শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৪ মে, ২০১৫

বর্জনই ছিল লক্ষ্য, জয়ী হওয়া নয়

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
বর্জনই ছিল লক্ষ্য, জয়ী হওয়া নয়

লি-কুয়ান তার আত্দজীবনীতে বলেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বীকে মোকাবিলা করার জন্য রাজনীতির একটা ধারালো অস্ত্র (কৌশল) তিনি সব সময় পকেটে রাখতেন এবং সেটা তিনি নির্দয়ভাবে ব্যবহার করেছেন লক্ষ্য অর্জনের পথে থাকা কাঁটা উপড়ে ফেলার জন্য। সিঙ্গাপুরের দিকে এখন তাকালে বোঝা যায় তার সেই ধারালো অস্ত্রের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নতি। প্রায় পাঁচশ বছর আগে মেকিয়েভেলি বলে গেছেন, নীতি-নৈতিকতা এবং সরল সোজা পথ বলে রাজনীতিতে কিছু নেই। রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য সব কিছুই জায়েজ। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর বিস্ময় তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের সুযোগে গোপন পরিকল্পনা ও কথোপকথন অহরহ ফাঁস হয়ে যাওয়ার কারণে রাজনীতিক ও দলের অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভণ্ডামি ও বহুমুখী আচরণের কথা মানুষ সহজেই ধরে ফেলতে পারে বিধায় মেকিয়েভেলির তত্ত্ব অনুসরণ করে আজকাল সহজে পার পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তিনটি সিটি কপোরেশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মেকিয়েভেলির আচরণ প্রথম থেকেই মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিতভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা, তার আগে ৯২ দিনের অবরোধ ও হরতালের নামে বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক নিরীহ মানুষের ওপর আক্রমণ ও দেড়শ মানুষের জীবনহানি, নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত ও প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ার ঘোলাটে অবস্থা ইত্যাদি দেখে বোঝা গিয়েছিল প্রধান দুই প্রতিপক্ষের জন্য সিটি নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়েও বড় লক্ষ্য ছিল এ নির্বাচন ও তার ফলাফলকে ব্যবহার করে নির্বাচন-উত্তর সময়ে কিভাবে জাতীয় রাজনৈতিক খেলার মাঠের হাওয়া নিজেদের পক্ষে আনা যায় বা রাখা যায়। অর্থাৎ এই নির্বাচনটিকে সব পক্ষ ব্যবহার করবে পরবর্তী রাজনৈতিক ছুরি চালানোর উপযুক্ত রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণের ভূমি হিসেবে। সরকারি দলের সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হলে সরকারি দল বলতে পারবে, জনগণ এই নির্বাচনের মাধ্যমে জামায়াত-বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও মানুষ হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছে। আর হেরে গেলে বলতে পারবে- বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যে হতে পারে তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। সুতরাং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করে ভুল করেছে এবং তাই পরবর্তী নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অন্যদিকে বিএনপির লক্ষ্য ছিল এই নির্বাচনকে ব্যবহার করে কী কৌশলে সরকারকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি মধ্যবর্তী জাতীয় নির্বাচন দিতে বাধ্য করা যায়। সুতরাং বলা যায়, বড় দুই শরিক ওয়ানডে নয়, টেস্ট ম্যাচে জয় লাভের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে। এই লক্ষ্য অর্জনে জয়-পরাজয় যেটাই হোক না কেন, সেটিকেই বিএনপি কার্ড হিসেবে ব্যবহার করবে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল। জয় পেলে বলবে, অবৈধ সরকারকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই এই সরকারকে পদত্যাগ করে এখনই মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে হবে। আর পরাজিত হলে বলবে, ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে সরকারি দলের প্রার্থী জয়লাভ করেছে এবং তাতে প্রমাণ হয় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৃতীয় পন্থা, অর্থাৎ ভোট শুরু হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টার মাথায় চট্টগ্রামে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বিএনপি প্রমাণ করল রাজনৈতিক কৌশল উদ্ভাবনে তারা মেকিয়েভেলিকেও হার মানাতে জানেন। একেবারে টোটাল সারপ্রাইজ। কিন্তু এই কৌশল উদ্ভাবনের সেনাপতিরা হয়তো ভুলে গেছেন এটা একবিংশ শতাব্দী। ফলে বিএনপির ভোটাররা ভয়ানকভাবে প্রতারিত হলেন। তাদের ভোটগুলো পূর্ণতা লাভ করার আগে ভ্রূণ অবস্থায় সেটিকে হত্যা করা হলো। যাকে বলে বাধ্যতামূলক গর্ভপাত। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা হতাশ, কিছু বোঝার আগেই বিনা মেঘে বজ্রপাত। এমনিতেই ধাওয়ার ওপর আছে, এখন তো পালানোর জায়গাও পাবে না। রাজশাহী শহরের বিএনপির একজন নামকরা অ্যাক্টিভিস্ট বললেন, কয়েকজন সুবিধাবাদী নেতা এবং কিছু কর্মচারী বেগম জিয়া ও তারেক জিয়াকে শেষ করে দিচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিএনপি একটি বাজে উদাহরণ সৃষ্টি করল এবং সাংঘর্ষিক অবস্থা থেকে উত্তরণের যে একটা পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল তা বোধ হয় আবার নেই হয়ে গেল। যে প্রক্রিয়ায় ও পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিল তাতে বোঝা যায় এই সিদ্ধান্ত পূর্ব-পরিকল্পিত এবং মেয়র পদে জয়ী হওয়ার থেকেও বৃহত্তর কোনো লক্ষ্য অর্জনের প্রত্যাশায় বিএনপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কতকগুলো বিষয়ের ওপর নজর দিলে পূর্ব-পরিকল্পনার ঘটনাটি বোঝা যায়। এক. স্থানীয় নির্বাচন বিধায় অফিসিয়ালি বিএনপি দলগতভাবে বর্জনের সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। ঢাকার জন্য এ সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন অধ্যাপক এমাজউদ্দীনের নেতৃত্বে গঠিত আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের নেতারা, যারা ঢাকায় বিএনপির পক্ষে প্রার্থী দিয়েছে। এতে মনে হয়, মেয়র পদে জয়ী হওয়ার একটা সম্ভাবনা মনে মনে পোষণ করতেন বলেই নিজের কৃতিত্ব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এমাজউদ্দীন হয়তো বর্জনের বিপক্ষে ছিলেন। রাজনীতির মারপ্যাঁচ ও মেকিয়েভেলির তত্ত্বে রাজনীতিকরা যত পারদর্শী হন, ঠিক ততটুকুু আনাড়ি হয়ে থাকেন রাজনৈতিক পণ্ডিতরা। সুতরাং বর্জনের ঘোষণা চট্টগ্রামে মনজুর আলমের দ্বারা করানো হলেও ঢাকায় এমাজউদ্দীনের জন্য অপেক্ষা করেননি বিএনপির শীর্ষ নেতারা। আর ঢাকার প্রার্থী রাজনৈতিক নাবালক তাবিথ আউয়াল এবং মির্জা আব্বাসের প্রঙ্ িঘরের বধূ আব্বাসের স্ত্রী, দুজনই রাজনৈতিক মারপ্যাঁচের হাতের পুতুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। চার ঘণ্টা সময় হাতে থাকতে নির্বাচনী বিধিমালা অনুসারে কোনো চেষ্টা না করেই এবং অভিযোগের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার সব প্রক্রিয়াকে উপেক্ষা করে নিজেরা কিছু বোঝার আগেই বলির পাঁঠার মতো ঢাকার দুই মেয়র প্রার্থী কোরবানি হয়ে গেলেন। এর নামই বাংলাদেশের রাজনীতি। দুই. ২৯ এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- তিন সিটিতে ভোটকেন্দ্র প্রায় ২ হাজার ৭০০। তার মধ্যে গোলযোগ হয়েছে মাত্র ৫৫টি কেন্দ্রে। শতকরা হিসাবে দুই ভাগের কম কেন্দ্রে গোলযোগ হয়েছে। আর সর্বমোট ৬০ লাখ ভোটারের মধ্যে গোলযোগ হওয়া কেন্দ্রগুলোর মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় এক লাখের মতো। এই পরিসংখ্যান অনুসারে গোলযোগ সৃষ্টি হওয়া কেন্দ্র ও তার ভোটারের সংখ্যা মেয়র পদের ফলাফল নির্ণয়ে তেমন কোনো প্রভাব রাখে না। তা ছাড়া অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫টি ভোটকেন্দ্রের ভোট গ্রহণ সাময়িক বন্ধ করে দেন এবং তিনটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। তিন. ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টার মাথায় যেসব অভিযোগ তুলে মনজুর আলম বর্জনের ঘোষণা দিলেন সেগুলো তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে সম্পূর্ণ নির্বাচন স্থগিত করার দাবি জানাতে পারতেন। স্থগিত করার পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া দেখার পর মনজুর আলম বর্জনের সিদ্ধান্ত নিলে তার কিছু যৌক্তিকতা থাকত। পাঁচ ঘণ্টা সময় হাতে থাকায় তিনি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। পরিকল্পিত ছক অনুসারে হয়তো মনজুর আলমকে কাজ করতে হয়েছে। বিএনপির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা হয়তো ভেবেছেন আরও দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করলে মনজুর আলম জয়ী হয়ে যেতে পারেন এবং তাহলে বিএনপির কাটা ছক হয়তো আর কাজে লাগবে না। তাই যথেষ্ট সময় থাকতেই বিএনপি বর্জনের ঘোষণা দিয়ে দেয়। চার. চট্টগ্রামে আ জ ম নাছির ও মনজুর আলমের প্রাপ্ত ভোটের যে ব্যবধান তাতে মনজুর আলম নিজে বলেছেন, বর্জন না করলে তিনি বিজয়ী হতেন। তবে শেষ পর্যন্ত মনজুর আলম থাকলে উভয়পক্ষের আরও ভোট পড়ত, প্রদত্ত ভোটের হার বেড়ে যেত, তাতে চূড়ান্ত ফল কি হতো তা সঠিকভাবে বলা না গেলেও মনজুর আলমের বিজয়ী হওয়ার প্রত্যাশার মধ্যে যুক্তি আছে, সেটা সবাইকে মেনে নিতে হবে। মনজুর আলম আরও বলেছেন, নির্বাচনের দিন সকাল থেকে বিএনপির নেতারা ঘর থেকে বের হয়নি, পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে যায়নি। তারপরও কেন্দ্রগুলোতে মনজুরের পক্ষে যেভাবে বিপুলসংখ্যক ভোট পড়েছে সে সম্পর্কে তার নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট ও প্রধান সমন্বয়কারী দুজনের কেউ-ই তাদের চেইন অব কমান্ডের মারফত মনজুরকে সঠিক তথ্য দেয়নি। ফলে মনজুর আলম এক প্রকার প্রতারণার শিকার হয়েছেন। যা তার ছলছল চোখের ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে। মনজুর আলম ভোটের দিনই বলে দিয়েছেন, তিনি অপরাজনীতি করতে চান না বলেই রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন। কথাটি খুবই অর্থবহ ও ইঙ্গিতপূর্ণ। সরল-সোজা মানুষ বলে মনজুর আলমের একটা পরিচিতি আছে। ভবিষ্যতে তিনি আর অপরাজনীতির শিকার হতে চান না। সুতরাং মনজুর আলমের নিজের বিশ্লেষণে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকাসত্ত্বেও বর্জনের ঘোষণা এবং অপরাজনীতি করবেন না বিধায় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানো- এ কথাগুলোতে স্পষ্ট হয় জয়ী হওয়ার জন্য নয়, বর্জন করার জন্যই বিএনপি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশ প্রতিদিনে বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা ও একজন কর্মীর মধ্যে ভোট বর্জন সম্পর্কিত পূর্ব-পরিকল্পিনা ও তার পন্থা নিয়ে গোপন ফোনালাপের একটা তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বিএনপি কেন এমন নাটকীয়ভাবে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিল সে সম্পর্কে বাজারে দুই ধরনের কথা হচ্ছে। প্রথমত. ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল, তাদের ভাষায় ৯২ দিনের কঠোর আন্দোলনের যৌক্তিকতা আছে এবং শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে জাতীয় নির্বাচন করা যাবে না- এ কথাগুলো প্রমাণ করার জন্য তারা আকস্মিকভাবে বর্জনের ঘোষণা দেয়। ইতিমধ্যে বিএনপির প্রভাবশালী সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ নির্বাচন-উত্তর বক্তব্যে বলেছেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব নয় সেটি প্রমাণিত হলো এ নির্বাচনে।

বাজারে চালু দ্বিতীয় কথাটি একটু বিস্তৃত ও গভীর। অনেকের ধারণা, বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা মনে করেন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার দ্বারা বিএনপিকে আর ভবিষ্যতে টিকিয়ে রাখা যাবে না। তাই একটার পর একটা কুবুদ্ধি দিয়ে এবং অপরাজনীতির পথে শর্টকাট রাস্তায় ক্ষমতা দখলের প্রলোভন দেখিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের রাজনীতির শেষকৃত্য সম্পন্ন করা। তারপর দলকে ঢেলে সাজানো এবং বিএনপিকে একটা আধুনিক প্রগতিশীল দল হিসেবে বিশ্ব দরবারে গ্রহণযোগ্য করা। সুতরাং বর্জনের চিন্তা ছিল সুপরিকল্পিত। মাঝপথে বেচারা তাবিথ আউয়াল ও মনজুর আলম আম-ছালা দুটোই হারালেন।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা