শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০১৫

কিন্তু এবং যদির খোঁজে

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
অনলাইন ভার্সন
কিন্তু এবং যদির খোঁজে

সময়কাল ১৯৯২। অ্যান্টি- প্রগতিশীল শিবিরের একজন ও তার সমালোচনাকারীর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বাক্য-বিনিময়ের শেষ ধাপ।   

অ্যান্টি-প্রগতিশীল শিবির : (উত্তেজনায় ফুঁসতে ফুঁসতে) আপনি আল্লায় বিশ্বাস করেন?  

সমালোচক : হ্যাঁ।  

অ্যান্টি-প্রগতিশীল শিবির : তাহলে কোনো ‘কিন্তু’ ‘যদি’ বলবেন না। যেটা বলছি, শোনেন।  

সময়কাল ২০১৪।  

প্রগতিশীল শিবিরের একজন ও তার সমালোচকের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বাক্যবিনিময়ের শেষ ধাপ।  

প্রগতিশীল শিবির : (উত্তেজনায় ফুঁসতে ফুঁসতে) আপনি মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেন?  

সমালোচক : হ্যাঁ।  

প্রগতিশীল শিবির : তাহলে কোনো ‘কিন্তু’ ‘যদি’ বলবেন না। যেটা বলছি, শোনেন।  

(যদিও এই প্রগতিশীল ও ‘অ্যান্টি-প্রগতিশীল শিবির’ এই ট্যাগ দুইটা আমার একদমই পছন্দ না। তবুও বোঝার সুবিধার জন্য ব্যবহার করলাম।)  

দুইটা ঘটনাই সত্য। দুইটা ঘটনাতেই দেখতে পাচ্ছি ‘কিন্তু’ এবং ‘যদি’ এই দুটি শব্দের উপর ভীষণ গোস্বা। আমরা জানতাম ধর্মান্ধরা ‘কিন্তু’ এবং ‘যদি’তে ভয় পায়। কবে থেকে এই ভয় আমাদের ‘প্রগতিশীল শিবিরে’ও হানা দিল? আমরা যদি সত্য সত্যই একটা জ্ঞানভিত্তিক প্রগতিশীল সমাজ চাই তাহলে ‘কিন্তু’ ‘যদি’ ঝেটিয়ে বিদায় করে সেটা কিভাবে সম্ভব? ‘কিন্তু’ এবং ‘যদি’ দিয়ে দ্বিমত এবং প্রশ্নের সূচনা হবে। যে প্রশ্ন আমাদের সামনের রাস্তা দেখাবে। আমরা তবে এই শব্দগুলোতে অ্যালার্জিক হব কেন? আমরা তো ন্যায়ের পথে আছি, প্রশ্নে কেন হব হতবিহ্বল? আমি বড় হয়েছি নাখালপাড়ায়। নাখালপাড়ার হৃদয় তার শারীরিক আয়তনের চেয়েও বড়। চোর-পুলিশ আওয়ামী লীগ-বিএনপি, আস্তিক-নাস্তিক, নামাজি-বেনামাজি, প্রেমিক-ধর্ষক, সত্যবাদী-চাঁপাবাজ, ব্যায়ামবীর-নেশাখোর এরকম এইরকম বিচিত্র জাতের মানুষকে পরম মমতায় তার সদর দরজায়, কাছারিঘরে, শয়নকক্ষে, বারান্দায়, ঘুলঘুলিতে ঠাঁই দিয়েছিল নাখালপাড়া। আমরা বেড়েও উঠেছি এইসব বিচিত্র মানুষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতার ছেলে বিএনপির নেতার মেয়েকে বিয়ে করছে। মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে এসে নামাজি মোড়ের দোকানে দাবা খেলতে বসে গেছে বেনামাজির সঙ্গে। এক কেতলির চা ভাগ করে খাচ্ছে হাবিল-কাবিল। মোড়ের দোকানে আস্তিক আর নাস্তিকের যুক্তির লড়াই কখনো সৌজন্যবোধ আর রস হারিয়ে মারামারিতে পর্যবসিত হতে দেখিনি। নাস্তিক তার অবিশ্বাসের দর্শন আর তার পেছনে যুক্তি তুলে ধরলেও আস্তিককে ‘গাধা’ বা ‘বেকুব’ বলে আক্রমণ করেনি। তেমনি আস্তিকও শবে বরাতের বিশেষ খাবারে নাস্তিক বন্ধুটিকে দাওয়াত দিতে ভুলে যায়নি, তরবারি নিয়ে কতল করতে যাওয়া তো দূরের কথা। বিএনপি নেতাকে মামলা খেয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় লুকাতে দেখেছি। সব বিরোধ, দ্বিমত, বিশ্বাসের বৈপরীত্য নিয়েও তাই ‘আমরা’ সবাই ছিলাম ‘আমরা’। আজকে আমরা তথ্য এবং জ্ঞানে আরও এগিয়ে গেছি। কিন্তু কোন অলক্ষ্যে যেন আমাদের সমাজের সহনশীলতা আর মায়ার সুতাটা খসে পড়ে যাচ্ছে। এখানে যেন দ্বিমত বা বহুমত আর স্বাগত নয়। ও না, ঠিক বললাম না। এখানে এখনো ‘দ্বিমত’কে স্বাগত জানান হয় কেবল যদি কেউ নাজুক অবস্থায় পড়েন। সরকার যখন বিরোধী দলকে অত্যাচার করে কিংবা কথা বললেই মার দেয়, তখন ‘অ্যান্টি-প্রগতিশীল শিবির’র লোকজন বহুমত এবং বহুত্ববাদী সমাজের পক্ষে দাবি তোলেন। কিন্তু অন্য সময় তারা ভীষণ বৈচিত্র্যবিরোধী।  

আর ধর্মান্ধরা যখন অবিশ্বাসীকে খুন করে তখন প্রগতিশীল শিবির এক বহুত্ববাদী সমাজের দাবি তোলেন। কিন্তু বিরোধী দলের কণ্ঠ যখন রোধ করা হয় তখন প্রগতিশীল শিবির বহুত্ববাদিতার প্রয়োজন দেখেন না। যেন তারা ধরেই নিয়েছেন আমাদের পক্ষের সরকার আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন। তারা মনে রাখেন না প্রগতিশীলরাও এক সময় বিরোধী দলে যাবেন এবং তখন ‘অ্যান্টি-প্রগতিশীল শিবির’র লোকজন আজকের চেয়েও কঠিনভাবে দমন-পীড়ন চালাতে পারে। যাই হোক কথা হলো, বহুত্ববাদ আমাকে যখন সুবিধা দেয় তখন আমি এটার পক্ষে, আর যখন আমার বিরুদ্ধে যায় তখন আমি এর প্রয়োজনীয়তা দেখি না। আমাদের এখানে তাই বহুত্ববাদ ভাগ হয়ে গেছে, মানবিকতা ভাগ হয়ে গেছে, দুঃখ ভাগ হয়ে গেছে। আমাদের এক দলের দুঃখ বরাদ্দ পেট্রলবোমায় পোড়া মানুষের জন্য, আরেক দলের দুঃখ বরাদ্দ রাষ্ট্রশক্তির সন্ত্রাসে মৃত্যুবরণ করা বা গুম হয়ে যাওয়া মানুষের জন্য।  

আমি জানি পৃথিবীর কোনো সমাজ কোনোকালেই আদর্শ কিছু ছিল না। প্রত্যেক সমাজ এবং প্রত্যেক কালেরই নিজস্ব কিছু চাঁদের দোষ থাকে। সেইসব দোষ নিয়েও সমাজ এগিয়ে যায় যদি সহনশীলতার মাত্রাটা উপরের দিকে থাকে। নাখালপাড়ায় আমার বেড়ে ওঠার সময়ের গল্প শুনে যেন আবার মনে না করেন যে আমাদের নাখালপাড়া ছিল রূপকথার বই থেকে পেড়ে আনা এক স্বপ্নপুরী। সেখানে মারামারি ছিল, খুনাখুনি ছিল, এক নম্বর-দুই নম্বর সব রকম কাজই ছিল। একজনের জুটের ব্যবসা আরেকজন টান দিলে মারামারি বেধে যেত। এর ব্যবসা ও খেয়ে ফেললে বা ব্যবসার পথে কাঁটা হলে খুনাখুনি লেগে যেত। কিন্তু ‘তুমি আমার বিশ্বাসে বিশ্বাসী না হলে, আমার দল না করলে, আমার মত তোমার মতের সঙ্গে না মিললে তোমাকে নির্মূল করব’- এই সংস্কৃতি আমি দেখিনি। আজকের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সামনে যে বিপদটা আমি দেখি সেটা হচ্ছে ‘বহুত্ব নির্মূল অভিযান’। বহু রকম মানুষ, বহু রকম চিন্তা, বহু রকম খাদ্যাভ্যাস, বহু রকম যৌনাভ্যাস- এগুলো এখানে সহ্য করা হবে না এবং এই বহুত্ব ধ্বংস অভিযানে বুদ্ধিজীবী-অবুদ্ধিজীবী, প্রগতিশীল-পশ্চাদমুখী সবাই একই শ্রেণির টিকিট হাতে পেয়েছেন। একই জোশে ‘তারা’ সবাই ‘অন্যকে’ হটিয়ে দেওয়ার অভিযানে নেমেছেন। তারা সবাই এক ‘মহৎ’ যুদ্ধে অবতীর্ণ আছেন। প্লিজ, তাদের ডেকে বিরক্ত করবেন না। এই ছোট জীবনে (বেশি ছোটও না আবার) আমি বহু ওস্তাদের সান্নিধ্য পেয়েছি। তাদের মধ্যে একজন কবি বেলাল চৌধুরী। তাকে আমি দ্বিতীয় পিতা বলি। তার সঙ্গে আমার যখন প্রথম আলাপ তখন তিনি ভারত বিচিত্রায় চাকরি করেন। আমি বেকার। প্রতিদিন দুপুরে তার সঙ্গে আড্ডা এবং দুপুরের খাবারের লোভে তার ওখানে যাই। যারা তার আড্ডায় গিয়েছেন তারা জানেন ওই একেকটা আড্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একেকটা ক্লাসের চেয়েও বেশি তথ্য এবং জ্ঞানবহুল। সেইরকম এক আড্ডায় তিনি বলেছিলেন, ‘সরয়ার, জ্ঞান মানুষকে কেন বিনয়ী করে জান? কারণ জ্ঞান মানুষকে আরও সন্ধিহান করে তোলে। জ্ঞানী মানুষ আর যাই বোঝেন না বোঝেন এটা বোঝেন যে জগতে কোনো কথাই শেষ কথা নয়, কোনো সত্যই শেষ সত্য নয়।’ আজকে আর মনে নেই কোন প্রসঙ্গে এটা বলেছিলেন। তবে এই কথাটা আমার মাথায় খুব বেজে ওঠে যখন আজকে চারপাশে একদল ‘নিশ্চিত’ মানুষ দেখি। এখানে কোনো সন্ধিহান মানুষ নেই। প্রত্যেকেই নিশ্চিত তার মত, তার পথ, তার বিশ্বাসই সঠিক। শুধু তারটা সঠিক ভাবলেও অবস্থা এত গুরুতর হতো না। অবস্থা গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছেছে কারণ তিনি নিশ্চিত হয়েছেন ‘অন্যদের’ মত-পথ- বিশ্বাস পুরোটাই বেঠিক এবং তার ওপর ঈশ্বর-প্রেরিত বা জাতীয়তাবাদ উৎসারিত মহৎ দায়িত্ব বর্তেছে ‘অন্যকে’ হটানোর, বাতিল করার, নির্মূল করার। এই অবস্থা আরও জটিল হয়েছে যখন এই নির্মূল তত্ত্ব এবং সংস্কৃতির গোড়ায় জ্ঞানের পানি ঢালার জন্য আবির্ভূত হয়েছে দুই দল বুদ্ধিজীবী। তারা প্রত্যেকেই যার যার তরিকা অনুযায়ী তত্ত্ব তৈরি এবং সম্প্রচার করছেন। সাধারণত মানুষ যুক্তি দিয়ে সত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। আমাদের এখানে এখন দুই মেরুর বুদ্ধিজীবীরাই আগে ‘সত্য’ স্থির করে নেন। তারপর সেখানে পৌঁছানোর জন্য যুক্তির মই তৈরি করেন নিপুণ কার্পেন্টারের দোকানে। এইরকম মইবহুল সমাজ যুক্তিবাদী, দরদী এবং বিচক্ষণ মানুষ উৎপাদনে বাধা দেয়। আমাদের তরুণ প্রজন্মের হাজার সম্ভাবনা। আমাদের শিশু-কিশোররা তাদের চেয়েও বেশি সম্ভাবনাময়। আসুন আমরা তাদের একটা দরদী সৃজনশীল সমাজ উপহার দিই, একটা ‘কিন্তু-যদি’ওয়ালা সমাজ উপহার দিই।    

লেখক : চলচ্চিত্র নির্মাতা।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা