শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১০ মে, ২০১৫

সিটি ভোট অবিতর্কিত করা যেত

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
সিটি ভোট অবিতর্কিত করা যেত

তিন সিটি নির্বাচন সীমাবদ্ধ ছিল রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের মধ্যে। ছোট পরিসরের একটি নির্বাচন। অথচ এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিরাট সংকট সৃষ্টি করে দিয়ে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। ভোট গ্রহণের আগে এই নির্বাচন নিয়ে যতটা ইতিবাচক আলোচনা ও লেখালেখি হয়েছে এখন হচ্ছে তার উল্টো। সতর্ক ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা এই নির্বাচনের নেতিবাচক দিকসমূহ তুলে ধরলেও সরকারি লেখক-সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীরা সব কিছু ইতিবাচকই দেখছেন। একে একটি আদর্শ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বলতে এসব 'দলদাস' একটুও সংকোচবোধ করছেন না। এরা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের 'প্রাপ্ত' ভোটের পরিসংখ্যান দেখিয়ে বলছেন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে তারা এত ভোট পেলেন কী করে? প্রসঙ্গক্রমে এই 'প্রাপ্ত ভোট' প্রশ্নে বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামানের একটি উক্তি উল্লেখ করতে চাই। ২৩ এপ্রিল ভোট গণনা চলাকালে বেসরকারি টিভি চ্যানেল আরটিভির এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, 'নির্বাচন কমিশন এখন ভোট গণনায় মনোযোগ না দিয়ে 'ভোট বিতরণে' ব্যস্ত আছে। এ থেকে পাঠক, এটা কী বলা যায় না যে, বিএনপি প্রার্থীদের যে ভোটকে 'প্রাপ্ত' বলা হচ্ছে, তাকে 'প্রাপ্ত' না বলে 'প্রদত্ত' বললেই সমীচীন হতো! সিটি ভোটে যে কারচুপি হয়েছে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তা স্পষ্টই ধরা পড়েছে, লুকোছাপা করার কোনো সুযোগ নেই। সরকার সমর্থকরা বলার চেষ্টা করছেন যে, ঢাকায় প্রায় দুই হাজার ভোট কেন্দ্রের মধ্যে হাতেগোনা কিছু কেন্দ্রে 'ছিটেফোঁটা' গোলমাল হয়েছে, খুন-খারাবির কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তাতেই নাকি বলা যায় নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়েছে। তারা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের ভোটের পরিসংখ্যান দেখিয়ে বলছেন, কারচুপি হলে তারা এত ভোট পেল কী করে? আমার মনে হয়, এ ব্যাপারে পাঠকরা কমরেড খালেকুজ্জামানের বক্তব্য বিবেচনায় নিতে পারেন।

সিটি নির্বাচনের ব্যাপারে দেশি-বিদেশি প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায়, সরকার সমর্থকরা যত কথাই বলুন না কেন, নির্বাচনটি মোটেই একটি আদর্শ নির্বাচন ছিল না। যাদের নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে তারা সরকারি ক্ষমতার ছায়ায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় দায়িত্ব পালন করবেন ঠিক; কিন্তু গৌরবদীপ্ত বিজয়ের স্বাদ ভোগ করতে পারবেন না। এ নির্বাচন শুধু বিএনপি বা অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীই যে প্রত্যাখ্যান করেছেন তা নয়, দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবী ও সিনিয়র সিটিজেন এবং বন্ধুপ্রতিম অনেক রাষ্ট্র ও সংস্থাও এ নির্বাচনকে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলছেন না। বরং এ নির্বাচনে সরকার পক্ষ ও নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত ভূমিকায় তারা এ দেশের পরবর্তী যে কোনো নির্বাচন, সর্বোপরি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, 'যা ঘটেছে, যা পড়েছি, দেখেছি, উপলব্ধি করেছি, তাতে এটা পরিষ্কার যে, নির্বাচন নিয়ে যা ঘটেছে তা মোটেও ভালো হয়নি। ...এখন নির্বাচনে কী হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলসহ সবাই দেখেছে। এর প্রভাব জাতীয় জীবনে, রাজনীতিতে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থায় পড়বে। এ থেকে পরিষ্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। রাজনীতি ভঙ্গুর অবস্থানে চলে গেছে।' স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, 'কী হয়েছে তা তো সবার কাছেই পরিষ্কার। দেশে আর কী ব্যবস্থা আছে? সব ব্যবস্থাই তো বলা যায় শেষ হয়ে গেল। জাতীয় ও রাজনৈতিক জীবনে যে সংকট ছিল তা থেকেই গেল। ...নির্বাচন কমিশনের ওপর এখন আর মানুষের কোনো আস্থা নেই।' রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহ্‌দীন মালিক বলেছেন, "আমরা একটা খারাপ অবস্থার মধ্যে প্রবেশ করেছি। আমরা এক ধরনের 'ম্যানেজড' নির্বাচনের যুগে প্রবেশ করেছি। সেই ধরনের একটি নির্বাচনই হয়ে গেছে। এটা দেশের জন্য নিঃসন্দেহে ভালো নয়।" স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, 'নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মানুষ তাদের ক্ষোভ, অভিযোগ, অসন্তোষ প্রভৃতি নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় প্রকাশ করার একটি সুযোগ পায়; কিন্তু সিটি নির্বাচনে মানুষ সেই সুযোগ পেল না।.নির্বাচন কমিশন নিয়েই একটা সমস্যা দাঁড়িয়েছে। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।'

তিন সিটি নির্বাচন জাতীয় নির্বাচন না হওয়া সত্ত্বেও তা নিয়ে বেশ উৎসাহ দেখিয়েছে বিদেশি অনেক বন্ধুরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ। সবাই এ নির্বাচনটি যাতে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি প্রকাশ্য আহ্বান জানিয়েছে। আমাদের দেশবাসীর মতো তারাও আশা করেছিলেন যে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসের সহিংসতা, নাশকতা, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কালো অধ্যায়ের অবসান ঘটাবে এ নির্বাচন। এর মাধ্যমে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে একটা সৌহার্দ্যমূলক সম্পর্ক গড়ে উঠবে এবং এ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উপলক্ষ করে বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের মসৃণ সড়ক ধরে পথ চলবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভুল সংশোধিত হবে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে। অনেকে এমন ধারণাও পোষণ করেছেন যে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির আগে থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যে মহল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে একটা সমঝোতা প্রতিষ্ঠার প্রকাশ্য উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন, তারাই পর্দার অন্তরালে থেকে উদ্যোগ নিয়ে দুই পক্ষকে কাছাকাছি এনেছিলেন এবং তারই কিছু শুভ আলামত জাতি প্রত্যক্ষ করেছে সিটি নির্বাচনের আগে। এখানে উল্লেখ করা খুবই জরুরি যে, আমাদের দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবার যথেষ্ট উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিলেন দুই পক্ষকে নমনীয় করার জন্য। তিন মাসের অবরোধ-হরতালে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে যে ক্ষতি হয়েছে তা সবারই জানা। ব্যবসায়ী মহলে বিএনপি সমর্থকের সংখ্যাও বিপুল। একটা পর্যায়ে গিয়ে বিএনপি সমর্থক ব্যবসায়ী এমনকি বিএনপি নেতাদের মধ্যে যারা বিএনপি করে শিল্প-কারখানা, ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স এবং পরিবহনসহ বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন, তারাও অবরোধ-হরতাল মানেননি। তাদের কলকারখানা, বাস-ট্রাক-লঞ্চ-স্টিমার সব চালু ছিল। তাদেরও প্রচণ্ড চাপ ছিল টানা আন্দোলন কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। তারা তাদের সংগঠন এফবিসিসিআইর সভাপতির সঙ্গে একাট্টা হয়ে চেষ্টা করেছেন। দেশি-বিদেশি এমন সবার অন্তরালের উদ্যোগেই বরফ গলেছে বলে ধারণা। এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন একটি আশার বাণীও শুনিয়েছিলেন যে, তিন সিটি নির্বাচনের পরে শিগগিরই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বাস জেগেছিল মানুষের মনেও। প্রধানমন্ত্রী এ নির্বাচনটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে দৃঢ় ছিলেন বলে শোনা গেছে। 'তিন সিটিতে পরাজিত হলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকবে'- তার এমন উদার বক্তব্য থেকেই ধারণাটা হয়েছিল যে, পরাজয় মানতেও তিনি প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু মনে হচ্ছে সরকারের মধ্যে আরেকটি শক্তিশালী সরকার আছে, যারা প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা সফল হতে দেননি। এরা বোধহয় ভেবেছেন, সিটি নির্বাচনে হারার অর্থ মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য চাপ বাড়া এবং তাতে সরকারের ব্যাকফুটে চলে যাওয়া; আর মধ্যবর্তী নির্বাচনে যেতে বাধ্য হওয়া। তাদের আশঙ্কা, সেই নির্বাচনে তাদের কপালে দুঃখ আছে। তাই যেনতেনভাবে জেতার বেপরোয়া পদক্ষেপ নেন তারা। অথচ এ নির্বাচনটি ছিল স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ঢাকা উত্তরে শাসক লীগের সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল হক খুবই ভালো প্রার্থী ছিলেন তাবিথ আউয়ালের তুলনায়। তিনি বেশ জনপ্রিয়ও ছিলেন। বিএনপির সমর্থকদেরও বলতে শুনেছি, উত্তরে আনিসুল হক জিতে যাবেন। কিন্তু মানুষের ভোটে, পপুলার গণরায়ে বিজয়ের গৌরবটা উপভোগ করতে পারলেন না আনিসুল হক। এ নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষ চতুর্দিকে। বিদেশিরাও তাদের হতাশা, অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কোনো ধরনের রাখঢাক না রেখে। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, 'যে কোনো উপায়ে জয় আদৌ জয় নয়।' সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এক টুইট বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। মার্কিন দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, 'সিটি নির্বাচনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সহিংসতার যেসব ঘটনা ঘটেছে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তার ব্যাপক ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।' বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসনও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের সব অভিযোগ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। বিএনপির নির্বাচন বর্জনেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

অভিযোগের সব তীর সরকারের বিরুদ্ধে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কী করেছে? নির্বাচনটিকে অর্থবহ করার জন্য বিএনপিও কি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারত না? বারবার আলোচনায় এসেছে যে, এ নির্বাচনে তিন সিটিতে হেরে গেলেও ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতা হারাত না। আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী দল। বঙ্গবন্ধু আজীবন গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার বড়াইও করেন তারা। কিন্তু এই ভোটের অধিকারের অর্থ যদি এই হয় যে, আপনি একাই এ অধিকার ভোগ করবেন, অন্যকে তা করতে দেবেন না, তা তো গণতান্ত্রিক আচরণ হলো না। আওয়ামী লীগ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক আচরণ করেনি। নির্বাচন কমিশন আরও বেশি হতাশ করেছে। মনে হয়েছে, তারা সরকার সমর্থক প্রার্থীর কর্মী ও পোলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে। সংঘটিত সব ঘটনাপ্রবাহ প্রমাণ করেছে যে, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিটি যথার্থ ছিল। অভিযোগ এখন যথার্থ বলেই মনে হচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশন প্রথমে সেনা মোতায়েনের (২৬ থেকে ২৮ এপ্রিল) সিদ্ধান্ত নিয়ে পরদিনই তা পাল্টে ফেলে। সেনাবাহিনী মাঠে থাকলে ফলাফল যাই হোক, নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং ভোট চুরি নিয়ে এত বিতর্কের সৃষ্টি হতো না। আর বিএনপি? দলটির জনসমর্থন বিপুল; কিন্তু বর্তমানে সাংগঠনিক ভিত্তি একেবারেই নড়বড়ে। নেতারা নয়, কর্মচারীরা দলটি চালায়। সিটি নির্বাচনের দিনও দেখা গেছে বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার নির্দেশটি খালেদা জিয়ার বরাত দিয়ে ব্যারিস্টার মওদুদকে দিয়েছেন একজন কর্মচারী। প্রকৃত ও ক্যারিয়ার রাজনীতিবিদদের কোনো মূল্যই নেই। রাজনীতিতে উৎসাহী তরুণরা গুলশান অফিসের কর্মচারীদের ডিঙিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে পেঁৗছতেই পারে না। কমিটি পাস করতেও নাকি টাকা দিতে হয়। ফলে আদর্শবাদী, সৎ কর্মীরা উৎসাহই হারিয়ে ফেলেছেন। চাঁদাবাজ, ধান্ধাবাজ, সুবিধাবাদী আর অরাজনৈতিক ব্যক্তিরা কী রাজনীতিতে ঝুঁকি নেবে? তাই খালেদা জিয়ার ডাকেও সাড়া মেলে না। সংসদ নির্বাচনে দুই দলেই 'টিকিট' বিক্রির কথা শোনা যায়। কিন্তু এবার সিটি নির্বাচনেও নাকি তা-ই হয়েছে। বিএনপির কোনো কোনো নীতিনির্ধারকের(!) বিরুদ্ধেও এ সুযোগে লাখ লাখ টাকা ধান্ধা করার অভিযোগ উঠেছে। জনসমর্থনের দিক বিবেচনায় দলটির যে সাইজ, দলের বর্তমান নেতৃত্ব যদি সঠিক ও সাহসী দায়িত্ব পালন করতেন তাদের নেত্রীর প্রত্যাশা এবং নির্দেশ অনুযায়ী, তাহলে ক্ষমতাসীনরা এ নির্বাচনে যা করেছে তা কী করতে পারত?

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে বিজয়ী নতুন মেয়ররা শপথ নিয়েছেন। ফলাফলের গেজেট ঘোষণা নিয়ে ইসি এত তড়িঘড়ি করল কেন বুঝলাম না। মনে হয় 'ডাল মে কুচ্ কালা হ্যায়'। তারা কী মামলা-মোকদ্দমার আশঙ্কা করেছিলেন? দুর্বলতা না থাকলে এমন আশঙ্কা জাগবে কেন? জনমনে এখন নতুন আতঙ্ক। সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য সিটি নির্বাচনকে উপলক্ষ করে দেশে হানাহানির রাজনীতির অবসান ঘটবে বলে মানুষ আশা করেছিল। ধারণা ছিল, গণতন্ত্রের সুরভিত পথ ধরে হাঁটবেন সবাই। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্রের নামে যে প্রহসন নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল, সেই মঞ্চে স্থায়ী পর্দা পড়বে এবং নতুন করে একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য সংসদ নির্বাচনের আয়োজন শুরু হবে। সমঝোতা, সমন্বয় ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মর্যাদা দেবেন সবাই। কিন্তু ক্ষমতাসীনরা সেই আশা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনা বিনাশ করে দিয়েছেন। আপাতত সব শান্ত মনে হচ্ছে। কিন্তু গুমোট বাঁধা ক্ষোভ ও ক্রোধ হঠাৎ বিস্ফোরিত হবে না তা বলা যায় না। সরকার বুঝিয়ে দিয়েছে তারা এমন নির্বাচনই করতে চাইবে ভবিষ্যতেও- যা অন্যরা মানবে না। সরকারি পরিকল্পনার মূল্যায়ন বিরোধীরা করছে। মানুষ ভাবছে, সিটি নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্বাচন-পূর্ব অবস্থার চেয়েও সংকটময় করে তোলে কি না! বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব ব্যর্থ। এই ব্যর্থ নেতৃত্বের বিকল্পও এত বড় একটা দলে গড়ে উঠবে না এটা ভাবা ঠিক নয়। বিপুল জনসমর্থিত একটি দল পুরনো জঞ্জাল ঝেড়ে ফেলে হঠাৎ জ্বলে উঠতে পারে। তিন সিটি নির্বাচন তেমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে কিন্তু!

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা