শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০১৫

অসম্মান

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
অসম্মান

একটি মেয়েকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পেটানো হচ্ছে। এই দৃশ্যটি কিছুদিন আগে বাংলাদেশের কোনও এক পত্রিকায় দেখি। মেয়েটি গ্রামের কোনও অশিক্ষিত মেয়ে নয়। নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী। নাম ববিতা। তো, এমন একটি শিক্ষিত মেয়েকে কারা জনসমক্ষে পেটাচ্ছে! পেটাচ্ছে তার শ্বশুরবাড়ির লোক। পেটানোর লোকদের লিস্টটা বেশ লম্বা। পেটাচ্ছে স্বামী শফিকুল, ভাসুর হাসান শেখ, শ্বশুর ছালাম শেখ, শাশুড়ি জিরিন আক্তার, চাচাশ্বশুর কালাম শেখ, প্রতিবেশী নান্নু শেখ ও পদ্মবিবলা গ্রামের আজিজুর রহমান আরজুসহ আরও অনেকে। একটা একুশ বছর বয়সী মেয়েকে এতগুলো পুরুষ বাঁশ দিয়ে পেটালো। কী ভয়ঙ্কর কাণ্ড। মেয়েটির মরে যাওয়ার কথা। মরেনি, তবে হাসপাতালে।

ঘটনা যতটুকু শুনেছি, তা হলো, ববিতার সঙ্গে শফিকুল নামের এক সেনার পরিচয়, প্রেম এবং বেশ কয়েক বছর পর দুজনের গোপনে বিয়েও হয়। এরপর যখন প্রশ্ন ওঠে ববিতার শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার, তখন থেকেই শফিকুল তাকে আর স্ত্রী বলে স্বীকৃতি দেয়নি। শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে অপমানিত আর নির্যাতিত হয়ে ফিরে এসেছে ববিতা। একসময় অতিষ্ঠ হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করে সে। শেষ অবধি কী হয়! ববিতাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে আত্মীয়স্বজন ডেকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পেটায় শফিকুল। শফিকুলের নাকি এক স্ত্রী আছে। ববিতার সঙ্গে তার কখনো বিয়ে হয়েছে বলে সে স্বীকার করে না।

এরকম ঘটনা অনেক ঘটে বাংলাদেশের সর্বত্র। ঘরের ভেতর বধূ নির্যাতন প্রতিদিনই হচ্ছে। বধূকে হত্যা করা হচ্ছে। খুনকে আত্দহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাজারের মধ্যে নিয়ে হাজার লোককে দেখিয়ে মেয়েদের অপকর্মের শাস্তি দেয় পুরুষরা। পুরো উলঙ্গ করে গ্রামজুড়ে তাদের হাঁটানো হয়। এসবের পরও দেখি দোষীরা শাস্তি পায় না। আমি তো বলবো নড়াইলে বধূ নির্যাতনের কারণে যেভাবে স্বামী আর শ্বশুর-ভাসুরদের পুলিশ ধরে নিয়ে গেলো, সেভাবে অত শীঘ্র অন্য কোনও বধূরা সুবিচার পায় না। বধূ নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন থাকা অত্যন্ত জরুরি। ভারতে ৪৯৮(এ) নামে এক আইন আছে, যেখানে মেয়েরা অভিযোগ করামাত্র অত্যাচারী স্বামী-শ্বশুরদের গ্রেফতার করা হয়। জামিন পাওয়া ওই আইনে সহজ নয়।

বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মেয়েদের পুরুষের সম্পত্তি বলে ভাবা হয়। সে কারণে সব পুরুষ মিলে একটা মেয়েকে নির্যাতন করতে দ্বিধা করে না। ববিতা সাহসী মেয়ে, সাহসী মেয়ে বলেই সে আদালতের সাহায্য চেয়েছে। বেশির ভাগ মেয়েই আদালতে যায় না। ওখানে মেয়েদের ভোগান্তি তো কম নয়! উকিলরাই অসম্মান করে। স্বামীর বাড়ি থেকে হুমকি আসে। তাছাড়া গাঁটের পয়সা প্রচুর যায়। ববিতার পাশে সমাজের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ যেন দাঁড়ায়। ববিতাকে দেখে যেন আরও মেয়েরা সাহস অর্জন করে। অপরাধীদের ক্ষমা করে দেওয়ার অভ্যেসটা মেয়েদের এবার ত্যাগ করতে হবে। মেয়েদের এই শ্বশুরবাড়ি থাকার নিয়মটা যে কবে শেষ হবে! ছেলে মেয়ে বিয়ে করবে, তো ছেলের বাপের বাড়িতে কেন মেয়েকে বাস করতে হবে। দুজনে মিলে আলাদা থাকার ব্যবস্থা চালু হওয়া উচিত। শ্বশুরবাড়ির সকলের সেবাযত্ন করার ভার মেয়ের ওপর পড়ে। এ তো সেকালের বউ আনার নাম করে বাড়িতে দাসী আনার মতো। মেয়েদের সমানাধিকারের কথা যদি ওঠেই, স্বামীর হাত ধরে একটা পরনির্ভর বস্তুর মতো শ্বশুরবাড়ি কেন বাস করতে যাবে মেয়েরা? তোমরা বিয়ে করেছো, তোমরা এইবার নিজেদের সংসার শুরু করবে। আলাদা বাড়িতে সংসার সাজাবে। শ্বশুরবাড়িতে না বাস করেও কিন্তু আত্মীয়স্বজন সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা যায়। আসলে দূরে থাকলেই সেই সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো থাকে। স্ত্রী দাসী নয়। স্ত্রী একসঙ্গে জীবন কাটানোর সঙ্গী, বান্ধবী, প্রেমিকা। ক'জন ঠিক এভাবে ভাবে? এভাবে ভাবে না বলেই স্ত্রীকে দাসী হিসেবে এবং সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র হিসেবে বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়। আর বাইরে বান্ধবী বা প্রেমিকা জোগাড় করে নেয় পুরুষেরা।

এইসব নিয়ম কবে দূর হবে মাঝে মাঝে ভাবি। কোনও লক্ষণ দেখি না দূর হওয়ার। মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে, টাকা পয়সা উপার্জন করছে, কিন্তু স্বনির্ভর হচ্ছে না, সচেতন হচ্ছে না। সত্যি কথা, হতে দেওয়া হচ্ছে না। পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা পুরুষের ভেতর থেকে তো দূর হচ্ছে না, মেয়েদের ভেতর থেকেও দূর হচ্ছে না। মেয়েরা হাজার বছর ধরে যে নিয়মের মধ্যে বংশ পরম্পরায় বেড়ে উঠেছে, সেই নিয়মের বাইরে যাওয়ার সাধ্য তাদের নেই। বাইরে গেলে যে অসম্মান, যে গ্লানি, যে দুর্ভোগ তাদের পোহাতে হয়, তা পোহানোর শক্তি সবার থাকে না। সেই শক্তি যেন মেয়েদের না থাকে, তেমন করেই মেয়েদের বড় করা হয়।

নড়াইলের মেয়ে ববিতা যেন কোনও অবস্থাতেই শফিকুলকে স্বামী হিসেবে মেনে না নেয়। এই অবিবেচক প্রতারক লোকটির সঙ্গে যেন সংসার না করে, এর সঙ্গে যেন কোনও সন্তান না নেয়। জীবনে কোনও ভালো পুরুষের দেখা যদি মেলে, তবেই যেন তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। যদি না পায় ভালো কোনও হৃদয়বান পুরুষ, তবে যেন একা থাকে। যেন স্বনির্ভর হয়। নিজের পায়ে দাঁড়ায়। মেয়েদের নিজের পায়ে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। অবশ্য নিজের পায়ে দাঁড়ানোটাও নারী-বিদ্বেষী সমাজে খুব সহজ নয়। নারী-বিদ্বেষী পুরুষরা কর্মক্ষেত্রে মেয়েদের হেনস্থার চূড়ান্ত করে। সহজ-নয় কাজটিই নারীদের করতে হবে। কারণ স্বনির্ভর না হলে, যে পরনির্ভর জীবন তাদের জুটবে, সেটা আরও কঠিন, আরও ভয়ঙ্কর। নারীদের পদে পদে কণ্টক। নারীর পথ কখনো কোনোদিন মসৃণ ছিল না।

পুরুষরা যে সমাজ বানিয়েছে, তা নারীকে অসম্মান করার জন্য। ববিতার অসম্মান আমরা চোখে দেখেছি। সাধারণত ঘরের দরজা বন্ধ করে মেয়েদের খুঁটিতে বেঁধে এভাবেই স্বামী আর শ্বশুরবাড়ির লোকরা নির্যাতন করে। রান্নাঘরে ঢুকিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয় শরীরে। লোকে যেন মনে করে রান্না করার সময় দুর্ঘটনা ঘটেছে। গলাটিপে মেরে ফেলে মৃত শরীর ঝুলিয়ে দেয় কড়িকাঠে নয়তো সিলিং ফ্যানে। ববিতার স্বামী-শ্বশুররা ববিতাকে বাড়ির বাইরে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মেরেছে বলে এ খবর জানাজানি হয়েছে। ফটো তুলে পত্রিকায় দিয়েছে বলে আরও জানাজানি হয়েছে। জানাজানি হয়েছে বলেই কিছু লোক প্রতিবাদ করছে। তা না হলে নড়াইলের লোকরাও মুখ বুজেই থাকতো। মেয়েরা অন্যায় করলে শাস্তি তো পুরুষরাই দেবে। এরকমই তো নিয়ম। শফিকুল নিজেকে ববিতার স্বামী হিসেবে না মানলেও নির্যাতন করার অধিকার রাখে বলেই বিশ্বাস করে। অধিকার পুরুষ হিসেবেই রাখে। পুরুষরা এই সমাজে নারীর অভিভাবক এবং মালিক। সে কারণেই শফিকুলের পাড়াপড়শিরাও এসেই ববিতা-নির্যাতনে অংশ নিয়েছে।

মাঝে মাঝে ভাবলে গা শিউরে ওঠে, কী করে এই নারী-বিদ্বেষী সমাজে আমি বেড়ে উঠেছি, স্বনির্ভর হয়েছি, আত্দসম্মান নিয়ে বেঁচেছি। তা কি আর সহজ ছিল? শিক্ষিত পরিবারে জন্ম নিয়েও, স্বনির্ভর হয়েও, আমার পথচলা সহজ হয়নি বাংলাদেশে। পদে পদে বাধা ছিল। আমিই যদি অত বাধার মুখোমুখি হই, তবে অন্যরা কতো বড় বাধার সামনে পড়ে তা অনুমান করতে পারি। প্রতিটি সিঁড়ি নারীকে ভাঙতে হয়, যে সিঁড়িগুলোর প্রতিটিই এক একটি মৃত্যুফাঁদ। পুরুষের সিঁড়ি পুরুষরা বানিয়েছে তরতর করে উঠে যাওয়ার জন্য। এমনি বৈষম্যের পৃথিবীতে বাস করি আমরা। পুরুষদের বড় ভালোবেসে বাস করি। পুরুষদের বড় আপন ভেবে বাস করি। পুরুষদের তৈরি এই বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন করলে আমাদের পুরুষবিদ্বেষী বলে গালি দেয় পুরুষরা। আমরা এই গালিকে ভীষণ ভয় পাই। তাই হাসিমুখে বরণ করি পুরুষের দেওয়া সকল নির্যাতন। আমাদের তো সহিষ্ণু হতে হবে। পুরুষরা অনেক আগেই বলে দিয়েছে আমাদের হতে হবে ধরিত্রীর মতো সহিষ্ণু। আমরা তা-ই হতে চেষ্টা করি। আর যদি ববিতার মতো অবাধ্য হই, তবে তো সমাজের সবাই মিলে আমাদের বাঁশ দিয়ে পেটাবে। সে কি আমরা জানি না? ববিতার ঘটনা আমাদের সবার জীবনেই ঘটে। একটু অন্যরকম করে ঘটে, এই যা।

লেখক : নির্বাসিত লেখিকা

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা