শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫

উন্নয়ন বনাম আদম পাচার

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
উন্নয়ন বনাম আদম পাচার

মে মাসের শুরুর দিকে প্রথম খবর শোনা গেল যে থাইল্যান্ডের জঙ্গলে গণকবর পাওয়া গেছে, যেখানে বাঙালি ও রোহিঙ্গাদের গলিত লাশ রয়েছে। তারপর কয়েকদিনের মধ্যে আরও ভয়ঙ্কর সব খবর প্রকাশ হতে লাগল। বাংলাদেশ থেকে চাকরির সন্ধানে সমুদ্রপথে যাত্রা করেছে হাজার হাজার বাংলাদেশি। কিছু রোহিঙ্গাও আছে। বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া- এসব দেশের মিলিত দালাল চক্র অবৈধপথে মানব পাচারের ব্যবসা করে আসছে। যাত্রা শুরু হয় কক্সবাজার-টেকনাফ এই অঞ্চলের সমুদ্র উপকূল দিয়ে। এখন আরও জানা গেছে, অবৈধভাবে সমুদ্রপথে গত তিন বছরে গেছে দেড় লাখ লোক।

সমুদ্রপথে এই যাত্রা হচ্ছে মরণ যাত্রা। প্রথমত, সমুদ্রপথে নৌকায় যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ তো বটেই, তার চেয়েও বড় বিপদ আসে দালাল চক্রের কাছ থেকে। প্রথমে ১০-১৫ হাজার টাকায় মালয়েশিয়ায় গিয়ে চাকরি পাওয়া যাবে, এমন লোভ দেখিয়ে দালালরা চাকরি সন্ধানী ভাগ্যাহত মানুষদের নৌকায় তোলে। তারপর চাপ দিতে থাকে আরও টাকা দাও। বিভিন্ন পর্যায়ে টাকা দিতে দিতে পরিমাণটা কয়েক লাখে পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায়। যারা টাকা দিতে পারে না, তাদের ওপর নির্যাতন চলে। কাউকে কাউকে সমুদ্রে ছুড়ে ফেলা হয়। কেউবা থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বন্দীশিবিরে মৃত্যুবরণ করে। এরা কয়েক হাটে কয়েক ঘাটে বিক্রি হয়। শেষ পর্যন্ত যারা বেঁচে থাকেন, তারা ক্রীতদাসের জীবনযাপন করতে বাধ্য হন। লন্ডনের গার্ডিয়ান এবং টাইম সাময়িকীর প্রতিবেদনে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্নভাবে শ্রম দিচ্ছে ছয় লাখ ক্রীতদাস, যার অধিকাংশ বাংলাদেশি।

মালয়েশিয়াতেও অবৈধভাবে পাচার হওয়া মানুষদের কারও কারও কাজ জুটেছে। কিন্তু তারাও ক্রীতদাসের মতোই। বৈধপথে শ্রমিক আমদানি করার চেয়ে অবৈধ পথে শ্রমিক পাওয়া গেলে পুঁজিপতিদের অনেক লাভ। কারণ তাদের অনেক কম মজুরি দেওয়া যায়। এমনকি ক্রীতদাসের মতো খাটানোও যায়। ২০০৭ সালে বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া নিয়েছিল ২,৭৩,২০১ জন শ্রমিক। ২০০৮ সালে ১,৩১,৭৬২ জন। ২০০৯ সাল থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয়। তারপর তিন বছর আগে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি হয়। তারা সরকারিভাবে লোক নেবে। গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট, সংক্ষেপে জিটুজি। ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর এই চুক্তি হয়। তারপর মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সাড়ে ১৪ লাখ শ্রমিক নিবন্ধন করেছেন। কিন্তু এভাবে বৈধভাবে যেতে পেরেছেন গত সাড়ে তিন বছরে মাত্র সাড়ে সাত হাজার শ্রমিক। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, 'মালয়েশিয়া কাঙ্ক্ষিত চাহিদাপত্র পাঠাচ্ছে না।' এর কারণও খুব সহজ। সে দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো দেখছে সরকারের মাধ্যমে লোক নিলে যে মজুরি দিতে হয়, তার চেয়ে অবৈধ পথে পাচার হয়ে যাওয়া নিরুপায় মানুষগুলোকে অনেক সস্তায় খাটানো যায়। এটাই বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদের নিয়ম। আমাদের দেশের গার্মেন্ট মালিকরা যেমন অসহায় মেয়েদের দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে প্রায় দাসের মতো খাটায়, ওখানকার রাবার বাগান বা অন্য কোনো ব্যবসায়ী শিল্প প্রতিষ্ঠানের পুঁজিবাদী মালিকরাও ঠিক তেমনি অসহায় অবৈধ পথে আসা মানুষগুলোকে সেই আমেরিকার কালো ক্রীতদাসের মতোই খাটাচ্ছে। তার মধ্যে কত যে মরছে, তার হিসাব রাখছে কে? পুঁজিবাদের কাছে শ্রমশোষণ ও মুনাফাই হলো আসল কথা। জীবনের দাম কতটুকু?

আমাদের সরকারের কাছেই বা দালালের খপ্পরে পড়ে পাচার হয়ে যাওয়া মানুষগুলোর জীবনের দাম কতটুকু? যখন মানব পাচারের ব্যাপারটি পৃথিবীব্যাপী জানাজানি হয়ে গেল, যখন শোনা গেল আট হাজার নর-নারী-শিশু সাগরে ভাসছে, কেউ কূলে ভিড়তে দিচ্ছে না, তখন আমাদের সরকারের নির্বিকার চেহারা, কালক্ষেপণ ও ঢিলামি রীতিমতো অপরাধের মতো। বরং আমরা শুনলাম প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি। তিনি বললেন, পাচারকারী দালালদের সঙ্গে সঙ্গে অবৈধভাবে সমুদ্রপথে যাত্রাকারীদেরও শাস্তি দেওয়া হবে। অবৈধভাবে যাওয়া অপরাধ তো বটে। সে জন্য শাস্তি যদি হয় তো হোক। কিন্তু এখন তো দরকার সবার আগে দ্রুততম গতিতে সাগরে ভাসমান এ মানুষগুলোকে উদ্ধার করা। এ পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের কাছ থেকে যেসব করুণ ও নির্মম মানব বিপর্যয়ের কাহিনী শোনা গেছে, তাতে তো যে কোনো দায়িত্বশীল সরকারের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাওয়ার কথা।

জানা গেছে, সমুদ্রে ভাসমান নৌকায় খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি করে পরস্পরের হাতে খুন হয়েছে ১০৪ জন। এ অবস্থায় তো সরকারের উচিত ছিল তোলপাড় করে তোলা। নৌবাহিনীর জাহাজগুলো এখনো কেন তীরে বসে আছে? যে কোনো দায়িত্বশীল ও জনদরদি সরকারের উচিত ছিল দ্রুততম সময়ে জাহাজ পাঠিয়ে ভাসমান মানুষগুলো উদ্ধার করা। জাতিসংঘ বলেছে তারা সাহায্য করবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বাংলাদেশ চাইলে সাহায্য করতে প্রস্তুত। তাদের বলার আগেই কেন সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করেনি সরকার? প্রধানমন্ত্রী নিজেই তো ফোন করতে পারতেন মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সরকার প্রধানের কাছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছুটে যেতেন এসব দেশে অথবা ফোন করতেন। এসব কিছু্ই হয়নি। বরং মনে হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার বেশ বিব্রত ও বিরক্ত। উন্নয়নের, সাফল্যের যে গল্প সারা দুনিয়াকে এবং দেশের জনগণকে শোনানো হচ্ছিল, তা যেন হঠাৎ করেই ফাঁকা প্রমাণিত হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী তাই রাগতস্বরে বললেন, যারা অবৈধ পথে সমুদ্র যাত্রা করেছে, তাদের মানসিক সমস্যা আছে। তা না হলে, এত উন্নতি যে দেশে, যেখানে কাজের এত সুযোগ সে দেশ ছেড়ে দুর্গম সমুদ্রপথে বিদেশ যাবে কেন?

কিন্তু একজন দুজনের না হয় মতিভ্রম হতে পারে। হাজার হাজার মানুষ কী সত্যিই 'পাগল' হয়ে গেছে? আসলে কথাটা খুব মিথ্যাও নয়। দারিদ্র্য ও বেকারত্বের অভিশাপে লাখ লাখ মানুষ এখন দিশাহারা। দেশের মধ্যে কাজ নেই। আয়-উপার্জনের কোনো পথ নেই। তাই যেভাবেই হোক চাকরি করতে হবে, চাকরি পাওয়া যাবে এ আশায় তারা উপায়ন্তর না দেখে পদে পদে মৃত্যুর আশঙ্কা জেনেও অজানার পথে যাত্রা করেছে। এক অর্থে বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিরাট অংশেরই আজ মাথা খারাপ হয়ে গেছে। দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কারণে ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলে ব্যাপক হারে আত্দহত্যার খবর শুনেছিলাম। এখানেও যেন ঠিক তদ্রূপ ঘটনা। কোথাও কিছু পাচ্ছি না, পারছি না। দেখা যাক, যদি একটা চাকরি জোটে।

সরকারের উচিত ছিল এই অসহায় মানুষগুলোর প্রতি সহানুভূতির দৃষ্টি নিয়ে ত্বরিত উদ্ধারের ব্যবস্থা করা। মানসিক সমস্যা বলে তাচ্ছিল্যও করা নয় অথবা শাস্তি দেওয়ার হুমকি প্রদানও নয়। আগে তো মৃত্যুপথযাত্রী মানুষকে বাঁচাতে হবে। জীবন্ত মানুষকেই তো শাস্তি দেওয়া যায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে মানুষের দুর্যোগে খুবই সহৃদয়ের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু এবার তার এ ধরনের উক্তি আমার কাছে বেশ বিস্ময়কর মনে হয়েছে।

হতে পারে সম্মানে ঘা লেগেছে। তার ব্যক্তিগত সম্মান নয়, দেশের সম্মান। যে দেশ দ্রুত উন্নয়ন করছে বলে পৃথিবীতে নানা ধরনের সম্মাননা পেয়ে এসেছে তখন হঠাৎ করেই সেই দেশের এমন খবর আসল সত্যটাকে অনাবৃত করে দিল। আমাদের প্রেস্টিজ গেছে। তাই ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর। বাস্তব সত্য প্রকাশ করে দিল, আমাদের উন্নয়নের গপ্প কত ফাঁকা। এই প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠ (২৩ মে) প্রকাশিত লেখক তৌহিদুর রহমানের এক নিবন্ধ থেকে কয়েকটি বাক্য উদ্ধৃত করা যেতে পারে। পাচার হয়ে যাওয়া হতভাগ্য মানুষদের প্রতি দরদ প্রকাশ করেও অত্যন্ত শ্লেষাত্দক ভাষায় তিনি লিখেছেন, 'দেশের গণমান্যরা দারিদ্র্য বিমোচন করে নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন। দেশের হর্তাকর্তারা নানা খাতে অসামান্য অবদানের জন্য দেশি-বিদেশি সম্মাননা পাচ্ছেন।... আর ক'দিন বাদেই মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার গর্বে ভীষণ ভারি আজ বাংলাদেশ। বিশ্ব মোড়লেরাও তাতে সায় দিয়ে চোখ কপালে তুলে বলছে, কী আশ্চর্য! বিশ্বজুড়ে এমন অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও বাংলাদেশের এই উন্নতির রহস্য কী? বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে বিশ্বনেতারা আর দেশের হর্তাকর্তারা।'

আর বলছে, 'দেশের ছেলেগুলো এত লোভী কেন? কেন যে ওরা এমন সোনার দেশ ছেড়ে বেশি বেশি রোজগারের আশায় শামিল হয় মরণ যাত্রায়?'

দোষটা সব যেন অবৈধ অভিবাসীদের। তাদের এই মরণযাত্রা আমাদের কর্তাব্যক্তিদের সব সম্মান যেন ধুলায় লুটিয়ে দিয়েছে।

আসলে কি উন্নয়ন হয়নি? অবশ্যই হয়েছে। এখন আমাদের মাথাপিছু গড় আয় প্রতি বছর ১১৫০ ডলার। আমাদের উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স (গত বছর যার পরিমাণ ছিল ১৪ বিলিয়ন ডলার) এবং প্রায় দাসের মতো পরিশ্রম করা গার্মেন্ট শ্রমিকরা। কিন্তু এই উন্নয়নের সিংহ ভাগ যায় অল্পকিছু লোকের পকেটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে ২০১০ সালে ছিল ২৩ হাজার ২১২ জন কোটিপতি আর ২০১৪ সালে তা দাঁড়িয়েছিল ৫০ হাজারের বেশিতে। ২০১৪ সালের কালের কণ্ঠের রিপোর্ট অনুযায়ী বিআরটিএ-তে নিবন্ধিত কোটি টাকার বা তার চেয়েও বেশি দামের গাড়ির সংখ্যা ৪৯ হাজার। কে বলবে যে বাংলাদেশ উন্নয়ন করেনি?

কিন্তু বাংলাদেশ যে দুইটা। বড়লোকের বাংলাদেশ ও গরিবের বাংলাদেশ। আইএলওর হিসাব মতে তিন কোটির বেশি মানুষ বেকার। ২০১৪ সালের হিসাব মতে দারিদ্র্যের হার ২৫.৬ শতাংশ। এটা অবশ্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট যারা সরকারের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করতে হারটা কমিয়েই ধরবে গণনার বিশেষ কৌশলের সাহায্যে।

গার্মেন্টশিল্পে সর্বনিম্ন বেতন মাসিক পাঁচ হাজার টাকা, তাও সব কারখানা এটা দেয় না। মোট কথা বিশালসংখ্যক হতদরিদ্র মানুষ কাজের সন্ধানে পাগলের মতো ছুটে বেড়াচ্ছে। একটু আয়-রোজগারের পথ চাই। নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প ঋণ ও সুদের বোঝা বাড়ানো ছাড়া দারিদ্র্য কমাতে পারেনি। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ হতদরিদ্র মানুষকে দারিদ্র্য ও বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে পারেনি। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় এটা যে সম্ভব নয়, সেই সরল সত্যটি না নোবেল বিজয়ী, না প্রধানমন্ত্রী কেউই স্বীকার করছেন না।

আরেকটা জিনিস আমাকে খুব বিস্মিত করেছে। সাগরে যখন হাজার হাজার মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা দেখা দিয়েছে, এক নিষ্ঠুর মানবিক বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে, তখন একদিকে যেমন আমাদের সরকারকে ত্বরিত তৎপর হতে দেখিনি, অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী দুই দেশের শান্তির জন্য নোবেল বিজয়ী দুই মহান ব্যক্তিকেও নির্লিপ্ত থাকতে দেখছি। বাংলাদেশের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূস এবং মিয়ানমারের অং সান সু চি।

এর কারণ বোধহয় একটাই। সাগরে ভাসমান মানুষগুলো আসলেই গরিব। এদের কেউ যদি কোনো ধনী বা প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হতো, তাহলে অনেক আগেই তোলপাড় শুরু হয়ে যেত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, প্রশাসনিক পর্যায়ে, কূটনৈতিক পর্যায়ে। গরিব হওয়া মানেই মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া। এটাই পুঁজিবাদী বিশ্বের নিয়ম।

সবশেষে যে কথাটা বলতে চাই তা হলো, অবৈধ মানব পাচার বন্ধ করা কঠিন কিছু নয়। কারণ ছোট একটা জায়গা দিয়ে সাগরে পাচার হচ্ছে মানুষ। এই জায়গায় নজর রাখা বেশি কঠিন নয়। কিন্তু যদি পুলিশ, প্রশাসন ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জড়িত থাকে (যা আছে বলেই প্রতীয়মান হয়) তাহলে দুর্বৃত্তদের এমন লোভনীয় ব্যবসা কখনই বন্ধ করা যাবে না। এত ঘটনার পর আমি আশা করব, সরকার এবার তৎপর হবে, উদ্ধার করবে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে হতভাগ্য মানুষদের এবং ভবিষ্যতে যাতে এমনটা না হয় তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

লেখক : রাজনীতিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

এই মাত্র | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২২ সেকেন্ড আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩৮ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা