শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৮ জুন, ২০১৫

নতুন চোখে দেখতে হবে সম্পর্কের চমক

মেজর জেনারেল মো. আবদুর রশীদ (অব.)
অনলাইন ভার্সন
নতুন চোখে দেখতে হবে সম্পর্কের চমক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর অনন্য এককে রূপ নিয়েছে। ইন্দিরা গান্ধীর পর তিনিই একমাত্র ভারতীয় নেতা বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অবিভক্ত সম্মান পেলেন। তিনিই একমাত্র ভারতীয় যিনি বাংলাদেশের মানুষের বিশ্বাস কুড়িয়েছেন একচ্ছত্রভাবে। এই সফরে তিস্তা চুক্তির সম্পাদন হলে তিনি এখানকার মানুষেরও নেতা বনে যেতেন, বাংলাদেশের অগণিত মানুষ হয়তো রাস্তায় নেমে এসে উল্লাসে ফেটে পড়ত। ভারতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে মোদি স্বপ্ন তৈরি করেছেন। স্বপ্নকে সত্যি করার কৌশল বানিয়েছেন নিপুণতার সঙ্গে। উপলব্ধি করেছেন ব্রহ্মা-নিয়ন্ত্রণ প্রতিযোগিতার মাঠে নামতে হলে রক্ষণশীল অন্তর্মুখিতা ছেড়ে বহুমাত্রিক গতিশীল বহির্মুখিতার পথ ধরতে হবে। নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে দরদি, সংবেদনশীল অথচ সমর্থ শক্তির প্রতীক হিসেবে। কাছের দেশগুলোর আস্থা ছাড়া চূড়ায় আরোহণ সম্ভব নয়, তাই শুরুটাই করেছেন প্রতিবেশী থেকে। বাংলাদেশ পারে চলাচলের বহুমাত্রিক রাস্তা খুলতে, কমাতে পারে নিরাপত্তা ঝুঁকি, সংযোগ করতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে। অনুকরণীয় হয়ে উঠতে পারে দক্ষিণ এশিয়ায় সহমত তৈরিতে। ক্ষমতা নেওয়ার প্রথম বছরে তিনি ভারতকে বিশ্ব-নিয়ন্ত্রকদের দলে ঢোকাতে এবং বাণিজ্য প্রসারের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যে অনেক দেশ চষে বেড়ালেও পাশের দেশটিতে আসতে বছর ঘুরে গেছে। ৪১ বছর ধরে পড়ে থাকা স্থলসীমান্ত চুক্তিকে ভারতীয় সংসদে অনুমোদন করিয়ে নিজ হাতে দিতে এসে মন জয় করে ফেলেছেন সবার। ভারত বিদ্বেষীদেরও মিত্র বনে যেতে বাধ্য করেছেন।

উত্থান-পতনের বেড়াজালে আটকে থাকা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অনাস্থা ও অবিশ্বাসের বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে এসে দুই দেশের সার্বিক উন্নয়নে সম্ভাবনার শক্তিগুলোকে কাজে লাগিয়ে যৌথভাবে মহাকৌশল রচনা করতে পারেনি এতদিন। রাজনীতির কাদা এবং মনের সংকীর্ণতা প্রাচীন সভ্যতার ভাগীদার ও একই সংস্কৃতির অংশীদার দুই দেশের বন্ধনে কৃত্তিম বিভাজন রেখাকে মোটা করার কৌশল নিয়ে ব্যস্ত থেকেছে। সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি ও বর্তমানের অনুজ্ঞাসূচককে অবজ্ঞা করে কষা হিসাব খুঁজে বেড়িয়েছে ভারত থেকে কী পেলাম আর ভারত আমাদের কাছ থেকে কী নিয়ে গেল। অপ্রাপ্তির বেদনাকে তীব্র করে মনের মধ্যে বাসা বাঁধা সুপ্ত বিদ্বেষ নিয়ে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়া গেলেও তা হৃদয় ছুঁতে পারে না। পারস্পরিক স্বার্থ ও শঙ্কার উপলব্ধিকে বাইরে রেখে কোনো অংশীদারিত্ব গড়ে উঠতে পারে না। মাথায় অভিলাস গোপন রেখে নিজ স্বার্থের প্রাধান্য বন্ধুত্বকে কখনো শক্ত ও টেকসই করতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য থেকে জন্ম নেওয়া ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক কূটনীতির বেড়াজাল ছাড়িয়ে আবেগে আবৃত হয়ে পড়েছে এই সফর থেকে। মুজিব ও ইন্দিরার তৈরি সম্পর্কের রূপকল্প নতুন করে খুঁজে নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সুসম্পর্কের অন্তরায় হওয়া কাঁটাগুলোকে এককভাবে তুলে ফেলতে শুরু করেন প্রথমবার ক্ষমতায় এসে। তার স্বস্তিমূলক প্রতিবেশী নীতির মনোযোগ থেকে প্রতিবেশী রূপান্তরিত হয় অংশীদারে। অমীমাংসিত বিষয়ের সুরাহার লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালেই স্বাক্ষর হয় গঙ্গা পানি চুক্তি। ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তি পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বস্তির পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল। প্রতিবেশীর সুসম্পর্ক ছিল চুক্তিগুলোর স্তম্ভ। ২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাংলাদেশের মাটিতে ঠাঁই না নেওয়ার নীতি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের নতুন সূচনা আনে। ভারতের নিরাপত্তার প্রতি মনোযোগিতা, বাস্তবায়নের আন্তরিকতা ও ঐকান্তিকতা থেকে পুনরায় ফেরত আসতে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গড়ে ওঠা আস্থা ও বিশ্বাস। সম্পর্ক নতুন মোড় নেয় ইতিবাচক উষ্ণতার দিকে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিরাচরিত ভাবনা থেকে বেরিয়ে বিশ্বে ভারতের স্থানকে নতুন উচ্চতায় নিতে নতুন ধারণাপ্রসূত কৌশল নিয়ে মাঠে নামেন। তার নেতৃত্বের নতুন অবয়ব এবং গতিশীলতা পরিবর্তনের আবহাওয়ায় ঝড় তোলে। ভারতের গতিশীলতার অনুঘটক হিসেবে বাংলাদেশের গুরুত্বকে বুঝতে পেরে সহজ ও সাবলীল সম্পর্কের ওপর জোর দেন। দুই দেশের মানুষ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে মনস্তাত্তি্বক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হয় দুই প্রধানমন্ত্রীর প্রজ্ঞা। পারস্পরিক সম্পর্কে শুধু স্বস্তি ও সহযোগিতা হলেই চলবে না, পৌঁছতে হবে মানুষের হৃদয়ের কাছে। স্থলসীমান্ত চুক্তির অনুমোদন যে তাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগ, একাগ্রতা ও ঐকান্তিকতার ফসল তা নিঃসন্দেহে অনুমান করা যায়। মোদি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আন্তরিকতা যেন দ্বিধাবিভক্ত বা বিতর্কিত না হয়ে পড়ে। অনুভূতির অনন্যতা থেকে বাংলাদেশের মানুষ আবেগে অবিভূত হয়েছে। ভারতবিদ্বেষী চিন্তার ধারক ও বাহকরা পিছটান দিলেও সম্পর্ককে মূল্যায়ন করছে দেনা-পাওনার মাপকাঠিতে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে প্রাপ্তির বেড়াজালে ফেলে ধোঁয়াশা তৈরি করে মানুষকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অনাস্থার মাঠে।

৪১ বছর ঝুলে থাকা স্থলসীমানা চুক্তির বাস্তবতা মানুষের মনে রাজনৈতিক লক্ষ্যে তৈরি করা অনেক দিনের সুপ্ত বৈরী মনোভাব রাতারাতি বন্ধুত্বের সেতুবন্ধনে রূপান্তরিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধে গড়ে ওঠা আবেগ বিধুর সম্পর্ক আবার নতুন করে সজীব হতে শুরু করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঢাকা আসায় অনাস্থার বাকি দেয়ালটুকু বিলীন হবে আস্থার নতুন জোয়ারে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিস্ময়কর পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মোদিকে স্বাগত জানালে ভারতবিদ্বেষী রাজনীতি চর্চা মুখ থুবড়ে পড়ে। বিএনপি-জামায়াত জোটের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির স্নায়ুকেন্দ্র ছিল ভারতবিদ্বেষ ও ধর্মের ব্যবহার। সরকার হটানোর ব্যর্থ আন্দোলনের পরিণতিতে সঙ্কুচিত অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য মোদিকে আস্থায় নিয়ে ভারতপ্রীতির নতুন কৌশল আরেকটি বিস্ময়ের সৃষ্টি করে। যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সখ্যের বিপক্ষে ইতিবাচকভাবে নেতিবাচক প্রচারণার গতিধারা একবারে বিলীন হয়ে যায়নি। প্রকারান্তরে ভারত থেকে বাংলাদেশ কী পেল বা পেতে যাচ্ছে তার হিসাব কষতে শুরু করেছে। দুই সমমর্যাদার স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ পারস্পরিক স্বার্থকে ধরে রেখে একে অপরের প্রয়োজন, ঝুঁকি ও প্রবৃদ্ধিকে মাথায় রেখে সম্পর্ক তৈরি করে। একে অপরের শঙ্কা ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এগুলেই কেবল টেকসই হয় সুসম্পর্ক। বাংলাদেশের মানুষের কাছে অনুভূতিপ্রবণ ভারতের সঙ্গে উল্লেখ করার মতো অমীমাংসিত বিষয় হলো- তিস্তা নদীর পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও বাণিজ্য ঘাটতি কমানো। ভারতের কাছে গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে আঞ্চলিক সংযোগ। সম্পর্কের গোড়ায় কাজ করেছে পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় স্বার্থ। রাষ্ট্রনায়কের সুনিপুণতা নির্ভর করে কীভাবে পারস্পরিক স্বার্থের দর কষাকষিতে নিজ স্বার্থ ঠিক রাখা যায়। বিশ্ব ব্যবস্থাকে আরও সুবিন্যস্ত করতে আন্তর্জাতিক আইনকানুন নতুন ভিত্তি তৈরি করেছে। যেখানেই বিরোধ সেখানেই মীমাংসার আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া রয়েছে। শুধু দরকার বিবদমান দেশের সমাধানের ঐকান্তিকতা ও একে অপরের ক্ষতি না করার সদিচ্ছা। বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমার আন্তর্জাতিক নির্ধারণ ও দুই দেশের মেনে নেওয়া একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। পারস্পরিক আন্তরিকতার ফসল স্থলসীমান্ত চুক্তি আর একটি ইতিহাস গড়েছে।

মোদির সফর দুই দেশের অভিন্ন লক্ষ্যকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। তিস্তা চুক্তি সম্পাদনের আশ্বাসসহ ভারতের সঙ্গে ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি ভাগাভাগির কৌশল ঠিক করতে দুই দেশ কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। ভারতের দেওয়া ২০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণের মূল লক্ষ্য সংযোগ স্থাপনের অপরিহার্য ও দুর্বল কাঠামোর নির্মাণ এবং উন্নয়নকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। আঞ্চলিক ভৌত সংযোগ নিঃসন্দেহে বাণিজ্যকে অনেক প্রসারিত করবে। বাংলাদেশকে এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিজ বাণিজ্য বৃদ্ধির সঙ্গে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্রে পরিণত করতে পারলে সবচেয়ে বেশি সফলতা পাওয়া যাবে।

গঙ্গা ছাড়া আর কোনো নদীর জন্য দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নেই। তিস্তা চুক্তিতে দুই দেশের পানি ভাগাভাগির অংশ চূড়ান্ত হয়ে আছে। ভারতের পক্ষ থেকে পানি দেওয়ার বিষয় নয়, আন্তর্জাতিক নদীর পানির অংশীদার হিসেবে তিস্তার পানির অধিকার সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের। চুক্তির মাধ্যমে হিস্যার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি এড়াতে ভারতীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির কৌশল নেওয়া হয়েছে। ৪ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প বৃহৎ বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করল, যা বিনিয়োগের পাশাপাশি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ নিরাপত্তাকে শক্ত করবে। ভারতীয়দের জন্য মংলা ও ভেড়ামারায় দুটি শিল্প এলাকা বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে। পণ্য প্রস্তুত ও ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশে প্রস্তুত পণ্য প্রবেশে গতি আনতে সক্ষম হবে এ উদ্যোগ। যদিও ভারতের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ নিয়ে দুই দেশকে আরও বাস্তবমুখী বাণিজ্য সংযোগ কৌশল নিয়ে এগুতে হবে। ২০২১ সালে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বর্তমান মাত্রা ভাঙতে হবে, যা চিরাচরিত চিন্তা থেকে সম্ভব নয়। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের মাত্রা চিরাচরিত ধ্যান-ধারণা থেকে মুক্ত হয়ে নতুন অভিলাষপূর্ণ মাত্রায় উঠে আঞ্চলিক ও আন্তঃআঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতিতে পরিণত করতে হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের অন্তর্নিহিত লক্ষ্যগুলো একসঙ্গে করলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের একটি রূপকল্প ফুটে ওঠে। যাকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সহযোগিতা ঘুরতে থাকবে। মোদির সফরের তাৎপর্য খুঁজতে হলে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের কৌশলগুলোকে আরও গভীরভাবে দেখতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রে বৃহৎ ভূখণ্ড, মানুষ ও অর্থনীতি নিয়ে ভারতের অবস্থান। এই বৃহৎ দেশটির সঙ্গে তাল রাখতে হলে দেশীয় মানব সম্পদের গুণগত মানের উন্নতি করতে হবে। উন্নত মেধা ও অর্জিত জ্ঞানের মান থেকে জন্ম নেবে দেশের সামগ্রিক সক্ষমতা। দুই দেশের পারস্পরিক সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জীবনযাত্রা ও ভাগ্যোন্নয়নে নিবেদিত করতে পারলে সুসম্পর্ক টেকসই করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের জনবান্ধব ও টেকসই সম্পর্ক বিশ্ব নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করবে, যার নতুন ভিত্তি নরেন্দ্র মোদি তার সফরের মাধ্যমে স্থাপন করে গেলেন।

লেখক : স্ট্র্যাটেজি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক। ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল' অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসের নির্বাহী পরিচালক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা