শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৬ মে, ২০১৫

নির্বাচনে কেউ জেতেনি, হেরেছে গণতন্ত্র

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচনে কেউ জেতেনি, হেরেছে গণতন্ত্র

তিন মাস ধরে টানা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি- একদিকে পেট্রলবোমা, অপরদিকে ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ ও গণপিটুনির নামে বিচারবহির্ভূত হত্যা, যে ভীতিজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল, ঢাকা-চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচন সেই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের একটু ক্ষীণ আশার আলো দেখাতে পেরেছিল। কিন্তু হায়! তা মাত্র কয়েক দিনের জন্যই। ২৮ এপ্রিল নির্বাচনের নামে যে তামাশা অনুষ্ঠিত হলো, তাতে বরং গণতন্ত্রের সামান্যটুকু আশাও মিলিয়ে গেল।

বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ প্রায় সব খবরের কাগজ এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ভোট রিগিং এবং প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিশের উপস্থিতিতে সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে গণহারে সিল মারার যে চিত্র দেখা গেল, তাতে আর যাই হোক, একে নির্বাচন বলা যায় না। হ্যাঁ, তামাশাই বটে। তামাশা দেখে অনেক সময় মানুষ কৌতুকবোধ করে, আনন্দ পায়। এই তামাশা নিয়ে তেমন ভাব সৃষ্টি হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। কারণ এ যে বড় নির্মম তামাশা। এর সঙ্গে একটি আদর্শবোধ, মূল্যবোধ এবং সর্বোপরি গণতন্ত্রের অপমৃত্যু ঘটেছিল।

সরকারি দল আওয়ামী লীগ দাবি করছে যে, বিএনপির নির্বাচন বর্জন ছিল পূর্বপরিকল্পিত। এমন অনুমানের সত্যতা থাকতেও পারে, আবার না-ও পারে। কিন্তু সে যাই হোক, বিএনপির মনে মনে কী ছিল, সেই বিশ্লেষণ দ্বারা কি কেন্দ্র দখল ও গণহারে সিল মারাকে যুক্তিসিদ্ধ করা চলে? তবু সরকারপক্ষীয় কোনো কোনো দলকানা অথবা দলদাস বুদ্ধিজীবী (এখন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী ও বিএনপি বুদ্ধিজীবীর বাইরে প্রকৃত নিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা খুবই নগণ্য) বলতে চেয়েছেন যে বিএনপির বর্জন সত্ত্বেও তারা যে পরিমাণ ভোট পেয়েছেন, তা নাকি তাদের জন্য আশাপ্রদ সংবাদ হলেও হতে পারত। বস্তুত, যেখানে গণহারে সিল মারাই ছিল একমাত্র ঘটনা, সেখানে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে কি কোনো বিশ্লেষণ করা চলে? না কোনো সিদ্ধান্তে আসা যায়? এমনও হতে পারে, যারা কেন্দ্র দখল করে সমানে সিল মেরেছেন, তারাই 'দয়া করে' প্রতিদ্বন্দ্বীকেও কিছু ভোট পাইয়ে দিয়েছেন, যাতে মনে হয় যেন আসলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। এটা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটা কৌশলও বটে।

দ্বিতীয়ত, শুধু বিএনপি নয়, সরকারি দলের বাইরে আরও যে সব দল ছিল, তারাও হয় বর্জন করেছেন অথবা প্রত্যাখ্যান করেছেন। কেউ সকালে, কেউ দুপুরে, কেউ বিকাল ৪টায়। সর্বত্র ব্যাপকভাবে এবং একই প্যাটার্নে যেভাবে রিগিং হয়েছে, তাতে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, রিগিংটাই বরং ছিল পূর্বপরিকল্পিত। বেশ আগে থেকেই ছিল সরকারি দলের একটা মাস্টার প্ল্যান। সেটা নির্বাচন কমিশনেরও জানা ছিল। সেই পরিকল্পনার কিছু কিছু আলামত আগের দিনই ধরা পড়ে গিয়েছিল।

আগের রাত থেকেই ত্রাস সৃষ্টি করা ছিল সেই মাস্টার প্ল্যানেরই অংশ। খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলা তারই অংশ ছিল। হ্যাঁ, পেট্রলবোমার কারণে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছিল। অগ্নিদগ্ধ মানুষ যে ক্ষুব্ধ ছিল, এটা মনে করার কারণ আছে। কিন্তু পরপর তিন দিন তার গাড়িতে যারা আক্রমণ চালিয়েছিল, তারা সেই বিক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ নয়। যারা এই আক্রমণ করেছিল, তাদের ছবি ছাপা হয়েছিল খবরের কাগজে। তারা সবাই ছিলেন ছাত্রলীগের চেনা মুখ। পিস্তলসহ ছবি দেখা গেছে। পুলিশের সামনেই ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল। আর নির্বাচন কমিশনও তাই। বরং তারা আক্রান্ত খালেদাকেই নোটিস দিয়েছিল। ২৭ এপ্রিল বিকাল বেলায় কল্যাণপুরে সিপিবি-বাসদের এক পথসভায় স্থানীয় সরকার দলের লোকেরা অকস্মাৎ আক্রমণ করে নারীসহ অনেককে আহত করেছিল। সেদিন সন্ধ্যায় সিপিবির মেয়র প্রার্থী ক্বাফী রতনের তেজগাঁও অফিস ভাঙচুর করেছিল সরকারি দল। উদ্দেশ্য সন্ত্রাস সৃষ্টি করা, যাতে পরদিন রিগিংয়ের কাজটি ভালোভাবে করা যায়। ২৭ এপ্রিল সিপিবি সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম অভিযোগ করেছিলেন, থানার পুলিশ কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধমক দিচ্ছে, যাতে পোলিং এজেন্ট না দেওয়া হয়। কমরেড সেলিম কয়েকটি থানার নাম পর্যন্ত উল্লেখ করেছিলেন বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্টের ভিত্তিতেই।

অনেকে বলছেন, সকাল বেলায় কেন বর্জন করা হলো। শেষ পর্যন্ত দেখলেই তো হতো। এ প্রসঙ্গে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. শামসুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনের শুরুটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার বক্তব্য থেকে কিছুটা উদ্ধৃত করা যাক, 'অনেক কেন্দ্রে একমাত্র সরকারদলীয় প্রার্থী ছাড়া অন্যদের পোলিং এজেন্ট ছিল না। এ বিষয়ে অভিযোগ হলো, আগের রাতে অনেক পোলিং এজেন্টের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে না আসতে বলা হয়েছে। তারপরও যারা এসেছেন তাদের অনেককে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আবার অনেককে বের করে দেওয়া হয়েছে। পোলিং এজেন্ট ভোট গ্রহণের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।' এজেন্টের সামনেই বাক্স দেখানোর নিয়ম আছে। এজেন্টরা দেখবেন সেখানে আগের থেকে ব্যালট ঢুকানো হয়েছে কিনা। কিন্তু সেই সব কিছুই হয়নি। ড. শামসুল হুদা আরও বলেছেন, 'এরপর তৃতীয় চোখ হিসেবে ছিলেন সাংবাদিকরা। কিন্তু অনেক স্থানে তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি, অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে গেছেন।'

ড. শামসুল হুদা যা বলেছেন, তা আমরা অনেকেই সরাসরি চোখে দেখেছি (অথবা টিভির পর্দায় দেখা গেছে)। এসব দেখেই বামপন্থি দল সিপিবি-বাসদও ঘৃণাভরে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছিল। সিপিবির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমদ সংবাদ সম্মেলন ডেকে ২৮ এপ্রিল বিকাল ৪টায় যা বলেছেন, সেটাও প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, 'ভোটকেন্দ্র দখল করে, আগে থেকেই ব্যালট বাক্স ভরে রেখে, সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে জাল ভোটের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ... ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন, জালিয়াতির উপজেলা নির্বাচনের পর আজকের ভোট ডাকাতি ও প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, এই সরকারের অধীনে কোনো অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচনের নামে জনগণের সঙ্গে তামাশার মাধ্যমে গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হয়েছে।' আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে একটা প্রবণতা আছে, বিদেশিরা কী বলে, তা দেখার। এই প্রবণতা জনগণের মধ্যে সম্প্রসারিত হয়েছে। বিদেশি কূটনীতিক, মিডিয়া, বিভিন্ন ধরনের মানবাধিকার সংস্থা, দূতাবাস কেউই এ নির্বাচনকে ভালো সার্টিফিকেট দিতে পারেনি। আসলে বাস্তব ঘটনা সবার সামনে এত জলজ্যান্তভাবে ছিল যে, ভিন্ন কিছু বলার সুযোগও ছিল না। ২৮ তারিখ ভোট গ্রহণ বা গণহারে সিল মারার প্রক্রিয়া চলাকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট চার চারটি টুইট বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তার মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত অথচ সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল যে বার্তাটি তা ছিল 'যে কোনো মূল্যে জিততে চাওয়া আসলে কোনো জয়ই নয়।' বস্তুত, সরকারি দল যে কোনোভাবেই জিততে চেয়েছিল। কেন্দ্র দখল ও গণহারে সিল মারাই ছিল তাদের কৌশল। এভাবে তারা আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে একটা ঘোষণা করিয়ে বিজয়ীর ভাব দেখাতে পারলেও, তারা যে আসলে জেতেনি একথা এখন কে না জানে।

২৮ এপ্রিল তারিখেই মার্কিন দূতাবাস যে বিবৃতি দিয়েছে তা ছিল নিম্নরূপ, 'আজকে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সহিংসতার যেসব ঘটনা ঘটেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে ব্যাপক ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন পাওয়া গেছে এবং বিএনপি সিটি করপোরেশন নির্বাচন বয়কটের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে আমরা হতাশ।' 'ব্যাপক' এবং 'বিশ্বাসযোগ্য' শব্দদ্বয় কিন্তু খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুখপাত্র বলেছেন, 'শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান সত্ত্বেও ২৮ এপ্রিল ঢাকা-চট্টগ্রামের নির্বাচন যে ভোট রিগিং, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতা দ্বারা সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হয়েছে, এমন বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট আছে। ... ভোটারদের গণতান্ত্রিক পছন্দসই ভোট প্রদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।'

বলাই বাহুল্য, যা ঘটে গেল তার পরিণাম বড় ভয়াবহ। জনপ্রিয়তা হারিয়েও হয়তো সরকার আরও কিছুকাল ক্ষমতায় থাকতে পারবে। বস্তুত, মেয়র নির্বাচন দ্বারা সরকার পরিবর্তিত হতো না। তবু সরকার কেন এমনটা করল? কারণ সরকার কোনোভাবেই পরাজয় স্বীকার করতে রাজি ছিল না। কিন্তু যদি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারি দলের প্রার্থী পরাজিত হতেন, তাহলেই বরং সরকারের মুখ উজ্জ্বল হতো। কিন্তু না, সেভাবে সরকার ভাবছে না। জয়ী তাদের হতেই হবে, যেমন করেই হোক। সে জয় যে জয় নয়, তা তো আগেই বলেছি। এই নির্বাচন (?) প্রসঙ্গে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাখাওয়াত হোসেন যথার্থই বলেছেন, 'কেউ জেতেনি, হেরেছে সবাই।' বিশেষ করে হেরেছে সরকারি দল। ভাবমূর্তি খুইয়েছে। ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল সামরিক শাসকদের মতোই একই পথ গ্রহণ করল।

আর এটা করতে গিয়ে তারা যে মাস্তানদের ব্যবহার করেছেন ভোট কেন্দ্র দখলের জন্য, সেই মাস্তানরা যে পরবর্তীতে অন্যকিছু দখলের জন্য সাহসী ও উদ্ধত হয়ে উঠবে, এমন আশঙ্কা অমূলক নয়। সম্পত্তি দখল, জবর দখল, টেন্ডারবাজি, যা এখনো আছে, তা আরও ব্যাপক ও ভয়াবহ হয়ে উঠবে। সরকার যে ফ্রাঙ্কস্টাইনের জন্ম দিল, সেটা কি ভবিষ্যতে কাল হয়ে দেখা দেবে না? এ যে বড় ভয়ঙ্কর খেলা। এ খেলার পরিণতি কোথায় আমরা জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি যে, পরিণতি শাসক দলের জন্যও সুখকর হবে না।

এবার যা হয়েছে তা ভোট চুরি নয়, এমনকি ডাকাতি বললেও কম বলা হবে। এর ফলে আমরা হারালাম গণতন্ত্র। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জনগণ যেটুকু অধিকার অর্জন করেছিল, তাকে পুনরুদ্ধারের জন্য যে আবার জনগণকে সংগ্রাম করতে হবে।

হায় গণতন্ত্র! ৪৩ বছরেও জনগণ গণতন্ত্রের স্বাদটুকুও পেল না।

লেখক : রাজনীতিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা