শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৫

ভোট জালিয়াতি কেন হয় কীভাবে হয়

নঈম নিজাম
অনলাইন ভার্সন
ভোট জালিয়াতি কেন হয় কীভাবে হয়

ভোট এক জটিল বিষয়। কবি নজরুল একবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। সময়টা পুরো মনে নেই। আনুমানিক ১৯২৬ থেকে ৩০ সালের দিকের ঘটনা। কিন্তু একজন জমিদারের বিরুদ্ধে ভোট করে কবি কাঁপিয়ে দিলেন ফরিদপুর। হারলেন অতি অল্প ভোটে। এ পরাজয়ের পর বিদ্রোহী কবি আর ভোটমুখী হননি। আমার আরেক প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণও ভোট করেন একবার। তার মার্কা ছিল কুমির। কুমির নিয়ে কবি নেত্রকোনার নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়ান। ঢাকা থেকে কবিভক্তরা নেত্রকোনা যান দলেবলে। আমারও যাওয়ার কথা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয়নি। তার পরও নেত্রকোনায় ভোট উৎসবের শেষ ছিল না। হুমায়ূন আহমেদ গিয়ে এ উৎসব আরও জমিয়ে দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কথা রাখেননি। তারা আওয়ামী লীগ, বিএনপি প্রার্থীর বাইরে যাননি। কথা দিলেও তারা ভোট দেননি কবি নির্মলেন্দু গুণকে। লেখক, সাহিত্যিকদের ভোটের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। ভোটের হিসাব-নিকাশটাই অন্য রকম। সৃষ্টিশীল মানুষরা এত হিসাবি নন। রাজনীতির মারপ্যাঁচও তারা ধরতে পারেন না। যে কারণে রাজনীতিতে গিয়ে বিপদে পড়েন। ভোট হলো পার্টি ক্যাডারদের জন্য। জিয়াউর রহমানের আমলে দেশে একবার 'হ্যাঁ-না' ভোট হয়েছিল। আমাদের স্কুলপড়ুয়া বন্ধুরা পরদিন এসে গল্প শোনাল কে কত শত ভোট দিয়েছে। আসলে ভোট দেওয়া নয়, সিল মারা। ভোটাররা কেন্দ্রে যাননি। প্রিসাইডিং অফিসাররা বসে থাকতে পারেন না। তিনি স্কুলপড়ুয়া ছেলেদের ডেকে সিল মেরে বাক্স ভরিয়েছেন।

ভোট জালিয়াতি আরও অনেক দেখেছি। পেশাগত কারণে অনেক কিছু প্রত্যক্ষ করেছি। একবার কুমিল্লার এক কেন্দ্রে দেখলাম বিশাল লাইন। দাঁড়িয়ে আছেন ভোটাররা। রাস্তায় সেনা টহল। পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন বসে আছেন। ভিতরে গিয়ে দেখি পোলিং এজেন্ট আর প্রিসাইডিং অফিসার মিলেঝিলে সিল মারছেন। পরে আবিষ্কার করলাম, বাইরের লাইনে থাকা মানুষগুলো তাদের সমর্থক। কোনো সমস্যা নেই। সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনো কিছু বোঝা সম্ভব নয়। ভোট নিয়ে আরেক অভিজ্ঞতা কাদের সিদ্দিকীর আওয়ামী লীগ ছেড়ে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার সময়কার। আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ এমপিরা সখীপুর গিয়ে অবস্থান নেন। ডাকসাইটে এমপিরা দায়িত্ব নেন বিভিন্ন কেন্দ্রের। প্রিসাইডিং অফিসার রাতেই ম্যানেজ। পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা পেলেন নগদনারায়ণ। মাঝরাতেই ১০ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়ে বাক্সে। কাদের সিদ্দিকীর কাছে অভিযোগ আসে দিনের বেলায়। অভিযোগ কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা ফিরে আসেন। কারণ তাদের ভোট অন্যজন দিয়ে দিয়েছেন। তারা জানতে পারলেন না, দিনে নয়, সেই ভোটারদের ভোট রাতেই শেষ। কেউ কিছু ধরতে পারলেন না।

ভোটের আরেক ইতিহাস ২০০১ সালে। সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ভোটের দুই দিন আগেই শুরু। পুলিশ প্রশাসন নগদে ম্যানেজ। সর্বশেষ বিদায়ী সরকারের প্রতি প্রশাসনের এক চুলও দরদ নেই। রাতের ব্যবধানে তারা চোখ উল্টিয়ে নেয়। আমার থানা নাঙ্গলকোটের পুলিশের এক দারোগার দাপট দেখেছি। তার কাজ ছিল আওয়ামী লীগারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা করা। তিনি লিডার। সঙ্গে শুধু পুলিশ নয়, খোলা অস্ত্র নিয়ে শিবির ও বিএনপি ক্যাডাররা। ভোটের আগেই কেন্দ্রছাড়া আওয়ামী লীগের কর্মীরা। ঘোড়াময়দান নামের এক কেন্দ্রে বিএনপি পায় ৬ হাজার ৬০০ ভোট আর আওয়ামী লীগ ১২ ভোট। এই সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আওয়ামী লীগ সমর্থক সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অনেক এলাকায় হামলা হয়নি। তবে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নেই। আপনার ভোট আমরা পেয়ে গেছি। ধানের শীষের প্রতি আপনাদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। কেন্দ্রে কষ্ট করে কেন যাবেন? আপনাদের এ ভালোবাসার কথা মনে থাকবে। ভোটের পর দিন শান্তিতে ছিলেন না আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। তাদের বাড়িঘর লুট হয়েছিল। ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে খোলা হয়েছিল লঙ্গরখানা। বরিশাল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট থেকে পালিয়ে নিরীহ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন কোটালীপাড়ার স্কুলঘরগুলোয়। সেখানেও লঙ্গরখানা খোলা হয়।

ভোটের সর্বনাশ আর গণতন্ত্রের হার যুগে যুগে হয়েছে। এখনো হচ্ছে। আমরা এই রাহু থেকে মুক্ত হতে পারছি না। কবে মুক্ত হব তা-ও জানি না। ভালো কিছুর আশা করি সবসময়। এবারও আশা করেছিলাম। কিন্তু আমি ঢাকা সিটি করপোরেশনের ভোটার নই। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ভোটার। আমার স্ত্রী ঢাকার ভোটার। সিটি নির্বাচনে তার সঙ্গে গেলাম উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের হাইস্কুল কেন্দ্রে। তিনি ভোটার। পাশে আমি পর্যবেক্ষক (কার্ড ছিল নির্বাচন কমিশনের)। তার পরও ভিতরে থাকলাম না। তাকে কেন্দ্রের ভিতরে পাঠিয়ে স্কুল গেটের কাছে দাঁড়ালাম। সাধারণ ভোটাররা আমার কাছে এসে টুকটাক গল্প করছেন। বিএনপির দুই সমর্থকের সঙ্গে কথা হলো। একজন বললেন, ভাই দেখুন চারদিকে শুধু আওয়ামী লীগের লোক ব্যাজ পরে ঘুরছে। বিএনপির পোলিং এজেন্ট নেই। বিএনপির লোকজন দাঁড়াতে পারছে না। বিএনপির আরেক নারী সমর্থক বললেন, বাস মার্কায় ভোট দিলাম। কিন্তু মন ভালো নেই বিএনপির কর্মীরা নেই বলে। আমি জানতে চাইলাম, সমস্যা কোথায়? তারা কোথায়? তিনি বললেন, সমস্যা রাত থেকেই। পোলিং এজেন্টদের হুমকি দিয়ে আসতে দেওয়া হয়নি। তাকে বললাম, সকালে দলে বলে এলেই হতো। অনেক মিডিয়া আছে এখানে। টেলিভিশনগুলোর লাইভ ক্যামেরা নিয়ে রিপোর্টাররা ঘুরছেন। তারা দুই পক্ষের তর্কাতর্কি দেখতে চান। অভিযোগ শুনতে চান। কেন্দ্রে সাহস করে এলেই ভালো হতো। ভদ্রমহিলা আর কথা বাড়ালেন না। বিপক্ষের লোকজনকে হুমকি আমাদের দেশে পুরনো সংস্কৃতি। কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়া আগেও দেখেছি। কিন্তু বিপক্ষের লোকজন সবসময় সতর্ক থাকেন। তারা কেন্দ্র পাহারা দেন। নেতা-কর্মীরা কষ্ট করে মাঠ ধরে রাখেন। ঝুঁকি নেন। কিন্তু এবার তা দেখিনি। বিএনপির কর্মীরা ঝুঁকি নেননি। হুমকির কাছে মাথা নত করেছেন। কারণটা কী?

আমার মনে হচ্ছে, সহিংস রাজনীতিই বিএনপির সর্বনাশ ঘটিয়েছে। বিএনপি আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি নয়। গণমানুষের সঙ্গে দলটির সম্পর্ক আছে। বর্জনের পরও তিন সিটির ফলাফলে তা-ই মনে হচ্ছে। তিন মাসের সহিংস রাজনীতির কারণে বিএনপির ঢাকা ও চট্টগ্রামের নেতা-কর্মীদের বড় অংশ এখন ফেরারি। মাঠের কর্মীরা সক্রিয় ছিলেন না এ নির্বাচনে। ছাত্রদলের নব্বইয়ের এক ডাকসাইটে নেতার সঙ্গে কথা হচ্ছিল গতকাল। বললেন, ভাই বড় কষ্ট পেয়েছি ম্যাডামের গাড়িতে হামলা দেখে। কিন্তু তার পরও যাইনি। কারণ আমাদের মূল্যায়ন নেই। বেগম খালেদা জিয়া ভোটের প্রচারণায় বের হবেন এ খবর গোপন রাখা হয়েছিল। এ খবর গোপন থাকবে কেন? তিনি গণমানুষের নেত্রী। রাজপথে অতীতেও মাঠে ছিলেন। নেতা-কর্মীদের জানানো হলে রাস্তায় রাস্তায় তারা অবস্থান নিতেন। সাধারণ মানুষও উৎসাহ নিয়ে অপেক্ষা করত। মানুষের ভিড় থাকলে হামলাকারীরাও আসতে সাহস পেত না। অথচ ব্যক্তিগত স্টাফ সব গোপন রেখেছেন। এই দলের সিদ্ধান্ত কারা নেন, কে নেন, কীভাবে নেন কিছুই জানি না। এই নেতা আরও দুঃখ করে বললেন, আশির দশকের ছাত্রদল নেতাদের কোনো মূল্যায়ন নেই। আমি জানতে চাই, ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন আছে কি? তিনি বললেন, মোটেও না। আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর দিন শোক জানাতে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ভিতরে ঢুকতে দিলেন না কর্মচারীরা। অথচ বিএনপির শীর্ষ নেতারা সবাই ভিতরে ছিলেন। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল্লাহ আল নোমানসহ কোনো নেতাকে জানানো হয়নি বাইরে প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে আছেন। সেই নেতারা পরে দুঃখ করেছেন এই দলে কী হয় কিছুই জানি না।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়েও বিএনপিতে নানামুখী বক্তব্য আছে। অনেকে বললেন, তিন মাসের সহিংস রাজনীতির বদনাম থেকে বের হওয়ার জন্যই বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেওয়া। জেতার জন্য অংশ নেয়নি। বিএনপি নেতা-কর্মীদের বড় অংশ এখন কারাগারে। সাবেক কাউন্সিলররা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এবার নির্বাচনে যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদেরও কাজ করতে দেওয়া হয়নি। গত এক বছরের আন্দোলনে মহানগর কমিটির ব্যর্থতা ছিল। বিশেষ করে ঢাকা সিটির নেতাদের আন্দোলনে দেখা যায়নি। সাহস করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতারা সিটি নির্বাচন নিয়ে ব্যাপকভাবে মাঠে নামেননি। তাদের মধ্যে নানামুখী সংশয় ছিল। এমনকি প্রার্থী হিসেবে মির্জা আব্বাসকে মাঠে পাননি কর্মীরা। আবদুল আউয়াল মিন্টু জনপ্রিয় প্রার্থী ছিলেন। তার ছেলের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। চট্টগ্রামে জনপ্রিয় প্রার্থী ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অথবা আবদুল্লাহ আল নোমান। তারা ভোটে যাননি। আমাদের দেশে পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে মানুষের কাছে অপ্রিয় হতে হয়। মনজুর আলম গত পাঁচ বছর মেয়র ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে পারেননি সরকারের অসহযোগিতায়। জলাবদ্ধতা দূর করার ক্ষেত্রে তার ব্যর্থতা ছিল। এত সমস্যার পরও সাধারণ ভোটাররা বিএনপির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল, যার প্রমাণ ভোটের দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফলাফল।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বন্ধু ফোনে বললেন, তাবিথ আউয়ালের ভোট দেখেছেন? দুপুর ১২টার আগে এত ভোট? বিএনপি ভোট বর্জন না করলে তার সম্ভাবনা ছিল। তিনি ভালো করতে পারতেন। আর প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে বিএনপির কর্মীরা শক্ত অবস্থান নিলে কথাই ছিল না। ভোট নিয়ে এদিক-ওদিক করা সম্ভব হতো না। অতীতেও ক্ষমতাসীনদের হারিয়ে বিরোধী দলের জয়ের অনেক দৃষ্টান্ত আছে। এবারও স্বাভাবিক রাজনীতি থাকলে বিএনপি আরও ভালো করত। আমি বন্ধুকে বললাম, আপনার সঙ্গে একমত। বিএনপির এখনো সমর্থক আছে, কিন্তু নেতা নেই। বিএনপি কারা চালান, কীভাবে চালান এ প্রশ্ন এখন মাঠের কর্মীদের। তার পরও আমি মনে করি বিএনপির হারানোর কিছু নেই। তারা সুস্থধারার রাজনীতিতে ফিরে এসেছে। এই ভোটে বাড়ি ফিরেছেন অনেক নেতা-কর্মী। কয়েক মাসের আন্দোলনের পর নতুন করে পথচলার একটা রাস্তার দরকার ছিল। বিএনপি সে রাস্তা ফিরে পেয়েছে সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে। বর্জন না করে ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করলে হয়তো বড় চমকও থাকত। সেই চমক আর দেখা হলো না। তাই আপাতত শুধুই অপেক্ষা।

পাদটীকা : এক লোক ভোটে দাঁড়িয়েছেন। নাওয়া নেই, খাওয়া নেই। সারা দিন বাড়ি বাড়ি হেঁটে কেবলই ভোটের প্রচারণা। মাঝরাতে একদিন বাড়ি পৌঁছে দেখেন ঘরের দরজায় বউ দাঁড়িয়ে। সারা দিনের ক্লান্তিতে প্রার্থীর অবস্থা চরম খারাপ। এর মধ্যে যোগ হয়েছে পানির তৃষ্ণা। বউকে বললেন, এক গ্লাস পানি দেন মা। গিনি্ন খেপলেন। বললেন, মিনসের হয়েছে কী ভোটে দাঁড়িয়ে? বউকে ডাকছেন মা। প্রার্থী বললেন, তোমার মনে করার কিছু নেই। ভোটে দাঁড়ালে মাথা ঠিক থাকে না। তখন বউকে মা ডাকে। আর ভোটারদের ডাকে বাবা।

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

এই মাত্র | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২২ সেকেন্ড আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩৮ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা