শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২০ মে, ২০১৫

বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ সময়ের দাবি

মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ সময়ের দাবি

সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করতে না পারলে রাজনীতিতে পরাজিত হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। রাজনীতি সবাই জানে কিন্তু সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত সবাই নিতে পারে না।

রাজনীতি প্রচণ্ড খরস্রোতা নদীর মতো। খরস্রোতা নদী যেমন পাড়ের নরম মাটির কারণে বাঁক নিতে বাধ্য হয় তেমনি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা রাজনীতির যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের মাহেন্দ্রক্ষণ এনে দেয় এবং রাজনৈতিক বিজয় নির্ধারণ করে। রাজনৈতিক বিজয়ে প্রতিপক্ষের অবদান সবচেয়ে বেশি। রাজনীতিতে নেতা হতে বিদ্যাবুদ্ধি লাগে না, একমাত্র প্রয়োজন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সাহস করে দাঁড়ানো এবং টিকে থাকা। সময়ই বিজয় এনে দেবে।

সব সফল এবং কিংবদন্তিতুল্য রাজনৈতিক নেতাদের জীবনী ও তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, তারা সবাই তাদের প্রচণ্ডতম প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অসীম সাহস নিয়ে লড়েছে এবং সময়ের পাল্লা দিয়ে টিকে থাকার সংগ্রাম করেছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও কিন্তু ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেছিলেন। আজকের এ অবস্থায় এসে চরম পরাক্রমশালী হতে তার দীর্ঘ ৩৪ বছর সময় লেগেছে। এই দীর্ঘ সময় যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে মেধায়, বুদ্ধি, ক্ষমতায় কম ছিল? কিন্তু বিভিন্ন সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরোধীদের ভুল চালে তারা পেছনে চলে গেছে।

বিএনপির ভয় বা ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সংকট যত গভীর হবে সমাধান তত বেশি নিকটবর্তী হবে। অনেকে অভিযোগ করেন কিন্তু ম্যাডামের চারপাশের চক্রকে নিয়ে আপনার আমার কারও ভাবার কোনো প্রয়োজন নেই। আসুন আমরা শুধু সাবধান থাকি, তাহলে কোনো চক্রই কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

রাজনৈতিক কৌশল আমাদের খোঁজার কোনো প্রয়োজন নেই। শুধু লক্ষ্য রাখতে হবে সরকার কি করছে এবং আগামীতে কি করতে চায়। সরকার এখন সম্ভবত দুটি লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগুবে। প্রথম লক্ষ্য হবে কোনো অবস্থায়ই সরকার বিএনপিকে সংঘটিত হতে দেবে না। সরকার বিভিন্ন ছলচাতুরিতে বিএনপিকে অস্থির করে রাখবে। মামলা-হামলা করে বিএনপিকে ব্যতিব্যস্ত রাখবে। তারেক রহমানকে কোনো অবস্থায়ই রাজনীতির মাঠে আসতে দেবে না। তারেকের পক্ষে যারাই কথা বলবে তাদের চরমভাবে হেনস্থা করবে। ম্যাডাম ও তারেককে বিভিন্ন মামলায় দণ্ড দেওয়ার পর্যায়ে নিয়ে যাবে। দলের মধ্যে তারেকের বিরুদ্ধে সিনিয়রদের দিয়ে বিভাজনের সৃষ্টি করবে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সরকার প্রচণ্ডতম বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। দলের প্রবীণ-নবীনদের মধ্যে সংঘাত লাগানোর চেষ্টা করবে। সরকার জামায়াতকে ২০-দলের জোটের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত করবে। সেই সঙ্গে সরকারের দ্বিতীয় লক্ষ্য হবে সারা দেশে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে দেওয়ার রাজনীতি করার।

সরকার আগামীতে প্রয়োজনে গণতন্ত্রকে হত্যা করে হলেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখিয়ে লিকুয়ান বা মাহাথির মোহাম্মদ হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত হবে না, এ দেশের মানুষ সাদ্দাম-গাদ্দাফির ভক্ত। অনেকে প্রকাশ্যেও বলেন, এ দেশে যদি একজন সাদ্দাম আসত, লিকুয়ান বা মাহাথির মোহাম্মদের মতো উন্নয়নের রূপকার আসত, তাহলে সেই সরকার স্বৈরাচারী হলেও কোনো সমস্যা ছিল না!

সরকার মনে হয় সে পথেই হাঁটছে। তবে উন্নয়নের রাজনীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো লুটেরা শ্রেণি তৈরি ও সরকারি দলের নেতা, কর্মী, চামচা-চাটুকার এবং দলের সাঙ্গোপাঙ্গ ও অনুসারীদের লাগামহীন দুর্নীতিতে নামিয়ে দেয়। বিভিন্ন সময়ে সামরিক শাসকরা এ ধরনের উন্নয়নের রাজনীতি করার মহড়া দিয়েছে কিন্তু বেশিদিন টিকে থাকতে পারেনি। তবে উন্নয়নের রাজনীতির কিছু সুবিধা যে নেই, তা ঠিক নয়। উন্নয়নের রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো কেউ এর বিরোধিতা করতে পারে না। সবাই কোনো না কোনো কারণে উন্নয়নকে সমর্থন করে এবং উন্নয়নের সঙ্গে বিভিন্নভাবে জড়িয়ে যায়। আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে উন্নয়নের সুবিধাভোগী হয়ে যাই, যার ফলে সরাসরি উন্নয়নের বিরোধিতা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে সবাই মানসিকভাবে উন্নয়নের নামে কোনো প্রকার দুর্নীতি, অপকর্ম বা যে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চরমভাবে বিরোধিতা করতে প্রস্তুত থাকে এবং কেউ যদি দুর্নীতি, অপকর্ম বা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহস দেখায় তাহলে চূড়ান্ত সংগ্রামে সাহসীদের সঙ্গে থাকে যার ভূরি ভূরি প্রমাণ আমাদের সামনে আছে। সেই সঙ্গে উন্নয়নের নামে কোনো ব্যক্তিকেও, সে যত বড় নেতাই হোক, তাকে কেউ দীর্ঘদিন মেনে নিতে চায় না।

বিএনপিকে উন্নয়নের বিরোধিতা করার রাজনীতির পথে হাঁটলে আমাদের গণবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হবে যা ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বিএনপিকে প্রচণ্ড প্রতিকূল অবস্থায় ফেলে দিতে পারে। জনগণ উন্নয়নের রাজনীতি দারুণ পছন্দ করে। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরাও উন্নয়নের রাজনীতির সঙ্গে থাকতে চান। উন্নয়নের রাজনীতি মানে নগদ রাজনীতি। হালুয়া-রুটির রাজনীতি। এই রাজনীতির বাইরে যাওয়া খুবই কঠিন। তাই উন্নয়নের রাজনীতির সরাসরি বিরোধিতা না করে উন্নয়নের সঙ্গে যে দুর্নীতির উন্নয়ন হবে সে বিষয়টিকে জনগণের সামনে নিয়ে আসতে হবে। উন্নয়নের রাজনীতিকে জনগণের কল্যাণের জন্য উৎসাহিত করে বিএনপি যদি খুব দক্ষ ও নিপুণতার সঙ্গে দেশব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ করার দুর্বার মনোভাব চাঙ্গা করে তুলতে পারে তাহলে উন্নয়নের রাজনীতির সবচেয়ে বড় ফায়দা হবে বিএনপির। তবে দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব সৃষ্টি করতে হলে সবার আগে দলকে দুর্নীতিমুক্ত করে অত্যন্ত গণতান্ত্রিকভাবে সুসংগঠিত করতে হবে যাতে জনমনে দৃঢ় আস্থা সৃষ্টি হয় যে, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল এবং বিএনপি বিশ্বাস করে গণতন্ত্র ছাড়া জনপ্রত্যাশিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। সে জন্য এখন বিএনপিকে শত প্রতিকূল ও বাধার মুখে দলকে নতুন আঙ্গিকে দেশ ও দলের বৃহত্তর স্বার্থে প্রয়োজনে দলের, নেত্রীর এবং তারেক রহমানের অনুগত পরীক্ষিত কোনো বিকল্প নেতৃত্ব সৃষ্টি করে দলকে পুনর্গঠিত করার দায়িত্ব দেওয়া হবে সময়ের সুবিবেচিত সিদ্ধান্ত। দল বাঁচলে আমরা সবাই বাঁচব।

সরকারের ভাব-সাবে মনে হচ্ছে, সরকার উন্নয়নের জন্য গণতন্ত্রকে বিদায় করে দেবে, যেটা হবে সরকারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এবং এর বিপরীতে বিএনপিকে হাঁটতে হবে গণতন্ত্রের পথে এবং জনগণের সামনে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে প্রমাণ করতে হবে গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়নে দেশ ও জাতির কোনো উন্নতি হয় না। গণতন্ত্র ছাড়া উন্নয়নে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের ব্যাপকতা বাড়ে এবং জনগণের অকল্যাণ বয়ে আনে। তাই আগামী রাজনীতিতে বিএনপিকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসে জিরো সমর্থন বা টলারেন্স এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আচার-আচরণ ও অনুশীলনে শত ভাগ বাধ্যবাধকতা স্বচ্ছভাবে দৃশ্যমান করতে হবে। বিএনপিকে আগামীতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নিয়ে দাঁড়াতে পারলে সামনে বিএনপির সুদিন কোনো শক্তিই ঠেকাতে পারবে না এবং পারবে না বলেই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

তথাকথিত সাবেকি ঢঙে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা আন্দোলনের বাঁধা-ধরা পথে না হেঁটে আগামীতে যদি বিএনপি সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে প্রকাশ্যে দুর্বার গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে তাহলে দেশের বেশির ভাগ মানুষ বিএনপির পক্ষে আসবে এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনও অনেক বেড়ে যাবে বলেই অনেকের বিশ্বাস। রাজপথে কখনই সরকার পরিবর্তন হয় না, তবে রাজপথ বেদখল হলে সরকারের ক্ষমতার ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়, যার সুযোগ সব সময় সুযোগ সন্ধানীরা নেয়। বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে অযথা মাথা না ঘামিয়ে সরকারের দুর্বলতা চিহ্নিত করে সেখানে সময়মতো আঘাত হানার ক্ষমতা অর্জনই হবে আগামী দিনের সঠিক রাজনৈতিক কৌশল। সেই ক্ষমতা ও দৃঢ় দক্ষতা অবশ্যই বিএনপি এবং বিএনপির নেতৃত্বের আছে বলেই জনগণের প্রচণ্ড আস্থা এখনো রয়েছে। তবে সাহসী রাজনীতির কোনো বিকল্প নেই। রাজনীতি করতে বিদ্যাবুদ্ধির প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় সাহস। প্রবল প্রতিকূল স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অসীম সাহস। যে সাহস অতীতে বিএনপি বহুবার দেখিয়েছে। তাই আবারও বলছি, রাজনীতিবিদদের বিদ্যবুদ্ধির প্রয়োজন নেই, তাদের পুঁথিগত বিদ্যাবুদ্ধি দেওয়ার লোকের অভাব কোনো কালেই হয়নি, হবেও না। প্রয়োজন সাহসের। সাহসী রাজনীতিবিদের অভাব চিরকালই থেকে যাবে। জনগণ সাহসী রাজনীতিবিদের পেছনে থাকে এবং এটাই চরম বাস্তবতা।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা