শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৪ মে, ২০১৫

বিএনপির \\\'ঠাকুর ঘরে\\\' ওরা কারা?

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
বিএনপির \\\'ঠাকুর ঘরে\\\' ওরা কারা?

কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একটি রাজনৈতিক দলের সংবাদ সম্মেলন অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। দেশের বিশেষ কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলের অবস্থান ঘোষণার জন্য কিংবা আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা অথবা দলের সাফল্য তুলে ধরার জন্য দলবিশেষের সংবাদ সম্মেলন হয়। কখনো কখনো বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে বাহাসও হয়, অর্থাৎ বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্যও দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। মানুষ উদ্দেশ্যটা বোঝে এবং যার যার মতো করে সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য গ্রহণ কিংবা বর্জন করে। কিন্তু গত ২১ মে বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান যে সংবাদ সম্মেলনটি করলেন, তার উদ্দেশ্য কী? ২০ মে বাংলাদেশ প্রতিদিনে 'গুলশান অফিস নিয়ে অস্থিরতা' শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে ওই অফিসের কিছু প্রভাবশালী কর্মচারীর অস্থিরতারই প্রকাশ বলে মনে হয় ওই সংবাদ সম্মেলনকে। সাধারণত কোনো রাজনৈতিক দলের বা অরাজনৈতিক কোনো সংগঠনের সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্য বা কর্মসূচি নিয়ে মানুষ আলোচনা-সমালোচনা করে। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনেক সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য অনেক সময় দেশের মানুষকে আলোড়িত, আন্দোলিত করেছে। অর্থাৎ সংবাদ সম্মেলন অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সংবাদ সম্মেলন এখনো হয়, ভবিষ্যতেও হবে। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও বক্তব্য নিয়ে কৌতুকপ্রবণতা খুব একটা লক্ষ্য করা যায় না। বহুদিন পর বেগম সেলিমা রহমানের সংবাদ সম্মেলনটি রাজনৈতিক মহলে একটি 'উপভোগ্য' আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সেলিমা রহমান দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তিনি বিএনপির সঙ্গে জড়িত। বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতৃত্ব গ্রহণের পর অন্যান্য অঙ্গদলের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল সাংগঠনিকভাবে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছিল। সংগঠনের সভানেত্রী বেগম খুরশীদ জাহান হকের পর মহিলা দলের অনেকটা 'লাইফব্লাড' ছিলেন বেগম সেলিমা রহমান। মূল দলেও তার আসন ছিল পদের চেয়ে বেশি 'মর্যাদার'। ২১ মে-র সংবাদ সম্মেলনের পর অনেকে বলছেন, মূল দলে এখন তার পদ বড় হয়েছে কিন্তু মর্যাদা কী কমে গেছে?

বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল- বিএনপি চেয়ারপারসনের 'গুলশান অফিসের কর্মচারী সমাচার'। এটা তো নতুন কোনো কথা নয়। বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখিতে, টিভি টক-শোতে বিষয়টি বহুল আলোচিত। বলা হয়ে থাকে, বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত কিছু কর্মচারী শুধু গুলশান অফিস দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজই করে না, এই সুযোগে সুচতুরভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রকৃত সত্য ও তথ্যবিস্মৃত রেখে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে গোটা পার্টির নিয়ন্ত্রণই এরা কুক্ষিগত করে ফেলেছে। এমনও বলা হয়, তারেক রহমানকেও তারা যেন হিপনোটাইজ করে রেখেছে। বিএনপির অনেক অনুরাগী বলেন, এরা প্রকাশ্যে তারেক-বন্দনায় মশগুল থাকলেও স্থান-কালভেদে তারেক রহমানের নিষ্ঠুর নেতিবাচক সমালোচনায়ও সোচ্চার। এরা দুমুখো সাপের মতো। এরা 'মারও, মাসিরও'। তারা প্রশ্ন তোলেন, বেগম খালেদা জিয়া তার কক্ষে বসে 'ওয়ান টু ওয়ান' আলোচনা করেন, সে আলোচনার বিষয় তৃতীয় পক্ষ জানে কী করে? একটি জনপ্রিয় দৈনিকে একবার এমনই একটি খবর ছাপা হয়েছিল। অনেকেরই স্মরণ আছে যে, সেই খবরে বলা হয়েছিল, একজন শীর্ষস্থানীয় বিএনপিপন্থি ব্যবসায়ী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। কক্ষে তারা দুজনই ছিলেন। আলোচনা শেষে বেরিয়ে আসার পরই আলোচিত কর্মচারীদের দুজন তাকে অনেকটা কৈফিয়ৎ তলবের মতো জিজ্ঞাসা করেছিলেন, 'আপনি ম্যাডামকে এসব কথা বলতে গেলেন কেন?' অর্থাৎ ম্যাডামকে তিনি হয়তো কোনো ব্যাপারে সতর্ক করেছেন এবং কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, যা ওই কর্মচারীদের পছন্দ হয়নি। ব্যবসায়ী ভদ্রলোক বিস্মিত হয়েছিলেন এই ভেবে যে, বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি ছাড়া তৃতীয় কোনো ব্যক্তি ছিল না। তো, এরা জানল কী করে? নিশ্চয়ই ভিতরের কথা আড়ি পেতে শোনার ও তা লিক করার একটা কৌশলী ব্যবস্থা করা আছে। পত্রিকাটির খবরেই বলা হয়েছিল যে, ব্যবসায়ী ভদ্রলোক চালাকি করে কোনো একটা কিছু ফেলে এসেছেন ভান করে আবার চেয়ারপারসনের কক্ষে ঢোকেন এবং তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। কক্ষে তল্লাশি চালানোর পরামর্শও সম্ভবত দিয়েছিলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া তাৎক্ষণিক তল্লাশির ব্যবস্থা করে তার কক্ষ থেকে কথা পাচারের কিছু যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেন বলে পত্রিকাটি উল্লেখ করেছিল। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গৃহীত হওয়ার খবর দিতে পারেনি পত্রিকাটি। ফলে জানা গেল না, এরা কারা? আমেরিকায় 'ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি' ধরা পড়ে সে দেশের প্রেসিডেন্টের 'চাকরি' গেল কিন্তু জিও (গুলশান অফিস) কেলেঙ্কারি 'ধরা' পড়ল না, কারও চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটল না। এরা নাকি খুব শক্তিশালী। কথা বললে কখন গুম করিয়ে দেয় সে ভয়ে নাকি মুখও খুলতে চান না পার্টির নিষ্ঠাবান নেতা-কর্মীরা। এই কর্মচারীরাই কী বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদে বিব্রত ও রুষ্ট হয়েছেন? তারাই কী বেগম সেলিমা রহমানকে দিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করিয়েছেন? বাংলাদেশ প্রতিদিনের ২২ মে সংখ্যায় প্রকাশিত 'দলে তোলপাড়' শিরোনামে এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, প্রথমে দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপনকে নাকি সংবাদ সম্মেলন করে পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু এককালের ডাকসাইটে ছাত্রনেতা এবং ছাত্রদলের এককালীন সভাপতি আসাদুজ্জামান রিপন তাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এরকম সিদ্ধান্ত গ্রহণে 'বুকের পাটা' থাকা লাগে। রিপন তা দেখিয়েছেন। দলের, এমনকি অন্য দলের মর্যাদাশীল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা নিশ্চয়ই আসাদুজ্জামান রিপনকে সাধুবাদ জানাবে। আরও কেউ নাকি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। সবাই জানেন যে, বেশ কমাস ধরে ড. আসাদুজ্জামান রিপন তার দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কোনো বক্তব্য তো দলীয় মুখপাত্রের মাধ্যমে প্রচার বা উপস্থাপন করাই বাঞ্ছনীয়, এটাই রেওয়াজ। বেগম সেলিমা রহমান কেন এই দায়িত্ব নিলেন এটা একটা প্রশ্ন তো বটেই। সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদে 'আহত' ও 'ক্ষতিগ্রস্ত' কর্মচারীদের পরামর্শেই কী তিনি তা করলেন, না কী অন্য কোনো উঁচু মহলের নির্দেশে করলেন? এখানেও প্রশ্ন, সেই উঁচু মহল তো আসাদুজ্জামান রিপনকেও নির্দেশটি দিতে পারতেন। আমরাও ধারণা করতে চাই না, তেমন কোনো জায়গা থেকে সেই ধরনের কোনো নির্দেশ হয়তো ছিল না। তিন মাস অবরোধকালীন সময়ে বেগম সেলিমা রহমান বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গেই ছিলেন। গুলশান অফিসের কর্মচারীরাও ছিলেন। একটা মায়ার বাঁধন গড়ে ওঠা স্বাভাবিক। বড় বোনসুলভ আচরণে বেগম সেলিমা রহমান একটি অনুকরণীয় চরিত্র। গুলশান অফিসের কর্মচারীরা সেই সুযোগই কী নিলেন?

উলি্লখিত সংবাদ সম্মেলন নিয়ে আলোচনার উপভোগ্য দিক হচ্ছে বিষয়বস্তু। 'গুলশান অফিস নিয়ে অস্থিরতা'বিষয়ক সংবাদের মুখ্য বিষয় ছিল ওই অফিসের কয়েকজন ক্ষমতাশালী কর্মচারীর ক্রিয়াকলাপ এবং তাতে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ থেকে সৃষ্ট দলীয় সংকট। এটা কে না জানে যে, গুলশান অফিসের একটি কর্মচারী সিন্ডিকেটের কাছে বিএনপির সিনিয়র নেতারাও কাবু। বেগম খালেদা জিয়ার কাছে তাদের যে একসেস শোনা যায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদেরও সেই একসেস নেই। এমনও শোনা যায়, সেই অফিসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকেও কোনো এক কর্মচারীর টেবিলের সামনে বসতে হয়। তার জন্য নাকি আলাদা কোনো চেয়ার-টেবিল নেই। এই লেখা প্রকাশের পর হয়তো তা অস্বীকার করা হবে কিন্তু তথ্যটি একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের। সেখানে কারও কারও ক্ষমতা নাকি মহাসচিবের চেয়েও বেশি। দলে পদোন্নতি, পদাবনতি, ইনক্লুশন-এঙ্ক্লুশনে তাদের হাতই নাকি ভীষণ লম্বা। বেগম খালেদা জিয়া যখন ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডের কার্যালয়ে বসতেন, এমনকি বিরোধীদলীয় নেতা থাকাকালে যখন ২৯ মিন্টো রোডে বসতেন তখন পার্টি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীর যে যোগাযোগ ছিল, এখন তার বিন্দুমাত্রও নেই গুলশান অফিসের ব্যক্তিগত কর্মচারীদের প্রতিবন্ধকতার কারণে। মিন্টো রোডে বসার সময় মোসাদ্দেক আলী ফালু যখন বেগম জিয়ার একান্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন, মূল দল ও অঙ্গদলগুলোর নেতা-কর্মীরা অবাধে যাতে নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন, তাদের সমস্যার কথা, সংগঠনের মাঠ পর্যায়ের অবস্থার কথা জানাতে পারেন এবং সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় নির্দেশ নিতে পারেন সে ব্যবস্থা করতেন তিনি। এমনকি বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালেও দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় দেখা-সাক্ষাতে কোনো অসুবিধা হতো না। এখন আট বছর দল ক্ষমতার বাইরে, বড়ই নাজুক অবস্থা; সাংগঠনিক দুর্বলতা, নেতৃত্বের ব্যর্থতায় বার বার ব্যর্থ হচ্ছে দলটি। এই সময়ে দরকার দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী-সংগঠক এবং তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার সরাসরি সংযোগ। এই সংযোগস্থলেই বাধার প্রাচীর গুলশান অফিসের এই কর্মচারীরা- এমন অভিযোগের কথাই শোনা যায়। এসব কথাই মূল উপজীব্য বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের।

মিডিয়ায় নানা প্রকার সংবাদ ছাপা ও প্রচার হয়, কখনো কখনো কোনো কোনো নেতা-নেত্রীর কোনো বক্তব্য যদি সমালোচনাযোগ্য হয়, মিডিয়ায় প্রকাশের পর তা যথাযথভাবে প্রকাশ হয়নি বলে প্রতিবাদ করা হয়। কোনো কোনো সংবাদ দলের জন্য ক্ষতিকর হলে তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। মিডিয়ায় প্রকাশিত দলের জন্য ক্ষতিকর সংবাদ বা প্রতিবেদন সম্পর্কেই দল মুখ খোলে। সব খবর বা প্রতিবেদনের ব্যাপারে দল রি-অ্যাক্ট করে না। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে পড়লে যে কোনো সচেতন ব্যক্তিই বলবেন, তা বিএনপির উপকারে লাগার কথা, শোধরানোর কাজে লাগার কথা। কোনো দলের, প্রতিষ্ঠানের এমনকি ব্যক্তিবিশেষের এই ধরনের মিডিয়া- সমালোচনা আত্দোপলব্ধির অবলম্বন হয় এবং এই ধরনের গঠনমূলক সমালোচনা সর্বদা সর্বত্রই প্রশংসিত। প্রকাশিত সংবাদে বিএনপি দলগতভাবে একেবারেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। স্পষ্ট হয়ে গেল, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেগম জিয়ার গুলশান অফিসের কিছু কর্মচারী। তাই তারা সিরিয়াসলি রি-অ্যাক্ট করেছেন। মনে হচ্ছে, এই প্রথম তারা বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পেলেন এবং তারা 'দাগি-দোষী' নয়, তা প্রমাণের জন্য তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করিয়েছেন। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এবার দল পুনর্গঠনে বেগম খালেদা জিয়া কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। মনে হচ্ছে এবার 'পদ বেচাকেনার বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এবার তিনি কারও সুপারিশ শুনবেন না। অর্থাৎ আগে সুপারিশ শুনতে গিয়েই দলের আজ এই অবস্থা! এই সুপারিশকারী কারা? এরা কী তারা, যারা পত্রিকায় তাদের সমালোচনাকে দলের সমালোচনা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে নিজেরা 'সাধু' সাজতে চাচ্ছেন। তাদের রি-অ্যাকশনে মনে হচ্ছে 'ঠাকুর ঘরে কে রে' প্রশ্নের জবাবে তারা বলছেন 'আমি কলা খাই না।'

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা