শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৩২, মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০ আপডেট:

চীন করোনা মহামারির মধ্যেই বাজাল যুদ্ধের দামামা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
চীন করোনা মহামারির মধ্যেই বাজাল যুদ্ধের দামামা

সমাজতন্ত্রের মুখোশে অধার্মিক চীন জন্ম দিয়েছে নয়া সাম্রাজ্যবাদের। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি চীনই দায়ি করোনা মহামারির মধ্যেও যুদ্ধের দামামা বাজানোর জন্য। পাকিস্তানকে বগলদাবা করার পর এখন চীনের লক্ষ্য আরও বহু দেশে আধিপত্য বিস্তার। লাদাখে চীনের আসল স্বরূপ ফুটে উঠেছে। মানবসভ্যতার বিরোধী চীন নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে সীমান্তে বারবার উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। বিনা প্ররোচনায় লাদাখে ২০ জন ভারতীয় সেনাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

আসলে চীন গোটা দুনিয়ায় বিস্তার করতে চায় নিজেদের সাম্রাজ্য। তাদের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' কর্মসূচি আসলে নয়া সাম্রাজ্যবাদী পদক্ষেপ।  কোভিড-১৯ জন্য বেশ বিপাকে চীন।  এই পরিস্থিতিতে ভারত সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি করে চীন দুনিয়ার দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরাতে চাইছে।  ব্রিটিশদের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ছকে আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে বিভিন্ন দেশে। অন্যদিকে ভারত এখনও পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর আমলে গৃহীত পঞ্চশীল নীতিতেই অটল। তাই চীনের লালফৌজের হাতে ২০ জন ভারতীয় সেনার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদলীয় বৈঠকে দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, 'ভারত সাংস্কৃতিকভাবে একটি শান্তিকামী দেশ। ভারতের আদর্শ মন্ত্র হল- লোকা : সমাস্ত : সুখিনো ভবন্তু। আমরা প্রত্যেক যুগে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ উপায়ে মিলেমিশে কাজ করছি।' 

১৯৫৪ সাল থেকেই  ভারতের জোটনিরপেক্ষ বিদেশনীতি পঞ্চশীলের সারমর্মই হলো,  অন্য দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা। অনাক্রমণ নীতি আগলে অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে পারস্পরিক সাম্য ও সহযোগিতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও কথা বলে সমস্যার সমাধান করে আসছে। কিন্তু চীন ঠিক উল্টোপথে হাঁটছে চিরকাল। তিব্বত ও হংকং তার বড় প্রমাণ। চীনের বর্বরোচিত দখলদারিতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

লাদাখ সীমান্তে একতরফাভাবে  দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন করেছে চীনের লালফৌজ। ১৯৯৩ সালে উভয় দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) টপকে কেউ  অন্য পারে যাবে না। ১৯৯৬ সালে ঠিক হয়, সেনারা মুখোমুখি হলে আলোচনায় বসবেন। ২০০৫-এর সিদ্ধান্ত, কোনও পক্ষই গুলি চালাবে না। ২০১৩-য় ঠিক হয়,  অন্য পক্ষের টহলদার সেনাকে অনুসরণ করা হবে না। কিন্তু কোনও শর্তই মানেনি চীনের লালফৌজ। বরং সীমান্তে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। 

আসলে করোনা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ কমাতেই চীন বাজিয়েছে যুদ্ধের দামামা।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত, চীনের উহানে পরীক্ষাগার থেকেই ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিতে সোচ্চার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনও। সবার দৃষ্টি ঘোরাতেই সীমান্ত নিয়ে নতুন খেলা শুরু করেছে চীন সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তবের সাফকথা, ‘চীনের  এই হামলা পূর্ব নির্ধারিত ও পরিকল্পিত। দু’পক্ষের সেনার মৃত্যুর জন্য দায়ী চীন।’ তার এই বক্তব্যের সমর্থন মিলেছে আন্তর্জাতিকস্তরেও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও  ফ্রান্স, জার্মান, জাপান, মলদ্বীপ প্রকাশ্যে চীনা আক্রমণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে চাপ বাড়াচ্ছে বেজিংয়ের উপর। পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক মার্কিন বিদেশ দফতরের অতিরিক্ত সচিব ডেভিড স্টিলওয়েল বলেছেন, ‘হংকং ও ভারতের উপর চীনা পদক্ষেপ সমর্থনযোগ্য নয়।’ 

অতিরিক্ত সচিব স্টিলওয়েল পম্পেওর বলেন, ‘আগেও সীমান্তে চীনা আগ্রাসন ধরা পড়েছে। ২০১৫ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং-এর ভারত সফরের পর সীমান্তে চীনের আগ্রাসন অতীতের তুলনায় আরও বেড়েছে।’  

অথচ ভারত চিরকালই অন্যান্য প্রতিবেশীদের মতো  চীনের সঙ্গেও বন্ধুত্ব চেয়ে এসেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চীনের স্থায়ী সদস্য পদের পক্ষেও কাজ করেছিল দিল্লি। ১৯৫০ চামদোর যুদ্ধে চীনের তিব্বত দখলের পরও ভারত পঞ্চশীল নীতিকেই আগলে ধরে। চীনা প্রধানমন্ত্রী চৌ-এন-লাই নিজেও নেহরুর পঞ্চশীল নীতির প্রশংসা করেছিলেন। সেটা ছিলো ছলনা। চীন বরাবরই সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব পোষণ করেছে। তাই ১৯৬০ সালে নেহেরু সীমান্ত বিরোধ মেটাতে ঝৌ এনলাইয়ের সঙ্গে আলোচনা বসলেও ভারতের কূটনৈতিক দৌরাত্ম ব্যর্থ হয়। ভারতে চীনা আক্রণের সূত্রপাত হয় ১৯৬২ সালে। ১৯৬৭ সালে সিকিমের নাথু লা এবং চো লা এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর অনুপ্রবেশকারী লাল ফৌজকে বিতাড়িত করেছিল ভারতীয় সেনারা। ১৯৭৫ সালে অরুণাচল প্রদেশের টুলুং লা এলাকায় আসাম রাইফেলস এর টহল বাহিনীর চার জওয়ানকে খুন করেছিল চীনা সেনারা।  তবু ভারত চিরকাল সীমান্তে শান্তিই চেয়েছে।  

আসলে মানবতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো চীন সব সময়ই ভৌগলিক ও বাণিজ্যিক প্রভাব অক্ষুণ্ণ রাখতে মরিয়া। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় চীনের ভূমিকা সবারই জানা। মুক্তিযুদ্ধের সময় চীন  পাকিস্তানকে ‘উপহার’ হিসেবে পাঠিয়েছিল ২৫৫টি ট্যাংক, এক স্কোয়াড্রন ইল-২৮ বিমান ও ২০০ সামরিক প্রশিক্ষক। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর অবশ্য ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করেছে চীন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো ফের বণিকের ছদ্মবেশে বাংলাদেশের শাসনদণ্ড দখল করতে চাইছে না তো চীন? ইতিমধ্যেই কিন্তু পাকিস্তানে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে তারা অনেকটাই সফল। এখন চাইছে তাদের মুদ্রা ইহান চালু হলেই কেল্লাফতে। পাকিস্তান পুরোপুরি তাদের কব্জায় চলে আসবে। তাই বিরোধিতাও শুরু হয়েছে ইসলামাবাদে। 

রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের সখ্যতা সবার জানা। আসলে মিয়ানমারের সমুদ্র ঘাঁটি আর বাংলাদেশের বাজার দখল করতে চায়  চীন। কোনও আত্মীয়তা বা বন্ধুত্বে বিশ্বাসী নয় কমিউনিস্ট দেশটি। চাইছে মহাজনি কারবার। ঋণের ফাঁদে আটকাতে চায় বাংলাদেশকে। দখল করতে চায় বাজার। বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি। সম্প্রতি, বাংলাদেশকে চীনের পক্ষ থেকে মোট ৮ হাজার ২৬৫টি পণ্যকে ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়া হয়। ১ জুলাই থেকে নতুন সুবিধা কার্যকর হবে। এটা মুদ্রার দৃশ্যত একটি দিক, অন্য দিকটি ভয়ঙ্কর। নিজেদের আঞ্চলিক আধিপত্য বজায় রাখতে ঋণের বোঝায় বাঁধতে চাইছে বাংলাদেশকে। প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রটাও নিজেদের দখলে আগেই নামিয়েছে। ধর্মচর্চার বিরোধী এই চীন থেকেই আসে বাংলাদেশের  ৮০ শতাংশ সমরাস্ত্র। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বও বিপদে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ চীন সমাজতান্ত্রিক মুখোশে বাড়াতে চাইছে নিজেদের সাম্রাজ্য।

গণতান্ত্রিক ভারতের লক্ষ্য শুধু নিজেদের অখণ্ডতা বজায় রাখা। প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতিতে বিন্দুমাত্র টোল খায়নি। বিপদে-আপদে প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়িয়েছে চিরকাল। হংকং বা তিব্বতের মতো কোনও দখলদারি ভারতের নেই। সুশৃঙ্খল ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রতিবেশীর বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়লেও ঔপনিবেশিকতায় বিশ্বাসী নয়। কিন্তু চীনের লালফৌজ ভারতের অনাক্রমণ নীতিকে দুর্বলতা মনে করে বারবার প্ররোচিত করছে। চীনের ওই মনোভাবই সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য ভবিষ্যতে বিপেদর কারণ হতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় অশান্তি পাকিয়ে সেই অশান্তির আগুনে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে মরিয়া চীন। তাই তাদের বণিকের ছদ্মবেশে ভালোমানুষির মুখোশ থেকে বাংলাদেশেরও সতর্ক থাকা জরুরি। মনে রাখা প্রয়োজন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশে ভারত সার্বিক সহযোগিতা করলেও সক্রিয় বিরোধিতা করেছিল চীন। এখনও তাদের পাকিস্তানের প্রতি বন্ধুত্ব মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শত্রু।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

৩৬ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

৪৩ সেকেন্ড আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ায় কাউন্সিল ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুনে ৩ জনের প্রাণহানি

১০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ
নুরের উপর হামলার ঘটনায় রাবিতে বিক্ষোভ

১১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে : এ্যানি

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা
ভিপি নুরের ওপর হামলার ঘটনায় এলডিপির নিন্দা

২৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

৩৬ মিনিট আগে | পরবাস

রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু
রাজধানীর সাত স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন পরীক্ষামূলক চালু

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দু’দিনে ৩৬৫৭ মামলা

৫৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল
প্রশান্ত মহাসাগরে প্রথমবারের মতো মস্কো-বেইজিং যৌথ সাবমেরিন টহল

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান
নুরের ওপর হামলার পুনরাবৃত্তি চান না মঈন খান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি
পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে দেবে আরসিবি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা
খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বসুন্ধরার মানবিক কাজ

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ
শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

২৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা