Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০২:১০

আরেক জাহালম বানানোর চেষ্টায় দুই পুলিশ কর্তা ক্লোজড

নিজস্ব প্রতিবেদক

আরেক জাহালম বানানোর চেষ্টায় দুই পুলিশ কর্তা ক্লোজড

পরোয়ানাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীর নাম ও বাবার নামের সঙ্গে মিল থাকায় এক মোটরসাইকেল মেকানিককে ধরে নিয়ে যায় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। ওই মোটর মেকানিকের নাম মো. কামাল হোসেন। তাকে নিয়ে আরেক ‘জাহালম’ বানানোর চেষ্টার অভিযোগে গতকাল মোহাম্মদপুর থানার এএসআই জাকারিয়া ও আলমগীরকে ক্লোজ করা হয়েছে।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ওয়াহেদুল ইসলাম জানান, একটি ওয়ারেন্টের (পরোয়ানা) বিষয়ে দুজন এএসআইকে ক্লোজ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী কামাল হোসেন জানান, শ্যামলী লিঙ্ক রোডে বায়তুস সালাম জামে মসজিদের পাশে তার গ্যারেজ। ২৮ আগস্ট গ্যারেজে যাওয়ার পর এএসআই জাকারিয়া তার নাম ও বাবার নাম জানতে চান। এরপর ওই এএসআই ২০০৯ সালের এক মাদক মামলায় তার নামে ওয়ারেন্ট আছে বলে জানান। এ কথা বলেই তার হাতে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে যান তিনি। থানায় যাওয়ার পর কামাল বারবার বলছিলেন, তার নামে কখনোই কোনো মামলা হয়নি এবং তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন। ওই দিন রাত ৮টা পর্যন্ত তার তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে দেখে থানা পুলিশ। নথিপত্র ঘেঁটে তারা দেখে, কামালের ও তার বাবার নামের সঙ্গে ওই মাদক ব্যবসায়ীর নাম ও বাবার নামের কিছুটা মিল রয়েছে। ওই মাদক ব্যবসায়ীর নাম ছিল কামাল আর বাবার নাম ছিল মনির হোসেন। মোটর মেকানিকের নাম মো. কামাল হোসেন এবং বাবার নামও মনির হোসেন। তবে ঠিকানা ও মায়ের নাম ছিল ভিন্ন। এরপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুচলেকা নিয়ে কামালকে ছেড়ে দেন। পরদিন আবারও ওয়ারেন্টের দোহাই দিয়ে কামালের দোকানে যান এএসআই আলমগীর। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানতে পেরে এএসআই জাকারিয়া ও এএসআই আলমগীরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর