শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০১৫

বাংলাদেশের মানুষ একবেলা না খেয়ে থাকতে রাজি, কিন্তু ভোট ছাড়া নয়

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের মানুষ একবেলা না খেয়ে থাকতে রাজি, কিন্তু ভোট ছাড়া নয়

জীবনে এই প্রথম বায়তুল মোকাররমে একনাগাড়ে ১০ বার জুমার নামাজ আদায় করার সৌভাগ্য অর্জন করলাম। জানি না কোথাও কোনো পুণ্য করেছিলাম কিনা, যার কারণে অবস্থানে বসে ৩০ জানুয়ারি প্রথম বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলাম। সেদিন অনেক মন্ত্রী ছিলেন। প্রিয় আমু ভাই, তোফায়েল আহমেদ, রাশেদ খান মেনন, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনসহ আরও অনেকে। কিন্তু তারপর গত ৯টি জুমায় আওয়ামী লীগের আর কোনো নেতা, মন্ত্রীদের দেখিনি। প্রত্যেক জুমা প্রথম কাতারে ইমাম অধ্যাপক সালাহউদ্দিনের পেছনে আদায় করেছি। খাদেম এবং সেবকরা যে সৌহার্দ্য দেখিয়েছেন তা ভোলার নয়। জানি না আর কতদিন বাঁচব, তবে শান্তির জন্য মতিঝিলে অবস্থানে বসে বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজ আদায় আমার জীবনে এক মধুর স্মৃতি হয়ে থাকবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সামাদ গামা তার চোখের অপারেশনে এসে মিটফোর্ডের চক্ষু বিভাগের চেয়ারম্যান শামসুল হক বরিশালে বদলি হয়ে যাওয়ায় মস্তবড় ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু গত রবিবার ঢাকার চক্ষু ইনস্টিটিউটে তার সফল অপারেশন শেষ। চকচকে চোখে মোহাম্মদপুরের বাসায় গিয়ে সবার দোয়া চেয়েছে। নিশ্চয়ই আশা করব, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সামাদ গামাকে সুস্বাস্থ্যে বেঁচে থাকতে আল্লাহর কাছে সবাই দোয়া করবেন।

গত শনিবার মতিঝিলের ফুটপাতে অবস্থানের ৬০ দিন পূর্ণ হয়েছে। ওই ৬০ দিনে যা অর্জন করেছি, গত ৬০ বছরেও তার কানাকড়িও করতে পারিনি। কবি সত্যিই বলেছিলেন, 'বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।' স্কুল-কলেজের মতো দেশের কাজ করতে হলে দেশের কথা জানতে হলে রাস্তাঘাটের চেয়ে বড় শিক্ষক আর নেই। ফুটপাতে থাকতে থাকতে এবার ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষ হলো। খুব বেশি খেলা দেখতে পারিনি, তবু বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোয়ার্টার ফাইনাল দেখেছি। সেদিন যে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে সে কলঙ্ক ইতিহাসের পাতা থেকে কখনো মুছে ফেলা যাবে না। মানুষে মানুষে যেমন ভালোবাসা হয়, তেমনি ঘৃণাও হয়। সে শুধু আমাদের চেষ্টার ওপর নির্ভর। ভারত পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে কখনো বিশ্বাসের ভিত শক্ত ছিল না। পাকিস্তান প্রশাসন ভারতবিরোধী করে তোলার জন্য পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের সব সময় নানাভাবে চেষ্টা করত। ভারতের বিরুদ্ধে বাঙালিদের জানা-অজানা ঘৃণা অনেকটাই ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। বহু ঘাত-প্রতিঘাতের পরও তা হিমালয়ের মতো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু গত বেশ ক'বছরে মূলত ভারতের কর্মকাণ্ডেই বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব ধীরে ধীরে প্রবল হচ্ছে। ভিসা বিড়ম্বনাসহ হাজারও সমস্যার মাঝে ভারতীয় কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অতি উৎসাহে বা তৎপরতায় ৫ জানুয়ারির ন্যক্কারজনক ভোটারবিহীন নির্বাচনী নাটক মহান ভারতকে একেবারে ডুবিয়েছে, ক্ষতবিক্ষত করেছে তার মহাত্দকে। ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং বাংলাদেশকে তাদের করদ রাজ্য মনে করে কী যে এক নির্বাচনী তামাশা করে এই অরাজকতার জন্ম দিয়েছেন যা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবে না। মহান ভারতের গ্রহণযোগ্যতা যখন শূন্যের কোঠায় তখন অনুষ্ঠিত হলো বিশ্বকাপ। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে চার-চারটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত হয়েছে, সবকটি গেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে- তাতে মানুষ আরও বিক্ষুব্ধ হয়েছে। সারা জীবন দেখে এসেছি, কেউ কারও পক্ষে থাকলে সে তার বিজয়ে উল্লাস করে। কিন্তু কারও পরাজয়ে একটা দেশ কতটা উদ্বেলিত হতে পারে তা দেখা গেল ভারত-অস্ট্রেলিয়ার খেলায়। অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ে বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণ আনন্দে আরও মেতে উঠলেও কোনো কিছু বলার ছিল না। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ে নয়, মুক্তিযুদ্ধে যে দেশ রক্ত দিয়ে আমাদের ঋণী করেছে সেই দেশের পরাজয়ে ছোট-বড় আপামর মানুষ এমনকি মনে হয় মায়ের পেটের বাচ্চাও আনন্দ করেছে। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। যে প্রতিবেশীর সঙ্গে আমাদের আজীবন থাকতে হবে, তার কর্মকাণ্ডে এমন ঘৃণার সৃষ্টি হলে পাশাপাশি বসবাস করা খুব একটা সুখের হবে না। যাদের এখন নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব তাদের ব্যাপারগুলো একটু তলিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশের মানুষ দুই বেলা না খেয়ে থাকতে রাজি, কিন্তু ভোটাধিকার ছাড়া থাকতে রাজি না। ১৫৪ সিটে সম্পূর্ণ ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। বাকিগুলো নিয়েও প্রহসন হয়েছে। সেই বিনা ভোটে জবরদখল সরকারকে ভারত যেভাবে সমর্থন দিয়েছে তা মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। যে কারণে এখন বাংলাদেশে যা কিছু হয়, সবকিছুতেই ভারতকে সন্দেহ করে। রাবণের বান ফেরানোর চেয়ে সাধারণ মানুষের সন্দেহের তীর ফেরানো এখন ভারতের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন কোথায় নেমে এসেছে তা তো বিশ্বকাপেই দেখা গেছে। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হারায় পুরো বাংলাদেশ মেতে উঠল, কই সেই অস্ট্রেলিয়াই বিশ্বকাপ জয় করায় তো কোনো আনন্দ মিছিল হলো না, একটা পটকাও ফুটল না। অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ে নয়, ভারতের ওপর ক্ষোভে সেদিন বাংলাদেশে অমন আনন্দ-উল্লাস হয়েছে, যা গিনেস বুকে স্থান পাওয়ার মতো। এক্ষেত্রে অবৈধ অনির্বাচিত বেআইনি সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে মহান ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি যে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন তা একটু ভালো করে পড়ে দেখবেন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাননি, স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে অভিনন্দিত করেছেন- এটাই হওয়া উচিত যা আগে হয়নি।

২৮ মার্চ আমাদের অবস্থানে সুধীজনের এক মতবিনিময় সভায় বলেছিলাম, এত আন্দোলন, এত জীবন ক্ষয়ের পর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন কুকুরের সামনে এক টুকরা শূকরের মাংস ছুড়ে দেওয়ার মতো। এখন পত্র-পত্রিকায় অনেক সময় যেসব ছোট বন্ধুরা লেখেন তারা অনেক ক্ষেত্রে ভাব-ভাষা বুঝেন না বা বুঝতে চান না। তাই কখনো সখনো বলি এক, অর্থে করেন আর এক। তাই বলেছি, দেশের মানুষ এত রক্ত দিল কি সিটি নির্বাচনের জন্য? আবার দেখুন, চট্টগ্রামের মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমকে ইস্তফা দিয়ে নির্বাচনে দাঁড়াতে হয়েছে। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে নির্বাচন করতে হয়নি। তবে কী প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও মেয়র পদ বড়? প্রশ্নটা সাংবিধানিক। গরু চোরের চেয়েও এখন নির্বাচনে প্রার্থীর মান-মর্যাদা, সম্মান কম। হলফনামায় কত কী যে লিখতে হয়, যারা নির্বাচনে দাঁড়ায় তারাই জানেন।

এ সংসদে যারা ভোটার ছাড়া অবৈধ সদস্য তারা তাদের হলফনামায় কী লিখেছেন? শুধু কি নাম লিখেছেন, নাকি প্রাক্তন সংসদ সদস্য লিখেছেন? কোনো সাবেক সংসদ সদস্যের নামের আগে-পরে সাবেক না লিখলে আইনত কোনো দোষ নেই, কিন্তু বহাল সংসদ সদস্যের নামের শেষে সংসদ সদস্য না লিখলে সেটা আইনত অপরাধ। হলফনামায় একটা অসত্য তথ্যের জন্য যেকোনো সময় পদ খোয়া যেতে পারে। সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে এরা কি তাদের পদ খোয়াবেন? একেবারে কর্মহীন ফুটপাতে যেহেতু পড়ে থাকি তাই নানা কথা, নানা চিন্তা মাথায় গিজগিজ করে।

মাইকে যেখানে সেখানে যখন তখন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে বুকে বড় বেশি জ্বালা করে। কী অপরাধই যে তিনি করেছিলেন মরেও তার শান্তি নেই। বঙ্গবন্ধুর রেকর্ড চালিয়ে দিয়ে নেতারা ঘুমিয়ে থাকেন। যেখানে সেখানে বাজতে থাকে তার ভাষণ। এবার ২৬ মার্চ গভীর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের আশপাশে বারবার বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে মনে হলো বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমাদের কারও এক ফোঁটাও দরদ নেই, মায়া-মমতা নেই। জুনাইদ আহমেদ পলক তথ্যপ্রযুক্তির ছোট মন্ত্রী। তার এক প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, মাঝে মাঝে মেয়েছেলেদের কথপোকথন দিয়ে বিজ্ঞাপন করেছেন। কোথায় যাই, কাকে বলি? সারা জীবন খেটেখুটে শেষ পর্যন্ত আমরা হলাম রাজাকার। আর এখানে ওখানে নেচে গেয়ে বিনা খরচে অনেকে এমপি, নাটক করেও মন্ত্রী। হায়রে রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ! শপথ নিয়ে মন্ত্রী হয়ে উপস্থাপক। সংবিধানের নির্দেশ, যে মুহূর্তে কেউ মন্ত্রীর শপথ নেবেন সেই মুহূর্ত থেকে দেশের কাজ ছাড়া আর কিছু করতে পারবেন না।

কোনো কোম্পানির কর্মকর্তা, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অনুষ্ঠান পরিচালনা বা তার সঙ্গে যুক্ত থাকা সংবিধানবিরোধী। তবু তারা করে চলেছেন। কারণ তারা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রিয় আস্থাভাজন। তাদের জন্য আবার সংবিধান কী? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুশি তো সব ঠিক। আওয়ামী লীগ করলে স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযোদ্ধা আর না করলে মুক্তিযোদ্ধারাও হয়ে যায় রাজাকার- এটাই বাংলাদেশের বর্তমান বিধিলিপি।

সেদিন বরেণ্য ব্যক্তিদের মতামত ছিল অহিংস অবস্থান আরও প্রসারিত করতে সবকটি বিভাগ এবং জেলায় সম্প্রসারিত করা। আজ আমরা এ ব্যাপারে আলোচনায় বসব। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই প্রথম আমার কর্মসূচিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অভাবনীয় সাড়া না পেলেও তাদের সন্তানদের পেয়েছি, ছাত্র-যুবক-সাধারণ মানুষদের পেয়েছি। কত রিকশাওয়ালা খেটে খাওয়া মানুষ রাত-দিন ছায়ার মতো পাশে থেকে অনুপ্রাণিত করেছে।

অনেকে সারা দিনের রোজগার ৫০০ টাকা পুরোটাই আমাদের দিয়ে গেছে। সেই তাদেরই কিছু লোকের সঙ্গে আলোচনা করে আগামীকাল পহেলা এপ্রিল আমরা আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব। বাবা মারা গেছেন ১৫ বছর, মা ১০ বছর। এ পর্যন্ত কোনোবার মা'র মৃত্যু দিনে তার কবর জিয়ারত করিনি তেমন হয়নি। এতদিন পড়ে আছি, মতিঝিলের ফুটপাতে। মন আনচান করছে রাজনৈতিক পিতা বঙ্গবন্ধুর কবরে দোয়া চাইতে, আফ্রেশিয়ার ল্যাটিন আমেরিকার নিরন্ন মানুষের মুক্তির দূত মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর কবরে যেতে। এসব কিছু বিবেচনায় রেখে আগামীকাল আমরা আমাদের পদক্ষেপ নেব।

লেখক : রাজনীতিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা