শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০১৫

না ফেরার দেশে পাশা

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
না ফেরার দেশে পাশা

আজ কত দিন ঘর ছাড়া ফুটপাতে। এর মধ্যে কত কিছু হয়ে গেল। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি লোকসভা ও রাজ্যসভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন। ভারতীয় লোকসভায় অনেক কিছুই সর্বসম্মতিক্রমে হয় না। কেউ না কেউ কোনো না কোনো বিষয়ে আপত্তি তোলে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল সর্বসম্মত। আর অনেক দিন পরে এই প্রথম '৭৪-এর ইন্দিরা-মুজিব সীমান্ত চুক্তির অনুমোদনে সংবিধান সংশোধন বিল পাস হয়েছে সর্বসম্মতিক্রমে। এ জন্য মহান ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ভারতের সবকটি দলের নেতা-নেত্রীসহ সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোকে ১৬ কোটি বাঙালির পক্ষ থেকে অভিনন্দন মোবারকবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ সরকার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও তার এই অভাবনীয় কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। ব্যাপারটি যেমন আমাদের কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, তেমনি ভারতেরও একা কারও নয়। জিনিসটি দুই দেশের জাতীয় ব্যাপার। এখানে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ভারতীয় নেতৃবৃন্দ যতটা সফলতার পরিচয় দিয়েছেন আমরা ততটা দিতে পারিনি।

অতি সম্প্রতি ব্রিটেনের নির্বাচন আমাদের আরেক জাতীয় সাফল্য। ব্রিটেন আমাদের ২০০ বছর গোলাম করে রেখেছিল। সেই ব্রিটেনে আমাদের বংশোদ্ভূত বাঙালি নারীরা পার্লামেন্টের সরাসরি ভোটে জয়ী হয়ে এক গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস রচনা করেছে। এর আগেও বিলাতের পার্লামেন্টে রুশনারা আলী নামে আমাদের এক নারী সদস্য ছিল। কিন্তু এবার তিনজন জয়ী হয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। তার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র এবং শফিক সিদ্দিক ও রেহানার অতি আদরের দুহিতা টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক রয়েছে। টিউলিপের বিজয়ে আমরা খুবই খুশি ও আনন্দিত হয়েছি। নির্মমভাবে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর খুব কঠিন সময়ে টিউলিপের জন্ম। শেখ রেহানা ভীষণ কষ্ট করে জীবন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও রেহানাকে রক্তের সম্পর্কের বোন হিসেবেই মনে করতাম, তারাও আপন ভাই ভাবতেন। কখনো সখনো এখনো ভাবেন। ববি, টিউলিপকে কোলে কাঁখে নিয়েছি, তাই সব সময় তাদের কথা মনে হয়। কয়েক মাস হলো গ্রামে গ্রামে থাকি বলে রেডিও-টেলিভিশন খুব একটা শুনি না, দেখি না- তাই সব সময় সব খবর পাই না। অবস্থানের ১০০তম দিনে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ছিলাম। বহুদিন পর বিপুল লোকজনের মধ্যে শহীদ মিনারে দুকথা বলার চেষ্টা করেছি। বলবার চেষ্টা করেছি, রক্ত দিয়ে যে স্বাধীনতা এনেছি, প্রয়োজনে জীবন দিয়ে তা রক্ষা করা উচিত। এও বলেছি, হুজুর মওলানা ভাসানী নেই, জননেতা শামসুল হক নেই, আ. মান্নান, ড. আলীম আল রাজি চলে গেছেন, শাজাহান যাওয়ার পথে, লতিফ সিদ্দিকী আসমান থেকে খসে পড়া তারার মতো কক্ষচ্যুত। টাঙ্গাইলের মানুষ শুধু হানাহানিই করল। যেহেতু কেউ বড় হলো না, উপযুক্ত হলো না, কদিন পর তাই তাদের পরিচয় দেওয়ার কেউ থাকবে না।

এরপর গিয়েছিলাম চৌহালী। একটা জনপদ নদীগর্ভে এভাবে বিলীন হয়ে যেতে পারে ইতিহাসে নজির থাকলেও চোখে দেখিনি। ১৫-১৬ বছর আগে চৌহালী গিয়েছিলাম। চমৎকার বাজার-ঘাট, অফিস-আদালত, বিশাল বিশাল গাছপালার ছায়ায় সেবার কিছু সময় সিক্ত হয়েছিলাম। চৌহালী যাওয়ার আগে সেই মধুর স্মৃতির অনেকটাই মনের মণিকোঠায় জমাট বেঁধেছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে কিছু পেলাম না, সব যমুনা নদীগর্ভে। মূল শহর থেকে ৩-৪ মাইল পূর্ব-দক্ষিণে চৌহালী কলেজ- সেটাই এখন ভরসা। তবে এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে বহুদিনের সুপ্রতিষ্ঠিত নাগরপুর জনপদ বিলীন হয়ে যেতেও খুব একটা সময় লাগবে না। চৌহালী থেকে নাগরপুর কলেজ মাঠে ঘাঁটি গেড়েছিলাম। পরীক্ষা ছিল বলে সারা দিন চুপচাপ ছিলাম। কলেজ মাঠের পাশে পুকুরঘাটে ছোট্ট এক খোলামেলা আড়চালা, তাতেই ছালা পেঁচিয়ে রাত কাটিয়েছি। নাগরপুরে আমাদের তেমন সংগঠন নেই, কিন্তু সাধারণ মানুষের উৎসাহ আমায় বড় বেশি অভিভূত করেছে। দিলীপ ধর সেন্টু এবং অন্যরা ভীষণ তৎপরতা দেখিয়েছে। ফেরার পথে খোরশেদ মার্কেটের ঠাণ্ডু এক পথসভায় দাঁড় করিয়েছিল। সব মিলিয়ে চৌহালী-নাগরপুর সফর খুবই ভালো লেগেছে।

পরপর কয়েকবার ভূমিকম্পের পর কেন যেন স্ত্রী-পুত্র-কন্যার সানি্নধ্যের জন্য মন বড় বেশি আনচান করছিল। কুশিমনিটাই এখন আমাদের ছায়া মায়ার আধার। ওর যেমন আমাদের ছাড়া চলে না, আমাদেরও চলে না ওকে ছাড়া। ফোনে কথা বলে আশা মিটছিল না। ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে খেতে চাচ্ছিল। তাই অবস্থানের ১০২তম দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে বাড়ির পাশে মসজিদে এসেছিলাম। দীপ-কুঁড়ি-কুশির মাও ছেলেমেয়ে নিয়ে এসেছিল। বহুদিন পর ছেলেমেয়েকে পেয়ে বিশেষ করে কুশিকে কোলে নিয়ে বুক জুড়িয়ে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল মায়ের কোলে আছি। পরদিন সকালে লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম, হঠাৎই শোক সংবাদ। প্রথম প্রথম বুঝতে পারিনি। পরে বুঝলাম, আমাদের প্রিয় ছোট বোন জামাই আশরাফুজ্জামান পাশার মৃত্যু সংবাদ (ইন্না লিল্লাহি ... রাজিউন)। আচমকা পাশার মৃত্যু সংবাদ শুনে হৃদয়ের বোঁটা ছিঁড়ে যেতে উপক্রম হয়েছিল। স্ত্রীকে নিয়ে থানাপাড়ায় পাশার লাশ দেখতে গিয়েছিলাম। অনেক দিন পর পাশার মুখ দেখে বড় শান্ত, নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে বলে মনে হলো। ফিরে এসে গাড়িতে বসেছিলাম। আমার স্ত্রী নাসরীন পিছে পড়েছিল। কোথাও গেলে সে সব সময় পিছে পড়ে। কারণ সবাই তাকে ছেঁকে ধরে। গাড়ির দরজার পাশে এক মহিলাকে এনে বলছিল, 'তুমি একে চিনো? পাশা যে পরে বিয়ে করেছিল ইনি সেই।' শোকাতুর ছোট্ট এক মহিলা বললেন, 'ভাই, নয় বছরের একটি বাচ্চা রেখে গেছেন। তাকে আপনি ভাগনী পরিচয়ে এবং রোমেল গালিব যেন বোনের অধিকার এবং পরিচয় থেকে বঞ্চিত না করে।' আচমকা পাশার মৃত্যু আমাকে মস্ত ধাক্কা দিয়েছিল। কিন্তু একজন অসহায় মহিলার সামান্য কটি কথা তারচেয়েও বেশি নাড়া দেয়। প্রায় ২০ বছর রহিমার সঙ্গে পাশার ছাড়াছাড়ি। রহিমাকে আমরা বড় বেশি ভালোবাসতাম, আদর করতাম। সে কিছুটা খেয়ালি স্বভাবের ছিল। কিন্তু পাশার সঙ্গে ওর বিচ্ছেদ অন্য কার কি হয়েছিল জানি না, কিন্তু আমার হৃদয় ভেঙে খানখান করে দিয়েছিল। উপরন্তু একজন কৃশ্চিয়ানকে বিয়ে করা আরও বেদনার ছিল। স্বাধীনতার পর পাশা আমাদের পরিবারের প্রথম জামাই। থানাপাড়া আহম্মদ মোক্তারের ছেলে পাশাকে আমি খুব একটা জানতাম না। তার ছোট ভাই আলিমুজ্জামান রাজু আমাদের সঙ্গে রাজনীতি করত। পাশার বাবা ছিলেন টাঙ্গাইলের একজন স্বনামধন্য মানুষ। অর্থ বিত্ত খ্যাতি কোনো কিছুই তার কম ছিল না। মুসলিম লীগের রাজনীতি করলেও মানুষ হিসেবে ছিলেন অসাধারণ। মতের ভিন্নতা সত্ত্বেও আমাদের আদরযত্ন এবং যথেষ্ট গুরুত্ব দিতেন। বাবার কিছুটা আপত্তি থাকলেও পাশার সঙ্গে রহিমার বিয়েতে পরিবারের আর কারও কোনো আপত্তি ছিল না। বরং সবাই খুশি ছিল। প্রথম প্রথম ওরা খুবই আনন্দে ছিল। পাশা আর রহিমার প্রথম সন্তান রোমেল। কি যে যত্ন পেয়েছে বলার মতো না। স্বাধীনতার পর রহিমার বিয়ে আমাদের বাড়ির প্রথম অনুষ্ঠান। কত মানুষ এসেছিলেন- রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, মাননীয় মন্ত্রী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী, সোহরাব হোসেন, মিজানুর রহমান চৌধুরী, কামরুজ্জামান, যুব নেতা শেখ ফজলুল হক মণি, আ. রাজ্জাক, শেখ শহীদ, বীরউত্তম জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশাররফ, শাফায়াত জামিল। স্বাধীনতার পরপরই হাইকোর্টের মাজারের নুরা পাগলা সালেকা মালেকা গান গেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। চার চাকার দুই ঘোড়ার গাড়ি হাঁকিয়ে ৩০০-৪০০ ভক্ত নিয়ে নুরা পাগলা হাজির হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু কাজের জন্য হয়তো বিয়েতে আসতে পারেননি। বাবা-মাকে সান্ত্বনা দিতে রাতে এসেছিলেন। সারা জীবনে শুধু স্বাধীনতার পরই কিছু সময় আমরা কিছুটা আনন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলাম। কিন্তু '৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যা আমাদের ওপর আসমান ভেঙে পড়ে, সোনার সংসার ভেঙে খানখান হয়ে যায়। রক্ত ঘামে যে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, সেই দেশে আমার বাবা-মা, ভাই-বোন পালিয়ে থেকে এক সময় ত্রিপুরা হয়ে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে আশ্রয় নেয়। একপর্যায়ে রোমেলকে নিয়ে রহিমা ও পাশা সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে ধরা পড়ে ডিজিএফআইর মেজর কামরুল ইসলামের হেফাজতে থাকে। মেজর কামরুল ইসলামের বাবা-মা রহিমাকে নিজের মেয়ে এবং পাশাকে মেয়ের জামাইর মতো আদরযত্ন করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রায় ছয় বছর পর রহিমার সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন মেজর কামরুল এবং তার বাবা-মার কতই যে প্রশংসা করেছিল যা লিখতে গেলে এক বিরাট কিতাব হয়ে যাবে। আবার ওই সময়ই দেখেছি, ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল এলাকার ডিজিএফআইর মেজর হেলাল মোর্শেদ বঙ্গবন্ধুর প্রতিরোধ সংগ্রামীদের মেরে কেটে পিঠের ছাল তুলে ফেলেছে। সেই হেলাল মোর্শেদ মেজর জেনারেল হিসেবে অবসরে গিয়ে এখন বর্তমান সরকারে খুবই প্রিয়। বঙ্গবন্ধুর অনেক প্রকৃত অনুরক্ত ভক্তদের ল্যাং মেরে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সমর্থনহীন চেয়ারম্যান হয়ে বসে আছেন। আজ পাশা নেই, কত কথা মনে পড়ে। আমার প্রথম বই 'স্বাধীনতা '৭১'-র জন্য যা যা প্রয়োজন ছিল প্রায় সব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে অধ্যাপক শামসুল হুদা আর তাকে সহযোগিতা করেছে আশরাফুজ্জামান পাশা। আমি যখন নির্বাসনে ছিলাম তখন সে ঘন ঘন চিঠি লিখত। সেসব চিঠিতে তখনকার চমৎকার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ থাকত যাতে প্রচুর উপকৃত হতাম।

বেশ বড়সড় রোমেলকে নিয়ে রহিমা বর্ধমানে যায়। কোলের রোমেল তখন ছোটাছুটি করত। ৪-৫ দিন পর খাওয়ার টেবিলে আমার গলা ধরে বলেছিল, 'জানো মামা, আমাদের স্কুলের এক এসপির ছেলে বঙ্গবন্ধুকে চোর বলেছে। বলেছে, বঙ্গবন্ধুর চৌদ্দ গোষ্ঠী চোর। বঙ্গবন্ধুর চৌদ্দ গোষ্ঠী চোর হলে তুমি তাতে পড় না?' অাঁতকে উঠে বলেছিলাম, 'কী বলিস? বঙ্গবন্ধু চোর হলে আমরা সবাই চোর। চৌদ্দ গোষ্ঠী লাগবে কেন? আমরা তার ১-২ গোষ্ঠীর মধ্যেই পড়ি। কী অবাক দুনিয়া! হয়তো চৌদ্দ গোষ্ঠী চোর বলারাই এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশপাশে, আমরা চার চৌদ্দং বিয়ালি্লশ গোষ্ঠীতেও নেই। এমনি কত কথা যে মনে পড়ছে। রহিমা একটু জেদি স্বভাবের, অস্থির। সব কিছুতেই খুব সহজেই ভেঙে পড়ে। সারা জীবন ওর স্বভাব বদলাতে পারেনি। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের পর ছেলে দুটিকে বুকে আগলে ছিল। বহু কষ্ট করে মোহাম্মদপুরে বাড়ি করেছে। তারপর রেডক্রসে কাজ করত। সেই কাজ করতে করতে স্বদেশ, বিদেশ সারা দুনিয়া ঘুরে বেড়াচ্ছে। পাশার মৃত্যু আমার বুকের পাঁজর ভেঙে দিয়েছে। ছেলে দুটির বাবার সঙ্গে তেমন সম্পর্ক ছিল না। বলতে গেলে একেবারে আলাদা ছিল। এটা যে ভালো নয়, কেউ থাকতে তা কেউ বুঝে না, বুঝতে চায় না। কী দুর্ভাগা সন্তান! তার পিতার সব সম্পদ পাবে, কিন্তু শেষ দেখা দেখতে পেল না। একজন আমেরিকায়, অন্যজন ইংল্যান্ডে। থানাপাড়া টাঙ্গাইল দারুল উলুম আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসায় পাশার জানাজা হয়। থানাপাড়ার আদি বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও জানাজায় কেউ ছিল বলে মনে হলো না। এ এক অবাক কাণ্ড! পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ, নামাজিতে ভরা, কিন্তু জানাজায় লোক নেই। কারও তেমন দয়া-মায়া নেই, আবেগ-বিবেক নেই, বুকফাটা ভালোবাসা নেই। সবাই কেমন যেন যান্ত্রিক হয়ে গেছে। পাশার মৃত্যুতে মনটা বড় ভারি ছিল। দীর্ঘদিন পর স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে নিয়ে খেতে বসেও শান্তি পাচ্ছিলাম না। মনের মণিকোঠায় বারবার পাশার মুখ ভেসে উঠছিল। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন তার সব পাপ মার্জনা করে তাকে বেহেশতবাসী করেন।

ছেলেমেয়েরা ঢাকা চলে গিয়েছিল। অসহায় একা পেয়ে যন্ত্রণার বেদনা যেন হিমালয়ের মতো ভারি হয়ে বুকে চেপে বসেছিল। শুধু বারবার পাশার মুখ মনে পড়ছিল। বারবার মনে হচ্ছিল কীভাবে আপন পর হয়, পর হয় আপন। ১০২ দিন কোনো ঘরে শুইনি। সেদিনই প্রথম নিজের বিছানায় শুয়েছিলাম। এই ১০৩ দিনে ছেলেমেয়ের ফোন ছাড়া আর নির্দিষ্ট ৪-৫ জনের ফোন ধরেছি। ফোন চার্জে ছিল। মনে হয় রাত পৌনে ১১টা হবে, ঝনঝন করে ফোন বেজে উঠেছিল। কেন যেন চোখ পড়তেই দেখি রেহানার ফোন। ওরকম সময় সাধারণত রেহানা ফোন করে না। আমি কথা বলি বিকাল ৩-৪টায়। হ্যালো বলতেই রেহানার কণ্ঠ, 'ভাই, ঘুম ভাঙলাম না তো? আপনার ভাগনি টিউলিপের বিজয়ের খবর দিতে ফোন করেছি। ভাবলাম খবর পেলে আপনি খুবই খুশি হবেন। যে মেয়েকে কোলে নিয়েছেন সে আজ আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। যেখানেই থাকুক আপনি মামা। দুটা মা একত্র করলে মামা হয়। আপনার দোয়া ওদের জন্যে খুবই প্রয়োজন। তাই আপনাকে ফোন করলাম।' সত্যিই রেহানার ফোন পেয়ে অসম্ভব খুশি হয়েছিলাম। আমার স্ত্রী, ছেলেমেয়েরাও ভীষণ খুশি হয়েছে। মৃত্যুর মধ্যেও জীবনের আনন্দ খুঁজে পেয়েছিলাম। বলেছিলাম, মামনি কেমন আছে? মাকে আমার অভিনন্দন, শুভ কামনা ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা। মাঝে বেশ কয়েকবার তোমাকে ফোন করেছি। কিন্তু পাইনি। ববিকেও বলেছি। প্রয়োজনীয় কথা ছিল, বলতে পারিনি। তোমার ভাবীও বলতে চেয়েছিল। সেও পারেনি। সঙ্গে সঙ্গে রেহানার জবাব, 'ভাই, গত কয়েক মাস কোনো কিছুই ঠিকভাবে করতে পারিনি। বড় বেশি চাপে ছিলাম।'

ইদানীং আমার মনে হয় রেহানা একজন প্রকৃত মানুষ হয়েছে। মায়ের মতো মা হয়েছে। ওর কোনো কথায় কোনো ত্রুটি পাই না। বরং প্রতিটি কথায় আন্তরিকতায় ভরপুর পাই। প্রতিটি কথা হৃদয় ছুঁয়ে যায়। মাঝে মাঝে মনে হয় সবাই যদি অমন হতো তাহলে পৃথিবী না জানি কত শান্তিময় হতো। টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক, রুশনারা আলী ও রূপা আশা হককে অভিনন্দন জানানোর জন্য ভাবছিলাম। কারণ বাঙালি বংশোদ্ভূত তিন নারী যেভাবে ব্রিটিশ নির্বাচনে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছে সেটা ভাবীকালের ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে থাকবে। আমি টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক, রুশনারা আলী ও রূপা আশা হকের সফল কর্মময় দীর্ঘ জীবন কামনা করি- আমিন।

লেখক : রাজনীতিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা