শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৫

স্বাধীনতা আমাদের কী দিয়েছে?

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
স্বাধীনতা আমাদের কী দিয়েছে?

স্বাধীনতা আমাদের কী দিয়েছে? কী পার্থক্য হতো যদি পাকিস্তানের সঙ্গে থেকে যেতাম? পাকিস্তানের শাসকরা যেভাবে শোষণ করতো আমাদের, ঠিক সেভাবেই শোষণ করছে আমাদের বাঙালি শাসকরা। শাসকের ভাষা বদলেছে, কিন্তু চরিত্র বদলায়নি। একাত্তরে পাক আর্মিরা আমার বাবাকে মেরেছে, আমাদের বাড়ির সোনাদানা, টাকা পয়সা, লুট করেছে। 'পাঞ্জাবি' আর 'বিহারি'দের হাত থেকে রক্ষা পেতে গহীন গ্রামের ভেতর অচেনা লোকদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। গরুর বা মোষের গাড়ি চড়ে রাতের অন্ধকারে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যেতাম। গ্রামের ওইসব বাড়িতে অন্ধকারে গা ঢেকে মুক্তিযোদ্ধারা খাবার খেতে আসতো, ওরা যখন খেতো, আমি ঘুম থেকে উঠে ওদের মুগ্ধ চোখে দেখতাম। দাপুনিয়া গ্রামের এক বাড়িতে আমরা নভেম্বর আর ডিসেম্বর মাসে ছিলাম, সে বাড়ি ছিল আমার মামার বন্ধুর বাড়ি। আমার মামা আর তার বন্ধু দু'জনই মুক্তিযোদ্ধা ছিল। যে ঘরটায় আমরা ঘুমোতাম, সেই ঘরের মেঝেয় খড় পাতা থাকতো, যে খড়ের ওপর আমাদের বিছানা পাতা হতো। সেই খড়ের নিচে একদিন দুটো বন্দুক দেখেছিলাম। মা বলতো, বন্দুক দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, ওই বন্দুক আমাদের দেশকে স্বাধীন করবে, আমাদের ঘরে ফেরাবে, আমাদের কষ্টের দিন ফুরোবে।

দেশ স্বাধীন হলে কী কী হবে মা আমাকে কোলে নিয়ে বলতো। যা বলতো তার সারাংশটা এমন, সামনে আমাদের খুব সুখের শান্তির দিন, খুব আনন্দের দিন, খুব নিরাপত্তার দিন। এতকাল তো উর্দুভাষীরা হাজার মাইল দূর থেকে এসে আমাদের ওপর খবরদারি করতো। সেই পরাধীন দিন এখন শেষ হওয়ার পথে। এখন থেকে দেশ চালাবে আমাদের নিজেদের লোক। আমাদের কেউ আর মারবে না, কেউ আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেবে না, আমাদের টাকা পয়সা কেউ লুট করবে না, আমাদের মেয়েদের কেউ ঘর থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাবে না, ধর্ষণ করবে না। যা কিছু আমাদের, তা এখন থেকে আমাদেরই থাকবে। যেসব অধিকার থেকে আমাদের এতকাল বঞ্চিত করা হতো, সেসব অধিকার আমরা ফিরে পাবো। আমরা বাকস্বাধীনতা পাবো, মাছে ভাতে বেঁচে থাকার স্বাধীনতা পাবো, আমরা শিক্ষা স্বাস্থ্য পাবো। সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা পাবো, সেটা নিরাপত্তা।

অবশ্য দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাই আমরা যা পাবো বলে ভেবেছিলাম, তার প্রায় কিছুই আমাদের পাওয়া হয়নি। আমার দাদাকে খামোকা রক্ষী বাহিনী ধরে নিয়ে পেটালো। এক ঘুষখোর ম্যাজিস্ট্রেট আমার বাবাকে জেলে ভরলো। ঘুষখোরটাকে বাবা একদিন ধমকেছিল, সেটিরই শোধ সে নিয়েছে। অরাজকতা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে দেশে। শাসকদের একের পর এক খুন করে দেশ দখল করে দেশেরই মানুষ। অচিরে ভালো একটা সেক্যুলার-সংবিধানকে নষ্ট করে দেওয়া হয়। কিছু দেশদ্রোহী মৌলবাদীকে খুশি করার জন্য আমদানি করা হয় রাষ্ট্রধর্ম, বহু ধর্মের দেশে একটা নির্দিষ্ট ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তোলা হয়।

পাকিস্তানের নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়েছে দেশ। ধর্মের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ দেশ ভাগ করেছিলো ১৯৪৭ সালে। আর একাত্তরে ভাষার ভিত্তিতে হয়েছে দেশ ভাগ। ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হওয়ার চেয়ে ভাষার ভিত্তিতে ভাগ হওয়া ঢের ভালো। এ নিয়ে গর্ব করি, কিন্তু দেশের ভেতর তো লুকিয়ে থাকে আরও এক দেশভাগ। তুমি হিন্দু, আমি মুসলমান। তোমার ধর্ম আমার ধর্ম আলাদা। তুমি চলে যাবে, আমি থাকবো।

দু'দিন আগে নতুন প্রজন্মের ক'জন প্রগতিশীল ছেলেমেয়ের দিকে প্রশ্ন ছুড়েছিলাম, স্বাধীনতা বলতে ওরা কী বোঝে, স্বাধীনতা ওদের কী দিয়েছে, স্বাধীন দেশটি সম্পর্কে ওদের কী মত। ওরা কী বললো শুনুন।

১. স্বাধীনতা আমাদের স্বাধীনতা নামক শব্দের ডিম দিয়েছে। ২. দু'লক্ষ মা বোন তাদের ইজ্জত দিয়ে বাংলাদেশের পুরুষদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। এই দেশে স্বাধীনতা শুধু পুরুষগুলোর জন্য। ৩. স্বাধীনতা আমাদের কী দিয়েছে? স্বাধীনতা এই শব্দটা ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি। ৪. বাংলাদেশে স্বাধীনতা মানে পার্কের প্রেমিক প্রেমিকা ধরে জেল জরিমানা করা। বাংলাদেশে স্বাধীনতা মানে তোমাকে নির্বাসিত করা। বাংলাদেশে স্বাধীনতা মানে চাপাতির কোপে মুক্তচিন্তক হত্যা করা। বাংলাদেশে স্বাধীনতা মানে গণতন্ত্রের নামে মাসের পর মাস পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পোড়ানো। বাংলাদেশে স্বাধীনতা মানে সংসদে বাসে নারীর সংরক্ষিত আসন। বাংলাদেশে স্বাধীনতা মানে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৬ করা। ফেসবুকে হত্যার হুমকি দেওয়ার পরও গ্রেফতার না হওয়া। ৫. বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়। মানুষ গুম হয়। লতিফ সিদ্দিকীর জেল হয়। ৬. এখনো রাত ৮টার পর বাইরে বের হতে পারি না পুরুষগুলোর জন্য। দিনেও সেইফ না। ৭. নয় মাস যুদ্ধ করে পরাধীনতা কিনেছি স্বাধীনতার নামে। ৮. পেট্রোল বোমায় পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছে। ৯. কথা বলার স্বাধীনতা নেই। ধর্ম পালন না পালনের স্বাধীনতা নেই। গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই। ১০. নারীরা আদৌ কোন স্বাধীনতা পায়নি। ১১. বিরোধী দল কথা বলতে পারে না এখানে।

১২. বিরোধী দল কথা বলা মানে শিবির কথা বলা, আর শিবির কথা বলা মানে সবার কথা বলা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ১৩. বিরোধী আর সরকারি বলে কথা নয়, পুরুষতন্ত্র আর ধর্মের বিপরীতে গেলে কারো রক্ষা নেই। ১৪. গণজাগরণ মঞ্চকেও সরকার অত্যাচার করছে, এগুলো স্বাধীনতা? সরকারের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন দাবি নিয়ে রাস্তায় নামা যায় না। ১৫. পাকিস্তান থেকে মুক্তি? মুক্তি পেয়ে কী হয়েছে? এখন রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে বোমা, জীবনের নিরাপত্তা নেই, দেশ তো পাকিস্তানই হচ্ছে। ১৬. স্বাধীনতার সাইন লাগিয়ে রেখেছে শুধু। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বেচছে। ১৭. স্বাধীনতা শুধু ডিসেম্বর আর মার্চ মাসে বিক্রি হয় বাংলাদেশে। ১৮. স্বাধীনতা মানে মঞ্চে মঞ্চে বক্তৃতা। ১৯. নারী স্বাধীনতার কথা বলার অপরাধে তসলিমা নাসরিন আজ নির্বাসিত। এই দেশে স্বাধীনতা চাওয়া, স্বাধীনতার কথা বলা খুন করার চেয়েও বড় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। ২০. মুক্তচিন্তকদের শাস্তি দেওয়ার জন্য জারি হয়েছে ৫৭ ধারা। ২১. শফির তের দফা দেওয়ার স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আমাদের কোন দফা তো দূরে থাক, ব্যক্তি স্বাধীনতা টুকুই নেই। ২২. প্যারালাললি এতোগুলো শিক্ষাব্যবস্থার কোনো দরকার নেই, একই পরিবারের তিন সন্তান তিন দিকে গেলে তিন রকমের মানসিকতা তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক, আমাদের মূলত একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা দরকার। ২৩. কলেজে ভর্তির সময় দেখলাম সব কলেজে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের জয়জয়কার। আমাদের কলেজে এক মাদ্রাসার পাবলিক আছে, সে বলল, তাদের নাকি পরীক্ষা হয়, দেখে দেখে লেখে। আর তাদের বেশি বেশি নাম্বার দেয়া হয় যাতে ভালো কলেজগুলোতে সব মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরাই টেকে। ওরা সাইন্সে পড়ে অথচ ওদের সাইন্সের সাবজেক্টস সব পড়তে হয় না। ফিজিক্স ক্যামিস্ট্রি মেথ বায়োলজি এর মধ্যে যে কোনো তিনটা ওরা পড়ে... আর আমাদের সব পড়তে হয়। ওদের বই আলাদা। ওদের মেথ বই আমাদের বইয়ের অর্ধেক।

মনে মনে ভাবছিলাম, দেশের স্বাধীনতা আমাকে কী দিয়েছে। নারী হয়ে জন্মেছি বলে ঘরে বাইরে চরম অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতা দিয়েছে, দেশের নারীবিরোধী আইন আমাকে ঠকিয়েছে, কেড়ে নিয়েছে আমার বাকস্বাধীনতা, আমাকে আমার দেশ থেকে তাড়িয়েছে আমার দেশ। দেশ আমাকে এক-জীবন-নির্বাসন উপহার দিয়েছে। স্বাধীনতা আমার দেশে বাস করার স্বাধীনতা হরণ করেছে।

লেখক : নির্বাসিত লেখিকা।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা