শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০১৫

সালাহউদ্দিনের ফিরে আসা ও বাস্তবতা

নঈম নিজাম
অনলাইন ভার্সন
সালাহউদ্দিনের ফিরে আসা ও বাস্তবতা

আমার এক বন্ধু থাকেন সুইডেনে। কিছু দিন আগে ফোন করলেন। বললেন, তার বড় ভাই জীবনের শেষ দিনগুলোতে ছিলেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে। কিন্তু বড় কষ্ট পেয়েছেন হাসপাতালে। অনেকগুলো রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু হাসপাতালে ভালো সেবা পাননি। মৃত্যুর আগে তিনি আক্ষেপ করেছেন। হতাশা ব্যক্ত করেছেন। বলেছিলেন, আমি অসুখ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম। বের হচ্ছি লাশ হয়ে। বন্ধুটি আরও বললেন, ডাক্তার-নার্স ঠিকমতো থাকত না। সরকারি ছুটি হলে তো কথাই ছিল না। কাউকে পাওয়া যেত না। আয়া-নার্সদের সেবা পাওয়া ছিল দুষ্কর। ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বললে তারা গুরুত্ব দিতেন না। রোগীর কথা শুনতে চাইতেন না। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নেই। কী সরকারি কী বেসরকারি- সবখানে একই চিত্র। বেসরকারি খাতে চিকিৎসা সেবা মেলে মোটা অর্থে। তারপরও মাঝে মাঝে পাঁচতারকা হাসপাতালের বিরুদ্ধেও অভিযোগের শেষ নেই। দেশের চিকিৎসা সেবার বেহাল দশা কবে ঠিক হবে কেউ জানে না। বিদেশে টাকা দিলে চিকিৎসা মেলে। বাংলাদেশে তাও মেলে না। সিঙ্গাপুর, ব্যাংককে আমি দেখেছি একজন চিকিৎসক গল্প করতে করতে রোগী দেখেন। আমাদের এখানে করেন খারাপ ব্যবহার।

শুধু চিকিৎসা নয়, বাংলাদেশের মানুষের পদে পদে ভোগান্তি। পরিকল্পনা নেই। সেবা খাতগুলোতে এক ধরনের নৈরাজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা চলছে। সাধারণ মানুষের চিন্তা কারও নেই। হাসপাতালে গেলে চিকিৎসা নেই। আদালতে গেলে বিচার নেই। থানায় গেলে জিডি করতেও পয়সা লাগে। ঘর থেকে বের হলে ট্রাফিক জ্যাম। বিটিসিএলের সরকারি টেলিফোনের সেবা নেই। সন্ধ্যা হলে মশার অত্যাচার। খাবারে ভেজাল। দুনিয়াজুড়ে খাবারকে সবাই ভেজালমুক্ত রাখে। মানুষের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত। ওয়াসা, ডেসা, তিতাস গ্যাস, বিটিসিএল, রাজউকে সেবা নেই। বিমানের শিডিউল নেই। বৈশাখী উৎসবে গেলে যৌন নিপীড়ন। ফুটপাথ দিয়ে হাঁটা যায় না। গণপরিবহনে ভোগান্তি। ছিনতাই লেগেই আছে। ঢাকার মাঠগুলো হারিয়ে গেছে। পার্কগুলো বেহাল। ঢাকার বিনোদন কেন্দ্র অস্তিত্ব সংকটে। সমাজ-সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে সুস্থধারার চিন্তা। মুক্তচিন্তার পথ রুদ্ধ। কাঠিন্য গ্রাস করেছে সবকিছু।

আসলে আমরা এক অস্থির সময় পার করছি। কী রাজনীতি, কী অর্থনীতি, সমাজ-সংস্কৃতি- সবখানে এক চিত্র। এ পরিস্থিতিতে হলো তিন সিটির নির্বাচন। এ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ ও বর্জন দুটিই ছিল নাটকীয়। তার চেয়ে বড় নাটকীয় ঘটনা বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনকে ফিরে পাওয়া। ভারতের মেঘালয়ের পুলিশ আটক করেছে সালাহউদ্দিনকে। তিনি নিজেকে পরিচয় দেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী হিসেবে। পুলিশ তার কথায় প্রথমে বিশ্বাস করেনি। পরে তাকে পাঠানো হয় মানসিক হাসপাতালে। একজন চিকিৎসককে সালাহউদ্দিন নিজের পরিচয় দেন। বলেন, কথা বলতে চাই আমার স্ত্রীর সঙ্গে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা করলেন। সালাহউদ্দিন তার স্ত্রীকে বললেন, আমি বেঁচে আছি। ভারতের একটি হাসপাতালে আছি। আবেগে আপ্লুত স্ত্রী কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেন। খবরটি ভূমিকম্পের মতোই ছড়িয়ে পড়ে মিডিয়া অফিসে। রহস্য উপন্যাসের চরিত্রের মতোই একজন মানুষ হঠাৎ হারিয়ে গেলেন। কোনো খোঁজ নেই, খবর নেই। তারপর আবিষ্কার হলেন ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে। ব্যক্তিগতভাবে সালাহউদ্দিনকে অনেক দিন থেকে জানি। সিভিল সার্ভিসে ছিলেন। এমপি ছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ছিলেন প্রতিমন্ত্রী। তার নিখোঁজ রহস্য আমাকে বিস্মিত করেছিল। তার সন্ধান পাওয়া গোটা রাজনীতির জন্য শুভ লক্ষণ। আমি অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখেছি স্বস্তি প্রকাশ করতে। উদ্ধারের পর সালাহউদ্দিন বলেছেন, তাকে উত্তরার একটি বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়। তারপর চোখ বেঁধে রাখত সারাক্ষণ। এ কারণে তিনি বুঝতে পারেননি কোথায় ছিলেন আর কী করে ভারত গেছেন।

সালাহউদ্দিনের পুরো ঘটনার তদন্ত করতে হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার সব নাগরিকের নিরাপত্তা বিধান করা। কারা সালাহউদ্দিনকে অপহরণ করেছে, কেন করেছে সব বের করতে হবে। অন্যথায় আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একজন ইলিয়াস আলীর সন্ধান এখনো মেলেনি। আমরা নতুন করে এমন ঘটনা আর দেখতে চাই না। এ ধরনের ঘটনা খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। খারাপ নয়, ভালোর পথে এগিয়ে যেতে হবে সবাইকে। অন্ধকার নয়, আলোর পথে হাঁটতে হবে।

সমাজ ও সংস্কৃতিতে তৈরি করতে হবে পজিটিভ কিছু। ভালোকে গ্রহণ করতে হবে দলমত নির্বিশেষে। ব্রিটেনের নির্বাচনে তিন কন্যার জয় ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। রুশনারা আলী, টিউলিপ সিদ্দিক ও রূপা হকের বিজয় আমাদের আশাবাদী করে। উচ্চতার আসনে বাংলাদেশকে নিয়ে যায় সারা দুনিয়াতে। বঙ্গবন্ধুর নাতনির হাউস অব কমন্স জয় শুধু আওয়ামী লীগের বিজয় নয়, বাংলাদেশের সব মানুষের জন্যই মর্যাদার খবর। এর মধ্যে যোগ হয়েছে ভারতের সংসদে সীমান্ত চুক্তি পাস। মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নিয়ে অনেক মিথ্যাচার হয়েছিল। বলা হতো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা গোলামির চুক্তি করেছেন। কত বড় মিথ্যাচার। আওয়ামী লীগ জবাব দিত। কিন্তু মিথ্যাচারের কাছে সত্যের লড়াই নিয়ে সাধারণ মানুষও সংশয়ে পড়ত। এত বছর পর নরেন্দ্র মোদি মুজিব-ইন্দিরা ল্যান্ড বাউন্ডারি চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে ভারতের সঙ্গে আমাদের ইতিবাচক সম্পর্কের দরজা আরেক দফা প্রসারিত হলো। বুঝতে হবে আমরা বন্ধু বদল করতে পারি। কিন্তু প্রতিবেশী বদল করতে পারি না। তাই শুধু ভারত নয়, সব প্রতিবেশীর সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক নিয়েই আমাদের সামনে যেতে হবে। মিয়ানমারের সঙ্গেও সম্পর্ক ধরে রাখতে হবে। যোগ করতে হবে নেপাল ও ভুটানকে। নতুন করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে এই উপমহাদেশকে যেতে হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নতির ধারায়। পরস্পরের সংকটগুলো বোঝাপড়ার ভিতরে সমাধান করতে হবে। সস্তা ভারতবিরোধী প্রচারণার দিন শেষ করে দিয়েছে মোদি সরকার।

কয়েক দিন আগে ব্রেকফাস্ট টেবিলে একজন পশ্চিমা কূটনীতিকের সঙ্গে দীর্ঘ আড্ডা হয়। সিনিয়র সাংবাদিক, সম্পাদক শ্যামল দত্ত, জাফর সোবহান এবং সৈয়দ বদরুল আহসানও ছিলেন। অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে আমি প্রশ্ন করলাম, তিন মাসের সহিংসতায় বিএনপির লাভ-ক্ষতি সম্পর্কে। পশ্চিমা কূটনীতিক বললেন, বিএনপির লাভ হয়নি। তারা লোকসান করেছে। আমিও তাই মনে করি। বিএনপিকে কারা এই ভুল পথে নিল তা চিহ্নিত করতে হবে বিএনপিকেই। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েই বেগম খালেদা জিয়াকে নতুন করে শুরু করতে হবে। অন্যথায় আবারও হোঁচট খাবে বিএনপি। সেই হোঁচট আর সামাল দেওয়া যাবে না। কারণ রাজনৈতিক মরুর তীব্র দাবদহনে বিএনপি কর্মীরা আজ বিপর্যস্ত। কারণে-অকারণে ভারতের বিরোধিতা অথবা তোষামোদী করার বিষয়টিও তাদের কাছে স্পষ্ট নয়। জবাব মিলছে না তিন মাস কী কারণে কর্মীদের ঝুঁকির মুখে রাখা হলো। ফেলা হলো মামলা-হামলা আর ক্রসফায়ারে। কষ্টের উত্তাপে জ্বলছে সন্তান ও স্বামীহারা পরিবারগুলো। রাজনীতি করতে হলে দেশের প্রতি, দলের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হয়। দায়িত্বশীলতাও বড় বিষয়। অসময়ে-অকারণে জেনে-শুনে নেতা-কর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত করা রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতা নয়। এতে লাভ হয় না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশ, দল, নেতা-কর্মী সবাই। শুধু বাস্তবতায় থেকে বিচক্ষণ সিদ্ধান্তই পারে একটি দলকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে অথবা ক্ষমতায় নিতে।

আমাদের সমস্যা আছে, থাকবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী না করলে, আইনের শাসন না থাকলে কোনো কিছুই কাজে লাগবে না। রাজনীতিবিদদের উচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে মনোনিবেশ করা। কারণ অনেক সম্ভাবনার এই দেশটিকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেখতে চাই। জাতি হিসেবে স্বপ্ন দেখতে হবে। জাগাতে হবে। স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। গৃহযুদ্ধ চলাকালে ক্রিকেট বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। এখন অর্থনৈতিক উন্নতিতে রেকর্ড পরিমাণ ভালো করছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আমাদের মাঝে অনেক হতাশা ছিল। নিরাশা ছিল। বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে এমনও অনেকে বলেছিলেন। কিন্তু অনেক দেশের মতো আমাদের অর্থনীতি সরকারনির্ভর নয়। আমাদের গ্রামের একজন সাধারণ চাষি যার পাঁচ গণ্ডা জমি আছে সেও স্বাবলম্বী। এই চাষি তার ছোট্ট ঘরের পাশে শাকসবজি-মুরগি উৎপাদন করছে। আছে একটি গাভী। বাড়ির সামনে একটি টঙঘরে সেই গাভীর দুধে চা বিক্রি করছে। চাষি যখন তার অন্য কাজে যায় তখন তার সাত বছরের ছেলে বা মেয়েটি দোকানে বসে। আর বাড়ির সব কাজ সামাল দিচ্ছে তার স্ত্রী। মাঝে মাঝে সেও এসে দোকান কিংবা অন্য কাজের খবর নেয়। এভাবেই আমাদের অর্থনীতি চলে। সাধারণ মানুষ জিডিপিতে ভূমিকা রাখছে। এই অর্থনীতি শেষ হয়ে যাবে এমন হতাশার কারণ নেই। বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। এগিয়ে যাবে।

সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী একবার আমাকে বলেছিলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ঠিক থাকলে এই দেশটিকে পেছনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অনেক দূর যাবে। সম্ভাবনা সব খাতে। পেশাদার এই কূটনীতিক ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন আবেগাপ্লুত দরদি মানুষ। ঢাকায় হাইকমিশনার থাকাকালে এক সন্ধ্যায় লন্ডনের সানু মিয়ার সঙ্গে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। ছিলেন বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমও। গান করলেন বাউল সম্রাট। এই পেশাদার কূটনীতিকের হৃদয়ের ভিতরে ছিল আরেক বাউল। তিনিও গান ধরলেন। বসে থাকলেন না সানু মিয়া। পরে একদিন বেইলী রোডে গিয়ে এই তিনজন গানের সিডিও রেকর্ড করলেন। বাংলাদেশের শেকড়ের টান ছাড়তে পারেননি এই ব্রিটিশ কূটনীতিক। তাই ব্যস্ততার মাঝেও শাহ করিমের খোঁজ নিতেন। শেকড়ের টানটাই হলো মূল। এই ভালোবাসাটুকু থাকলে বাংলাদেশ অনেক দূর যাবে। রাজনীতিবিদরা দেশকে অবশ্যই ভালোবাসেন। কিন্তু নিজেরা নিজেদের শ্রদ্ধা করেন না। পরমতের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা-সম্মান নেই। আমার ভালো লাগত যদি দেখতাম বিএনপি টিউলিপ সিদ্দিককে অভিনন্দন জানাচ্ছে। কিন্তু রাজনীতির নিষ্ঠুরতা এমনই অন্যকে প্রশংসা করা যায় না। আমরা এই রাজনীতি দেখতে চাই না। শাহ করিমের 'আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম' গানের মতোই এক ইতিবাচক রাজনীতি চাই। সুন্দর-সুষুম আগামীর জন্য।

পাদটীকা : পাত্রপাত্রী দেখা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক গল্প চালু আছে। পাত্রী পক্ষের পাত্র দেখে পছন্দ হলো। কিন্তু এর মধ্যে পাত্রীর এক মামা আছেন দুষ্ট। তিনি শেষমেশ জানতে চাইলেন, পাত্রের স্বভাব-চরিত্র কেমন। লেখাপড়া ভালো। চাকরিও অনেক বড়। কোনো বিষয়ে সমস্যা নেই। ঘটক বললেন, কোনো সমস্যা নেই। এমন পাত্র লাখে একটা। তবে মাঝে মাঝে একটু শুঁড়িখানায় যান। হালকা-পাতলা পিয়াজ খাওয়ার অভ্যাস আছে। আর কোনো সমস্যা নেই। তেমনই পাত্রী দেখা নিয়েও এক গল্প আছে। পাত্রী পছন্দ হয়ে গেল পাত্র পক্ষের। ভীষণ সংসারী। পড়াশোনা, জাত বংশ সব ভালো। কিন্তু সমস্যা একটাই একটু দেরি করে বাড়ি ফেরে। কারণ মাঝে মাঝে নাইট ক্লাবে যায়। ছেলেবন্ধুদের সঙ্গে একটু গল্পগুজব বেশি করে। ফেসবুকে সবার সঙ্গে প্রেম-ট্রেম নিয়ে গল্প করে। কোনো যুবক কিছু বলার আগেই নিজেই বলে, আমি কিন্তু প্রেমে পড়ি।

লেখক : সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা