শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩৮

নাসিরনগরে ধর্ষণ

তদন্তে গাফিলতি ও ভিন্ন প্রতিবেদন দেওয়ায় ১৩ জনকে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবেদন ও তদন্তে গাফিলতির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে ১০ চিকিৎসক ও তিন পুলিশে কর্মকর্তাকে তলব করেছে হাই কোর্ট। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ বছর বয়সী শিশুর জামিন আবেদনের ওপর শুনানিতে দাখিল করা নথিতে ধর্ষণ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য বা অমিল পাওয়ায় গতকাল বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি একেএম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদেশে, ডাক্তারদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব এবং পুলিশদের ক্ষেত্রে আইজিপিকে পৃথক পৃথক ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন এবং তদন্ত করে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণ মামলার কার্যক্রম ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছে আদালত। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. শাহপরান চৌধুরী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুল ইসলাম। ২০২০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নির্যাতিতার পিতা নাসিরনগর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর তার ৭ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

মামলায় আসামি তার প্রতিবেশী, যার বয়স উল্লেখ করা হয় ১৫ বছর। মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে পরদিন নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ৮ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ অবস্থায় ৬ সেপ্টেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি ডাক্তারি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এদিকে আসামি হাই কোর্টে আগাম জামিন আবেদন করলে গত ৩ নভেম্বর এর শুনানি হয়। সেদিন আসামির বয়স প্রমাণের জন্য তার জন্মসনদ দাখিল করা হয়। জন্মসনদ অনুযায়ী তার বয়স ১০ বছর। এ অবস্থায় হাই কোর্ট তাকে জামিন দেয় এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে এক মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি মামলার কেস ডকেট (সিডি) এবং তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়।


আপনার মন্তব্য