শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

অশনি সংকেত! দুর্ভিক্ষ অস্বাভাবিক নয়!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
অশনি সংকেত! দুর্ভিক্ষ অস্বাভাবিক নয়!

আজকের লেখাটি শুরু করার আগে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম রাত প্রায় ১১টা বেজে গেছে। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ নিয়ে হৃদয়ের মধ্যে যে বেদনা অনুভব করছি তা আমার জীবনে কোনো দিন কোনোকালে ঘটেনি। আমি সাধারণত দিনের বেলায় লিখি। অফিসে বসে কাজের ফাঁকে হুটহাট করে নিজের হাতে লিখি। আরও অনেক ব্যস্ত কলাম লেখকের মতো আমি ডিকটেশন দিতে পারি না। আবার কম্পিউটারের কিবোর্ড ব্যবহার করেও লিখতে পারি না। কাগজ ও কলম ছাড়া যেন আমার চলেই না। আমার বন্ধুবান্ধব যারা মূলত বড় বড় করপোরেট ব্যবসায়ী কিংবা উচ্চপদস্থ আমলা- তারা আমার লেখালেখি নিয়ে প্রায়ই বিস্ময় প্রকাশ করে। কারণ ব্যবসায়ী হিসেবে আমার ব্যস্ততা তাদের চেয়ে কম হওয়ার কথা নয়- যেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, সভা-সমিতি, সেমিনার, দেশ-বিদেশ ভ্রমণ, ধর্ম-কর্ম এবং সাংসারিক কর্ম সম্পাদনের পর দৈনিক গড়ে প্রায় পনেরশ' শব্দ লেখার ঝক্কি-ঝামেলার হিসাব তারা মেলাতে পারে না। এতদিন ধরে আমার নিজেরও প্রশ্ন ছিল। আজ আমার লেখাগুলো হুটহাট করে বের হয় কীভাবে! উত্তর বের করতে পারিনি, তবে ৫ জানুয়ারি, ২০১৫ সালের অব্যাহত অবরোধের কারণে আমার সেই প্রশ্নের উত্তর আমি পেয়ে গেছি।

আমার নিত্যদিনকার কর্মে ছিল অফুরন্ত শান্তি, স্থিতি এবং দুই চোখজুড়ে ছিল রাজ্যের সব স্বপ্ন। ফলে চিন্তার জগতে নিমজ্জিত হয়ে ঝটপট কোনো কিছু লিখে ফেলা কোনো ব্যাপারই ছিল না। কিন্তু ইদানীংকালে আমি আর পারছি না। চারদিকের সীমাহীন অশান্তি, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস, মানুষের নির্মম অকাল মৃত্যু এবং পাষাণ-পাষাণীদের রণহুঙ্কার আমার চিন্তাচেতনাকে বিনষ্ট করে দিচ্ছে। আমার সাজানো-গোছানো ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিপাটি অর্থনৈতিক সঙ্গতি এবং মানসিক শান্তি যেন হাসপাতালগুলোর বার্ন ইউনিটের লোকজনের আহাজারির সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে। তাই আগের মতো অফিসে বসে কাজের ফাঁকে লিখতে পারি না।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কেবল আমি নই- দেশের সব আমজনতা তাদের দৈনন্দিন কর্মস্পৃহা হারিয়ে ফেলেছে। যারা দেশকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন তারা স্পষ্টতই বুঝতে পারছেন যে সর্বগ্রাসী বিপদ পুরো জাতিকে অক্টোপাসের মতো অাঁকড়ে ধরে আছে। আদতে সেগুলো ছিল ছোট ছোট সমস্যা। ঘটনা পরিক্রমায় তা হয়ে পড়েছে হিমালয়সম উঁচু। দেশের অর্থনীতি, সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক সম্পর্ক, স্থিতিশীলতার দেয়াল পুরোপুরি ভেঙে পড়তে বসেছে। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন কিংবা আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছেন তারা যদি এখনো সজ্জন এবং সচেতন না হন তাহলে এই জাতির ইতিহাসে খুব শিগগিরই একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ এবং সিভিল ওয়ার বা গৃহযুদ্ধের কলঙ্ক যুক্ত হবে তা প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায়।

সরকারের যেসব লোক উঁচু গলায় উন্নয়নের কথা বলছেন তারা কি জানেন আমাদের দেশের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা কেমন? দেশের সব বীমা, ব্যাংক, লিজিং কোম্পানিসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মূলধন সাকুল্যে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হবে না। এসব প্রতিষ্ঠানে দেশের জনগণ এবং সরকারের মোট স্থায়ী আমানতের পরিমাণ মাত্র এক লাখ কোটি টাকার মতো। অস্থায়ী আমানত এবং চলতি হিসাবে লেনদেনকৃত অর্থের পরিমাণ সর্বোচ্চ দুই লাখ কোটি টাকার মতো। ব্যাংকগুলো এযাবৎকালে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ কোটি টাকার মতো ঋণ বিতরণ করেছে। দেশের সব পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ মাত্র তিন লাখ কোটি টাকা। আমাদের অর্থনীতির অর্থবাজারের এই যে ব্যাপ্তি তা ভারতের যে কোনো বড়মানের একটি প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও কম।

এবার সরকারের আয়-রোজগারের দিকে একটু তাকানো যাক। বর্তমানে দেশের ৮৫% অর্থাৎ জাতীয় বাজেটের ৮৫% আসে বিভিন্ন শুল্ক এবং ভূমিকর, স্ট্যাম্প প্রভৃতি থেকে। এর মধ্যে সিংহভাগ অর্থাৎ প্রায় ৯৫ ভাগ অর্থ আসে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট এবং আয়কর থেকে। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার আমদানি শুল্ক আদায়ের টার্গেট রয়েছে। কিন্তু গত তিন মাসে টার্গেট পূর্ণ হয়নি। হরতাল-অবরোধের কারণে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে অর্ধেক টার্গেটও পূর্ণ হবে না। অর্থাৎ গত তিন মাস এবং আগামী তিন মাস মিলিয়ে কেবল আমদানি খাতেই রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। আমদানির ওপর নির্ভর করে অগ্রিম আয়কর এবং ভ্যাট। এই খাতে কম আদায়ের সম্ভাবনা প্রায় হাজার কোটি টাকা। তাহলে দেখা যাচ্ছে মার্চ মাস পর্যন্ত সরকারের আয়ে ঘাটতি দেখা দেবে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

এবার সরকারের ব্যয়ের খাতটি নিয়ে একটু আলোচনা করি। হরতাল-অবরোধের জন্য কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে মার্চ অবধি অতিরিক্ত খরচ করতে হবে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। বিআরটিসি, রেলওয়ের ক্ষয়ক্ষতিও ৫০০ কোটি টাকার কম হবে না। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সরকারি মালিকানাধীন শিল্পকারখানায় ভর্তুকি এবং লোকসানের পরিমাণ হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত দেনা এবং ৫০ হাজার কোটি টাকার লোকসান গুনে এগুতে হবে বর্তমান বা ভবিষ্যৎ সরকারকে যদি বর্তমান সমস্যা ইনশাল্লাহ মার্চের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। সরকারি খাতের কম আয় এবং অতিরিক্ত ব্যয় মিলিয়ে বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা করতে হবে ৬০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে দেশবাসীর লোকসান হচ্ছে প্রতিদিন আড়াই হাজার কোটি টাকা। মার্চ মাস পর্যন্ত এই ক্ষতির পরিমাণ হবে দুই লাখ পনের হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ক্ষতির দায় বহন করার ক্ষমতা আমাদের সরকারের যেমন নেই, তেমনি বেসরকারি খাতেরও নেই। দেশের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামছেন। সরকারের কথামতো হরতালের মধ্যে অনেকে মার্কেট খোলা রাখার চেষ্টা করছেন; কিন্তু ক্রেতা নেই। উল্টো দোকানগুলো খোলা রাখার জন্য দৈনিক অতিরিক্ত হারে কর্মচারীদের মজুরি গুনতে হচ্ছে। আখেরে ফলাফল উল্টো লাভ না হয়ে ক্ষতি হচ্ছে।

আগামীদিনে হরতাল-অবরোধের মধ্যে সরকারের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ বিপদ হিসেবে উপস্থিত হবে শ্রমিক বিদ্রোহ। আমাদের দেশের সবচেয়ে শ্রমঘন শিল্প হলো গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি। প্রায় ৪০ লাখ লোক সরাসরি এই সেক্টরে কর্মরত যার ৯৫%-ই হলো শ্রমিক। শুধু বাংলাদেশই নয়, সারা দুনিয়াতে গার্মেন্ট হলো দিন এনে দিন খাওয়ার মতো শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এদের পুঁজি বলতে বিল্ডিং এবং সেলাই মেশিনসহ অন্যান্য ভৌতিক কাঠামো। এদের চলতি মূলধন হলো ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে পিসি বা সিসি লোন। ক্ষেত্রবিশেষের এঙ্পোর্ট ডকুমেন্টের বিপরীতে ব্যাংক ঋণ। নিজস্ব সঞ্চয়ী হিসেবে আগামী তিন মাসের বেতন-বোনাস সংরক্ষিত রয়েছে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাংলাদেশে ৫০টিও আছে কিনা সন্দেহ। প্রত্যেকটি গার্মেন্টশিল্পকে মাস শেষে বেতনের জন্য ব্যাংকে গিয়ে ধরনা দিতে হয়। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন কোনোমতে দিতে পারলেও মার্চ মাসে গিয়ে বেশির ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিপদে পড়বে। তাদের নগদ সহায়তা দেওয়ার মতো সুযোগ এবং সামর্থ্য ব্যাংক, বীমা বা সরকারের নেই। ফলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসবে। শুরু হবে নতুন সামাজিক বিপর্যয়।

দেশের আবাসনশিল্পে মন্দা যাচ্ছে সেই ২০১৩ সাল থেকেই। ২০১৪ সালে এসে এই মন্দা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বর্তমানে এই সেক্টরে লোকজন যে কী অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন তা কেবল ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবে। গার্মেন্ট-আবাসন ছাড়াও দেশের উদীয়মান অন্যসব উৎপাদনমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সেবা খাতও বর্তমান অরাজকতার কারণে মারাত্দক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। সবচেয়ে বিপদে পড়েছে প্রান্তিক চাষি এবং দিনমজুরের মতো খেটে খাওয়া মানুষ। দেশের সার্বিক কৃষি ব্যবস্থায় হরতাল-অবরোধের কারণে একদিকে যেমন চলতি মৌসুমের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, বিক্রয় ও বিপণনে সীমাহীন লোকসান গুনতে হচ্ছে তেমনি আগামী মৌসুমের চাষাবাদে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা যা কিনা আমাদেরকে বিরাট এবং ব্যাপক শস্য ঘাটতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই ঘাটতি শেষাবধি ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ এক দুর্ভিক্ষের।

বর্তমান বিশ্বে কোনো দেশ দুর্ভিক্ষকবলিত হয়ে চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম কেবল বাংলাদেশ ছাড়া। আর আমরা সেই বিপদে পড়ব কেবল আমাদের খাদ্যাভ্যাসের জন্য। আমরা পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা কিনা তাদের খাবারের ৯০ ভাগ চাহিদাপূর্ণ করি ভাত দ্বারা। বাকি ১০ ভাগ অন্যান্য তরিতরকারী এবং পানীয় দ্বারা। বাংলাদেশিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য অর্থাৎ চাল এককভাবে সরবরাহ করতে পারে এমন কোনো দেশ দুনিয়ায় নেই। বিশ্বের চাল উৎপাদনকারী দেশের সংখ্যা এবং উৎপাদনের পরিমাণ কমছে। এ অবস্থায় টাকা থাকলেও আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় চাল আমদানি করতে পারব না। ওই অবস্থায় যদি কেউ আলু খাবার পরামর্শ দেয় তবে তার টাকু মাথা ফাটিয়ে আলুভর্তা বানিয়ে জনগণ ক্রোধের আগুনের জ্বালা মেটাবে।

ভবিষ্যৎ দুর্ভিক্ষের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসবে ডায়রিয়া নামক মরণব্যাধিটি। এমনিতেই আমাদের পেট সারা বছর খারাপ থাকে। ফলে পেট থেকে উৎপন্ন হয় কোটি কোটি টন বিষাক্ত গ্যাস এবং লাখো কোটি টন ততধিক বিষাক্ত বর্জ্য। স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের প্রকৃতি অলৌকিকভাবে আত্দীভূত করে নেয়। কিন্তু বিশাল জনসংখ্যার মাত্র ১০ ভাগ লোক যদি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয় তাহলে প্রকৃতির শুষে নেওয়ার সেই আত্দীভূত ক্ষমতা লোপ পাবে। আমাদের অতীত দুর্ভিক্ষের তুলনায় ভবিষ্যৎ দুর্ভিক্ষ কমপক্ষে এক হাজার গুণ বেশি ভোগাবে ডায়রিয়া নামক রোগটির দ্বারা আর এটি হবে ভয়াবহ পরিবেশ দূষণ, অধিক জনসংখ্যা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং সুপেয় পানির অভাবে। আর সেই দিন সেই বিপর্যয়ের দুর্গন্ধময় আক্রমণ থেকে বাংলাদেশের কোনো ভবনই রক্ষা পাবে না।

দেশের চলমান হরতাল-অবরোধের হাজারো নেতিবাচক পরিণতির মধ্যে আমি কেবল অর্থনৈতিক সেক্টরের কয়েকটির কথা বললাম। এর বাইরে চুরি, ডাকাতি, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, মিথ্যাচার, অনাচার, বিকৃত মনমানসিকতা, পতিতাবৃত্তি, নেশা, মারামারি, কাটাকাটি ইত্যাদি বাড়তে থাকবে জ্যামিতিকহারে। আর তখন আজকের গণ্ডগোলের উৎপাদনকারী প্রক্রিয়াজাতকারী, মদদদানকারী, বিপণনকারী এবং ভোক্তাদের চাঁন্দের দেশে পালাতে হবে অথবা জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মিশে যেতে হবে মাটির সঙ্গে।

লেখক : কলামিস্ট।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা