শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২১ মার্চ, ২০১৫

সাহসী সৎ রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন

মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
সাহসী সৎ রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন

ম্যাডামের অফিসে এখন এমন একজন রাজনৈতিক নেতৃত্বসম্পন্ন সহকারী (কিন্তু কর্মচারী নয়) দরকার যিনি রাজনীতি বোঝেন। ম্যাডাম কার্যত গুলশান অফিসে বন্দী। বাইরের সবকিছু থেকে সরকার ম্যাডামকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। সারা দেশের বর্তমান অবস্থা বিশেষ করে আন্দোলনের হাল-হকিকত ম্যাডাম জানতে পারেন না। মাঠ পর্যায়ে জেলা-উপজেলার নেতা-কর্মীদের ম্যাডামের নামে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। তাদের বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত করানো হচ্ছে। ম্যাডামকে প্রতিদিন জানানো হচ্ছে, 'সারা দেশে দুর্বার গতিতে আন্দোলন চলছে। সব বারে বিএনপির প্যানেল বিপুল ভোটে জয়ী হচ্ছে। সরকার খুব তাড়াতাড়ি পড়ে যাবে। সরকারের কিছু দালাল এবং চর ছাড়া দলের সবাই ঐক্যবদ্ধ' ইত্যাদি। ম্যাডামের আশপাশে কয়েকজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারোর কাছ থেকে কোনো কিছু জানার উপায়ও ম্যাডামের নেই। ম্যাডাম এখন সম্পূর্ণ একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ। বর্তমান আন্দোলনে ম্যাডামের সঙ্গে যে কজন করিৎকর্মা মহারথী গুলশান অফিসে দিনরাত ঘুমিয়ে কাটাচ্ছেন তারাই আন্দোলনকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের (!) দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। দুর্ভাগ্য হচ্ছে ম্যাডাম ওদের ছাড়া অন্য কাউকে বিশ্বাসও করেন না। অথচ ম্যাডাম বুঝতে চাচ্ছেন না তারা তাকে এবং দলকে ডুবাচ্ছেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও অভিমান করে ম্যাডামের সঙ্গে এ বিষয়গুলো নিয়ে সরাসরি কথা বলেন না। অনেকে আবার নিজেদের অতীত কার্যকলাপের জন্য ম্যাডামের কাছে লজ্জিত, যার পূর্ণ সুযোগ নিচ্ছে একটি কায়েমি স্বার্থান্বেষী চক্র। ম্যাডামের স্বাস্থ্য ও শরীরের অবস্থা নিয়ে সারা জাতি উদ্বিগ্ন। সারা জাতি ম্যাডামের স্বাস্থ্যের প্রতিদিনের বুলেটিন আশা করে। সরকার কোনো অবস্থায় সে বুলেটিন প্রকাশ হতে দেবে না কিন্তু ম্যাডামের গুলশান অফিসে যারা আছেন সরকারের বিরাগভাজন হয়েও প্রতিদিন সেই বুলেটিন প্রকাশের চেষ্টা তাদের করা উচিত, কারণ এর মধ্যে অবশ্যই বিশাল রাজনীতি আছে। এ বুলেটিন সরকারের ওপর চাপও সৃষ্টি করবে এবং ম্যাডামের জীবনের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে। না হলে সরকারের কাছ থেকে একদিন জাতি হয়তো শুনবে ম্যাডাম গুলশান অফিসে নেই এবং কবে থেকে নেই তাও কেউ বলতে পারছে না!!

ম্যাডামের নেতৃত্বে দেশে নজিরবিহীন লাগাতার গণআন্দোলন চলছে। এ আন্দোলন সফল না বিফল তা মূল্যায়নের সময় এখনো আসেনি। তবে এ আন্দোলন যে লাগাতার চলবে তা ম্যাডামের সাম্প্রতিক বক্তব্যে জনগণ ভালোভাবে বুঝে নিয়েছে। চলমান আন্দোলন সরকার বা তার দোসরদের মনঃপূত না হলেও তা যে বিএনপিমনা জনগণের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছে তাতে কারও বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। আন্দোলন ধীরে ধীরে গতি পাচ্ছে এবং আন্দোলন তার লক্ষ্যের দিকে ধাবিত হছে। ম্যাডামের পরিকল্পনা মোতাবেক আন্দোলন তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই এবং থাকতে পারে না।

ম্যাডামের এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আন্দোলনের গতি-প্রকৃতির সর্বশেষ তথ্যাদি সঠিক সময়ে পাওয়া। কিন্তু সরকার তা কোনো অবস্থায়ই দিতে চাইবে না এবং সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করে ম্যাডামের কাছে তথ্য আদান-প্রদানের সব পথ বন্ধ করে রাখবে। এটাই স্বাভাবিক। সরকার খুবই দক্ষতার সঙ্গে ম্যাডামকে প্রচলিত অর্থে গ্রেফতার না করেও গণবিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। গণবিচ্ছিন্ন এ অর্থে যে, সবার পক্ষে ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করা সম্ভব হছে না। অথচ ম্যাডাম গ্রেফতার হয়ে বন্দী বা তাকে নিজ অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখার কথা অত্যন্ত সচতুরতার সঙ্গে সরকার অস্বীকার করে যাচ্ছে। সরকারের এহেন চাতুর্যপূর্ণ চাণক্যবাজি সম্ভব হচ্ছে সরকারের সঙ্গে আমাদের অনেকের সহযোগিতার কারণে।

ম্যাডামের কাছে এখন যত বেশি নেতা, কর্মী, অনুসারী বা বিভিন্ন জনসাধারণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যাবে আন্দোলন তত বেশি বেগবান হবে। ম্যাডামের সঙ্গে খোলামেলা দেখা-সাক্ষাৎ হলে সরকারই বেকায়দায় পড়বে। ম্যাডামের সঙ্গে বিভিন্ন পেশা-শ্রেণির লোক নিয়মিত যাতায়াত করতে পারলে তখন ম্যাডাম কার মাধ্যমে দলের কাছে বার্তা পাঠাচ্ছেন তা সরকারের পক্ষে বোঝা কষ্টকর হবে। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং দলের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যদি ম্যাডামের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে, সুযোগে বা বাহানায় দেখা করতে যেত তাহলে আন্দোলনের দুটি লাভ হতো। প্রথমত, এর ফলে আন্দোলনের সঠিক খবর তিনি পেতেন এবং তিনিও প্রকৃত লোকের কাছে তার নির্দেশ বা অনুরোধ বা করণীয় যথাযথভাবে জানিয়ে দিতে পারতেন। দ্বিতীয়ত, যদি সরকার কাউকে দেখা করতে না দিত তাহলে ম্যাডাম যে বন্দী বা অবরুদ্ধ তা জলবৎ তরঙ্গের মতো জনগণের সামনে পরিষ্কার হয়ে যেত। তা ছাড়া যদি কাউকে কাউকে ঢুকতে দিত বা না দিত তাহলে আমাদের চরিত্রও জনগণের সামনে পরিষ্কার হয়ে যেত। এ ছাড়াও দলের সন্দেহভাজন যাদের সরকারের দালাল বা চর বলা হয় তারা তখন ঝুঁকি নিয়ে ম্যাডামের সামনে যেতে চাইত না। কারণ ম্যাডামের সামনে গেলে ম্যাডাম হয়তো ওই সরকারের দালাল বা চরদের আন্দোলনের কঠিন কোনো দায়িত্ব দিয়ে দিতেন যা পালন করতে গিয়ে চর বা দালালরা বেকায়দায় পড়ে যেত। আমার ক্ষুদ্রমতে যত বেশি মানুষ ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করতে পারত আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা জ্যামিতিক হারে তত বেশি বেড়ে যেত। সবাই তখন ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করে আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করত। এটা চরম বাস্তবতা। মানুষের চরিত্রের সহজাত ধর্ম। নেত্রীর সামনে সবাই সরল এবং দায়বদ্ধ (committed) হয়ে যায়। বস্তুবাদী পৃথিবীতে মানুষ অনেক বেশি বাস্তববাদী। নেত্রীর সরাসরি নির্দেশে দলের যে কোনো পর্যায়ের একজন নেতা-কর্মী যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে তা দলের অন্য নেতাদের কথায় কতটুকু পড়বে তা বুঝতে নিশ্চয় কোনো সচেতন মানুষের বেগ পাওয়ার কথা নয়।

আগে মোসাদ্দেক আলী ফালু সাহেবকে দেখেছি দলের বিভিন্ন ক্রাইসিসের সময় তিনি নিজে থেকেই বিভিন্ন নেতা-কর্মীকে ডেকে ম্যাডামের সামনে নিয়ে আসতেন এবং ম্যাডাম দায়িত্ব বণ্টন করে দিতেন। এতে দলের নেতা-কর্মীরা যেমন দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত হতো তেমনি ম্যাডাম সরাসরি নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের সুযোগ পেতেন। এখন সমস্যা দাঁড়িয়েছে বহুমুখী। সব নেতা-কর্মী এমনকি স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্যরা সরাসরি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। ফলে তার চারপাশ যারা ঘিরে আছে তারা সব ব্যর্থতার দায়দায়িত্ব নেতা-কর্মীদের ঘাড়ে চাপিয়ে সফলতার কৃতিত্ব ১০০ ভাগ নিয়ে নিতে চায়। কিন্তু চরম বাস্তবতা হলো সফলতার সঙ্গে কোনো কাজ করার যোগ্যতা, দক্ষতা, কর্মক্ষমতা কোনোটাই ম্যাডামের চারপাশ ঘিরে থাকা চাটুকারদের নেই এবং থাকলে চাটুকার হতে হয় না।

দলের সবাই তো দুর্নীতিবাজ বা সরকারের দালাল নয়। সরকার তো সবাইকেই গ্রেফতারের ক্ষমতাও রাখে না। যদি রাখে তাহলে সরকার চরম ফ্যাসিবাদী এবং নির্মম স্বৈরাচারী হয়ে যাবে এবং রাজনীতিও তখন অন্য রকম হবে। এ সরকার ফ্যাসিবাদী সন্দেহ নেই, তবে চরম ফ্যাসিবাদী নয়। বর্তমান সরকারপ্রধান একনায়ক এতেও কোনো সন্দেহ নেই, তবে স্বৈরশাসক নন। সরকারের বাহ্যিক চরিত্র গণতান্ত্রিক এবং বহুমাত্রিক। ইচ্ছা করলেই সরকার চরম ফ্যাসিবাদী বা নির্মম স্বৈরশাসক হতে পারবে না। সে পথে গেলে সরকার তার নিজের অস্তিত্বকেই চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে। আইনের শাসন এবং গণতন্ত্রের লেবাস সরকারের রক্ষাকবচ। এর বাইরে সরকার তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে না। কাজেই সরকারকে এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যারা সরকারকে ভয় পায় তারা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য পায়। যারা আকাম-কুকাম করবে, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি করবে তারা সরকারকে ভয় পাবে না তা কখনো হয় না। তবে জনগণের জন্য, জনকল্যাণের জন্য যারা রাজনীতি করে তাদের জন্য জেলখানা এবং গণভবন পাশাপাশি থাকে, যার যে কোনো একটাতেই তাদের অবস্থান থাকে। প্রকৃত জনকল্যাণকামী সরকারের জেল-জুলুম-নির্যাতনকে কখনোই ভয় করে না। তারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেই রাজনীতি করে। রাজনীতি করলে জেলে যেতেই হবে বা মামলায় জড়াতেই হবে। তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতির এটাই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সাম্প্রতিক দুর্নীতির মামলা এ বৈশিষ্ট্যকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকার ম্যাডামের সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেবে না এবং দেবে না সরকারের রাজনৈতিক স্বার্থে এবং অস্তিত্বের প্রশ্নে। আন্দোলনের সফলতার কারণ হবে এমন কোনো কাজ বিএনপি বা ম্যাডামকে করতে দেওয়ার মতো বোকা কোনো কর্মকর্তা পুলিশ বা সরকারের কোনো এজেন্সিতেও নেই। কাজেই এখন সুযোগ বুঝে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। যখনই কোনো সুযোগ পাওয়া যাবে তখনই তার সদ্ব্যবহার করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে সুযোগ সব সময় আসবে না। রাজনীতি বুদ্ধির খেলা। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে রাজনীতি হয় না। সেই সঙ্গে মনে রাখতে হবে ম্যাডামের অফিসটি সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে ওখানে কেউ নেই। তাই সেখানে কাজ করতে হবে খুবই দক্ষতা, বিচক্ষণতা এবং চতুরতার সঙ্গে চাণক্য বুদ্ধি নিয়ে।

চলমান আন্দোলনের স্বার্থে এবং আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে প্রতিদিনই ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করার জন্য সবার গুলশান অফিসে ভিড় করা উচিত। তাতে সরকার যদি বাধা দেয় বা গ্রেফতার করে তাহলে সরকারেরই ক্ষতি হবে এবং সরকার অবশ্যই বেকায়দায় পড়ে যাবে। সরকার গুলশান অফিসে ঢুকতে দেওয়ার পরে কেউ যদি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করতে না দেয় তাহলে তাকে যেমন চিহ্নিত করে রাখতে হবে এবং একইভাবে যারা যারা ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করার জন্য ভিতরে যাবে তাদেরও ভিতরে যাওয়ার পরে দায়িত্ব দিয়ে তাদের সম্পর্কে ধারণা নিয়ে রাখতে হবে। ম্যাডাম তথা বিএনপি তথা ২০-দলীয় ঐক্য জোট যে লড়াইয়ে নেমেছে সে লড়াই থেকে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই। এ লড়াই অস্তিত্বের লড়াই। এ লড়াইয়ে জিততেই হবে। যা কিছু হারানোর সবকিছুই তো আমরা হারিয়েছি, নতুন করে আর আমাদের হারানোর কিছুই নেই। তবে আছে জয়ের বিশাল প্রত্যাশা। ভয়কে উপেক্ষা করে যে দাঁড়াতে পারবে জয়ের মালা তো তার গলায় জনগণই পরিয়ে দেবে।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা