শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা ও নির্ভরতার ইতিবৃত্ত!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা ও নির্ভরতার ইতিবৃত্ত!

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে আমার দেখার সুযোগ হয়েছে সর্বমোট তিনভাবে। কখনো বহু দূর থেকে, আবার কখনো অতি কাছ থেকে। ছাত্রলীগের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে তাকে দেখেছি রাজপথে। কর্মজীবনে সাংবাদিক হিসেবে আবার সুযোগ হয়েছিল ভিন্ন আঙ্গিকে দেখার। সব শেষে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রিয় সহকর্মীকে দেখেছি একান্ত কাছ থেকে। আমার সব মানবসত্তার বোধ এবং বুদ্ধি দিয়ে তার হাঁটাচলা, কথাবার্তা, অঙ্গভঙ্গি, শিষ্টাচার, মেধা ও মননশীলতা এবং রাশিযোগের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসমূহ পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করেছি। প্রথমে বলে নিই তার রাশিফল সম্পর্কে। তিনি তুলা রাশির জাতিকা। ইউরোপ এবং ভারতীয় জ্যোতিষীরা তুলা রাশির জাতক-জাতিকা সম্পর্কে প্রায় সমধারণা পোষণ করেন সেই অনাদিকাল থেকেই। অন্যদিকে আরব ও মিসরীয় জ্যোতিষীরা অবশ্য বলেন ভিন্ন কথা। তুলা রাশি সম্পর্কে জ্যোতিষ শাস্ত্রের তিনটি পৃথক মতের ওপর ভিত্তি করে যদি কেউ শেখ হাসিনার কুষ্ঠি নিরূপণ করেন তবে মানুষ হিসেবে তার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা পোষণ না করে পারা যাবে না। তিনি বন্ধুবৎসল। পরোপকারী। একই সঙ্গে কোমল এবং শক্ত হৃদয়ের মানবী। তার রয়েছে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং আরও দ্রুততরভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর অসাধারণ প্রাকৃতিক ক্ষমতা। তিনি ভোজনবিলাসী, নিজে খান- অন্যকে খাওয়ান। রন্ধনকার্য এবং খাবার পরিবেশনার মধ্যে তিনি নিজের সৃষ্টিশীলতা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। তিনি সৃষ্টির আনন্দে নিশ্চুপ থাকা একদম পছন্দ করেন না। বরং বিদ্রোহী কবির কবিতার মতো তিনি সৃষ্টি সুখের উল্লাসে নৃত্য করাকে সমর্থন করেন। আবেগ তাকে সর্বদা তাড়া করে। সুখানুভূতির মতো দুঃখের অনুভূতিগুলোও তাকে ভীষণভাবে উত্তেজিত করে। তিনি কাঁদেন- কেঁদে কেঁদে মনের কষ্ট লাঘব করে তিনি প্রশান্তির কোলে ঢলে পড়তে চান। প্রকৃতির অপরূপ রূপলাবণ্য এবং সুর-ছন্দ-লয় তাকে চৌম্বুকের মতো আকর্ষণ করে। তিনি হারিয়ে যেতে চান প্রকৃতির মাজারে, আবার ফিরে আসতে চান প্রকৃতির সুর-ছন্দ ও লয়ে অবগাহন করে।

তুলা রাশির জাতক-জাতিকার উলি্লখিত সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ শেখ হাসিনার রয়েছে। তার একান্ত আপনজনরা যেমন ওসব কথা স্বীকার করবেন- তেমনি বিরোধী পক্ষও অস্বীকার করতে পারবেন না। শত্রুরা হয়তো নানা মন্দ কথা বলতে চাইবেন। আমি না হয় আজ শত্রুদের কথা না শুনে তার শুভ্যার্থীদের কথাই শুনব। কারণ দেশের এই দুর্যোগ মুহূর্তে যার হাতে শাসন ক্ষমতা তার সম্পর্কে বিশেষত তার ইতিবাচক দিক সম্পর্কে আমরা যদি না জানি তবে আমাদের দুঃখ, কষ্ট, আবেগ এবং হতাশার পাল্লা কেবল ভারী হতে থাকবে। তাই শেখ হাসিনা সম্পর্কে হতাশ না হয়ে বরং আশাবাদী হওয়ার কিছু উপকরণ যদি তুলে ধরা যায় তাহলে মধ্যপন্থি, উদারনৈতিক সাধারণ মানুষগুলো কিছুটা হলেও ভরসা খুঁজে পাবেন।

যা বলছিলাম, শেখ হাসিনার রাশিফলের ইতিবাচক দিকসমূহের বাইরে তার হস্তরেখা, শারীরিক গঠন, পদ-পদবি এবং সময়কালও কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্র বিবেচনা করে থাকে। অপরাধ বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানে মানব শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন প্রণালি, কণ্ঠস্বর এবং কোষসমূহের গঠনের মধ্যে সফলতা, ব্যর্থতা, কর্মক্ষমতা, দীর্ঘায়ু, রোগবালাই এবং জনপ্রিয়তার বীজ লুকায়িত থাকে বলে বিজ্ঞানীরা হাজার বছর ধরে বলে আসছেন যা কিনা সময়ের পথপরিক্রমায় প্রমাণিত। শেখ হাসিনার মধ্যেও প্রকৃতি প্রদত্ত কতগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা থেকে তার সম্পর্কে যে কেউ আগাম ধারণা লাভ করতে পারেন। আমি তার শারীরিক গঠনের কয়েকটি সাদামাটা বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করে অন্য প্রসঙ্গে চলে যাব।

জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন, চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা। কবি তার স্বপ্নের নায়িকা বনলতা সেনের রূপ মাধুর্য এবং চরিত্রের অনুপম প্রেমময় নির্ঝরতা বর্ণনা করতে গিয়ে চুলকে বেছে নিয়েছিলেন। এটি কেবল কবির কল্পনা নয়, বিজ্ঞান বলছে, মানুষের চুলের রং, গঠন এবং গন্ধের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। মনোকেষী নারী সব সময় আমুদে প্রকৃতির হয়। চুল যদি লম্বা হয় তবে নারীর মধ্যে শিশুর মতো সরলতা দেখা দেয়। মাঝারি লম্বা চুল হলে নারী হয় অতীব পরিশ্রমী, দৃঢ়চেতা এবং জেদি, চুলগুলো যদি ভীষণ চিকন হয় তবে নারীর থাকে বহুমুখী ছলাকলা এবং কূটকৌশল গ্রহণের প্রবণতা। অপেক্ষাকৃত মোটা চুলের নারীরা আতাসাতা প্যাঁচগোছ বোঝে না। সরল সোজা বা সোজাসাপ্টা পথ অনুসরণ করতে চায়। যা মুখে আসে তাই বলে দেয়- অন্তর আর মুখের ব্যবধান বেশি একটা থাকে না। নারীর মাথার গঠন যদি ছোট হয় তবে মন হয় সংকীর্ণ, বুনলতা ছোট চিন্তা বা ছোটলোকী আচরণ, এসব নারীকে রাহুর মতো গ্রাস করে ফেলে। অন্যেিদক যাদের মাথা তুলনামূলকভাবে আকৃতিতে বড় তারা অনেক উদার মনমানসিকতার হয়ে থাকে এবং চিন্তা-চেতনায় ভীষণ রকম উচ্চাভিলাষী হয়।

নারীর ললাট, চোখ, নাক ও ঠোঁটের গঠন প্রণালির ওপর তার চরিত্রের অনেক বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে। উন্নত এবং প্রশস্ত ললাটের নারীরা হয় চিন্তাশীল। তারা একান্ত নিজেকে নিয়ে ভাবে, পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং তার অধিক্ষেত্র নিয়ে সময় পেলেই সে চিন্তা করে। চোখ যদি কোটরাগত না হয় এবং আকৃতি যদি মধ্যম হয় সে ক্ষেত্রে নারীর চোখ এবং অন্তর প্রায়ই একত্রে কাজ করে। অর্থাৎ যা দেখে তাই হৃদয় মাঝারে বা মানসপটে এঁকে নেয়। এ ধরনের চোখের নারীরা প্রেম পরিণয় বা সাজুগুজুকে জীবনের প্রধান অবলম্বন মনে করে না- আবার অনর্থকও বিবেচনা করে না। জীবনের সবকিছুতেই তারা বিচিত্রতা খুঁজে বেড়ায়। আপনি যদি টিয়ার মতো খানিকটা বাঁকানো নাকের অধিকারী কোনো নারী বা পুরুষকে দেখতে পান তবে নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারেন আপনার দেখা নারী বা পুরুষটি প্রচণ্ড আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন লোক। তিনি নিজের মর্যাদা রক্ষার জন্য পারেন না এমন কোনো কর্ম নেই। দরকার পড়লে হিমালয়ে চড়বেন কিংবা আটলান্টিকে ডুব মারবেন। নিজের আত্মমর্যাদাবোধের জন্য তার নানামুখী কর্মকাণ্ড ক্ষেত্রবিশেষে আপনার কাছে বাড়াবাড়ি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি বিষয়টিকে ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অভ্যাস বলে ধরে নেন এবং সেভাবে তার সঙ্গে ব্যবহার করেন তবে অনেক ভুল বোঝাবুঝি এবং সংঘাত-সংঘর্ষের অবসান হয়ে থাকে।

নাকের মতো ঠোঁটের গঠনেও নারী-পুরুষের একই বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে। অর্থাৎ চিকন ঠোঁটের অধিকারী নারী-পুরুষ একই চরিত্রের অধিকারী হয়ে থাকে। তারা কখনো মিষ্টভাষী আবার কখনো কটূভাষী হয়। অন্যদের তুলনায় একটু বেশি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ভালো কিছু দেখলে যেমন নির্দ্বিধায় প্রশংসা করে তেমনি মন্দ কিছু দেখলে মুখ বুজে থাকতে পারে না- ফলাফল সব বলে দেয়। তাদের শ্রবণশক্তি দুর্বল প্রকৃতির হয়। মনোযোগ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ কোনো কিছু শুনতে তারা ক্লান্তিবোধ করে এবং প্রায়ই শোনা বিষয় বেমালুম ভুলে যায়। আর তাদের কানের আকৃতি যদি একটু বড় হয় তাহলে তো কথাই নেই- অর্থাৎ শোনার প্রবণতা তখন আরও কম হয়।

শেখ হাসিনার হস্তরেখার বৈশিষ্ট্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলাপ করে তার বাস্তবজীবনের কয়েকটি উদাহরণ বলে আজকের লেখা শেষ করব। আমি সরাসরি তার হাত দেখিনি। অর্থাৎ একজন জ্যোতিষী যেভাবে কারও হাত খালি চোখে কিংবা ম্যাগনিফাই গ্লাস দিয়ে দেখেন তেমনই করে আমি দেখিনি। ফলে হাতের জটিল রেখাসমূহ, আঙ্গুলের গঠন বা নখসমূহ আমি দেখতে পারিনি। দূর থেকে কিংবা ছবিতে তার হাতের যেসব রেখা ফুটে ওঠে তাতে বোঝা যায় তিনি সৌভাগ্যবতী। প্রকৃতির অনুপম খেলায় তিনি বহু সৌভাগ্যের অধিকারী হয়েছেন। তার হৃদয় রেখাটি বড়ই চমৎকার। আপনজনকে গভীরভাবে দায়িত্ব নিয়ে ভালোবাসার ক্ষেত্রে তার হৃদয় রেখা তাকে সাহায্য করে, তার জীবন রেখাও বেশ গভীর। দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ সবল দেহ তিনি প্রকৃতিগতভাবেই পেয়েছেন।

জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং মানুষের শরীরের গঠন প্রণালির ওপর তার চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে কতটা প্রযোজ্য তা কেবল তার আপনজনরা বলতে পারবেন। তবে দেশের আমজনতা তাকে ১৯৮১ সাল থেকে দেখে আসছেন একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে, যিনি তার সুদীর্ঘ জীবনে বহু বিপদ-আপদে পড়েছেন। কখনো উত্তীর্ণ হয়েছেন আবার কখনো পরাজিত হয়ে দুর্ভোগে পতিত হয়েছেন। সফলতার সময় আমরা শেখ হাসিনাকে যেমন দেখেছি তেমনই বিপর্যয়ের সময়ও দেখেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে তিনি সর্বদাই তার চরিত্রের দ্বারা পরিচালিত হয়েছেন। এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার যে, আমি কেবল তার চরিত্রের ইতিবাচক দিকসমূহের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করেছি। তার আরও অনেক ভালো ভালো বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী যেমন রয়েছে তেমনই পৃথিবীর অন্যসব মানুষের মতো রয়েছে ক্রোধ, প্রতিহিংসাসহ নানান সব দোষত্রুটি। ইতিপূর্বে আমি বিএনপি নেত্রীর মৌলিক কতগুলো ইতিবাচক দিক নিয়ে লিখেছিলাম, কাজেই শেখ হাসিনার ভালো দিক নিয়ে আলোচনাও আমার জন্য একান্ত ফরজ হয়েছিল বহুদিন থেকেই।

দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে আমার বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে যে, শেখ হাসিনা হয়তো তার মাননীয় গুণাবলীর সর্বোত্তম ব্যবহার করে সামনের দিকে এগুবেন। যে যাই বলুক না কেন, কোকোর মৃত্যুর পর বেগম জিয়ার বাড়ির সামনে হুট করে উপস্থিত হওয়া চাট্টিখানি ব্যাপার ছিল না। আমি নিজে হলে কোনো দিন ওমনটি করতে পারতাম কিনা সন্দেহ। পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথা বলা যাবে হয়তো। কিন্তু সেদিন যারা শেখ হাসিনার মুখমণ্ডলটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা তার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। অন্যদিকে ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালের আগে তিনি যে হঠাৎ করে বেগম জিয়াকে ফোন করে বসলেন তাতেও তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। আমি জেলে বসে তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের কাছে একটি ঘটনা শুনেছিলাম। মামুন আমাকে বলছিল, শেখ হাসিনার আতিথেয়তা সম্পর্কে, তারেকের বিয়ের দাওয়াত কিংবা অন্য কোনো উপলক্ষে তারেক ও মামুন যখন শেখ হাসিনার বাসায় উপস্থিত হন তখন তিনি দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সঙ্গে প্রাণবন্ত পরিবেশে এবং একান্তে আড্ডা দেন এবং নিজ হাতে খাদ্য পরিবেশন করেন। মামুন বর্তমানে কারান্তরীণ এবং শেখ হাসিনার প্রতি যারপরনাই বিরক্ত। তারপরও তিনি শেখ হাসিনার সেই দিনের আন্তরিকতার স্মৃতি কিছুতেই ভুলতে পারেন না।

১৯৮৬ থেকে আজ অবদি অনেকগুলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তিনি প্রচণ্ড দৃঢ়তার সঙ্গে নিয়েছেন। প্রতিকূল পরিবেশ, সহকর্মীদের শত বাধা এবং গণমানুষের চিন্তা-চেতনা সম্পূর্ণরূপে তার বিপক্ষে থাকার পরও তিনি এগিয়ে গিয়েছেন। ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে এবং পরবর্তীতে আবার সংসদ থেকে বের হয়ে আসা চাট্টিখানি ব্যাপার ছিল না। ১৯৯১ সালের পর বিএনপিবিরোধী আন্দোলনে সফলতা, ১৯৯৬ সালের সরকারপ্রধান হিসেবে সফলতা- যেমন মামুলী ঘটনা নয় তেমনি ১/১১'র প্রেক্ষাপটে অতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনোমতেই সাধারণ বলা যাবে না। সব শেষে যে যাই বলুক না কেন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনটি তিনি করেছিলেন একক সিদ্ধান্তে- তাবৎ দুনিয়ার মহাশক্তিধর রাষ্ট্রশক্তির হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে কেবলমাত্র নিজের দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে।

আমি তাকে খুবই কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করছি। প্রথমবার নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন পরাজয়ের পর এবং দ্বিতীয়বার গাজীপুর সিটিতে পরাজয়ের পর। উভয়টিতে আওয়ামী লীগ বড়ই অসম্মানজনকভাবে পরাজিত হয় যদিও তারা জয়লাভের জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করেছিল। দলের সর্বশক্তি এবং প্রশাসনের সর্বশক্তি ব্যবহার করার পর যখন পরাজয়বরণ করতে হলো তখন দলের সর্বস্তরে হতাশা ছড়িয়ে পড়ল। ঠিক সেই সময়ে আমি শেখ হাসিনার দৃঢ়তা দেখেছি এবং তখনই অনুমান করেছিলাম আগামীতে কী হতে পারে।

দেশের অন্যসব নাগরিকের মতো শেখ হাসিনা অবশ্যই জানেন- সারা দেশে আসলে কী হচ্ছে। আমি নিশ্চিত- যখন তিনি দেখবেন পরিস্থিতি তার নিয়ন্ত্রণে নেই তখন তিনি যে কোনো নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবেন। এখন যেমন সব কিছু তার একক সিদ্ধান্তে হচ্ছে তখনো তিনি এককভাবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। দল বা নিজের সর্বনাশ বা অস্তিত্ব নিয়ে তিনি অনেকের চেয়ে বেশি ওয়াকিফহাল। একটি উদাহরণ দিয়ে আজকের লেখা শেষ করব। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি কেমন নির্বাচন হয়েছে তা বোঝার জন্য নিচের উদাহরণটিই যথেষ্ট।

নির্বাচনের পর এফবিসিসিআইর নেতৃত্বে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা গেলেন গণভবনে। সংগঠনটির সাবেক সভাপতি আনিসুল হক প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতেই হাসিমুখে বললেন- তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হওয়ার জন্য আপনাকে স্বাগতম। প্রধানমন্ত্রী মুচকি হাসি দিয়ে বললেন- 'আনিস! আর ইউ সিওর'। ব্যবসায়ী নেতা কোনো উত্তর করতে না পেরে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে পেছনে সরে এলেন। তার সহকর্মীরা তাকে মশকরা করে বলতে লাগলেন- মিয়া পারবেন না তো এগিয়ে গিয়ে কেন ফ্রাটারিং করতে গেলেন? আপনি কি শেখ হাসিনাকে শিশু মনে করেন? তিনি কি জানেন না- তিনি কতবারের এবং কততম প্রধানমন্ত্রী? তিনি কি এও জানেন না যে, কোন কাজে তিনি স্বাগতম শব্দটি উপহার পেতে পারেন কিংবা পারেন না?

লেখক : কলামিস্ট।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা