শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০১৫

\\\'সুবহা-নাল্লাহ\\\'! কেন বলবেন! কখন বলবেন!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
\\\'সুবহা-নাল্লাহ\\\'! কেন বলবেন! কখন বলবেন!

মুমিন এবং মুত্তাকিগণ হররোজ এবং অহরহ আল-কোরআনের যেসব শব্দমালা উচ্চারণ করে থাকেন সেগুলোর মধ্যে সুবহা-নাল্লাহ অন্যতম। বরকতময় এই শব্দটির রুহানি ফায়েজ একজন মানুষকে দুনিয়া ও আখেরাতের সর্বোচ্চ কল্যাণের পথে টেনে নিয়ে যেতে সক্ষম। যখন জমিনের কোনো বান্দা কিংবা বান্দী পরিপূর্ণ মহব্বত এবং সোহবত সহকারে শব্দটির অর্থ বুঝে আল্লাহপাকের জাত ও সেপাত স্মরণ করে সুবহা-নাল্লাহ উচ্চারণ করতে পারে তখন আসমান-জমিনের সব খোদায়ী নেয়ামতের দরজা খুলে যায়। কোনো একজন মানুষকে যদি তাবৎ দুনিয়ার সব নেয়ামত এবং ভূ-অভ্যন্তরে লুকায়িত সম্পদরাজি ও আসমানের ধনসম্পদ দান করা হয় তবে লোকটি যতটা খুশি হবেন তারচেয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বেশি খুশি হন যদি কোনো বান্দা তার শান ও মান বুঝে একবার সুবহা-নাল্লাহ উচ্চারণ করেন।

এখন প্রশ্ন হলো, শব্দটির অর্থ কি এবং আল্লাহর অগুনিত মানমর্যাদার সঙ্গে সেই অর্থের মিল-মহব্বতের সমন্বয় কীভাবে সম্ভব। প্রথমে অর্থ বলে নিই- তারপর ধীরে ধীরে অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। সুবহা-নাল্লাহ শব্দের অর্থ সেই আল্লাহ বা সত্তা যিনি কিনা সব দুর্বলতা এবং অক্ষমতা থেকে মুক্ত। জাগতিক মানুষের চিন্তা-চেতনা, কর্ম, জীবন-মৃত্যু এবং ভোগবিলাসের যে দুর্বলতা রয়েছে তা মহান আল্লাহপাকের নেই। আল্লাহর অনেক সৃষ্টি, কর্ম এবং ইচ্ছার সন্ধান লাভ কোনো মানুষের মন-মস্তিষ্কের দ্বারা সম্ভব নয়। তাফসিরকারকগণ আল্লাহর সুবহান শব্দের তাৎপর্য বোঝানোর জন্য পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ইসরাইলের প্রথম আয়াতটির উদাহরণ টানেন। হুজুরে পাক (সা.)-এর পবিত্র মেরাজের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন- সুবহা-নাল্লাজি আস্র বি'আবদিহি লাইলাম মিনাল মাসজি্বদিল হারমি ইলাল মাস্জি্বদিল আক্বছোয়াল্লাজি বা-রক্না হাওলাহু লিনুরিয়াহু মিন্ আ-ইয়া-তিনা, ইন্নাহু হু অস্ সামিউল বাছির। আয়াতটির সরল অর্থ হলো- মহিমাময় তিনি। যিনি স্বীয় বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায়; যার চারদিকে বরকতময় করেছি যেন আমি তাকে কিছু নিদর্শন দেখাতে পারি, নিশ্চয়ই তিনি শোনেন, দেখেন।

মেরাজ বা ঊর্ধ্বগমন ইসলামের একটি অতীব তাৎপর্যপূর্ণ এবং রহস্যঘন বিষয়। রাতের একটি নির্দিষ্ট সময়ে আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে পবিত্র নগরী মক্কার কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেম এমন ছিল একেবারেই অসম্ভব একটি বিষয়। প্রায় পনেরশ মাইলের এই দূরত্বই শেষ নয়- জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা থেকে রসুল (সা.) বোরাক নামক এক আশ্চর্য প্রাণীর পিঠে চড়ে রওনা করেন ঊর্ধ্বালোকে। লাখ লাখ কোটি আলোকবর্ষ দূরত্বের অসীম প্রথম আসমান পাড়ি দিলেন। এরপর একে একে সাতটি আসমান পাড়ি দিয়ে চলে গেলেন আল্লাহর আরশে আজীমে। তারপর জান্নাত-জাহান্নাম, বিখ্যাত নবী এবং রসুলগণ এবং ফেরেশতাগণের সাক্ষাৎ লাভ করে মহান প্রভুর দিদার লাভ শেষে পুনরায় মক্কায় ফিরে এলেন। হুজুর (সা.) যখন তার গৃহে ফিরে এলেন এবং বিছানার কাছে গেলেন তখন বিছানার তাপমাত্রা এমন ছিল যা দেখে যে কেউ অনুমান করতে পারবেন সে, এই কিছুক্ষণ আগে সেখানে কেউ একজন শুয়েছিলেন।

মেরাজের পরের দিন রসুল (সা.) যখন এ ঘটনা লোকজনকে বললেন তখন বিশ্বাসীগণ একবাক্যে বলে ওঠেন- সুবহা-নাল্লাহ! নিশ্চয়ই নবী সত্য বলেন এবং অসীম ক্ষমতার মালিক আল্লাহ যখন যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই যে কোনো কর্ম নিষ্পন্ন করতে পারেন। অন্যদিকে অবিশ্বাসীরা শুরু করল তুমুল সমালোচনা। আল-কোরআনের তাফসিরকারকগণ সূরা বনী ইসরাইলের আলোচ্য আয়াতের সুবহা-নাল্লাজি শব্দের মধ্যেই মেরাজের তাৎপর্য খুঁজে পেয়েছেন। বিষয়টি জটিল এবং অতীব কঠিন যা কিয়ামত পর্যন্ত কোনো মানুষের মন মস্তিষ্ক চিন্তা করে কূলকিনারা হদিস করতে পারবে না। আর এ কারণেই আয়াতের শুরুতে ইঙ্গিত করা হয়েছে- ঘটনাটি ঘটিয়েছেন সেই আল্লাহ যিনি কিনা সব দুর্বলতা এবং অক্ষমতা থেকে মুক্ত। ঘটনাটি যদি ইহলৌকিক বুদ্ধি দ্বারা বোঝা সম্ভব হতো তবে আল্লাহ আয়াতের শুরুতে সুবহা-নাল্লাজি দিয়ে শুরু না করে আলহামদুলিল্লা হিল্লাজি আসরাবি আবদিহি বলতে পারতেন।

ইসলামী চিন্তাবিদগণ মুমিন-মুত্তাকি বান্দাদের তাদের রবের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, হুকুম আহকামের ওপর পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস এবং আস্থা এনে আত্মসমর্পণ করার উপায় হিসেবে কতগুলো নিয়ামক সূত্রের উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, গভীর মনোযোগ সহকারে নিজের দিকে খেয়াল করা। এরপর অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে আল্লাহর সৃষ্টির দিকে নজর দিয়ে সৃষ্টিরহস্য বোঝার চেষ্টা করা। যেখানে মানুষের চিন্তাচেতনা কোনো সৃষ্টির অনুপম রহস্য দেখে অতি আশ্চর্য হয়ে ভাবতে পারবে এমন কর্ম কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়- একমাত্র আল্লাহই পারেন এবং তখন যদি বান্দার মুখ দিয়ে সুবহা-নাল্লাহ বের হয়ে আসে তবে আশা করা যায় শব্দটির রুহানি ফায়েজ বান্দার তকদিরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে।

অহঙ্কারী মন, অসম্পূর্ণ জ্ঞান এবং ধ্যানহীন দৃষ্টি নিয়ে আল্লাহর বিশালত্ব পরিমাপ করা যায় না। একটি বিশ্বাসী মন, বুদ্ধিমান মস্তিষ্ক, সুস্থ ও নীরোগ দেহ এবং চমৎকার সময়ই কেবল বান্দাকে সুযোগ করে দেয় বরকতময় সত্তার অন্তর্নিহিত তাৎপর্যের মাঝে সুবহা-নাল্লাহ শব্দের মাঝে বিলীন হওয়ার জন্য। সম্মানিত পাঠক যদি জিজ্ঞাসা করেন- আমি কখন এবং কীভাবে সুবহা-নাল্লাহ বলি? এটা যদিও ব্যক্তিগত বিষয় তবুও বলছি- কারণ বাস্তব উদাহরণ দিলে অনেক জটিল বিষয় পানির মতো সহজ হয়ে যায়-

(১) সময় পেলে আমি প্রায়ই আমার পাঁচটি ইন্দ্রিয় নিয়ে ভাবি। আমার চোখ কি করে তাবৎ দুনিয়ার লক্ষ কোটি রঙ, রূপ, দৃশ্য আলাদা আলাদা করে দেখতে পারে এবং মস্তিষ্কে ধারণ করতে পারে তা নিয়ে যেমন চিন্তা করি তেমনি চিন্তা করি, কোনো দৃশ্য দেখলে আমি কীভাবে ভয় পাই, লজ্জা পাই, আনন্দ লাভ করি, লোভাতুর হই এবং মুগ্ধ হয়ে পড়ি! আমার কান আমাকে কী করে লাখ লাখ কোটি সুর মূর্ছনা, তাল-লহরি কিংবা কুহুতান-কলতানে আচ্ছন্ন করে ফেলে। আমার কানের সঙ্গে হৃদয় মস্তিষ্ক এবং অন্যান্য ইন্দ্রিয় সত্তা কীভাবে নাচানাচি করে এসব ভেবে আমি অসীমের তরে হারিয়ে যাই ক্ষণে ক্ষণে। আমার নাক নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের বাইরে লক্ষ কোটি সুমিষ্ট এবং কুমিষ্ট ঘ্রাণ আশ্বাদন করানোর মাধ্যমে কখনো জীবনকে করে তোলে উপভোগ্য আবার কখনো কোনো কুমিষ্ট গন্ধের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় সতর্ক সংকেত। আমার জিহ্বাটিও এক অপরূপ মহিমায় সৃষ্টি করা হয়েছে। চোখ বুঝে কান বন্ধ করে এমনকি নিঃশ্বাস বন্ধ করেও যদি জিহ্বার ওপর তেঁতুল, কলা, আম, জাম, ইলিশ, কাঁঠাল বা লইঠ্যা মাছের ফ্রাই রাখি তবে মুখ, দাঁত, ঠোঁট এবং চোয়ালকে বলে দিতে হবে না পরবর্তী করণীয় কি? আমার ত্বক আমাকে বসন্তের বাতাসের স্পর্শ, প্রিয়ার সংস্পর্শ, নদী-সমুদ্র-পুকুর কিংবা মহাসমুদ্রের সংস্পর্শে এনে বিমোহিত করে দেয়। সামান্য একটু স্পর্শের জন্য আমি যেমন অনেক কিছু জলাঞ্জলি দিতে পারি তদ্রূপ একই স্পর্শকে এড়িয়ে চলার জন্য অনেক কিছু ত্যাগ করতে পারি।

(২) আমি আমার মাথাটি নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে মস্তিষ্ক বা ঘিলু নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি। আমার মস্তিষ্কে একশ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ কম্পিউটার বা সুপার কম্পিউটারটির মূল্য এক হাজার কোটি টাকারও বেশি। এত দামি কম্পিউটারের স্মৃতিশক্তি, গণনা করার ক্ষমতা এবং পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা আমার মাথার একশ বিলিয়ন অর্থাৎ দশ হাজার কোটি নিউরনের মধ্যে মাত্র একটি নিউরনের সমান। এই যদি হয় বাস্তব অবস্থা তাহলে আল্লাহ আমাকে যে বিনামূল্যে মাথাটি দিয়েছেন ওটার দাম কত? কমপক্ষে দশ হাজার কোটি গুণ এক হাজার কোটি টাকার সমান। এমন একটি মহামূল্যবান মাথা নিয়ে আমি যদি দরিদ্র থাকি কিংবা নিজেকে হতভাগ্য মনে করি তবে আমার মতো বান্দার জাহান্নাম ছাড়া অন্য কোনো গতি হতে পারে না।

(৩) শরীরের ২০৬ খানা হাড়ের কথা চিন্তা করতে গিয়ে আমি আমার শৈশবের কথা স্মরণে আনি। আমার জন্মের সময় অন্য সবার মতো আমার শরীরে ২৭০ খানা হাড় ছিল। আমার বয়স ৩০ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী করে ৬৪ খানা হাড় বিলীন হয়ে ২০৬ খানা হাড়ে পরিণত হলো এবং কেন হলো- এই চিন্তা আমাকে যতটা না আশ্চর্য করে তারচেয়েও বেশি আশ্চর্য করে তখন আমি ভাবি একটি মহাজাগতিক হুকুম যা কিনা রুহ হিসেবে পরিচিত তা আমার হাড়গুলোকে চৌম্বক শক্তি দিয়ে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করে রাখে। আমার রুহের রয়েছে ত্রিমুখী চৌম্বক শক্তি। প্রথম শক্তি দিয়ে এটি হাড্ডিগুলোকে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করে রাখে। দ্বিতীয় শক্তি দ্বারা এটি আমাকে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করে রাখে। তৃতীয় শক্তি দ্বারা এটি আমাকে মহাশূন্যের গ্রহ-উপগ্রহ এবং নক্ষত্রসমূহের মহাকর্ষণ শক্তির সঙ্গে এমনভাবে সংযুক্ত করে রাখে যাতে আমি শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে জমিনে চলাফেরা করতে পারি- লম্ফ দিতে পারি কিংবা পাহাড়-সমুদ্র-মহাশূন্যে টিকে থাকতে পারি।

(৪) মৃত্যুর কথা চিন্তা করার সময় আমার জন্মের পূর্বক্ষণের কথা স্মরণ করি যখন কিনা আমাকে উলঙ্গ করে দুনিয়াতে দীন-হীন এবং অসহায় করে পাঠানো হয়েছিল। মৃত্যুর মাধ্যমে আমার রুহটি যখন বের করে নেওয়া হবে তখন সঙ্গে সঙ্গে আমার শরীরের ২০৬ খানা হাড়ের মধ্যকার চৌম্বক শক্তিজনিত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। শরীরের আসমান ও জমিনের মহাকর্ষণ ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আমার এই দেহ সবার জন্য অপাঙ্ক্তেয় হয়ে যাবে। পচন ও দুর্গন্ধ ঠেকানোর জন্য আমাকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে। কিয়ামতের পর আমাকে পুনরায় জীবিত করা হবে এবং উলঙ্গ অবস্থায় হাশরের ময়দানে হাজির করে আল্লাহ তার সিংহাসনে আসীন হয়ে যখন সব মানবমণ্ডলীকে জিজ্ঞাসা করবেন- লিমানিল মুলকুল ইয়াউম? অর্থাৎ আজকের রাজত্ব কার? তখন সমবেত মানুষের সঙ্গে আমিও বলে উঠব- লিল্লাহিল ওয়াহিদিল কাহহার।

সম্মানিত পাঠক! আমি আমার লেখার শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। আচ্ছা বলুন তো কোনো এক জ্যোৎস্না প্লাবিত রাতে চাঁদের আলোতে অবগাহন করতে করতে একাকী নির্জনে শুয়ে কিংবা বসে আমি যদি উল্লিখিত চারটি বিষয় নিয়ে চিন্তা করি তাহলে আমি কি সুবহা-নাল্লাহ না বলে থাকতে পারব? কিংবা আপনি কি পারবেন?

লেখক : কলামিস্ট।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা