শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

সংলাপ : শুভ উদ্যোগ নিন

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
সংলাপ : শুভ উদ্যোগ নিন

লেখা যেদিন ছাপা হচ্ছে সেদিন অবরোধের ৩৭তম দিন চলছে। দৈনিক পত্রিকাসমূহের খবর অনুযায়ী রবিবার পর্যন্ত মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছে ৮৫ জন। মাঝে দুই দিন গেল তার প্রথম দিনে অন্তত দুজন মারা গেছেন। দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ মঙ্গলবারের কথা বলতে পারব না কারণ এখন আমি লিখছি। যদি এরকম হতো অন্তত একটা দিন মৃত্যুর সংবাদ ছাড়া যেত তাহলে কতই না ভালো হতো। কিন্তু এই পোড়া দেশে সে রকমটি হওয়ার জো এখন আর নেই। সত্যি সত্যি দেশ এখন একটি মৃত্যুপুরিতে পরিণত। এই অবস্থাকে সামনে রেখেই ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এক গোলটেবিল বৈঠকে মিলিত হন। বিরাজিত পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংকট নিরসনে দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা একটি জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করেন। প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান, এম হাফিজউদ্দিন খান, শফি সামি, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক প্রমুখ এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ড. কামাল হোসেন, সিপিবির সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, বিকল্প ধারার সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব.) মান্নান, জেএসডির সভাপতি আ স ম রবসহ রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকলেও সমাবেশ সুস্পষ্টভাবে ওই বিশিষ্ট নাগরিকদের প্রভাবান্বিত ছিল। আলোচনা ছিল উন্মুক্ত।

৭ তারিখে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিল বৈঠক প্রচণ্ড নাড়া দেয় মানুষকে। কারণ মানুষ সত্যি সত্যি ইতিমধ্যে অধীর হয়ে উঠেছেন। কী যে অবর্ণনীয় ক্ষতি হচ্ছে দেশের তা কারও অজানা নয়। মিডিয়ার বিশেষত ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কল্যাণে দেশের মানুষ চিন্তার দিক থেকে অনেক এগিয়ে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের, এমনকি সাধারণ মানুষেরও টেলিফোন পাই। তারা তাদের উদ্বেগের কথা বলেন। অবরোধ শুরুর দিকে ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলো জানিয়েছিল, অবরোধের কারণে প্রতিদিন ক্ষতির পরিমাণ আড়াই হাজার কোটি টাকার মতো। দুই দিন আগে এক পত্রিকায় পড়লাম এ পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সোজা কথা? আমাদের বাজেটের পরিমাণ কত? অর্ধেকের মতো টাকা তো আগেই নাই হয়ে গেল। ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম আমরা। লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিল, লাখো মা-বোন ইজ্জত। কেন? একটা সুন্দর সম্মানের জীবন পাওয়ার জন্যই তো। একটা শান্তির দীপ গড়ার প্রত্যাশায় হয়তো। অথচ সেই দেশে মানুষ জ্বলছে পেট্রলবোমায়। মরছে পুড়ে অঙ্গার হয়ে। দেশের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এসএসসি হতে পারবে কি পারবে না তা নিয়েই তীব্র সংশয়।

এগুলো তো বন্ধ হতে হবে। সেই বিবেচনা থেকেই নাগরিক সমাজের এই আকুতি, সংলাপের সনির্বন্ধ অনুরোধ। সভায় যিনি সভাপতিত্ব করেছিলেন প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা ইতিমধ্যেই এই আকুতি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বরাবর চিঠি তাদের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

এটা নেহায়েতই একটি নাগরিক দায়িত্ববোধ। একজন মানুষ সমাজ বা রাষ্ট্রের তেমন কেউ নয়, তিনি কি এরকম বোধে জাগতে পারেন না? একেবারেই রাম-শ্যাম, যদু-মধু যদি দেশের বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাপারে কিছু বলতে চায়, তবে কি বলব নাকি, এই বেটা তুই কেরে। তোর ন্যাশনাল আইডি দেখা। সংলাপের প্রস্তাবে সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে তা সচেতন মহলকে রীতিমতো বিস্মিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বিবিসিকে বলেছেন, এখনকার উদ্যোগে শামসুল হুদা ছাড়া অন্য সবার ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আছে বলে তারা মনে করেন। তারা এ মুহূর্তে এ উদ্যোগকে গুরুত্ব দিতে চান না। তাদের নিশ্চয়ই এজেন্ডা আছে। কি সেই এজেন্ডা? ওই একই দিন, সোমবার যে রাতে এইচ টি ইমাম বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন সেদিন দিনের বেলা মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশিষ্ট নাগরিকদের ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলব বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই কুশীলবরা সংলাপের এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। মানে কি দাঁড়াল? এই বিশিষ্ট নাগরিকরা ১/১১-এর কুশীলব কিনা সে নিয়ে মন্তব্য পরে করছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বললেন, এদের নিশ্চয়ই এজেন্ডা আছে, সেটা কি? প্রধানমন্ত্রী নিজেই জবাব দিচ্ছেন- সংলাপ। এর মধ্যে তো কোনো রহস্য নেই। রাগঢাক নেই। তাহলে উষ্মা প্রকাশ করা কেন? সংলাপকেই অপছন্দ তাদের এখন। মিছি মিছি ১/১১-এর কুশীলব বলে গালাগালি কেন? এইচ টি ইমাম কি আলাদা আলাদা করে ব্যাখ্যা করতে পারবেন? উপস্থিত বিশিষ্টজনদের কাদের কাদের এ রকম ভূমিকা ছিল? বরং যারা এখন ক্ষমতায় আছেন তাদের অনেকের ব্যাপারে এ সময়ের অনেক কথা উঠেছে। আমি বলি কি এই নিন্দাবাদের চর্চা বাদ দিন। বিষয়ের মধ্যে আসুন। ৩৬ দিন পরে বলতে পারছেন কি যে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত পত্রিকার খবরে জানা গেল রাতে মহাসড়কে বাস চালানো বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এর মানে কি? একদিন আগেই পত্রিকায় আসল, এখন থেকে নিয়মিত বাস চলাচল করবে। সরকার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেবে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে সেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই বাস না চালানোর ব্যাপারে অনড় অবস্থান নেয়। কেন? এর আগে সরকারের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ দায়িত্বশীল মন্ত্রী ও প্রশাসনের কর্তারা তাদের বক্তব্যে ঢাকার বাইরের অবস্থা খারাপ বলে মন্তব্য করেন। তখন অনেকেই অর্থমন্ত্রীর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বয়স নিয়ে রসিকতা করেছেন। কিন্তু এখন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য সত্যায়িত হলো যে, ঢাকার বাইরের পরিস্থিতি সত্যিই খারাপ।

ঢাকার ভিতরেই বা পরিস্থিতি কি রকম? ঢাকার মধ্যে অবরোধ নেই। মাঝে মাঝে হরতাল ডাকছে ২০ দল তাতে কোনো পিকেটিং নেই। কিন্তু তাতেও অস্বস্তি যাচ্ছে না পরীক্ষার্থীদের। ঢাকার অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে দেখুন তারা তাদের সন্তানদের পরীক্ষা নিয়ে কি উৎকণ্ঠায় আছেন। মিছিল না থাক নাশকতা আছে ঢাকা মহানগরীতে। সরকার পক্ষ মিছিল ঢুকিয়ে দিয়েছেন গুলশানের কূটনৈতিকপাড়ায়। বিদেশি দূতাবাসগুলোর কেউ কেউ পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিচারের পিঠস্থল সুপ্রিমকোর্টে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। এজলাস ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বিচারপতিরা। বিচারকাজ বন্ধ হয়ে গেছে বলে বলা যেতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা থেকে দিলি্লকে যতই আশ্বস্ত করা হোক বাস্তব সে কথা বলছে না। আর দিলি্লকে আশ্বস্ত করার প্রয়োজন পড়ছে কেন? তারা কি উদ্বিগ্ন?

কেন এই পরিস্থিতি? সে আলোচনার মধ্যে আমি যাচ্ছি না। এ সম্পর্কে আমি অতীতে বলেছি। কিন্তু ৭ ফেব্রুয়ারি গোলটেবিল বৈঠকের পর তারা সে বিশ্লেষণে যাননি। তারা পরিস্থিতির গভীরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। কঠোরতম মনোভাব দেখানো সত্ত্বেও সরকারের সাফল্য শূন্যের কোঠায়। অতএব সংলাপের প্রয়োজন। কোনো শর্ত নেই। কে আগে কী করবে এ নিয়েও কোনো বিতর্ক নেই। উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ বলছে সরকার পক্ষ বলুক তারা সংলাপ করবে। আন্দোলনকারীরা বলুক তারা সংলাপের ব্যাপারে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার পক্ষ তো ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাচ্ছেই না। উল্টো তারা বলছেন, অাঁততায়ীর সঙ্গে সংলাপে বসা যেতে পারে না। কী অদ্ভুত কথা। আপনারা শান্তি বাহিনীর সঙ্গে বসতে পেরেছেন, বিডিআরের বিদ্রোহীদের সঙ্গে বসতে পেরেছেন আর এখন বেগম জিয়াকে অাঁততায়ী বলছেন। এই বেগম জিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনা আগে বসেননি? আবদুল জলিল-মান্নান ভূঁইয়ার সংলাপ তো ইতিহাস খ্যাত হয়ে আছে। বলবেন সেই সংলাপ তো সফল হয়নি। কিন্তু ১৯৮৭ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ৮ নভেম্বর ৮৭ পর্যন্ত দুই নেত্রী এককভাবে অথবা তাদের সহযোগীসহ যে বৈঠকগুলো হয়েছিল তা তো সাফল্যের পালকে ভরপুর।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা