শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১১ মার্চ, ২০১৫

মিথ্যাচার ও বিদেশনির্ভর রাজনীতি

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
মিথ্যাচার ও বিদেশনির্ভর রাজনীতি

দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলা অবরোধ ও হরতাল এবং সেই সঙ্গে সহিংসতা, অগ্নিদগ্ধ মানুষের যন্ত্রণা, অন্যদিকে ক্রসফায়ারের নামে মানুষ হত্যা এবং গণতন্ত্র হত্যা- দুইয়ে মিলে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে, দেশবাসী তার থেকে পরিত্রাণ চায়। কিন্তু ভাবগতিক দেখে মনে হয় সহসা এই বিভীষিকা থেকে মুক্তি মিলছে না। এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, গত দুই মাসে দুপক্ষের সহিংসতায় মারা গেছেন ১১৫ জন। তার মধ্যে পেট্রলবোমা ও আগুনে পুড়ে মারার সংখ্যা ৬২ জন। বন্দুকযুদ্ধ ও তথাকথিত গণপিটুনিতে মৃত্যু ৩৬ জন। সংঘর্ষ, \'গুলিবিদ্ধ লাশ\' ও \'সড়ক দুর্ঘটনায়\' ১৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

দুই বিবদমান পক্ষের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তার সঙ্গে কিন্তু জনগণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিরোধী পক্ষ হরতাল-অবরোধ চালিয়ে যেতে পারলেও জনগণকে রাস্তায় নামাতে পারেনি। হয়তো বলা হবে যে, বিরোধী দলকে তো শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশই করতে দেওয়া হচ্ছে না। রাস্তায় নামলেই তো গ্রেফতার। এমনকি ক্রসফায়ারের আশঙ্কাও আছে। এই অভিযোগের সত্যতা আছে। তবু বলব, জনগণের পক্ষের সত্যিকারের সংগ্রামী দল হলে তো প্রতিকূল পরিবেশেও মানুষ রাস্তায় নামতো। কিন্তু বিএনপি বা খালেদা জিয়ার জন্য মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেন রাস্তায় নামবে? স্বচ্ছ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে হয়তো নেগেটিভ ভোটে বিএনপির জেতার সম্ভাবনা ছিল। গত বছরের উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল দেখে তাই মনে হয়। কিন্তু নির্বাচনে ভোট দেওয়া এক জিনিস আর জানবাজি রেখে রাস্তায় নামা আরেক জিনিস।

বিরোধী জোট দুই মাস ধরে অবরোধের পাশাপাশি হরতালও দিচ্ছে। এই হরতাল ডাকার একটা প্যাটার্ন তৈরি হয়েছে। প্রথমে রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টা এবং তারপর আরও ৪৮ ঘণ্টা বর্ধিত করা হয়। মনে হয়, যেন তারা আন্দোলনের নামে তামাশা করছেন। এই তামাশার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ঢাকা শহরে হরতাল-অবরোধ কোনোটাই কার্যকরী নয়। ঢাকার বাইরে বোমাতঙ্কে হরতাল হচ্ছে। প্রধানত দূরপাল্লার যানবাহন দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি হচ্ছে না। সাধারণ গরিব মানুষ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিন্তু জনগণের নাম নিয়ে রাজনীতি করা বিএনপি মানুষের ভালোমন্দ নিয়ে কবে ভেবেছে? বিগত ছয় বছরে বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় বিএনপি গরিব মধ্যবিত্তদের দাবি নিয়ে কোনো একটি সভাও করেনি। তাদের কোনো আর্থ-সামাজিক কর্মসূচিও নেই। এভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ ডাকা চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বহন করে।

অন্যদিকে সরকারও সমভাবে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। তারা রাজনৈতিক সংকটের কথা অস্বীকার করে মিথ্যাচার ও ফ্যাসিসুলভ আচরণ করে চলেছেন। একটি বিখ্যাত কথা আছে \'ট্রুথ ইজ দ্য ফাস্ট ক্যাজুয়েলিটি অব ওয়ার\' অর্থাৎ যুদ্ধে প্রথম যা বলি হয় তা হলো \'সত্য\'। বর্তমানে দুই বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যে সেই সত্য নামক শব্দটি সবচেয়ে বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। প্রথমে দেখা যাক, বিরোধীপক্ষ কিভাবে মিথ্যাচার করেছে। ছয়জন মার্কিন কংগ্রেসম্যানের নামে যুক্তরাষ্ট্রের বিএনপি নেতারা যে জাল বিবৃতি দিয়েছিলেন তা দলটির চরম দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করে। প্রথমত, মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ। দ্বিতীয়ত, বিদেশ-নির্ভরতা। একইভাবে ভারতের শাসক দল বিজেপি সভাপতি অমিত শাহর সঙ্গে ফোনালাপ নিয়েও সংশয় আছে।

এ ধরনের মিথ্যা বিবৃতির উদ্দেশ্য কি? জনগণ এবং হতাশ হয়ে যাওয়া দলের কর্মীদের আশ্বাস দেওয়া যে, বিদেশি রাষ্ট্রসমূহ আমাদের সঙ্গে আছে। জনগণের ওপর আস্থা থাকলে বিদেশিদের দিকে তাকাতে হয় না। বিদেশ-নির্ভরতা শাসক দল আওয়ামী লীগ এবং জোট সরকারেরও বৈশিষ্ট্য। একই সঙ্গে তারা সত্যের অপলাপ করে চলেছেন অবলীলাক্রমে। কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া যাক। প্রথম দেখা যাক তারা বিরোধী দলকে দমনের জন্য কি ধরনের নিকৃষ্ট কৌশল গ্রহণ করেছেন এবং একই সঙ্গে সত্যের অপলাপ করে চলেছেন। ক্রসফায়ার বা বন্দুক যুদ্ধের নামে মিথ্যা নাটক সাজানোর ব্যাপারটি তো বেশ পুরনো। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গণপিটুনির নামে বিচার-বহির্ভূত হত্যা। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে মিরপুরের কাজীপাড়ায় তিন তরুণ গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়। তারা নাকি নাশকতামূলক কাজ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন এবং গণপিটুনিতে নিহত হন। কিন্তু পরদিনই পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা যায় তিনজনের দেহে অন্তত ৫৪টি গুলি রয়েছে। এমনকি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান পর্যন্ত মন্তব্য করেছেন \'আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা দেখে মনে হয় তারা ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার করেছেন। এ ক্ষেত্রে এমন কয়েকটি ঘটনাও ঘটেছে। অনেক সময় বন্দুক যুদ্ধের পর নিহত ব্যক্তির পাশে পেট্রলবোমা রাখা হচ্ছে।\' (বাংলাদেশ প্রতিদিন-৬ মার্চ ২০১৫)

ইতিপূর্বেও আমরা দেখেছি খালেদা জিয়ার কার্যালয় তালা মেরে বলা হচ্ছে যে তিনি অবরুদ্ধ নন। বালুর ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ করার পরও জনৈক মন্ত্রী বলেছেন, বাড়ি মেরামত করার জন্য বালুর ট্রাক রাখা হয়েছে। এ সবই নিকৃষ্ট ধরনের মিথ্যাচার। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিকৃষ্ট ধরনের কৌশল। যথা বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেওয়া, অথবা বাইরে থেকে খাবার আনতে না দেওয়া। এসব কর্মকাণ্ড অতি নিকৃষ্ট সাংস্কৃতিক মান ও রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয় বহন করে। বিবদমান দুদল যে ধরনের অতি নিম্নরুচি ও সংসৃ্কতির পরিচয় দিয়েছে তাতে বিশ্বের কাছে আমরা বড় ছোট হয়ে গেছি।

বিশ্বের কাছে আমরা যে কত ছোট হয়েছি তার আরেকটি উদাহরণ দেওয়া যাক। কিছু দিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবাধিকার বিষয়ক এক কমিটির নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ব্যাপারে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিথ্যাচার করে দাবি করল, তারা নাকি কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। অর্থাৎ জনগণকে বোঝানো হয়েছে, বিদেশিরা সরকারের সঙ্গে আছে। বিদেশ-নির্ভরতা ও মিথ্যাচারের আরেকটি দৃষ্টান্ত। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যকে খণ্ডন করে সেই কমিটির নেতা ঢাকায় বসেই বললেন, \'উদ্বিগ্ন বলেই তো বাংলাদেশে এসেছি\'। দেশের মানসম্মান সবটাই এভাবে ভূলুণ্ঠিত হয় সত্যের অপলাপকারী ও অর্বাচীন সরকারের কারণে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেরকার বক্তব্যের সংশোধনী আনতে বাধ্য হয়েছিলেন। এমন ঘটনা নজিরবিহীন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যে বৈঠক হয় সেখানে কি আলোচনা হয়েছিল তা নিয়েও সরকার অর্ধসত্য বলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সংকট নিরসনের জন্য বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু সরকারি ভাষ্যে সে কথা বেমালুম চেপে যাওয়া হয়েছিল। বিরোধীপক্ষ যেমন দেখাতে চায়, বৈদেশিক শক্তি তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল, তেমনি সরকারও আশ্বাস দিতে চায়, বিদেশিদের কোনো চাপ নেই, তারা নাকি সবাই ৫ জানুয়ারির নির্বাচন মেনে নিয়েছে।

এদিক দিয়ে সরকারের মন্ত্রী ও সরকারি দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম অনেক বেশি স্পষ্টভাষী। তিনি মার্কিন সহকারী মন্ত্রীকে দুই আনার মন্ত্রী বলে উপেক্ষা ও তাচ্ছিল্য করতে পেরেছেন। এমনকি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের তোয়াক্কা না করে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে (সদ্য বিদায়ী ড্যান মোজীনা) বাসার কাজের মেয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভাবখানা দেখে মনে হয়, সরকার যেন হঠাৎ করে বামপন্থি হয়ে গেছে। তবে বামপন্থি ও কমিউনিস্ট কোনো নেতা সত্যিকার অর্থে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও এমন ভাষা ব্যবহার করবেন না। কারণ এটা সাধারণ সৌজন্যবোধের পরিপন্থী। সরকারের আরেক মন্ত্রী বলে গেলেন, পাকিস্তান দূতাবাসে তালা লাগানো হবে। মন্ত্রীদের কথাবার্তায় কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। পাকিস্তান একটি প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে আমি যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলাম, সেই পাকিস্তান রাষ্ট্রের খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। তথাপি বঙ্গবন্ধু নিজেই পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। সেই কূটনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত থাকা অবস্থায় কি কোনো মন্ত্রী তাদের দূতাবাসে তালা লাগানোর ঘোষণা দিতে পারেন? বাংলাদেশ এক আজব দেশে পরিণত হয়েছে।

হয়তো মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের দুই নম্বর শীর্ষ নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কে ঘৃণা ও ক্ষোভ এতটাই বেশি যে, তিনি ভদ্রতার তোয়াক্কা করেননি। আমি তাকে শাবাশ দিতাম যদি না সরকারের আরেক মন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনে ছুটে যেতেন মার্কিন প্রশাসনকে তুষ্ট করার জন্য। সরকার যে তড়িঘড়ি করে বঙ্গোপসাগরের তিনটি গ্যাস ক্ষেত্র মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানির হাতে তুলে দিয়েছে সেটিও দৃষ্টির বাইরে রাখা যাবে না।

মোট কথা সরকার ও বিরোধী পক্ষ উভয়ই মিথ্যাচার এবং বিদেশ-নির্ভরতার পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছে। এখন যে রাজনীতি চলছে তা হচ্ছে সহিংসতা-নৃশংসতা গণতন্ত্র হরণ এবং তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মিথ্যাচার ও বিদেশ-নির্ভরতা। এটি সামগ্রিকভাবে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের চরম দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করে। তাই রাজনৈতিক সংকটও নিরসন হচ্ছে না। আমি জানি না এই রাজনীতি দেশকে কোথায় নিয়ে যাবে।

তবু আশা রাখব। আশা করব, সব পক্ষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। বিরোধীপক্ষ অবরোধ প্রত্যাহার করে সন্ত্রাসী রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবে। সরকারও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ করে গণতন্ত্রের পথে আসবে। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দেবে। ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ বন্ধ হবে। বিরোধী দলের নেতারা মুক্ত হবেন এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজবেন। জোর করে ক্ষমতা অাঁকড়ে থাকার অপচেষ্টা থেকে বিরত হবেন। এই যে আশাবাদ সেটা কেবল আমার না, প্রতিটি গণতন্ত্রকামী শান্তিপ্রিয় মানুষেরই মনের কথা। কিন্তু আশাবাদ যদি ব্যর্থ হয় তাহলে সামনে যে দুর্দিন আসবে তা ভাবতেও শঙ্কিত হচ্ছি। আশঙ্কা হয়, এই সংকটের মাঝখান দিয়ে মৌলবাদ আরও হিংস্র জঙ্গিরূপে আত্দপ্রকাশ করবে। আর সরকারও আরও ফ্যাসিবাদী রূপ পরিগ্রহ করবে।

তাহলে ভরসার জায়গা কোথায়? শেষ ভরসার জায়গা জনগণ। এই জনগণ উভয়পক্ষকে পরিত্যাগ করে নতুন গণতান্ত্রিক শক্তির অভ্যুদয় ঘটাবে। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন \'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ\'। সেই বিশ্বাস আমিও এই দেশের মানুষের ওপর রাখতে চাই।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা