শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

এক মায়ের কাছে প্রশ্ন : আগে সন্তান নাকি দেশ?

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
এক মায়ের কাছে প্রশ্ন : আগে সন্তান নাকি দেশ?

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার অতি আদরের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যু (মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৫ বছর) বাংলাদেশের অসুস্থ রাজনীতি নিরাময়ের একটা সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তা নষ্ট হয়ে গেল। নষ্ট হয়ে গেল বলি কেন, বলা উচিত নষ্ট করে দেওয়া হলো। ২৪ জানুয়ারি কোকোর মৃত্যু সংবাদ শোনার পর ছেলেহারা মা বেগম খালেদা জিয়াকে সমবেদনা ও সান্ত্বনা জানাতে তার বাড়ির দরজায় গিয়ে ৭ মিনিট দাঁড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গুলশান ৮৬ নম্বর সড়কের বাড়িটি তার কার্যালয় হিসেবে পরিচিত হলেও গত ২৭ দিন তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। আপাতত সেটাই তার ঘরবাড়ি। পুত্র শোকে অসুস্থ বেগম জিয়াকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখার কথা বলেছেন তার কর্মচারীরা। ইনজেকশন ছাড়াও তিনি সেই রকম অবস্থায় থাকতে পারতেন; তা অস্বাভাবিক বলে মনে করত না কেউ। কিন্তু এই ফালতু অজুহাতে ভিতর দিয়ে তালা মেরে গেট আটকে রেখে প্রধানমন্ত্রীকে ঢুকতে না দেওয়া গণতান্ত্রিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্বূত কাজই শুধু হয়নি, সভ্যতা-বর্জিত কাজ হয়েছে বলেও সর্বত্র কঠোরভাবে সমালোচিত হয়েছে, এখনো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ওই বাড়িতে পৌঁছেন, তখন সেখানে বিএনপির অন্তত চারজন সিনিয়র নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এবং আবদুল্লাহ্-আল নোমান উপস্থিত ছিলেন। বেগম জিয়ার কর্মচারীরা যা করেছেন ওই নেতাদের অজ্ঞাতেই করেছেন। তার প্রমাণ মিলেছে পরদিন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে। সিনিয়র নেতাদের এক বৈঠক শেষে গুলশানের ৮৬ নম্বর সড়কের বাড়ির গেটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আচরণ অসৌজন্যমূলক হয়েছে স্বীকার করে তিনি মন্তব্য করেছেন, কাজটি ঠিক হয়নি। তিনি আরও বলেছেন, ওই অশোভন কাজটি দলের সিনিয়র নেতাদের অগোচরে ম্যাডামের কর্মচারীরাই করেছেন। তারাই ভিতর থেকে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন। তার বক্তব্যের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের অসহায়ত্বের আর্তনাদ! একই বিষয়ে একই ধরনের আর্তনাদ শোনা গেছে বিএনপির আরেক নীতি নির্ধারক (!) মির্জা আব্বাসের কণ্ঠেও। এমন একটি খারাপ কাজকে বিএনপির অতীতের কিছু ক্ষমতাভোগী ও ক্ষমতাপ্রত্যাশী দলদাস জাস্টিফাইও করতে চাইছে। তারা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির 'চিরশত্রু' হিসেবে চিহ্নিত করে বলতে চাইছে 'শত্রুর' সঙ্গে এমন আচরণই নাকি যথার্থ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এসব দলদাস-দাসীদের মূর্খের সঙ্গে তুলনা করে বলতে চান, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সমঝোতার দরজা সর্বদা খোলা রেখেই চলে বিরোধ-বিসম্বাদ। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বী-প্রতিপক্ষ আছে, কোনো শত্রু নেই। প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে আচরণ হয় সর্বদা প্রতিযোগিতার; সভ্য, শোভন ও গণতান্ত্রিক শিষ্টারের। এখানে জয়-পরাজয় আছে, হার-জিৎ আছে। কিন্তু শত্রুর সঙ্গে কোনো সুশীল প্রতিযোগিতা-প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা হয় না, হয় একে অপরকে নিঃশেষ-নির্মূল করার জিঘাংসা বাস্তবায়ন। যেই রাজনীতিতে এমন জিঘাংসা কাজ করে তা সুস্থ-স্বাভাবিক রাজনীতি নয়, এই রাজনীতি সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে। বিএনপিতে যারা 'শত্রুতার' রাজনীতি করছেন বা করতে চান তারা কার্যত সংঘাত-হানাহানিকেই যে উসকে দিচ্ছেন বা পৃষ্ঠপোষকতা করছেন তারা তা বোঝার বোধশক্তিও বোধহয় হারিয়ে ফেলেছেন।

আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যুর বেদনার্ত পরিবেশ দেশে একটি শান্ত-সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল বলে নানা মহল থেকেই বলা হচ্ছে। সেই জন্য বেগম খালেদা জিয়ার বা দলের নেতাদের নয়, তার ব্যক্তিগত কর্মচারীদের 'অসদাচরণ' নিয়ে এত কথা হচ্ছে। সেদিন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যদি সাক্ষাৎও হতো কিংবা দু-একটা বাক্য বিনিময়ও হতো তাতে তাৎক্ষণিক বর্তমান রাজনৈতিক অশান্ত, সহিংস পরিস্থিতি পাল্টে যেত এমন আশা কেউ করেনি। কিন্তু এই যে পরস্পরের মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত নেই, তার তো অবসান হতো। সারা দেশে উভয় দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে শীতল সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণতা পেত এবং দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব পর্যায়ে কথা বলার সূচনা হতে পারত। এটা সাধারণ মানুষেরও আশার কথা ছিল। তা না হওয়ার প্রাথমিক দায়টা পার্টির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মচারীদের। যে সব অর্বাচীন এই খারাপ কাজটি করে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটি কু-দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিলে বিএনপি নেত্রী তার এতদিনের উজ্জ্বল রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের প্রতিই সুবিচার করবেন এবং বিজ্ঞতার পরিচয় দেবেন। নতুবা এর দায় বিএনপি দলকেই বইতে হবে অনন্তকাল।

আরাফাত রহমান কোকোর অসময় মৃত্যুজনিত পরিস্থিতি আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে সভ্যতা ও শিষ্টাচারের নাজুক বা স্পর্শকাতর স্থানটিতে অনাকাঙ্ক্ষিত কম্পন সৃষ্টি করেছে। তবে এই মৃত্যু নিয়ে কোনো কথা যে বলার নেই তা-ও নয়। আরাফাত রহমান কোকো আট বছর ধরেই দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন দুটি কারণে। ১. চিকিৎসা গ্রহণের জন্য ২. মামলা-মোকদ্দমাজনিত কারণে। বলতেই হবে যে, ওয়ান-ইলেভেনের তৈরি সরকারের আক্রোশের শিকার ছিলেন তিনি। মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল বিএনপির নির্বাচিত বৈধ সাংবিধানিক সরকারের কাছ থেকে। তবে খুবই চাতুর্যের পরিচয় দিয়েছিল তারা। হাওয়া ভবনের 'কলের পুতুল' রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমদের দুর্বলতা এবং একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তকে কাজে লাগিয়েছে তারা। ক্ষমতা নিয়ে নেওয়াটা জাস্টিফাই করার জন্য সামরিক বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট সরকার মূল আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করে সদ্য-বিগত সরকারি দল বিএনপিকে। এটাও সত্য, ওয়ান-ইলেভেনের পরিস্থিতি আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরাই সৃষ্টি করেছিলেন। একদিকে বিরোধী দল দমনের নামে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, অপরদিকে লগি-বৈঠার উন্মত্ত ব্যবহার ও প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ হত্যা করে লাশের ওপর লাফালাফির মতো ঘটনা ওয়ান-ইলেভেনকে অনিবার্য করে তুলেছিল। জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল এবং প্রথম দিকে সেই পরিবর্তনকে স্বাগতও জানিয়েছিল। বিএনপি-জামায়াত সরকার-বিরোধীরা এমনও বলেছিলেন যে, ওয়ান-ইলেভেনের সরকার তাদের আন্দোলনেরই ফসল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষমতায় গিয়ে সেই সরকারের সব কর্মকাণ্ডকেই দায়মুক্তি দিয়েছে লীগ সরকার। ওই সরকারের কুশীলবদের নিরাপদ দেশত্যাগ ও বিদেশে কারও বড় রাষ্ট্রীয় চাকরি, কারও সুখের জীবনের ব্যবস্থাও করে দিয়েছে। এটা বিএনপিকে শায়েস্তা করার পুরস্কার। কোকো বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান না হলে মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারের কোপানলে পড়তেন না, সে কথা বলাই যায়। ওয়ান-ইলেভেন সরকার কোকো এবং তার মা খালেদা জিয়া ও ভাই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যেসব মামলা দিয়েছিল, একই চরিত্রের মামলা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের অনেকের বিরুদ্ধেও দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়ে থাকে সেই মামলার সংখ্যা সাত হাজারের মতো। ক্ষমতায় গিয়ে দলীয় মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি কমিটির সুপারিশে শেখ হাসিনাসহ দলের লোকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় 'রাজনৈতিক বিবেচনায়' দায়েরকৃত মামলা হিসেবে। কোকোর মামলা, তার মা-ভাইসহ বিএনপি নেতাদের কয়েক হাজার মামলা প্রত্যাহার হয়নি 'রাজনৈতিক বিবেচনায়।' মামলা প্রত্যাহার হলে কোকো আট বছর দেশান্তরী থাকত না। থাকত মায়ের কোলে। হায়াত ফুরোলেও মারা যেত মায়ের চোখের সামনে, সেবা-যত্নে। এই কষ্ট বেগম জিয়ার আছে, থাকবে। কিন্তু তিনি তো কোকোর মা-ই শুধু নন, বিএনপির মতো একটি বিশাল দলের নেত্রী। নির্দ্বিধায় বলা চলে দেশের কমপক্ষে অর্ধেক মানুষের সমর্থনধন্য। এ ব্যাপারে তার বড় পুত্রবধূ, তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বক্তব্যটা বিবেচনায় নিলে বেগম জিয়ার কর্তব্যও নির্ণিত হয়ে যায়। তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, 'একজন মাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- সন্তান নাকি দেশ? তিনি উত্তরে বলেছিলেন- দেশ। এরপর অমানুষিক নির্যাতন নেমে এলো তার দুই সন্তানের ওপর। এক সন্তানের পায়ের হাড়গুলো ভেঙে দেওয়া হলো, আরেক সন্তানকে ইলেক্ট্রিকের সাহায্যে ব্রেন ডেমেজ করে দেওয়া হলো। এরপর সেই মাকে আবার জিজ্ঞেস করা হলো- আপনার কাছে সন্তান বড় নাকি দেশ? উনি কেঁদেছেন। চোখের পানি ফেলতে ফেলতেই বলেছেন- দেশ। এই দেশ আমার মা। এই দেশ আমার স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন। আমি আমার মায়ের কাছেই থাকব, আমার স্বামীর স্বপ্নের দেশেই থাকব। আমি আমার দুই সন্তানকে আল্লাহ্র কাছে সঁপে দিয়েছি। আমি বেঁচে থাকব আমার ১৬ কোটি সন্তানদের মাঝে (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৩০.০১.২০১৫)। সমগ্র দেশকে যিনি নিজের মাঝে ধারণ করেন বা মিশে থাকতে চান দেশের মাটি আর মানুষের সঙ্গে, সন্তানের মৃত্যুতেও যিনি স্থির, অবিচল থাকতে চাইছেন; আবেগ উসকে দিয়ে কারও কারও ভাষায় 'চাকর-বাকর'রা তাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করুক- এটা শান্তি, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্তিকামী মানুষের কাছে প্রত্যাশিত নয়।

২৫ জানুয়ারি গুলশান ৮৬ নম্বর সড়কের বাড়ির সামনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কিন্তু সে ক্ষতি এখন পুষিয়ে দিচ্ছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এবং তার লীগ সরকারের মন্ত্রী-মিনিস্টার এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। গত ২৬ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে যে বক্তব্য রেখেছেন তা 'কাটা গায়ে নুনের ছিটা' দেওয়ার মতোই। যে কোনো মায়ের কাছেই সন্তানের মৃত্যুশোক অন্য কিছুর সঙ্গে তুলনা করা যায় না। অবরোধ কর্মসূচিতে সহিংসতায় দগ্ধ ও মৃত্যুমুখে পতিতদের মার শোক নিশ্চয়ই অসহনীয় কষ্টের। কিন্তু কোকোর মৃত্যুকে 'অসুস্থ সন্তানের মৃত্যু' বলে সহিংসতায় মৃত সন্তানদের মার কষ্ট অনুভব করার জন্য বেগম জিয়ার প্রতি তার পরামর্শ এ সময়ে নিষ্ঠুর বলেই মনে হয়েছে। কেউ প্রশ্ন তুলতেই পারেন, কোকো এমন অসুস্থ হলো কী করে? বেগম খালেদা জিয়ার 'হোমগ্রাউন্ড' (গুলশান ৮৬ নম্বর সড়ক) থেকে গত ২৫ জানুয়ারি তিনি যে পয়েন্ট নিয়ে এসেছিলেন, সংসদের বক্তব্যে সে পয়েন্ট তিনি খুইয়ে ফেলেছেন বলেই মনে হচ্ছে। তার মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বেগম জিয়াকে উদ্দেশ করে বলেছেন, 'আল্লাহর আরশ কেঁপেছে, নইলে ছেলে মরবে কেন?' (বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৫)? এমন কথা বলা কী ঠিক হয়েছে?

দেখা করতে না পেরে বেগম জিয়ার দরজা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরে যাওয়ার অনভিপ্রেত ঘটনার পরের দিনই বিএনপির পক্ষ থেকে একটি মার্জিত বক্তব্য দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ। সবাই আশা করেছিল, সব আলো এখনো নিভে যায়নি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, সরকারই সব বাতি নিভিয়ে দিচ্ছে একে একে। তবে কী এটা ধরে নিতে হবে যে, সরকারও চাইছে সংঘাত-সহিংসতা চলতে থাকুক আর এই অজুহাতেই তারা বিএনপিকে নির্মূল করে দেবে? আওয়ামী লীগকে কী নির্মূল করতে পেরেছিল বিএনপি-জামায়াত সরকার? পারেনি। কোকোর মৃত্যু, এয়ারপোর্ট থেকে গুলশান এবং গুলশান থেকে বায়তুল মোকাররম পর্যন্ত তার লাশবাহী গাড়ির পেছনে হাজার হাজার মানুষের শোকের মাতম, তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের ঢল প্রমাণ করেছে বিএনপিকে নিঃশেষ করে দেওয়া সহজ কাজ নয়। কারাগারে এত জায়গা কোথায়?

সব মহল থেকেই আওয়াজ উঠেছে, বর্তমান সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবসান হোক। দেশের অর্থনীতি বাঁচুক, দেশ বাঁচুক, মানুষ বাঁচুক। শুধু সহিংসতার 'কলেরগান' বাজিয়ে লাভ হবে না, মূল জায়গায় হাত দিতে হবে। বিএনপিকে বুঝতে হবে অবরোধের ছাতার নিচে যে সহিংসতা চলছে, এটা সমাধান নয়। আর কিছুদিন পর এসব একদমই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। ভবিষ্যতের জন্য এটা খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। কখনো ক্ষমতায় এলে বিরোধী পক্ষ তখন তাদের বিরুদ্ধেও একই অস্ত্র প্রয়োগ করবে। তা ছাড়া নিরীহ মানুষের রক্ত কখনোই ক্ষমতার সিঁড়ির আলপনা হতে পারে না। এসএসসি পরীক্ষার সময় বেপরোয়া লাগাতার অবরোধ-হরতাল কর্মসূচি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না হোক, স্থগিত রাখার চিন্তা করা উচিত বিএনপি নেত্রীর। সরকারকেও মানতে হবে যে, ৫ জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ, বিতর্কিত নির্বাচনই বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের উৎসমূল। সমাধান খুঁজতে হবে উৎসে- আলোচনায়, সমঝোতায়; ধমক দিয়ে, পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবির ভয় দেখিয়ে নয়। পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবি সদস্যরা তো এ দেশেরই মানুষ। তাদের নিজের ভাই-বোনদের, সন্তান-স্বজনদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না বলেই বলছেন বিজ্ঞজনরা। শান্তিপূর্ণ পথেই সমস্যার সমাধান করতে হবে রাজনীতিবিদদের। সম্ভাবনার সব দুয়ার বন্ধ করা ঠিক হবে না। মানুষ কিন্তু ধৈর্যহারা হয়ে যাচ্ছে। কখনো তারা এমনও বলে দিতে পারে- এই রাজনীতি ও এই রাজনীতিবিদদের আমাদের আর দরকার নেই।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা