শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৮, শনিবার, ১২ মার্চ, ২০১৬

সমকালীন রাজনীতির নিষ্ঠুর বাস্তবতা!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
সমকালীন রাজনীতির নিষ্ঠুর বাস্তবতা!

হিন্দি ছবির চমৎকার একটি সংলাপ দিয়ে আজকের প্রসঙ্গটি শুরু করা যাক। ছবিটির নাম আজ আর মনে আসছে না। তবে ছবির কাহিনী, সংলাপ এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অনবদ্য অভিনয় হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। আদর্শবাদী নায়ক অত্যন্ত রাগী চরিত্রের এবং স্বভাবজাত বীর এবং সাহসী। অন্যদিকে ভিলেন ছিলেন নিষ্ঠুর, নির্মম এবং অসাধারণ কৌশলী।  নায়ক বেশ কয়েকবার ভিলেনের মুখোমুখি হয় কিন্তু ভিলেনের কূটকৌশল এবং বুদ্ধিমত্তার কাছে পরাজিত এবং লাঞ্ছিত হয়ে ফিরে আসে। এ অবস্থায় নায়কের ক্রোধ আরও বেড়ে যায় এবং সে কিছুটা অসংলগ্ন আচরণ শুরু করে। নায়কের পিতা ছিলেন অসম্ভব একজন বুদ্ধিমান মানুষ। তিনি সন্তানকে ডেকে বললেন, বৎস যদি বিজয়ী হতে চাও তবে নিজের ক্রোধকে দমন কর এবং তোমার সমস্যাসমূহ চিহ্নিত কর। বোঝার চেষ্টা কর— সন্ত্রাসী মুংগু শাহ তোমার মূল সমস্যা নয়। তোমার বিজয় লাভের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো সেসব লোক যারা মুংগু শাহকে প্রকাশ্যে ভয় করে এবং গোপনে তোমাকে উত্তেজিত করে। তুমি যখন বিপদে পড় তখন তারা নীরব থাকে এবং নিরপেক্ষ হওয়ার ভান করে।

সমকালীন রাজনীতির নিষ্ঠুর বাস্তবতার সঙ্গে হিন্দি সিনেমার উল্লিখিত সংলাপটির কতটুকু সম্পর্ক রয়েছে তা বলার আগে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনপূর্ব এবং পরবর্তী কিছু ঘটনা বলা আবশ্যক। আওয়ামী লীগ এবং তাদের মিত্ররা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে পারেনি যে, ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের ফলাফল দীর্ঘমেয়াদে টেনে নেওয়া সম্ভবপর হবে। ফলে নির্বাচনের সেই উত্তাল গোলযোগপূর্ণ সময়ে তারা অতীব নরম সুরে বলাবলি করেছিল যে, এটা একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন মাত্র। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্য নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বটে— কিন্তু এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি কিংবা দুশ্চিন্তার কোনো হেতু নেই। কারণ গণতন্ত্রের স্বার্থে আওয়ামী লীগ খুব দ্রুত একটি নির্বাচন দিয়ে সব পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে। বিএনপিসহ রাজপথে আন্দোলনরত দলগুলো তখন নিজেদের সফলতার ব্যাপারে অতিমাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিল। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শক্তির একক সমূহকে তারা অবতার ভেবে নিশ্চিন্ত মনে সরকারের শোচনীয় পতনের কথা ভেবে পুলকিতবোধ করছিল। বিরোধী জোটের নেতাদের মধ্যে কাকে কোন মন্ত্রণালয় প্রদান করা হবে তা নিয়েও মোটামুটি চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করা হয়ে গিয়েছিল।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের ২/৩ মাসের মাথায় দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দক্ষিণা বাতাসের ছোঁয়া লাগে এবং সবকিছু রাতারাতি উল্টে যেতে থাকে। বিরোধী দলের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস হতাশায় পরিণত হয় এবং সরকারি দলের ভয়, সন্দেহ এবং দোদুল্যমানতা আত্মবিশ্বাসে রূপ নেয়। সরকার অতি দ্রুততার সঙ্গে এবং বলতে গেলে পরিকল্পনা করেই বিরোধী দলের রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাস, সাংগঠনিক ক্ষমতা এবং ভিত্তি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা পাকাপাকি করে ফেলে। ফলে ২০১৪ সালের জুন-জুলাই মাসের মধ্যেই সরকার তাদের বিরোধী শক্তিকে কোণঠাসা করার ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা লাভ করে। সেই সফলতার অব্যাহত গতি ২০১৬ সালে এসে এমন দুর্দান্ত গতি লাভ করেছে যে ক্ষমতার ট্রেনে বসা যাত্রীরা পথের দুধারে বিরোধী দল নামক কিছুই দেখতে পারছে না। অন্যদিকে বিরোধী দলসমূহ ক্ষমতার ট্রেনের বুলেট গতির কারণে সর্বত্রই ট্রেনটিকে দেখতে পাচ্ছে। যে রাস্তাতে তারা তাদের যাত্রা শুরু করতে চায় সেখানে গিয়ে দেখতে পায় ক্ষমতার ট্রেন তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন দল তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীর দুরবস্থার কথা বিবেচনা করে নিজেদের দুর্দান্ত গতির ক্ষমতার মিশাইল কিছুটা হলেও সংযত করেছে। অন্যদিকে বিরোধী দলসমূহ ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে। তারা ধরেই নিয়েছে যে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের অনুকূলে নয়। ফলে তারা নিজেদের রাজনৈতিক চেষ্টা-তদবির বাদ দিয়ে সময় ও সুযোগের অপেক্ষা করছে, যা প্রকারান্তরে তাদের আরও বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো— এ অবস্থা কেন সৃষ্টি হলো এবং এ অবস্থার নিষ্ঠুর বাস্তবতাই বা কি? আমার মতে, বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক জোট ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু গণমুখী হওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ক্ষমতা লাভের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের ক্ষমতা বাড়িয়েছে দুর্বার গতিতে এবং জনগণের ক্ষমতা হরণ করেছে নির্মম এবং নিষ্ঠুরভাবে। সরকার এবং বিরোধী দল কেউই জনগণকে সম্পৃক্ত করে তাদের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই সংগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক বিজয় লাভে আগ্রহী নয়। তারা কেবল ক্ষমতায় যাওয়া অথবা ক্ষমতায় টিকে থাকার বাইরে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে রাজনীতি করে এমন কথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস তো দূরের কথা, লোক দেখানোর জন্যও ভুল করে মুখে উচ্চারণ করে না। নিজেদের কূটকৌশল, শক্তি প্রয়োগের নীতি এবং অগণতান্ত্রিক মত ও পথই তাদের কাছে অতীব প্রিয়। বিরোধী দলসমূহ বর্তমান সময়ে এসে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। প্রকৃতির নিয়ম মতে মানুষ বিপদে পড়লে ভালো হয়ে যায়। অতীতের পাপ কর্মের জন্য অনুশোচনা করে এবং কান্নাকাটি করে আল্লাহর দরবারে কৃতকর্মের জন্য মাফ চায়। তাদের মন নরম হয়ে যায়। দুষ্ট চিন্তা পরিহার করে বারবার গোপনে এবং প্রকাশ্যে প্রতিজ্ঞা করে বলে যে, এ যাত্রা রক্ষা পেলে ভবিষ্যতে আর ভুলেও কোনো অপকর্ম করবে না। প্রকৃতির এই অমিয় বিধিবিধান আমাদের দুর্দশাগ্রস্ত বিরোধী দলসমূহ কি আদৌ পালন করছে নাকি করছে না তা বিচারের ভার সম্মানিত পাঠকের ওপর দিয়ে আমি বরং সরকারি দলের দিকে একটু দৃষ্টিপাত করি।

আওয়ামী লীগ এখন দৃশ্যত ইতিহাসের সর্বোত্তম সময় পার করছে। দৃশ্যত বললাম এ কারণে যে, তাদের ভাবসাব, কথাবার্তা এবং অঙ্গভঙ্গিতে এক ধরনের অতি ভালো থাকার প্রত্যয় ফুটে উঠছে। তাদের মনের অভিব্যক্তি, একান্ত ভাবনা এবং দৃশ্যমান দৃশ্যের আড়ালে বিধাতার কৌশলসমূহ যেহেতু আমরা জানি না তাই ওইসব বিষয়ে আলোচনা না করাই ভালো। আওয়ামী লীগ নিজেদের কীভাবে মূল্যায়ন করছে তা কম-বেশি আমরা সবাই জানি। কিন্তু যা জানি না তা হলো সৌভাগ্য দলটির ললাটে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। বর্তমান সময়ের ক্ষমতাসীনরা যদি তাদের অতীতের সৌভাগ্য হারানোর কার্যকারণ খুঁজেন তবে দেখতে পাবেন যে, ক্ষমতার মসনদে বসে তারা বিজয়ীর মতো আচরণ করতে পারেননি। যুদ্ধজয়ী বীরেরা যেভাবে আচরণ করে ঠিক সেভাবে করে না যুদ্ধজয়ী কাপুরুষেরা। অন্যদিকে মহৎ লোকের বিজয় এবং মন্দ লোকের বিজয়ের মধ্যেও রয়েছে বিস্তর তফাৎ। সত্যিকার বিজয় এবং ছলচাতুরির বিজয়ের মধ্যে যেমন আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে তেমনি দুর্বৃত্তপনার বিজয় উল্লাস এবং আদর্শের বিজয় উল্লাস যে এক নয় তাও সবাই জানে।

বিজয় মানুষকে উদার করে তোলে। বিজয় মানুষকে আলোর পথ দেখায়। বিজয়ী সব সময় নিজেকে মহত্ত্বর বানানোর জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালাতে থাকে। মানব জাতির ইতিহাসের মহান সব বিজয়গাথাকে পাথর কিংবা অন্য কিছুতে লিখে অমরত্ব প্রদানের চেষ্টা করা হয়নি। বিজয়গাথা সব সময় লিখিত হয়ে যায় মানুষের হৃদয়ে আর হৃদয়ের সেই কথামালা শত সহস্র বছর ধরে এক হৃদয় থেকে অন্য হৃদয়ে প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে লিখিত হয়ে যায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে। আর এভাবেই হোমারের মতো এক অন্ধ কবির বয়ানে রচিত হয় মহাকাব্য ইলিয়ড এবং ওডিসি। ফেরদৌসির বয়ানে রচিত হয় শাহনামা, অন্যদিকে ঋষি বেদব্যাস এবং বাল্মীকির বয়ানে আমরা পেয়ে যাই মহাভারত এবং রামায়ণের মতো অমর মহাকাব্য। ইতিহাসের নির্মম সত্য হলো, সব বিজয়গাথা রচিত হয় বিজয়ীর দ্বারা। ইতিহাসের আরও নির্মম ও বাস্তব সত্য হলো বিজয়ীর লিখিত কোনো ইতিহাসই জমিনের বুকে টিকে থাকে না। কেউ সেই ইতিহাস পড়ে না এবং কালের বিবর্তনে মাত্র একশ বছরের মাথায় সেই ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায় না। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আচরণ সত্যিকার বিজয়ীর মতো হচ্ছে না, এমনকি হঠাৎ করে সুবিধাপ্রাপ্ত বা সুযোগ লাভকারী ব্যক্তিবর্গের বিচক্ষণ আচরণের সঙ্গেও তাদের আচরণকে তুলনা করা যাচ্ছে না। ২০১৬ সালে এসে যে সময়, সন্ধিক্ষণ এবং সুযোগ তারা পেয়েছে এটা অবশ্যই তাদের কর্মফল বা কর্মযোগ নয়। এটি প্রকৃতির একটি খেয়াল মাত্র। ইতিহাসে বহু সহস্রবার বহুজনের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছিল। কেউ কেউ প্রকৃতির সেই অমোঘ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। অন্যদিকে যারা কাজে লাগাতে পারেননি তারা নির্মমভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং পৃথিবীবাসী তাদের নামধামও মনে রাখেনি। বাংলাদেশের সৌভাগ্যবান ইতিহাসের অমর নায়কের নাম রাজা গোপাল। ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে হঠাৎ করেই তিনি গণতান্ত্রিকভাবে বাংলার রাজা হয়ে গেলেন। এর আগের একশ বছর অর্থাৎ ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৭৫০ খিস্ট্রাব্দ অবধি বাংলায় কোনো রাজা ছিল না। ছোট ছোট জমিদার, গোত্রপতি একশ বছর ধরে নিজেদের মধ্যে নির্বিচার মারামারি করল। ইতিহাসের এ অরাজক সময়কে বলা হয় মাত্স্যন্যায়, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Fish Justice.

বাংলার সামন্ত প্রধানরা পৃথিবীর ইতিহাসের প্রথম যুগান্তকারী সর্বসম্মত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে গোপালকে তাদের রাজা নির্বাচিত করলেন। রাজকীয় অভিষেকের যে তাম্রলিপি পাওয়া গেছে সেখানে লেখা রয়েছে— মাছের রাজ্যে যে অরাজকতা হয় এবং বড় মাছেরা নিজের উদর পূর্তির জন্য ছোট মাছদের প্রতি যে বিচার করে থাকে ঠিক তেমন অবস্থায় চলা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রকৃতি গোপালকে সম্মানিত করেছে— তাকে রাজাদের রাজা বানিয়েছে। রাজা গোপাল তার ন্যায়পরায়ণতা, সুশাসন, গণতান্ত্রিক মনোভাব এবং বিচক্ষণতা দ্বারা এমন এক মহত্ত্বম রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করলেন যার ফলে তার পরবর্তী বংশধরেরা পাল বংশ নামে প্রায় সাড়ে চারশ বছর ধরে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনার সুযোগ পেলেন। সর্বভারতীয় রাজনীতির তিনজন কিংবদন্তি প্রায় একইভাবে প্রকৃতির দয়ায় রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন এবং নিজেদের কর্মদ্বারা ইতিহাসে অমর হওয়ার ভিত্তি গড়েছিলেন। তারা হলেন সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক, সুলতান সামসুদ্দীন ইলতুিমস এবং সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন।

সমকালীন রাজনীতির ধারা এবং শাসন পদ্ধতি বোঝার জন্য জেফারসন ডকট্রিন আলোচনা করা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকালের অন্যতম সেরা প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন জনগণ, সরকার এবং শাসনব্যবস্থার চমৎকার একটি সূত্র আবিষ্কার করেছেন, যা ইতিহাসে জেফারসন ডকট্রিন হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘যখন জনগণ সরকারকে ভয় পায় তখন বুঝতে হবে জালিমের জংলি শাসন তাদের গ্রাস করেছে। অন্যদিকে সরকার যখন জনগণকে ভয় পায় তখন বুঝতে হবে সেখানে স্বাধীনতা রয়েছে। আমাদের রাষ্ট্রে বর্তমানে কোনটি রয়েছে তা সম্মানিত পাঠক নিজ নিজ মর্জি, মেজাজ, রুচি এবং পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ করে নিলে নিবন্ধ লেখকের বহুৎ ফায়দা হবে এবং অনাহুত ঝক্কি ঝামেলা থেকে রেহাই মিলবে।

আমরা আজকের নিবন্ধের একদম শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। হিন্দি ছবির যে সংলাপটি দিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলাম সেই সংলাপের বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করে নিবন্ধের ইতি টানা হবে। বিরোধী দলগুলো সাতটি বছর ধরে ভয়ানক রাগ চণ্ডালের মতো উত্তেজিত আচরণ করে বার বার তাদের কর্মী-সমর্থকদের নতুন নতুন বিপদে ফেলেছে। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারণ জনগণ তো দূরের কথা নিজেদের নেতা-কর্মীদের তাদের কর্মপরিকল্পনার ব্যাপারে সম্পৃক্ত করতে পারছে না। আমি নিশ্চিত যে, দেশের বেশির ভাগ জনগণ সরকারের বেশির ভাগ কর্মকাণ্ড পছন্দ করছে না। তারা সরকারের ওপর প্রচণ্ড ত্যক্তবিরক্ত এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিক্ষুব্ধ। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তারা সরকারের বিকল্প হিসেবে দেশের কোনো বিরোধী দলকে ক্ষমতায় বসিয়ে নিজেদের ভাগ্য বদলাতে চায়।

আমার মনে হয় না যে, দেশের জনগণ বিরোধী দলসমূহকে বিশ্বাস করে এবং তাদের প্রতি এমন আস্থা স্থাপন করেছে, যাতে তারা আগামী দিনে বর্তমান সরকারের চেয়েও ভালো কিছু করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। পুরো বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশ আজ ঘন কুয়াশায় আবৃত। ফলে জনগণ একহাত দূরবর্তী কোনো জিনিসকে দেখতে পাচ্ছে না। নিশ্চিত করে বলতে পারছে না, আগামীকালটি কেমন হবে। রাজনৈতিক দলগুলো মানুষকে ভবিষ্যতের জন্য কোনো স্বপ্ন দেখাতে পারছে না এবং কোনো বিশ্বাসযোগ্য আশার বাণীও শোনাতে পারছে না।  ফলে সরকার ও বিরোধী দল যে যাই বলুক না কেন— আমাদের আগামী দিনগুলো যে তাদের নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে এ কথা অনুধাবনের জন্য খুব বেশি জ্ঞান-গরিমার দরকার নেই।


লেখক : কলামিস্ট।

 

বিডি-প্রতিদিন/ ১২ মার্চ, ২০১৬/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়