শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৫

সেই বাদশা এই বাংলাদেশ

নঈম নিজাম
অনলাইন ভার্সন
সেই বাদশা এই বাংলাদেশ

মিডিয়া সেন্টারে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ কে যেন পিঠে হাত রাখলেন। বললেন, তুমি কি ঢাকা থেকে এসেছ? নায়কের মতো চেহারা। আমি মাথা নাড়লাম। বিস্ময় নিয়ে তাকালাম তাঁর দিকে। সময়টা '৯৭ সালের শেষ দিকের। কমনওয়েলথ সম্মেলন হচ্ছে স্কটল্যান্ডের রাজধানী এডিনবরায়। সম্মেলনের খবর সংগ্রহে আমি এসেছি। হোটেল বুঝে নেওয়ার আগেই মিডিয়া সেন্টারে এলাম কাগজপত্র বুঝে নিতে। ছোট লাগেজটি মিডিয়া সেন্টারেই রাখা। উত্তরে বিলম্ব দেখে এবার তিনি বললেন, তুমি কি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী? আমি বললাম, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একই ফ্লাইটে এসেছি। সফরসঙ্গী বলতে পারেন। আবার নাও বলতে পারেন। কারণ আমি সরকারি তালিকাভুক্ত সফরসঙ্গী নই। ব্যক্তিগতভাবে আমার আসা। তবে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সহায়তা করেছেন অন্যভাবে। বাংলাদেশ বিমান আমাকে এডিনবরায় নামার অনুমতি দিচ্ছিল না। কারণ শুধু প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা নামবেন। অন্য যাত্রীরা নামবেন লন্ডনে। আর আমাকে নামতে হলে দ্বিগুণের বেশি ভাড়া দিতে হবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাই। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব ইব্রাহিম হোসেন খান ও প্রটোকল অফিসার আলাহউদ্দিন নাসিম বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানান। তিনি তখনই মিলিটারি সেক্রেটারিকে বলে দেন, বিমানের চেয়ারম্যান, এমডিকে বলে দিতে আমার সঙ্গে ঝামেলা না করার জন্য। এ কারণে আপনি সফরসঙ্গী বলতে পারেন। আবার নাও বলতে পারেন। কারণ আমি রাষ্ট্রীয় অর্থে আসিনি। এখানে নেমে আমার মতো করে হোটেলে উঠেছি। তিনি বললেন, তুমি হোটেলে থাকবে কেন? খামোখা অর্থের অপচয়। চল আমার সঙ্গে। তোমার সব জিনিসপত্র নাও। আমি থাকছি স্কটল্যান্ডের ওয়ালি তছরউদ্দিনের বাড়িতে। বিশাল বাড়ি। কমপক্ষে খালি রুম ১০টি। চল। অচেনা মানুষটির এ ধরনের আমন্ত্রণে বিস্মিত হলাম। চিনি না, জানি না। নিজ থেকে যেচে এসে সহায়তার হাত বাড়ালেন। তার দিকে ভালো করে তাকালাম। চেনা চেনা মনে হচ্ছিল। তিনিও আমার দিকে তাকালেন। বললেন, আমি বাদশা। আমি বিস্ময় নিয়ে বললাম, আপনিই আমিনুল হক বাদশা?

বাদশা ভাইয়ের সঙ্গে সেই পরিচয়ের সূত্রপাত। তার ছোট ভাই কামরুল হক শামীম আমার সিনিয়র বন্ধু। এই পরিবারটিকে ভালো করেই জানি। কুষ্টিয়ার বনেদি বংশ। বাদশা ষাটের দশকের আলোচিত ছাত্রনেতা। এরপর সাংবাদিক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি ছিলেন। 'জয় বাংলা' নামে একটি সিনেমাও করেছেন। সব সময় হাসিখুশি মুখ। আমি বাদশা ভাইকে বললাম, ঢাকার আরও দুই সাংবাদিক এসেছেন। জগ্‌লুল আহ্‌মেদ চৌধূরী আর ফরিদ হোসেন। তাদেরও থাকার সমস্যা। তারাও আমার মতো কম দামি হোটেল খুঁজছেন। তিনি বললেন, বাদশা থাকতে কোনো সমস্যা নেই। আগে তোমার লাগেজ রেখে আসি। ওরা দুজনও আমার ক্লোজ। তারা আসুক। তাদের নিয়ে যাব। শেষ পর্যন্ত তা-ই হলো। বাদশা ভাই আমাদের সবাইকে নিয়ে রাখলেন ওয়ালি তছরউদ্দিনের বাড়িতে। রাতজুড়ে চলত বাদশার মজলিস। আমরা সবাই সেই মজলিসের অংশীদার। প্রধানমন্ত্রীর দুই সফরসঙ্গী এবিএম মূসা এবং এম আনিসুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও আমাদের সঙ্গে যোগ দিতেন মাঝেমধ্যে। সবকিছুর মধ্যমণি বাদশা। মোগল বাদশা নন, তাতে কী!। তিনি আমাদের বাদশা।

স্কটল্যান্ড থেকে এলাম লন্ডনে। বাদশা ভাই তার বেথনাল গ্রিনের বাসাটি ছেড়ে কিছু দিন আগে উঠেছেন লন্ডন শহরতলির একটি বাড়িতে। তার শহরের বাসাটি খালি। আমাকে চাবি দিয়ে দিলেন। বললেন, যতদিন লন্ডন থাকবে এটাই তোমার ঠিকানা। একা থাকতে হবে। আমি বাকি সাত দিন এ বাসাতেই ছিলাম। প্রতিদিন সকালে তিনি আসতেন। তখন নিজেই ড্রাইভ করতেন। তার মেয়ে আকিলা খুবই ছোট। মাঝেমধ্যে ছোট্ট মেয়েটি সঙ্গে থাকত। আমাকে গাড়িতে তুলতেন। নিজে ড্রাইভ করে ঘুরে বেড়াতেন লন্ডন। দেখাতেন ব্রিকলেন, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর বাড়ি, বাংলা পত্রিকা অফিস, আমিন আলীর রেডফোর্ট, অক্সফোর্ড স্ট্রিট, টেমস তীর। সপ্তাহখানেক বাদশার শাসনকালে থেকে ফিরে আসি ঢাকায়। তারপর বাদশা ভাইয়ের সঙ্গে কথা হতো মাঝেমধ্যে। ই-মেইলে শুভেচ্ছা বিনিময় হতো। তিনি ঢাকা এলেই ছুটে আসতেন আমার অফিসে, বাড়িতে। আমার স্ত্রীর রান্নার প্রশংসা করতেন। আমি লন্ডন গেলে প্রথম ফোনটা করতাম তাকেই। আমি এটিএন বাংলায় থাকার সময় লন্ডন থেকে ফোনে তার ভয়েস নিতাম। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এটিএনের সঙ্গে যুক্ত হন। এভাবে ভালোই ছিল সবকিছু। গত বছরের শুরু থেকে শামীম ভাই মাঝেমধ্যে বলতেন, বাদশা ভাইয়ের শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। আমরা কয়েকটি নিউজও করি। হঠাৎ গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে লন্ডনে গিয়েছিলাম দুই দিনের জন্য। বাদশা ভাইকে দেখতে গেলাম তার বাড়িতে। ভীষণ অসুস্থ। শরীরটা ভেঙে গেছে। ভাবী বললেন, আপনাদের পেয়েছে এখন সুস্থ হয়ে উঠবে। শরীর খারাপ থাকবে না। আসলেও তাই। বাদশা ভাই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। মনেই হলো না তিনি অসুস্থ। হাতের মধ্যে কয়েকটি লেখা ধরিয়ে দিলেন। বললেন, ওগুলো প্রকাশ করো। লেখাগুলো বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত হয়। বাদশা ভাই দেখেছিলেন কিনা জানি না, তবে তার সঙ্গে বিদায়ী দেখা জাতীয় প্রেসক্লাবে। তিনি আমাকে দেখে উচ্ছ্বাস দেখালেন না। শুয়ে আছেন নিথর হয়ে। কফিনে শুয়ে থাকা মানুষটিকে দেখলাম। আহারে কী মায়াবী মুখ! জানাজা হলো। তার আরেক ভাই খন্দকার রাশিদুল হক নবা দাঁড়িয়ে আছেন। অন্য ভাই, আত্মীয়স্বজনও আছেন। কিন্তু নেই একজনই। তিনি বাদশা।

মানুষ এভাবেই চলে যায়। আমার এক বন্ধু প্রায়ই বলেন, ছোট্ট একটা জীবন। এ জীবনে যেমনি পারেন, ভালো থাকার চেষ্টা করবেন। জীবনটা আসলেই ক্ষণিকের। আজ আছে কাল নেই। মৃত্যুর আগে হুমায়ূন আহমেদ আক্ষেপ করেছিলেন, মানুষের জীবনটা এত ছোট কেন? একটা কচ্ছপ বাঁচে সাড়ে ৩০০ বছর। আর মানুষের গড় আয়ু ৬০ থেকে ৬৫। দেখতে দেখতে চলে যায়। আর জীবনের বড় অংশই কাটে লড়াই করে। কষ্টে, দুর্ভোগে, যন্ত্রণায়। দহনের তীব্রতায়। দহনের এ আগুন দেখা যায় না। অথচ তুষের আগুনের মতো তিল তিল করে জ্বলে। ভিতরটা জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেয়। অথচ দৃশ্যমান নয়। এর অব্যক্ত যন্ত্রণা প্রকাশও করা যায় না। এ আগুনের শিখা ঘরে-বাইরে, সমাজে-সংসারে, রাজনীতিতে সবখানে। আর তা নিয়েই আমরা বেঁচে থাকি। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলায় দুলি। এ দোলা আজ গ্রাস করেছে আমাদের জাতীয় জীবনকে, যার খেসারতে গত তিন মাস একদিকে ছিল জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার উৎসব, অন্যদিকে মামলা আর নিখোঁজের দীর্ঘ তালিকা। অথচ যে পরিবারগুলো সন্তান, স্বামী, পিতাহারা হলো আজ তাদের খোঁজ কেউ নেয় না। তাদের তীব্র দহন কেউ দেখে না।

সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় আমি বার্ন ইউনিটে গিয়েছি বার বার। আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে চেষ্টা করেছি কষ্টগুলো বোঝার। যন্ত্রণায় কাতর মানুষগুলোর কী অপরাধ ছিল জানি না। অথচ তারা নিষ্ঠুর রাজনীতির বলি। রাজনীতির হিসাব-নিকাশ বড়ই কঠিন। চিন্তাভাবনা না করে চললেই সর্বনাশ। আর এ সর্বনাশের আগুন ঘরে-বাইরে সবাইকে জ্বালিয়ে মারে। না বুঝে ভুল পরামর্শকের কথায় চলার পরিণতি মোটেও সুখকর নয়। বরং জন্ম দেয় নতুন সমস্যার। আর সে সমস্যা অনেকটা জিন্নাহর সিজদার গল্পের মতো। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে একটা মিথ আছে। মুসলিম লীগের রাজনীতি শুরু করার পর দিলি্ল জামে মসজিদের ইমামের সঙ্গে দেখা করলেন তিনি। কথাবার্তা হয় ভারতবর্ষের মুসলমানদের মনোভাব নিয়ে। কীভাবে তাদের মন জয় করা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়। ইমাম পরামর্শ দিলেন ভারতবর্ষের মুসলমানদের মন জয় করতে হলে নামাজ পড়তে হবে। মুসলমানদের মূল নেতা নামাজের বাইরে থাকলে কেউ তা ভালোভাবে নেবে না। জিন্নাহ দেখলেন প্রস্তাবটি ভালো। কিন্তু তিনি নামাজের নিয়ম জানেন না। তাই জানতে চাইলেন কীভাবে নামাজ পড়ব? ইমাম বললেন, আমাকে ফলো করলেই হবে। কথা অনুযায়ী দিলি্ল জামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে গেলেন জিন্নাহ। ইমামকে ফলো করেই দুই রাকাত নামাজ আদায়ের জন্য নিয়ত করলেন। রুকুর পর গেলেন সিজদায়। কিন্তু সিজদার পর যে উঠতে হবে তা তিনি জেনে নেননি। এ কারণে সিজদায় পড়ে রইলেন। মনে করলেন এটাই নিয়ম। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি দেখে জিন্নাহর এ গল্পটি মনে পড়ছে। বিএনপির তিন মাসের আন্দোলন, ৯০ দিনের বেশি চেয়ারপারসন অফিসে অবস্থান করলেন। কেন থাকলেন, আবার কী অর্জনে ফিরে গেলেন কিছুই বুঝলাম না।

প্রয়াত রাজনীতিবিদ মিজানুর রহমান চৌধুরী বলতেন, রাজনীতি করতে হবে বুঝে-শুনে। না বুঝে কোনো কিছু রাজনীতিতে করা ঠিক নয়। পোড় খাওয়া এই রাজনীতিবিদ সারা জীবন চাঁদপুর থেকে জয়ী হতেন। অথচ '৯১ সালে তাকে জয়ী হতে হয়েছে এরশাদের ছেড়ে দেওয়া আসন রংপুর থেকে। শুধু মিজানুর রহমান চৌধুরী নন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন রংপুরে এরশাদের ছেড়ে দেওয়া তিনটি আসন থেকে সংসদে আসেন। সংসদে প্রথম দিন এসেই মিজান চৌধুরী বক্তব্য দিতে উঠে দাঁড়ান। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপি। তাদের যৌথ ক্ষোভ জাতীয় পার্টি ও এরশাদের বিরুদ্ধে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় জামায়াতও। জাতীয় পার্টিকে কথা বলতে দিতে নারাজ সবাই। এমন পরিবেশে সংসদে এসে প্রথম দিন ফ্লোর নেন দক্ষ রাজনীতিবিদ মিজান চৌধুরী। চারদিকে হৈচৈ। অথচ মিজান চৌধুরী কথা বলবেন নিষিদ্ধ এরশাদকে নিয়ে। তিনি শুরু করলেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার প্রশংসা দিয়ে। একই সঙ্গে প্রশংসা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের। দুই দলই নীরব। সবাই তার বক্তব্য শুনছেন। এবার তিনি এলেন মূল বিষয়ে। বললেন, মাননীয় স্পিকার! দুই নেত্রীর পাশাপাশি এ সংসদে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদকে নিয়ে আসা হলে হাউস আরও প্রাণবন্ত হতো। গণতন্ত্রের দৃষ্টান্ত স্থাপন হতো। কারণ তিনি পাঁচটি আসনে জয়ী। কেউ প্রতিবাদ করলেন না। মিজান চৌধুরী বক্তব্য শেষ করলেন। রাজনীতি আসলে এক কৌশলের খেলা। এ খেলায় পরিস্থিতি বুঝতে হয়। বাস্তবতা বুঝতে হয়। একবার কৌশলে মার খেলে অপেক্ষা করতে হয়। তাড়াহুড়া করলে তখন সমস্যা বাড়ে। নতুন নতুন জটিলতায় সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। রাষ্ট্রের জন্য দরকার এলোমেলো নয়, বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত। সঠিক, দক্ষ সিদ্ধান্ত পারে একটি দেশকে এগিয়ে নিতে। আবার কুশাসন, অপরাজনীতি পারে একটি দেশের সর্বনাশ করতে। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আশার আলো জেগে উঠেছে। ভুল রাজনীতির কারণে এ আশার আলো অন্ধকারে রূপ নিতে পারে না। এ কারণে রাজনৈতিক দলগুলোকে চলতে হবে জনগণের চিন্তাকে প্রাধান্য দিয়ে। মনে রাখা দরকার, সিঙ্গাপুরের অর্থনীতি একসময় আমাদের চেয়ে খারাপ ছিল। মালয়েশিয়া যখন সিঙ্গাপুরকে সঙ্গে না রাখার ঘোষণা দিল তখন মিডিয়ার সামনে কেঁদে ফেলেছিলেন লি কুয়ান ইউ। অথচ সেই সিঙ্গাপুর এখন বিশ্বের কাছে সমৃদ্ধির প্রতীক। শেখ হাসিনা যখন ঘোষণা দিলেন, পদ্মা সেতু করবেন দেশের অর্থে- অনেকে বিশ্বাস করেননি। সংশয় ছিল। কিন্তু ভিশন থাকলে দক্ষ নেতৃত্বে যে কোনো কিছুই থেমে থাকে না। পদ্মা সেতু এখন বাস্তবতা। শেখ হাসিনার উন্নয়ন সাফল্য অনেক। বাকি কাজগুলোও করতে হবে। মেট্রোরেল সময়ের দাবি। উড়ালসড়ক নিয়ে তাগাদা দিতে হবে। শেষ করতে হবে ফোর লেনের কাজ। পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার দিকে। ফিরিয়ে আনতে হবে আইনের শাসন। আধুনিক সিঙ্গাপুরের বড় সাফল্য শুধু উন্নয়নে নয়, আইনের শাসন ও দুর্নীতিকে জিরো করাতে। সেদেশে কেউ ভুল করে রাস্তায় চুইংগাম ফেলে না। আবার খোলা আকাশের নিচে সিগারেট ধরানোর সাহসও করে না। কারণ সেখানে মানুষ জানে আইনের শাসনের ব্যত্যয় ঘটালে রাষ্ট্র ছাড়বে না। আমরা আইনের শাসন দেখতে চাই। সমৃদ্ধ বাংলাদেশও চাই।

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা