক-জঙ্গিবাদের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি কোনো সন্দেহজনক কর্মকা  লক্ষ্য করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানান মতিঝিল জোনের ডিসি আনোয়ার হোসেন।

এ সময় আলেমরা বলেন, ইসলাম ধর্মে মাদক ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই। মাদক শুধু ব্যক্তিকেই নয়, একটি পরিবার, একটি সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে। যে পরিবারের সন্তান মাদকে জড়িয়েছে, সে পরিবারের যে কি বেদনা- তা সংশ্লিষ্ট পরিবারই বলতে পারে। সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই মাদকে জড়িয়ে পড়ছে তরুণ সমাজ। যারাই মাদক-সন্ত্রাসে জড়াবে তাদের বিরুদ্ধে পরিবার থেকেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণে সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।


আপনার মন্তব্য