শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০১ জুন, ২০১৫

মোদির সফর : পেছনের কিছু কথা

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
মোদির সফর : পেছনের কিছু কথা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসছেন ৬ জুন, শনিবার। আর মাত্র চারদিন পর। সঙ্গত কারণেই এ সফর ও তার আনুষঙ্গিকতা এখন উপমহাদেশসহ বাংলাদেশের জন্য হট ইস্যু। তাই ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি এখন এই সফরের দিকে। এই সফরের পরিবেশ সৃষ্টির প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে দুই প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিত্ব এবং রাষ্ট্রনায়কোচিত দৃষ্টিভঙ্গি। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে শেখ হাসিনা তার অসাধারণ কূটনৈতিক কৌশলে একদিকে যেমন আঞ্চলিক বৃহৎ শক্তিবর্গের সঙ্গে চমৎকার একটি ভারসাম্যমূলক সুসম্পর্ক স্থাপনে সক্ষম হয়েছেন, তেমনি একাত্তরের রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ ভারতকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হয়েছেন যে, বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য কোনো রকম হুমকি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্যই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এখন উপদ্রবমুক্ত। এই প্রান্তের নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারতকে আজ আর বিনিদ্র রজনীযাপন করতে হচ্ছে না।

শেখ হাসিনার এই দৃঢ়তার প্রতি শ্রদ্ধাবনত নরেন্দ্র মোদিও তাই সীমান্ত বিল পার্লামেন্টে অনুমোদনের জন্য বাড়তি রাস্তায় হেঁটেছেন। নিজ দলের বিরোধিতাকে অগ্রাহ্য করে শেষ মুহূর্তে যেভাবে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি সংসদের দুই কক্ষে সব দলের ঐকমত্যে পাস করিয়েছেন, সেটি অভিনন্দনযোগ্য। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৪ বছর। কিন্তু ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের লেগেসি শুরু ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ ও বাংলা বিভক্তির মধ্য দিয়ে, যার মূল কারণ হিসেবে তখন দেখানো হয়েছিল দ্বি-জাতি তত্ত্ব, অর্থাৎ হিন্দু-মুসলমান দুই জাতি, তারা একই রাষ্ট্রীয় ছাতার নিচে বসবাস করতে পারে না। তখন কিন্তু কেউ ভাবেনি, এক রাষ্ট্রের মধ্যে বসবাস করতে না পারলে, পাশাপাশি দুই রাষ্ট্র শান্তিতে থাকবে কি করে। পরবর্তীতে বাস্তবতার পর্যবেক্ষণে দুই দেশের প্রাজ্ঞ কিছু রাজনৈতিক নেতা এ কথা ভেবেছেন এবং পাশাপাশি দুই রাষ্ট্র কী করে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করতে পারে তার উপায় উদ্ভাবন করার চেষ্টা করেছেন। সেই চিন্তার প্রধান স্থপতি হিসেবে কাজ করেছেন বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের মহীয়সী নেত্রী, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। সেসব কথাই আজ লেখার বিষয়, তবে সেটি একটু পরে। গত বছর মে মাসে ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের এক শ্রেণির রাজনীতিক ও বিশ্লেষকদের সব নেতিবাচক ধারণা পেছনে ফেলে বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬-৭ জুন। এই সফরের সময় দুদেশের সম্পর্কের মাত্রাকে নতুন উচ্চতায় উন্নীতকরণসহ প্রায় ডজনখানেক সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ৭ ও ৮ মে ভারতের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে সীমান্তচুক্তি অনুমোদিত হওয়ার মধ্য দিয়ে মোদির এই সফরের ভিত্তি রচনায় শেষ ইটের গাঁথুনিটি দেওয়া হয়েছে। ভারতের উভয় কক্ষে সব দলের সব সদস্যের সমর্থনের মধ্য দিয়ে সীমান্তচুক্তি অনুমোদিত হওয়ায় বাতাসের গন্ধ বলে দিচ্ছে- ১৯৭১ সালে ভারতের জনগণ ও সব রাজনৈতিক দল যেমন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছিল, ৪৪ বছর পর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবার সে রকম একটা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আবহ ফিরে এসেছে। ১৯৭৫ সালের পর মাঝখানে বিরাট একটা সময় গেছে যখন মনে হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ ক্রমশ একে অপর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এই সরে যাওয়ার অনেক কারণ ও ঘটনা আছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় যে কারণটি চিহ্নিত হয়েছে তাহলো দুদেশে অনুসৃত রাষ্ট্রীয় মৌলিক আদর্শ ও দর্শন যখন বিপরীতমুখী হয়েছে তখন সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে এবং সেটি যখন এক ও অভিন্ন ছিল তখন সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে। দীর্ঘ সময়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় দর্শনের তেমন কোনো পরিবর্তন কখনো হয়নি, বরং ১৯৭৬ সালে ধর্মনিরপেক্ষতা রাষ্ট্রের মূল আদর্শ হিসেবে ভারতের সংবিধানে সনি্নবেশিত করার মধ্য দিয়ে পঁচাত্তরপূর্ব বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আরও কাছে আসার চেষ্টা করেছে ভারত। কিন্তু পঁচাত্তরের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ পরিবর্তন হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হয়ে যায়, যা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এখান থেকেই সম্পর্কের অবনতি শুরু। দুই দেশের মৌলিক আদর্শের জায়গায় যেসব কারণে মিল-অমিল হয়েছে, সেটি ঘটেছে ঐতিহাসিক লেগেসির ধারাবাহিকতায়, সেটি কখনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। সে বর্ণনায় আজ যাব না। তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৪ বছর পর আবার প্রমাণিত হলো- ঐতিহাসিক লেগেসির ওপর ভিত্তি করে দুদেশের সম্পর্ক একাত্তর-বাহাত্তরে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেটাই সঠিক, যথার্থ এবং উভয় দেশের জন্য মঙ্গলজনক। বরং একবিংশ শতাব্দীতে এসে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণের যে নতুন বিন্যাস এখন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক লেগেসির উপাদানগুলো এবং একাত্তর-বাহাত্তরের পরিবেশ দুদেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য আরও জরুরি হয়ে পড়েছে। দুই দেশের সম্পর্কের শিকড়ে পানি সিঞ্চন করলে শিখরের ডাল-পালা, পত্র-পল্লব যে বিস্তৃত ও সমৃদ্ধ হবে সেটি আবার বোঝা গেল ৭-৮ মে ভারতের পার্লামেন্টের পরিবেশ দেখে। লোকসভায় বক্তৃতাকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের প্রতিক্রিয়া ছিল- 'একাত্তরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যে উচ্চতায় উঠেছিল, এই বিল পাসের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক আবার সেই উচ্চতায় পৌঁছল, রচিত হলো সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের এক নতুন সংজ্ঞা।' রাজ্যসভায় বিলটি পাসের সময় অনেক সদস্য আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এক অবাঙালি নির্দলীয় সদস্য পরিষ্কার বাংলায়- 'শোনো একটি মুজিবের থেকে লক্ষ মুজিবের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি...' গানটি গাইতে শুরু করেন। গানটি গাইতে গাইতে তিনি কেঁদে ফেলেন। এই সম্পর্ক ও আবেগের ভিত্তিটা কীভাবে রচিত হলো তার ওপর এখন সামান্য আলোকপাত করছি। ১৯৪৮ সাল থেকে পাকিস্তানি শাসকবর্গের বাংলা ভাষার ওপর আক্রমণ, ঠুনকো অজুহাতে চুয়ান্ন সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্তকরণ, বাঙালি সংস্কৃতি বলতে যা কিছু বোঝায় তার ওপর নগ্ন আক্রমণ এবং সেগুলো বেদাত ও হিন্দুয়ানি বলে অবহিতকরণ, রবীন্দ্রনাথকে নিষিদ্ধকরণের অপচেষ্টা, আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও নিজের খেয়াল-খুশি মতো সংবিধান প্রণয়ন, ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ, বাঙালিদের প্রতি সীমাহীন বৈষম্য ইত্যাদি ঘটনাপ্রবাহের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার পর্যবেক্ষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুঝেছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকা সম্ভব হবে না, বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর অনেক ঘনিষ্ঠজনের স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, ষাটের দশকের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। হঠাৎ করে কিছু সম্ভব নয় জেনেই তিনি ধাপে ধাপে এগোনোর কার্যক্রম হাতে নেন। বাঙালি সংস্কৃতিকে মূল মন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থাকে দর্শন হিসেবে বেছে নেন বঙ্গবন্ধু। এই দর্শন পাকিস্তানিপন্থার সম্পূর্ণ বিপরীত কিন্তু বিশ্ব-মানবতা ও উদার প্রগতিশীল রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন, পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পেতে হলে সশস্ত্র যুদ্ধের বিকল্প নেই। আর সে জন্য অপরিহার্য হলো ভারতের প্রত্যক্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থন। অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে চিরবৈরী সম্পর্ক, ১৯৬২ সালে চীনের সঙ্গে যুদ্ধে শোচনীয় পরাজয়ের ফলে উদ্ভূত ভূরাজনৈতিক সমীকরণে পূর্ব সীমান্তে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক বন্ধুভাবাপন্ন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে ভারতের জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত হয়, তেমনি বৃহত্তর স্ট্র্যাটেজিতে ভারতের ভূখণ্ডগত নিরাপত্তার হুমকি বহুলাংসে হ্রাস পায়। সুতরাং দুপক্ষের উইন উইন এবং স্বার্থ সংরক্ষণের মতাদর্শগত মিল এবং ষাটের দশকের ঘটনাপ্রবাহকে কেন্দ্র করে ভারত ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি একেক করে তৈরি হতে শুরু করে। ষাটের দশকের পুরোটা সময় এবং সত্তরের নির্বাচনকে ঘিরে বঙ্গবন্ধু ভারতের সঙ্গে কখন কীভাবে সব কিছু চূড়ান্ত করেছিলেন তার অনেক কিছুই এখনো প্রকাশিত। ভবিষ্যৎ গবেষকরা হয়তো তা বের করবেন। কিন্তু ভারতের প্রত্যক্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক পূর্ণ সমর্থনের সব ব্যবস্থা যে বঙ্গবন্ধু করে রেখেছিলেন তার অনেক প্রমাণ ইতিমধ্যে বিশ্লেষকরা চিহ্নিত করেছেন। প্রথমত, নয় মাস কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নির্জন অবস্থায় বন্দী থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সব আপসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বোঝা যায় বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত ছিলেন তার অনুপস্থিতিতেও বাংলাদেশ স্বাধীন হবে, কারণ তার পরিপূর্ণ ব্যবস্থা তিনি করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু পালানোর চেষ্টা করলে, ক্ষণ পরিপক্ব হওয়ার এক মুহূর্ত আগে হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে বা ভারতে আশ্রয় নিলে মুক্তিযুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, বিজয় দীর্ঘায়িত হতো। ইতিহাসের শিক্ষা সেটাই বলে। দ্বিতীয়ত, ৪ এপ্রিল ১৯৭১, তাজউদ্দীন আহমদ ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে স্বাক্ষাতের আগে কিছু ঘটনার দিকে তাকালে ভারতের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর পূর্ব বোঝাপড়া থাকার অনেক প্রমাণ মেলে। এক. ৩১ মার্চ, ৭১, ভারতের লোকসভায় পাস হওয়া প্রস্তাবে বলা হয়- “This House records its profound conviction that the historic upsurge of the 75 million people of East Bengal will triumph. The House wishes to assure them that their struggle and sacrifices will receive the wholehearted sympathy and support of the people of India”.

দুই. ২৬ মার্চের পর থেকে যারাই সীমান্ত অতিক্রম করেছে তাদের সবাইকে বিএসএফ সব ধরনের সহযোগিতা সহকারে স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যর্থনা জানিয়েছে। তাজউদ্দীন আহমদের বর্ডার ক্রসিংয়ের খবর পেয়ে পূর্বাঞ্চলীয় বিএসএফ প্রধান নিজে এসে সসম্মানে তাজউদ্দীনকে কলকাতায় নিয়ে যান এবং চারদিনের মাথায় দিলি্ল নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন।

তিন. ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে বাঙালি ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের যে বৈঠক হয় তাতে ভারতের বিএসএফের ব্রিগেডিয়ার পান্ডেসহ ত্রিপুরার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন। ভারত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকে ওই সভায় ভারতীয় উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধির উপস্থিতি সম্ভব ছিল না।

চার. যুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর জীবন রক্ষার্থে এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের পর বঙ্গবন্ধুর দ্রুত মুক্তি লাভের জন্য ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন এবং শক্তিশালী কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সত্যিকার অর্থে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ না চাইলে এ ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ভিন্ন রকম হতে পারত। ষাটের দশকে বঙ্গবন্ধু ভারতের সঙ্গে বোঝাপড়ার সৃষ্টির যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন তার একটা প্রমাণ পাওয়া যায় ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাসের সাম্প্রতিক কিছু লেখার মাধ্যমে। সুখরঞ্জন লিখেছেন, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের অব্যবহিত পর ভারতের তৎকালীন তথ্য সম্প্রচারমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে লন্ডনের এক বাসায় বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎ হয়। সেই বৈঠকে স্থির হয় পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তান বেরিয়ে আসবে। এই সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেছিলেন ত্রিপুরার পুলিশপ্রধান ফনীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, যাকে অনেকে নাথ বাবু বলে ডাকেন। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের চূড়ান্ত পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে ফিরে এলেন। যথার্থই সমমর্যাদায় শুরু হলো দুই প্রতিবেশীর পথ চলা। বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ সাড়ে তিন মাসের মাথায় ভারতের সব সৈন্য বাংলাদেশ থেকে ফেরত গেল, ২৫ বছর মেয়াদি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো, সই হলো মুজিব-ইন্দিরা সীমান্তচুক্তি। বাংলাদেশ ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে- এই মর্মে স্বাক্ষরিত হলো গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি। দুদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল ঐতিহাসিক লেগেসির ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ এবং নেতিবাচক দিকগুলো পরিত্যাজ্যের সূত্র ধরে। কিন্তু ১৯৭৫ সালে সব উল্টে গেল। তারপর অনেক পথ পেরিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একাত্তর-বাহাত্তরের পর্যায়ে উন্নতি করার পথ আবার সুগম হলো সীমান্তচুক্তি ভারতের পার্লামেন্টে পাস হওয়ার মাধ্যমে। ৬-৭ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের মাধ্যমে এ পথের অগ্রযাত্রায় নতুন পালক যোগ হবে বলে সবাই প্রত্যাশা করছেন।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

[email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা