শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:২১, বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

মন্ত্রীদের ওপরে কি তাহলে আস্থা নেই?

আরিফুর রহমান দোলন
অনলাইন ভার্সন
মন্ত্রীদের ওপরে কি তাহলে আস্থা নেই?

মন্ত্রীরা কি তাহলে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না? গত ১৫ মাসে বিভিন্ন সময় এই প্রশ্নটি জোরেশোরেই উঠেছে। কিন্তু করোনাভাইরাস প্রতিরোধ এবং এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জেলা পর্যায়ে চলমান ত্রাণ কার্যক্রম সু-সমন্বয়ের জন্য ৬৪টি জেলায় ৬৪ জন সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়ার পর জাতীয় সংকটে মন্ত্রীদের ভূমিকা অনেকাংশেই স্পষ্ট হয়ে গেছে।

মন্ত্রীদের অনেকের অবস্থানই যে নড়বড়ে তা আরও পরিষ্কার এখন। নেতৃত্ব, দিক-নির্দেশনা, পরিকল্পনা, নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা কি আদৌ আস্থার জায়গায় আছেন আর?

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং মন্ত্রী মর্যাদার উপদেষ্টাদের ৫৪ জনের মধ্যে কি ৬৪ জেলার সংকটকালীন সময়ে চিকিৎসা সুরক্ষা সরঞ্জাম ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নজরদারি এবং জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবীক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার নেতৃত্বের ঘাটতি আছে? তাই যদি না হবে তাহলে সচিবরা এই দায়িত্বে কেন?

বৈশ্বিক ও জাতীয় মহামারি যখন আসন্ন সেখানে সরকারের রাজনৈতিক দর্শন দিয়ে মাঠ পর্যায়ে সংকট মোকাবিলায় সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বই চালিকা শক্তি হওয়ার কথা। কিন্তু এই অনুপস্থিতি হাজারো প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব কতখানি বিরক্ত আস্থাহীন এটি তারও একটি নজির। সচিবরা ৬৪ জেলায় ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি, আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয়ের কাজ কতখানি সন্তোষজনকভাবে করতে পারবেন তা ভবিষ্যতই বলে দেবে। কিন্তু সরকারের ভেতরের রাজনৈতিক শক্তি যে উপেক্ষিত এই ঘটনায় সেই বার্তা আছে। যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক শক্তির জন্য সুখকর নয়। কারণ সচিবদের এই দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে সরকারের রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে ভেতরে ভেতরে আমলাতন্ত্রের এক ধরনের অদৃশ্য মনকষাকষির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত আদেশে ২০ এপ্রিল ৬৪ জেলায় ৬৪ জন সচিবকে সার্বিক ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে অন্তত ছয়জন আছেন যারা আগামী ১৫ দিন থেকে দুই মাসের মধ্যে অবসরে যাবেন। তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অবসরে যাবেন জনা পাঁচেক দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব। কয়েকজন নিয়মিত চাকরি শেষ করে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছেন। আবার দু’একজন সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ অর্জন করলেও তাদের রাজনৈতিক দর্শন, আনুগত্য নিয়ে এক ধোঁয়াশা আছে প্রশাসনের অন্দরেই। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের অনেকে আবার সৎ, দক্ষ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে পক্ষপাতহীন। দেশের আসন্ন সংকট মোকাবিলায় এই দায়িত্ব বণ্টন কতখানি সুদূর প্রসারী বিবেচনার ফল তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। তাহলে সরকারের ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কে বা কারা বেশি ভূমিকা রাখছেন সেই প্রশ্নও আসবে। আর এর ফলে সরকারের লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চুপিসারে চাপান-উতোরকেও অস্বাভাবিক বলা যাবে না।

শিল্প সচিব আবদুল হালিমকে দেশের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা বরিশালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আগামী ২৭ মে চাকরি থেকে স্বাভাবিক অবসরে যাবেন। সিনিয়র সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শাহীন আহমেদ চৌধুরীকে দেওয়া হয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা নোয়াখালীর দায়িত্ব। চাকরি থেকে তার স্বাভাবিক অবসরে যাওয়ার কথা আগামী পহেলা জুন। পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন অবসরে যাবেন চলতি বছরের ৯ জুন। তিনিও নওগাঁর মতো একটা বড় জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল অবসরে যাবেন আগামী ২৯ জুন। তিনি চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা এবং ওই জেলার ত্রাণ কার্যক্রম ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী পেয়েছেন নাটোর জেলার দায়িত্ব। তিনি অবসরে যাবেন আগামী ১৪ জুন। প্রশ্ন, স্বল্প সময়ে এরা কি দায়িত্ব পালন করবেন?

করোনাভাইরাস এবং এ থেকে সৃষ্ট সংকট কতদিন থাকবে গোটা বিশ্ব এখনো এটি জানে না। কিন্তু বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিশ্ব নেতারা এটি বিলক্ষণ জানেন যে অর্থনীতিতে এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। তাই জীবন বাঁচিয়ে রাখা, দিনমজুর, কর্মহীন মানুষদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বণ্টনের ওপর দেশে দেশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকেই এ ব্যাপারে শতভাগ আন্তরিক ও উদার। তাই খাদ্য সামগ্রী ত্রাণ বণ্টনকে বিতর্কহীন করার সব রকম উদ্যোগ বাংলাদেশের সরকার প্রধানের আছে। শুরুতে তৃণমূল স্তরের কতিপয় জনপ্রতিনিধি, মনুষ্যত্বহীন হাতে গোনা কয়েকজন রাজনৈতিক পদাধিকারী ত্রাণের চাল চুরির সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরকেই এক বিরাট প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। আর সেই শঙ্কা, আস্থাহীনতা থেকে জেলায় জেলায় সচিবদের দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল সচিবদের সততা, দক্ষতা, মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের প্রতি আনুগত্য কি প্রশ্নাতীত? মোটেও না।

দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার অধিবাসী একজন সচিব, বিএনপি চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তিনি অবসরে যাবেন। প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি তার আনুগত্য নিয়ে আগাগোরাই প্রশ্ন আছে। বিএনপির ঘাঁটি বলে খ্যাত একটি জেলার দায়িত্ব পাওয়া ওই সচিব কতখানি আন্তরিক ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন এই প্রশ্ন যদি প্রশাসনে তার সহকর্মীরাই উত্থাপন করেন তাহলে তা কি সরকারের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক?

চাকরি জীবনে কখনো সততার সুনাম নেই এমন একজন সিনিয়র সচিব অবসরে যাওয়ার আগে ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরকারকে কতখানি স্বস্তি দেবেন- তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরে নানা কথা আছে। আবার সদ্য সচিবের মর্যাদা পাওয়া একজন কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক বা তদুর্ধ মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাজে যে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেননি তা প্রশাসনেই বহুল চর্চিত। অথচ ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ে তাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বড় একটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন সিনিয়র সচিবের দেশে ও বিদেশে কাজের বিস্তর অভিজ্ঞতা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা প্রায় শূন্য। এভাবে মাঠ পর্যায়ে খুবই কম কাজের অভিজ্ঞতা আছে এমন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আচমকাই দেশের সংকটময় মুহূর্তে জেলা পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো স্পর্শকাতর কাজের তদারকি সমন্বয় করবেন।

এদের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সততা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা আর সরকারের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্য দিয়ে অর্পিত দায়িত্বে উতরে যাবেন ঠিকই। কিন্তু বিপরীত যারা?
তাহলে প্রশ্ন তো থেকেই গেল। গুরুতর প্রশ্নটি হলো সরকারের ভেতরে যে রাজনৈতিক শক্তি তাদের ভূমিকা কি। তারা কি দায়িত্ব পালন করছেন? আরও পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে এই সংকটময় মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীকে কি তার মন্ত্রীরা যোগ্য সহযোগিতা করতে পারছেন না? না কি তাদের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখা যাচ্ছে না। যেটিই ঠিক হোক এটি কি খুব ভালো কোন লক্ষণ?

ক্ষেত্রে বিশেষে মন্ত্রীরা আছেন কি নাই সেটিও বোঝা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যে ভিডিও কনফারেন্স করছেন সেখানে কোথাও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর উপস্থিতি, বক্তব্য নেই। সচিব ঠিকই আছেন। বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীরা এই সংকটে কেমন যেন গর্তে ঢুকে গেছেন।

মন্ত্রিসভার এক নম্বর সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। সার্বিক পরিস্থিতিতে সরকারের ভেতরে তার ভূমিকা কী? কোথাও কি কোন তৎপরতায় তিনি দৃশ্যমান? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সেতু ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাঝে মধ্যে সংবাদ ব্রিফিংয়ে আসছেন বটে। কিন্তু সরকার পরিচালনায় খুব বেশি ভূমিকা আছে কি? অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, তথ্য, আইন, পররাষ্ট্র কোন মন্ত্রী সরকার পরিচালনায় সামনের কাতারে? আমরা জানি না। কেউ কি জানেন?

সরকার পরিচালনায় এ মুহূর্তে আমলাতন্ত্র অনেকখানি এগিয়ে এমন আলোচনা আছে। কিন্তু আমলাতন্ত্রেও পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক কর্মকর্তা আছে। আছে উচ্চাভিলাষী অনেকেও। গতকয়েক দশক ধরেই আমাদের দেশে আমলাতন্ত্রের কারো কারো মধ্যে অবসর গ্রহণের পরপরই রাজনীতি ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রবণতাও তীব্রভাবে আছে। চাকরিতে থেকেই নির্বাচনী এলাকা গোছানোর চেষ্টাও বিভিন্ন সময় লক্ষণীয়। এমনকি নিজ এলাকার সংসদ সদস্যের সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে বচসা, প্রকাশ্য বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও প্রায়শ পত্রিকার পাতার শিরোনামও হয়েছে নিকট অতীতে।

করোনা সংকট মোকাবিলার ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ে জেলায় জেলায় সচিবদের দায়িত্ব প্রদান ক্ষেত্র বিশেষ কারো কারো রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষকে আবারও উস্কে দেবে কি না সেই প্রশ্ন তাই থেকেই যাচ্ছে। কারণ দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের অনেকেই নিজ জেলার কর্মকাণ্ড সমন্বয় করবেন। এদের দু-একজন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভবিষ্যতে জড়িত হবেন, এমন আলোচনা আগে থেকেই প্রশাসনের মধ্যে আছে।

ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের মনস্তাত্ত্বিক কোন দ্বন্দ্ব হবে কি না সেই আশঙ্কা প্রবলভাবেই থাকছে।

সচিবদের জেলায় জেলায় দায়িত্বের কর্মপরিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারা জেলার মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করে কোভিড ১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার কাজ তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ করবেন।

প্রশ্ন, জেলায় জেলায় একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি করা যেত কি- না! তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সুশীল সমাজ, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা অনেক বেশি সহজ হতো। আর বর্তমান মন্ত্রীদের মধ্যে যদি সেই উপযুক্ততা সবার না থাকে তাহলে তাদের বদলে দিয়ে কয়েকজন অভিজ্ঞ দক্ষ আর জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তভূক্ত করা যায়। এটিই সর্বাধিক যুক্তিযুক্ত। কারণ ব্যাপক ভিত্তিতে জনগণের আস্থা অর্জন, জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হলে শেষ বিচারে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সাইড লাইনে বসিয়ে রেখে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।

আর আমলাতন্ত্রকেও আস্থায় নিয়ে কাজ করতে হবে। শেষ বিচারে তাদের অবিশ্বাস, সন্দেহ করাও ঠিক হবে না। কিন্তু বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার প্রশ্ন যেখানে, সেখানে জনগণের প্রতিনিধিরা কি বিষয়টি সহজভাবে নেবেন কি না সেটিও ভেবে দেখার বিষয়। আর আমলাতন্ত্র সম্পর্কেও কিন্তু ভালো-মন্দ দুই ধরনের ধারনাই আছে। গত বছরের ১৭ জুন হাইকোর্ট সচিবদের কর্মকাণ্ড ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই প্রশ্ন হাইকোর্ট গত বছরের জানুয়ারিতেও তুলেছিল। ফলে সচিবদের এই দায়িত্ব পালনও মোটেই সহজ হবে না।

লেখক: সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং সাপ্তাহিক এই সময়।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

১৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩০ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা