শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

থামতে একদিন হবেই, আগেই থামুন

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
থামতে একদিন হবেই, আগেই থামুন

অবরোধ-হরতাল, সহিংসতা-নাশকতা, বন্দুকযুদ্ধ-ক্রসফায়ার ইত্যাকার শ্বাসরুদ্ধকর এবং বিভীষিকাময় বিষয়গুলো যখন শান্তিপ্রিয় জনগণকে চরম আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও গভীর হতাশার মধ্যে নিমজ্জমান রেখেছে, তখন জাতীয় সংলাপের একটি প্রস্তাব জাতীয় রাজনীতিকে হঠাৎই যেন একটা দোলা দিয়ে গেল। সংলাপের কথা বলা হচ্ছে অনেক আগে থেকে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত দশম সংসদ নির্বাচনের আগে জাতিসংঘ মহাসচিবের দূত তারানকো সাহেবের সেই দূতিয়ালী এবং তার উপস্থিতিতে বিবদমান পক্ষসমূহের মধ্যে কিছু কথাবার্তা-সংলাপের কথা মিডিয়ায়ও এসেছিল। কিন্তু সেই সংলাপ শেষ পর্যন্ত 'সংলাপে' পর্যবসিত হয়েছিল। ফলে নির্বাচনটি হয়ে গেল সম্পূর্ণ একপক্ষীয়ভাবে 'আমরা আর মামুরা'দের মধ্যে। জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ অনেক বিদেশি বন্ধুরাষ্ট্র ও উন্নয়ন সহযোগী সেই নির্বাচনকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে বিবেচনা করেনি। তারা এখনো তাদের সেই মনোভাব পরিবর্তন করেনি। শুধু তাই নয়, দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে অর্থবহ সংলাপের প্রস্তাবও তারা দিয়ে চলেছে অবিরাম। কিন্তু সরকার তা আমলেই নিচ্ছে না। ৯ ফেব্রুয়ারি নাগরিক উদ্যোগের নামে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনকল্পে একটা জাতীয় সংলাপ আয়োজনের জন্য প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে 'নাগরিক ঐক্যের' উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে। প্রস্তাবটি সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডক্টর শামসুল হুদার স্বাক্ষরে পাঠানো হলেও তাতে উদ্যোক্তারা কিছু ভুল করেছেন বলে মনে হয়। যে সংগঠনের ব্যানারে গোলটেবিল বৈঠকটি হয়েছে তা কোনো অরাজনৈতিক সংগঠন নয়- একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল গঠন বা একটি সমন্বিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভ্রূণ বা উদ্যোগ বলেই তা বিবেচিত। সাবেক ডাকসু ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মান্না এর আহ্বায়ক। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনও উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ছিলেন ডাকসুর আরেক সাবেক সহ-সভাপতি ও শাসক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুরও। ফলে একে পরিপূর্ণ নাগরিক উদ্যোগ বলতে চাননি সমালোচকরা। রাজনীতিবিদরা নাগরিক সমাজের বাইরের লোক নন ঠিক, কিন্তু এ ধরনের একটি উদ্যোগের সঙ্গে পরিচিত রাজনৈতিক নেতারা জড়িত থাকলে তার নিরপেক্ষ নাগরিক চরিত্র প্রশ্নবিদ্ধ হয়েই যায়। যদি একে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে 'তেতো' বের করার দুষ্টবুদ্ধি বা কু-মতলব কারও থাকে, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। সরকার সে সুযোগই নিয়েছে। তবে আমি মনে করি, উদ্যোগটি সৎ ও নির্মোহ। বর্তমান শ্বাসরুদ্ধকর জাতীয় পরিস্থিতিতে এ ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি। সে দাবি তারা মিটিয়েছেন। তাদের প্রস্তাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পেয়েছে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায়। সরকারের সর্বোচ্চ মহল- খোদ প্রধানমন্ত্রী কঠোর মনোভাব নিয়ে এ ব্যাপারে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেছেন, 'খুনিদের সঙ্গে কীসের সংলাপ?' গত ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে বোমায় দগ্ধদের দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এতে সংলাপের জন্য নাগরিক প্রস্তাব সম্পর্কে সরকারের মনোভাব ও অবস্থান স্পষ্ট হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী নিজে প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ না করলেও পারতেন। সরকার বা দলের অন্য কাউকে দিয়ে নিজেদের কথাটা জানিয়ে গণপ্রতিক্রিয়াটা যাচাই করতে পারতেন। এ বিষয়েও প্রস্তাবের উদ্যোক্তাদের একটা ভুল হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। এদের মতে, ডক্টর কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না, সুলতান মুহাম্মদ মনসুর প্রমুখের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব দীর্ঘদিন ধরেই নেতিবাচক। সোজা বাংলায় প্রধানমন্ত্রী এদের মোটেই পছন্দ করেন না। এরা এক সময় ডাকসাইটে আওয়ামী লীগার ছিলেন। ড. কামাল হোসেন তো ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হওয়ার পেছনে যে ক'জন মুখ্য ভূমিকা পালন করেন ড. কামাল ছিলেন তাদের অন্যতম। বিচারপতি আবদুস সাত্তারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলসমূহের সমর্থিত আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে এই ধারণা প্রতিষ্ঠিত যে, দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চাসহ বিভিন্ন মতাদর্শগত কারণে তিনি আওয়ামী লীগ ছাড়তে বাধ্য হন। 'জো হুজুরের' রাজনীতি করাও তার মতো ব্যক্তিত্বের পক্ষে সম্ভব ছিল না। দলত্যাগের পর থেকেই দুজনের পারস্পরিক সম্পর্ক বৈরী। বাকি দুজন দলের ভালোর জন্য সংস্কার চেয়েছিলেন। তা পছন্দ হয়নি দলনেত্রীর। ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তীকালে সংস্কারের মূল ও প্রকাশ্য প্রস্তাবক আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক (মরহুম), সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রমুখ ক্ষমতার অংশীদারিত্বের লোভে ও মোহে ক্ষমা চেয়ে বশ্যতা স্বীকার করলেও উল্লিখিত দুজন তা করেননি। দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা না হলেও তাদের আর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাখা হয়নি। সম্পর্কটা তো খারাপ থাকারই কথা। প্রধানমন্ত্রী যাদের পছন্দ করেন না বা যাদের ওপর কোনো না কোনো কারণে ক্ষুব্ধ, সংলাপ প্রস্তাবের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তারা যুক্ত আছেন দেখলে সেই প্রস্তাব পড়ে দেখার আগেই যে প্রধানমন্ত্রী ছুড়ে ফেলে দেবেন তা বোধহয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রাক্কালে ভাবা হয়নি- যদিও উদ্যোগটি সৎ ছিল বলে ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এ ধরনের একটি প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে উত্থাপন করাই যুক্তিযুক্ত। তাহলে প্রস্তাবকের নাম দেখেই মন্ত্রী-নেতাদের চুল খাড়া হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতির উদ্ভব হয় না। এদের নাম উদ্যোগের পেছনে যুক্ত না থাকলেই এমন একটি সংলাপের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী লুফে নিতেন তেমন কথা বলছি না। তবে তার রি-অ্যাকশনটা এমন কড়া হতো না বলে মনে হয়। শুধু নাগরিক সমাজের উদ্যোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এই উদ্যোগ থেকে সরে গেছেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি উদ্যোক্তাদের যে সংবাদ সম্মেলনের দৃশ্য দেখা গেছে তাতে রাজনৈতিক নেতাদের কাউকে দেখা যায়নি। ১৩ জনের যে কমিটি করা হয়েছে তাতেও কোনো রাজনৈতিক দলের কাউকে রাখা হয়নি। এটাকে এখন স্রেফ নাগরিক উদ্যোগই বলতে হবে। বর্তমান এই অসহনীয় পরিস্থিতির কবল থেকে শুধু নাগরিক সাধারণকে রক্ষার জন্যই নয়, রাষ্ট্রের কল্যাণেও বিবদমান পক্ষসমূহকে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে শান্তিপূর্ণ একটা সমাধানের পথ বের করার উদ্যোগ গ্রহণ খুবই জরুরি। উল্লেখ্য, ক'দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ প্রায় একই ধরনের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

তিনি এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছেও চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু তার গায়ে বিএনপির গন্ধ আছে। আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরাও এখন দলীয়ভাবে বিভক্ত। কেউ আওয়ামী বুদ্ধিজীবী, কেউ বিএনপি বুদ্ধিজীবী। এত বড় বিদ্বান-পণ্ডিতরাও এখন দলবাজিতে জড়িয়ে গিয়ে মানুষকে হতাশ করছেন। দেশের চেনাজানা বুদ্ধিজীবীদের নাম শুনলে কিংবা টিভি পর্দায় চেহারা দেখলেই মানুষ বলে দিতে পারেন তিনি বিএনপি বুদ্ধিজীবী নাকি আওয়ামী বুদ্ধিজীবী। এমনকি কোনো আলোচনায়-বিতর্কে কে কি বলবেন তা-ও বলে দিতে পারেন দর্শক-শ্রোতারা। অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের প্রস্তাবটি মার খেয়েছে তার সম্পর্কে দলীয় সম্পৃক্ততার ধারণার কারণে। কিন্তু ডক্টর শামসুল হুদা, ডক্টর আকবর আলি খান, ডক্টর শাহদীন মালিক প্রমুখ কোনো দলীয় কাদায় এখন পর্যন্ত পা দেননি। এরা কোন দলের পক্ষে কাজ করছেন তা বলা যাবে না। তবে তাদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর একটা সমালোচনা খুবই যথার্থ বলেই মনে হয়। তারা বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনকে সংলাপে বসা বা সংলাপের আয়োজন করার জন্য চিঠি দিয়েছেন কিন্তু বর্তমান সহিংসতা-নাশকতার নিন্দা করেননি, যারা এসবের সঙ্গে জড়িত তাদের এই জঘন্য অপকর্ম থেকে নিবৃত্ত হওয়ার কোনো আহ্বান জানাননি। নাগরিক সাধারণ তো উদ্যোক্তাদের বলতেই পারে যে, আগে তো আগুন, পেট্রলবোমা, গুলি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচানোর জন্য এগুলো থামানোর ব্যবস্থার কথা বলুন; প্রথম বাক্যে এটা বলে পরে এর মূল কারণ ঘুচিয়ে ভবিষ্যতে রাজনীতির নামে এসব মানুষ মারার যজ্ঞ যাতে না চলে তার পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করার কথা বলুন। আশা করতে চাই, নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সমঝোতা ও সংলাপের মাধ্যমে আসল রাজনৈতিক অসুখ সারানোর উদ্যোগ গ্রহণকারীরা এ ব্যাপারে মুখ খুলবেন এবং সন্ত্রাস-সহিংসতা-নাশকতার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হবেন। এই লেখা প্রেসে যাওয়ার আগে জানা গেল, উদ্যোক্তারা সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য নাশকতা বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীদের প্রতি। এতে তাদের শুভ উদ্যোগের পক্ষে জনমত আরও প্রবল হবে।

নাগরিক উদ্যোগের সূচনায় কিছুটা ত্রুটির কথা বলা হলেও এর পেছনে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য কাজ করেছে মনে হয় না। কিন্তু এই ব্যাপারে সরকারি মহলের প্রতিক্রিয়া সাধারণ মানুষ ভালো চোখে দেখছে না। মানুষ বর্তমান শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি চায়। এটা তো স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখন পর্যন্ত সরকার ব্যর্থ। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যাপারে তাদের বার বার তারিখ ঘোষণা এবং লম্বা লম্বা কথা সব ফাঁকা আওয়াজে পরিণত হয়েছে। অপরদিকে বিএনপি নাশকতার সঙ্গে জড়িত নয় বলে ঘোষণা দিলেও নাশকতা অব্যাহত আছে ২০ দলের ডাকা টানা অবরোধ ও হরতালের ছাতার নিচে থেকেই। তারা বিএনপিকে ডিফেইম করে জনগণের কাছে পচিয়ে দেওয়ার কৌশল হিসেবে সরকারই সব নাশকতা করাচ্ছে বলে যা বলছে তার পক্ষে সবল কোনো যুক্তি নেই। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জসহ কিছু জায়গায় পেট্রলবোমা হামলা, বোমা তৈরি, বোমা তৈরির মালামাল উদ্ধার, গ্রেফতার ও বোমাবাজের পক্ষে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগ ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে থাকলেও বেশি অভিযোগ ছাত্রদল-যুবদল ও জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে। নাশকতায় এ পর্যন্ত ছাত্রদল-যুবদলের গ্রেফতারকৃতের সংখ্যা ১০২ এবং জামায়াত-শিবিরের ৮৪। সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ আংশিক সত্য বলে ধরে নিলেও বিএনপি-জামায়াত জোট সহিংসতা-নাশকতার দায় এড়াতে পারে না। যারা নাশকতা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা তারা বলছেন না। তাদের দল বা অঙ্গদলের লোকেরা নাশকতার সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণিত হলে কিংবা হাতেনাতে ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তাদের অনাপত্তির কথাও তারা বলছে না এবং দলীয় লোকদের এসব অপকর্মে জড়িত না হওয়ার প্রকাশ্য কোনো নির্দেশও দিচ্ছে না। ফলে সব কিছুই রহস্যময় থেকে যাচ্ছে। সহিংসতা, নাশকতা হচ্ছে, নিরীহ মানুষ দগ্ধ হয়ে মারা যাচ্ছে, বার্ন ইউনিটে যন্ত্রণাকাতর মানুষ কাতরাচ্ছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটছে, সংঘর্ষেও মানুষ মারা যাচ্ছে- এটাই বাস্তব, এটাই সত্য। ১৩ ফেব্রুয়ারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী অবরোধের ৩৯ দিনে নিহতের সংখ্যা ৮৭। এর মধ্যে পেট্রলবোমা ও আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন ৫২ জন, ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন ১৯ জন, সংঘর্ষে ১৩ জন এবং অন্যান্য ৩ জন। যানবাহনে আগুন ও ভাঙচুরের সংখ্যা ১০৮৪, রেলে নাশকতা হয়েছে ১১ দফা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি একে অপরকে নিঃশেষ না করে থামতে চাইছে না। কিন্তু এটা একটা অসম্ভব চিন্তা। জনগণের মধ্যে দুই দলের অবস্থানই এমন যে, কাউকে নিঃশেষ করে দেওয়া সম্ভব নয়। বরং 'রাজায় রাজায় যুদ্ধে উলু খাগড়ারই প্রাণ' যাবে। তাতে তাদের কী লাভ হবে? সাধারণ মানুষ কেন বলির পাঁঠা হবে? এভাবে চলবে না, চলতে পারে না। গণপ্রতিরোধের মুখে পড়ে অথবা বিবেকের দংশনে কিংবা ক্লান্ত ও ব্যর্থ হয়ে তাদের উভয়কে থামতে একদিন হবেই, আগেই থামেন না কেন? না থামলে আন্দোলনকারী এবং নিয়ন্ত্রণকারী পক্ষ উভয়কেই এর দায় নিতে হবে।

এই সময়ে নাগরিক সমাজের প্রস্তাব তাই সর্বত্র গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হচ্ছে। সর্বত্র এখন এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অনুকূল জনমতও গড়ে উঠছে। সরকারের উচিত হবে নেতিবাচক অবস্থান পরিবর্তন করে প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটা স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হওয়া এবং বিএনপির উচিত আলোচনা-সংলাপের পথ উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে অনতিবিলম্বে তাদের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার বা স্থগিত ঘোষণা করা। নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি তেমন আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকার তার সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে পারে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত ও বিচারাধীন আসামিরা ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের অন্য নেতা-কর্মী-রাজবন্দীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরুর মধ্য দিয়ে।

এরপরই মূল বিষয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে। জাতিসংঘের মধ্যস্থতার কথা বলছেন কেউ কেউ। কেউবা আরও কারও হস্তক্ষেপের কথা বলছেন। কিন্তু কেন? কারও সঙ্গে আলোচনা ও মধ্যস্থতা ছাড়া যে জাতি নিজের দেশকে স্বাধীন করে ফেলতে পারে, নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসনে বিদেশিদের মুখাপেক্ষী হওয়া সেই জাতির জন্য বড়ই লজ্জার, অপমানের। মূল বিরোধীয় বিষয় তো ২০১৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচন। ৩০০ সংসদীয় আসনের ১৫৩টিতেই কোনো প্রত্যক্ষ নির্বাচন হয়নি- যা সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদের নির্দেশ। বাকি ১৪৭ আসনেও ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ছিল নিয়ম রক্ষার দশম সংসদ নির্বাচনের পর আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দশম সংসদ ভেঙে দিয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। ২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষিত হলেই বর্তমান সংকট থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। কীভাবে তা করা যায় সে ব্যাপারেই প্রয়োজন আলোচনা, সংলাপ। তবে এই সংলাপে ভবিষ্যতের একটি স্থায়ী নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক দলের আচরণবিধিরও ফয়সালা হওয়া উচিত। দরকার এ ব্যাপারে একটা জাতীয় সনদে সবার সম্মত হওয়া। সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। সমঝোতা ও সমাধানে না পৌঁছলে পরিণতি কারও জন্যই শুভ নয়।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা