শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০১৫

অতিথি কলাম

সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ সুশাসন

গোলাম মোহাম্মদ কাদের
অনলাইন ভার্সন
সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ সুশাসন

যতদূর জানা যায়, উল্লেখযোগ্য বা বড় ধরনের ইসলামি জঙ্গিবাদ কার্যক্রম বা উত্থান এখনো বাংলাদেশে লক্ষ করা যায় না। কিন্তু বেশ কিছু লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করলে ধারণা হয় দেশে ইসলামি জঙ্গিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত শুরু পর্যায়ে আছে। তবুও গণমাধ্যমের খবরাখবর দেখে প্রতীয়মান হয় দিন দিন এর প্রসার হচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজে জঙ্গিবাদের ধারণা আগ্রহ সৃষ্টি করছে বলে শোনা যায়। মূল কারণ সুশাসনের অভাব, যার বহিঃপ্রকাশ আইনের শাসনে দুর্বলতা। একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি, বৈষম্য, বঞ্চনা ইত্যাদির ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিক্ষুব্ধ তরুণ সমাজ একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ লাভের আশায় যে কোনো প্রক্রিয়ায় সমাজ পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে মরিয়া হয়ে উঠছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি অতি সম্প্রতি প্রকাশিত লেখায় (“Our plan for countering violent extremism” ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৫, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল) পৃথিবীর যে কোনো স্থানে সন্ত্রাসী চরমপন্থা সৃষ্টির কারণ হিসেবে একই ধরনের পরিবেশকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, 'সবচেয়ে মূল বিষয় হলো সুশাসন। এটি শুনতে চমৎপ্রদ মনে নাও হতে পারে, কিন্তু বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যারা মনে করে সরকার শুধু নিজেদের নয় তাদেরও প্রয়োজন মেটাবে ও তাদের জন্য একটি উন্নততর জীবনের সুযোগ সৃষ্টি করবে, সেসব মানুষ একে-৪৭ অথবা আত্দঘাতী বোমা বহনকারী জামার ফিতা নিজ শরীরে বাঁধবে বা যারা বাঁধে তাদের সহায়তা করবে, এ সম্ভাবনা খুবই কম।'

(“The most basic issue is good governance. It may not sound exciting, but it is vital. People who feel that their government will provide for their needs, not just its own, and give them a chance at a better life are far less likely to strap on an AK-47 or a suicide vest, or to aid those who do.”)

বৃহত্তর পরিসরে দেখলে, সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও শাসন প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা জঙ্গিবাদ সৃষ্টির অন্যতম মূল কারণ। যখন কোনো মানুষের ধারণা হয় শাসনকার্য পরিচালনাকারী সরকার তাদের জন্য ভালো কিছু করবে না ও একই সঙ্গে প্রচলিত পদ্ধতিতে এ ধরনের সরকার বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই তখন তারা বিকল্প কিছুর প্রতি আকৃষ্ট হয়।

এ ধরনের মানুষ যারা সরকার ও শাসনব্যবস্থার ওপর হতাশ ও বিভিন্ন কারণে ক্ষুব্ধ তাদের সংখ্যা যখন যথেষ্ট বেশি হয় তখন সম্মিলিতভাবে তারা শুধু চরমপন্থি বা জঙ্গি সৃষ্টির উর্বর ভূমিতে পরিণত হয় না; বরং জঙ্গিদের আশ্রয়দানকারী ও সহায়ক হিসেবেও কাজ করে। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো দরিদ্র। শিক্ষার অভাব, নানাবিধ অন্যায়-অনাচার, বঞ্চনা, লাঞ্ছনার শিকার। বেশিরভাগ মানুষের উপলব্ধি সরকারি প্রশাসনের কাছে তারা অসহায় প্রজা, এর বেশি কিছু নয়। সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর। গণতান্ত্রিক পদ্ধতি দুর্বল ও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে। সমাজজীবনে ধর্মের প্রভাব যথেষ্ট। সব কিছু মিলিয়ে ইসলামি জঙ্গিবাদ বিস্তারের নানা ধরনের উপাদান আমাদের সমাজে বিদ্যমান।

বর্তমানে রাজনীতিতে যে সহিংসতা দেখা যাচ্ছে তাকে বাহ্যিকভাবে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এর মূল নিহিত রয়েছে সামাজিক অশান্তি ও অস্বস্তিতে; যার সূচনা হয়েছে অতি সম্প্রতি গৃহীত সুনির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড থেকে- যেমন সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন, সে অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীনে একটি প্রশ্নবিদ্ধ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান, দেশের সরকারবিরোধী দলগুলো কর্তৃক সে নির্বাচন বর্জন ইত্যাদি। মূল দাবি একটি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা এবং সে কারণে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা পরিবর্তন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ইত্যাদি। যেহেতু দাবিগুলো ইসলামি আদর্শ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নয় এবং এর নেতৃত্বদানকারী ও অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রকামী, ধর্মভিত্তিক দল নয়, সে কারণে একে এখনো ইসলামি জঙ্গিবাদ সৃষ্ট চরমপন্থি সহিংসতা বলা যায় না।

বর্তমান সমস্যাকে শুধু আইনশৃঙ্খলা অবনতি হিসেবে বিবেচনা করে কঠোর হস্তে দমনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যদের কর্তৃক এ দায়িত্ব পালনে আইনি সীমারেখার বাইরে শক্তি ও কর্তৃত্ব প্রয়োগের অভিযোগ আসছে। এতে জনগণের মধ্যে অস্বস্তি ও অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে কট্টর রাজনীতির সমর্থন বৃদ্ধি পাবে এবং ইসলামি জঙ্গিবাদের দিকে বেশিমাত্রায় মানুষ উৎসাহিত হবে, ধারণা হয়।

কিছুদিনের মধ্যে যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েও আসে তথাপি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দীর্ঘদিন বজায় রাখা যাবে কিনা সে বিষয়ে সংশয়ের অবকাশ আছে। সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যারা কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলনে রত তারা এ দাবিগুলোকে যথার্থ ও যুক্তিসঙ্গত বলে বিশ্বাস করে। বল প্রয়োগের মাধ্যমে জোরপূর্বক দাবিগুলো দাবিয়ে রাখলে তারা নিজেদের অত্যাচারিত ও বঞ্চনার শিকার মনে করতে পারে। সে ক্ষেত্রে তাদের ক্ষোভ ও অশান্তি সুপ্ত থাকবে এবং যে কোনো সুযোগে পুনরায় এর সহিংস বহিঃপ্রকাশ ঘটার সম্ভাবনা থাকবে। এ প্রসঙ্গে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের এ উক্তিটি উল্লেখ্য- 'শান্তি অর্থ সহিংসতার অনুপস্থিতি নয়, শান্তির অর্থ ন্যায়বিচারের উপস্থিতি।' (‘Peace is not the absence of violence, but the presence of justice’). শুধু বল প্রয়োগের মাধ্যমে কখনোই সন্ত্রাস অথবা জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকটি চরমপন্থিকে খুঁজে বের করে মেরে ফেললেও হিংসাত্দক কার্যক্রম শেষ হবে না। কেননা নতুনভাবে আবার চরমপন্থি সৃষ্টি হবে। যেসব সমস্যার কারণে এর সূচনা হয়েছে, সে বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে সমাধান করার মাধ্যমেই শুধু রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পুনঃউত্থান ঠেকানো সম্ভব।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির পূর্বে উল্লিখিত লেখায় এ বিষয়টিও উঠে এসেছে। নিচে সংশ্লিষ্ট অংশটি উদ্বৃত্ত করা হলো : 'বল প্রয়োগে আজকের সন্ত্রাসীদের নির্মূল করলেও তা আগামী দিনের সন্ত্রাসীদের থেকে রক্ষা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। যে পরিস্থিতির কারণে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী আন্দোলনের জন্ম হয় আমাদের সে পরিবেশে পরিবর্তন আনতে হবে। শুধু সহিংস চরমপন্থিদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে নয়, এ ধরনের সন্ত্রাসী সৃষ্টি যাতে না হয় সে বিষয়েও আমাদের মনোনিবেশ করতে হবে। অর্থ হলো যেসব স্থানে সন্ত্রাসী সৃষ্টি হয় ও আশ্রয়-প্রশ্রয় পায় সে জনসমষ্টির সামনে দৃশ্যমান গ্রহণযোগ্য বিকল্প তৈরি করা।' (“Eliminating the terrorists of today with force will not guarantee protection from the terrorists of tomorrow. We have to transform the environments that give birth to these movements. We have to devote ourselves not just to combating violent extremism, but to prevent it. This means building alternatives that are credible and visible to the populations where terrorists seek to thrive.”)

বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক আন্দোলনে যে সহিংসতা ঘটছে তা জঙ্গিদের দ্বারা ইসলামি জঙ্গিবাদের আদর্শ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত এর সমর্থনে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ লক্ষ করা যায়নি। তবে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বীজ দৃশ্যমান ও উদগত হওয়ার উর্বর ভূমি বিদ্যমান। জঙ্গিবাদ প্রসারে প্রয়োজন শুধু উপযুক্ত পরিবেশ। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা ও সংশ্লিষ্ট কারণগুলো এ পরিবেশ সৃষ্টি করে বিস্তারে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। যে প্রক্রিয়ায় আন্দোলন চলছে এবং তা মোকাবিলা করা হচ্ছে তাতে দেশে ইসলামি জঙ্গিবাদের উত্থান হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পরিবেশ সামাজিক স্থিতিশীলতা দেয়, যা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সহায়ক শুধু নয়, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অপরিহার্য। বর্তমানে যে সহিংসতা, সন্ত্রাস, সংঘর্ষ ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা শুধু দেশকে পেছনে ঠেলে দিচ্ছে না; ক্রমান্বয়ে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করছে। যেসব রাজনৈতিক বিষয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে বা অন্য আরও বিষয় যা ভবিষ্যতে স্থিতিশীলতায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, সেগুলোকে নিষ্পত্তির রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে সামাজিক ক্ষোভ ও হতাশা দূরীভূত হবে এবং ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকবে। বিবদমান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ও প্রয়োজনে সব সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিয়ে একটি অর্থবহ সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমেই সেটা সম্ভব। এ ধরনের ক্ষেত্রে রীতি অনুযায়ী বৈঠক আহ্বানের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে সরকারের পক্ষ থেকেই। ড. রওনক জাহান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ তার সাক্ষাৎকারে বলেছেন (দি ডেইলি স্টার ৬ মার্চ, ২০১৫), 'চরমপন্থিদের মোকাবিলা করার একটি অন্যতম প্রধান পথ হলো গণতন্ত্রকামী অহিংসবিরোধী দলকে সুযোগ দেওয়া।' (“One of the best ways to tackle extremists is to ensure space for non-violent and democratic opposition”)।

লেখক : রাজনীতিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা