শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫

হৃদয় আমার

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
অনলাইন ভার্সন
হৃদয় আমার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক আইপিজিএম অ্যান্ড আর এ আমি ১৯৮৯ সালের জুন থেকে শুরু করে ২০১৫ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত কাজ করি। মাঝে দুই বছর ১৯৯৬-৯৮ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধানের সময় বাদ দিয়ে। পিজি বা বঙ্গবন্ধুতে আমি সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, অধ্যাপক, অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ট্রেজারার এবং উপাচার্য হিসেবে কাজ করেছি। আত্মিকভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমার আত্মায় গাঁথা। আমার হৃদয় বা আমার প্রাণ। অনেকের অধীনে কাজ করেছি। সবার সন্তুষ্টি পেয়েছি। আবার কাজের নেতৃত্বও দিয়েছি। আমার বিবেক বলে সফলতার পাল্লাটা ব্যর্থতার পাল্লার চেয়ে ভারী। জানি না, জনগণের নিরপেক্ষ আদালত কী বলে? বিশ্ববিদ্যালয়টি ছিল একটি ছোট হোটেল অর্থাৎ শাহবাগ হোটেল, পরবর্তীতে আইপিজিএম অ্যান্ড আর, সর্বশেষ ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল জাতির পিতার নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এখন বিশ্ববিদ্যালয় একটি ক্যাম্পাসে পরিণত হয়েছে। ভৌত কাঠামোর পরিবর্তন হয়েছে, বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে, গবেষণা কাজে অধিক জোর দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। সব মিলে গরিব ও মধ্যবিত্তের একটি আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে।

দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করলে চিকিৎসা পেশার মেধাবী শিক্ষকদের একটি অংশ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছেন। শুরুতেই বলতে হচ্ছে অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হকের কথা। তিনি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান। নিজেই প্রস্তাব করলেন ইন্টারনাল মেডিসিন এবং এন্ডোক্রাইনোলজিকে আলাদা বিভাগ করে তাকে শুধু রিউমেটোলজি বিভাগের নেতৃত্ব দেওয়া হোক। এ উইংগুলোর নিজস্ব আয় বলতে কিছুই নেই। তারপরেও অধ্যাপক জলিল চৌধুরী এবং অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের হাতে যথাক্রমে দুটো বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হলে, এটা অনেক ভালোভাবে চলবে। তাই তাদের বিভাগগুলো যাতে স্বয়ংক্রিয় এবং গবেষণা চালিয়ে কাজ করতে পারে সেজন্য সাহায্য এনে তাদের বিভাগগুলো চালু করে দেই। ডা. ফরিদ, ডা. আতিক এবং ডা. জলিল সবাই আমার জুনিয়র। আমার কাছে তারা ত্রি-রত্ন। এ তিন বিভাগে আরও যারা নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক এবং চিকিৎসক তারা হলেন- অধ্যাপক আবুল হাসনাত, অধ্যাপক আবদুুর রহিম, অধ্যাপক জিলন মিঞা সরকার এবং অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ। ডিন হিসেবে পর পর দুবার নির্বাচিত হওয়াই প্রমাণ করে ডা. আবদুল্লাহ কত জনপ্রিয় একজন সহকর্মী। অধ্যাপক নজরুল এবং অধ্যাপক মিনহাজকে নিয়ে সৈয়দ আতিক গবেষণায় অনেক উন্নতি করতে পারবেন।

কার্ডিওলজি বিভাগে অধ্যাপক আবু সিদ্দিক, অধ্যাপক সজল, অধ্যাপক চৌধুরী মেশকাত, অধ্যাপক শফিউদ্দীন, অধ্যাপক আলী আহসান এবং অধ্যাপক ফজলুর রহমান সবাই ওই বিভাগের প্রাণ। অধ্যাপক সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জিকে কত রোগী আমাকে উপাচার্যের কক্ষ থেকে রেফার করতে হয়েছে, তার হিসাব আমার কাছেও নেই এবং সজলের কাছেও নেই। সবাইকে সব সময় হাসিমুখে চিকিৎসা দিতে পেরেছে। ডা. হারিসুল হক এবং মোস্তফা জামানও আমার অনেক যন্ত্রণার শিকার হয়েছেন। মেডিকেল কলেজের সিনিয়রিটি ধরলে তারা সবাই আমার জুনিয়র এবং কেউ কেউ সরাসরি ছাত্র। গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক রায়হান, অধ্যাপক প্রজেস, অধ্যাপক আবদুর রহিম মিয়া এবং হাসান মাসুদসহ অন্য সবাই মিলে চেষ্টা করলে এটা দেশের সেরা একটা বিভাগ হতে পারে। আমি ব্যর্থ, চাহিদা মোতাবেক তাদের যন্ত্রপাতি ক্রয় করে দিতে পারিনি। তবে টিচিং হাসপাতালে যন্ত্রপাতি একটু তাড়াতাড়ি রিপ্লেস করতে হয়। যেহেতু শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের কাজে বাইরের ক্লিনিকগুলোর চেয়ে এদের ব্যবহার শতগুণ বেশি। বিদেশি এই সব fibre optic যন্ত্রপাতি খুবই দামি।

নিউরোলজি বিভাগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহসহ অন্য অধ্যাপকদের মধ্যে ডা. হান্নান, ডা. রিজভী, ডা. রফিক, ডা. রেজাউল করিমের প্রচেষ্টায় এবং সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকদের সহযোগিতায় অত্যন্ত সুন্দরভাবে বিভাগটি কাজ করে চলছে। স্ট্রোক ম্যানেজমেন্টসহ নিউরো-ডিসএবিলিটির সব ধরনের চিকিৎসায় যথেষ্ট পারদর্শিতা এদের রয়েছে। আমার মনে হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউন্যাটোলজি বিভাগ সবচেয়ে বড় এবং অর্গানাইজড। যারা এ বিভাগের প্রাণ, তারা হলেন অধ্যাপক শাহিদুল্লা, মান্নান, সঞ্জয় এবং অর্জুন। এক কথায় বলতে গেলে বলা যায় নবজাতক চিকিৎসায় তারা হলেন চতুরঙ্গ এক চিকিৎসক দল। তাদের রেসিডেন্টদের দিয়ে তারা যেমন কাজ আদায় করে নিতে পারেন, তেমনি প্রশিক্ষণও দেন হাতে ধরে। আমার প্রিয় এবং খুবই স্নেহের ছাত্র অধ্যাপক রফিকুল আলম আজুর নেতৃত্বে নেফ্রোলজি বিভাগ যথেষ্ট সম্প্রসারিত হয়েছে। অধ্যাপক আছিয়া খানমও এ বিভাগের একটি প্রভাবক শক্তি।

অধ্যাপক মো. মঈনুজ্জামানের নেতৃত্বে ফিজিক্যাল মেডিসিন এ রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ সামান্য সম্প্রসারিত হয়েছে, কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি পেয়েছে, অধ্যাপকদের বসার জায়গা, ক্লাস রুমের ব্যবস্থা হয়েছে, কিন্তু আরও অধিক সম্প্রসারণ প্রয়োজন, দেশের চাহিদার প্রেক্ষিতে, যেহেতু অবকাঠামো বৃদ্ধি পেয়েছে, এখন সম্প্রসারণ সময়ের ব্যাপার। চৌধুরী আলী কাওসার, সাহানা আখতার রহমান, মিজানুর রহমান এবং শাহীন আখতার শিশু রোগের বিভিন্ন শাখায় একেকজন দক্ষ শিক্ষক ও গবেষক। শিশুরোগ বিভাগের মর্নিং সেশন সত্যিই একটা উপভোগ্য এবং চমকপ্রদ শিক্ষা সেমিনার। নিজ নিজ উইংকে শক্তিশালী করার জন্য তারা সবাই নিবেদিত। যে চারজনের কথা আমি এখানে বললাম তারা সবাই চতুর্মুখী গুণে গুণান্বিত।

শিশু গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির অধ্যাপক এএসএম বজলুল করিম এবং শিশু অঙ্কোলজির অধ্যাপক আফিকুল ইসলাম এবং অধ্যাপক চৌধুরী ইয়াকুব জামাল তাদের নিজস্ব বিভাগগুলোকে যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন। শিশু অঙ্কোলজির বিভাগের সঙ্গে বিদেশি সহযোগিতাও প্রশংসার দাবি রাখে। কৃতিত্ব অধ্যাপক আফিক এবং অধ্যাপক ইয়াকুব জামালের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রাপ্ত অধ্যাপক একেএম খোরশেদ আলম অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসক ও শিক্ষক হলেও শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি যতটুকু শ্রম দেওয়ার কথা ঠিক ততটুকু দিতে না পারলেও অধ্যাপক নূরুদ্দিন বিভাগের হাল ধরে আছেন। ডা. আইয়ূব আল মামুনরা যদি অক্লান্ত পরিশ্রম করে হেপাটোলজি বিভাগকে নূরুদ্দীনের নেতৃত্বে গড়ে তুলতে চান, তাহলে এটা সম্ভব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

অর্থোপেডিকস বিভাগে অধ্যাপক নকুল দত্তের নেত্বত্বে যে ১৫ জন শিক্ষক আছেন, তারা সবাই যদি নিবেদিতপ্রাণ হয়ে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাটা চালু রাখেন তবে তা কাজের কাজ বলে বিবেচিত হবে। OT সহ আমি ইমার্জেন্সি খুলে দিয়ে এসেছি, সেটার মাধ্যমে সেবা দিয়ে পঙ্গু হাসপাতালের চাপ অনেকটা লাঘব করতে পারেন এবং যা সম্ভব। এটা সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসকদের ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। জরুরি অর্থোপেডিক সেবা চালু করার পেছনে একটাই উদ্দেশ্য ছিল যেন আমার রেসিডেন্টগুলো ভালো সার্জন হিসেবে বের হন। এ জন্য দরকার ১৫ জন বিশেষজ্ঞ তাদের কাছে আসা জরুরি রোগীগুলোকে হাসপাতালে রেফার করে প্রাইভেট চিকিৎসার চেয়েও যেন ভালো চিকিৎসা দেন, যাতে তারা সুস্থ হয়ে ফিরে আরও রোগী রেফার করবেন।

ইউরোলজি বিভাগের তরুণ ও পুরনো চিকিৎসকদের যে টিম কাজ করছে তাদের দক্ষতা ও শৈল্য শিল্প আন্তর্জাতিক মানের। কিডনি ট্রান্সপ্লান্টে তাদের পারদর্শিতা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। আমার অনুরোধ থাকবে তারা যেন অধ্যাপক এম এ সালামের সার্জিক্যাল দক্ষতা ও জ্ঞান রেসিডেন্টদের কাজে লাগানোর জন্য তাকে অতিথি ফ্যাকাল্টি হিসেবে আমন্ত্রণ জানান। এটা অনস্বীকার্য তিনি বর্তমানে দেশের সেরা ইউরোলজিস্টদের একজন। অ্যানেসথেসিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে রাষ্ট্রের চাহিদা মেটানোর জন্য বিশেষজ্ঞ অ্যানেসথেসিস্ট তৈরির যে প্রক্রিয়াটা বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করে দিয়েছে তার ফলশ্রুতিতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের নূ্যনতম চাহিদা পূরণ হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ অধ্যাপকদের একটা গ্রুপ, যারা আমার ছাত্রতুল্য তারা সবাই এত একাগ্রতা নিয়ে কাজ করছেন, আমি আশাবাদী অদূর ভবিষ্যতে কোনো সার্জন অ্যানেসথেটিস্ট নিয়ে কোনো অভিযোগ করবেন না। আমি এই বিভাগের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি। সার্জারি বিভাগের সার্জনদের দক্ষতা নিয়ে (দুই-একজন ব্যতীত) কারও কোনো প্রশ্ন নেই। অধ্যাপকদের মধ্যে পাঁচজন এতই দক্ষ যে, তারা পঞ্চপাণ্ডবের সঙ্গে তুলনীয়। তাদের সার্ভিসটা যদি জুনিয়রদের সঙ্গে নিয়ে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত হয় তাহলেই সম্ভব নতুনত্ব দেওয়া। এ প্রসঙ্গে দিলি্লর অলইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের ডা. বেনু গোপাল সম্বন্ধে প্রচলিত একটি বাক্য 'বেনু গোপাল কখন আসে কখন যায় কেউ জানে না' অর্থাৎ তিনি সকাল ৮টার আগে আসেন এবং রাত ৮টার পর হাসপাতাল থেকে বের হন। বেসিক সায়েন্সের প্রতিটি বিভাগে দুই-একজন ব্যতীত সবাই অত্যন্ত আন্তরিক, নিয়মানুবর্তী। তাদের দক্ষতাও প্রশ্নাতীত। এনাটমির অধ্যাপক মানজারে শামীম ভাইকে ডা. বেনু গোপালের সঙ্গেই তুলনা করা যায়। রকফেলার ফাউন্ডেশনের সহায়তায় পাবলিক হেলথ এবং ইনফরমোটকস বিভাগ অত্যন্ত সুন্দরভাবে গবেষণার কাজে সহায়তা দিচ্ছেন। লন্ডন থেকে চাকরি ছেড়ে দেশে এসে ডা. সৈয়দ শরীফুল ইসলাম, যেভাবে এই বিভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, অচিরেই এই বিভাগটি দেশে পাবলিক হেলথের নেতৃত্ব দিতে পারবে। রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম অধ্যাপক নজরুল ভাইয়ের নেতৃত্বে প্রোভিসি রুহুল আমিন মিঞার সহযোগিতায় যেভাবে এগোচ্ছে, আমি নিশ্চিত এটা সত্যিকার বিশেষজ্ঞ তৈরির সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখবে।

এ পর্যন্ত আমি যাদের কথা বললাম তাদের প্রত্যেকেই স্বপ্ন দেখতে পারেন এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা রাখেন। স্বপ্নই জাতিকে উন্নীত করে। দেশকে আমি কী দিতে পারি? অন্যান্য দেশের মধ্যে আমার দেশকে সম্মান দিতে পারি। আমার ভাই-বোনের মুখে হাসি ফোটাতে পারি। শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও সুস্বাস্থ্য ব্যবস্থার মধ্যে তা সম্ভব। আত্মসম্মান অর্জনের ক্ষেত্রে শিক্ষা হলো প্রধান। তবে এ শিক্ষা হওয়া উচিত সুশিক্ষা। কুশিক্ষা বা বাণিজ্যিক শিক্ষা সমাজকে কিছুই দিতে পারে না। মনে রাখা উচিত, সুস্বাস্থ্য সেবার ব্যাপ্তি ও একটি দেশের মান উন্নয়নের সূচক। যাদের আমি ত্রিরত্ন, চতুরঙ্গ, পঞ্চপাণ্ডব এবং চতুর্মুখী গুণে গুণান্বিত বললাম, তাদের সবাই যদি সব কিছু ছেড়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু শিক্ষকতা ও গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন, তাহলে এ বিশ্ববিদ্যালয় অচিরেই বিশ্বভুবনে তার আসন করে নেবে। দরকার প্রয়োজনীয় ফান্ড। এই ফান্ড শুধু ওষুধ কোম্পানিগুলো, যথেচ্ছা খরচ না করে গবেষণার কাজে দিলেই তা সম্ভব। এখানে সরকারের নূ্যনতম সুবিধাদিই যথেষ্ট। ওষুধ কোম্পানিগুলো বিদেশে যেভাবে গবেষণার কাজে অর্থ ব্যয় করেন, ঠিক সেভাবে এদেশে ব্যয় করলে, গবেষকদের আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকেই আমন্ত্রিত অতিথির মর্যাদায় ব্যয় নির্বাহ করা যাবে। তাদের কোনো ওষুধ কোম্পানির সহায়তায় সেমিনার বা সিম্পোজিয়ামে যেতে হবে না। পূর্বের সোভিয়েত ইউনিয়নে যেখানে শুধু আমাকে এমএস এবং পিএইচডি করার জন্য প্রায় সাড়ে তিন বছর অধ্যয়ন করতে হয়েছিল, যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে শ্রুতিবিদ্যা এবং বধিরতার রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে এমএসসি করার জন্য প্রায় দেড় বছর লেখাপড়া করতে হয়েছিল, জার্মান ফেলোশিপে ছয় মাস মধ্যকর্ণের ওপর জার্মানির টিউবিনগেন পড়াশোনার জন্য ব্যস্ত থাকতে হয়েছিল এবং বিদেশি নামিদামি মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল দেখার সুযোগ হয়েছিল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক কাজ চালিয়ে আমি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান আরও উঁচুতে নিতে হলে, আমাদের এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নন-প্রাকটিসিং হতে হবে। এবং ভালো ডাক্তার তৈরির জন্য রেসিডেন্সি ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করতে হবে। রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। প্রথম ব্যাচ বিশেষজ্ঞ হিসেবে বেরও হয়ে গেছেন। গত ২ বছরে কীভাবে নন-প্রাকটিসিং বাস্তবায়ন করা যায় তা নিয়ে সিনিয়র শিক্ষকদের সহায়তায় একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

নন-প্রাকটিসিং হলে কিছু কিছু ভালো চিকিৎসক চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে কিং জর্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রবি কান্তের মতামত হলো ‘Initially there will be loss but finally there will be gain’। ভারতে যে কয়টি স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং সেবা প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছেছে, তার সবই নন-প্রাকটিসিং যেমন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স, পি জি আই চণ্ডীগড়। এমন কি, টাটা মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতালেও যে সব বিশেষজ্ঞ চাকরি করেন, তারা প্রাইভেট প্রাকটিস করতে পারেন না। আমি আশা করব, বর্তমান প্রশাসন তৈরি করা নন-প্রাকটিসিং কাঠামো, পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত বা পরিমার্জিত করে বাস্তবায়ন করবেন এবং সরকার নতুন যে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করছেন তা শুরুতেই নন-প্রাকটিসিং হলে এ দেশে চিকিৎসার গুণগত মানের ব্যাপক উন্নতি হবে। পাঠক নিশ্চয়ই জানেন, বিকল্প হিসেবে আমরা বঙ্গবন্ধুতে Evening professorial consultancyএবং অপারেশন চালু করেছি তা পরিপূর্ণভাবে সার্থক হয়েছে।

লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা