শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:২৩, বুধবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ আপডেট:

জিজ্ঞাসাবাদে মাননীয় নেত্রীকে অভিযুক্ত করার ষড়যন্ত্র

ড. মোঃ আওলাদ হোসেন
অনলাইন ভার্সন
জিজ্ঞাসাবাদে মাননীয় নেত্রীকে অভিযুক্ত করার ষড়যন্ত্র

জিজ্ঞাসাবাদের প্রাথমিক পর্যায়ে আমার ব্যক্তিগত তথ্য নেওয়ার পর শুরু হয় রাজনৈতিক প্রশ্ন। বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের উদ্দেশ্য ছিল একটাই, মাননীয় নেত্রীকে অভিযুক্ত করার ষড়যন্ত্র। প্রশ্নকারীদের মন মতো সাজানো উত্তর না দেওয়ায় শুরু হয় শারীরিক নির্যাতন। প্রথমেই দেওয়া হলো বৈদ্যুতিক শক। তারপর ছাদের ফ্যানহুকের সাথে ঝুলানো হলো। সমস্ত শরীরের ভার দুই হাতের কব্জির উপর পরলো। মনে হচ্ছিল হাতের কব্জিগুলো ছিড়ে যাবে। হাতের কব্জির উপরের অংশ ঠাণ্ডা হতে লাগলো, হাতে কোন ‘বোধ বা Sense` পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ করে চারিদিক থেকে একাধিক লোক কোমড় থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত নির্মমভাবে এলোপাতাড়ি পেটানো শুরু করেছিল। রুমে ফিরে চোখ খোলার পর দেখলাম, মারাত্মক জখম করেছিল। কোমড় থেকে পায়ের আঙ্গুল পর্যন্ত সর্বত্রই ফেটে ফেটে রক্ত বের হচ্ছিল।

নির্মম নির্যাতনে জ্ঞান হারালে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা সেবা দ্বারা জ্ঞান ফিরিয়ে পুনরায় নির্যাতন করা হতো। নির্যাতন শেষে চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নামক একটি রুমে রাখা হলো। শেষদিন পর্যন্ত এখানেই ছিলাম। এখানে সেবাদানকারী লোকগুলো খুবই ভালো ব্যবহার করেছিল। বিছানায় চাদরসহ তোষক, বালিশ এবং গায়ে দেওয়ার জন্য অপেক্ষাকৃত ভালো কম্বল প্রদান করে। নিয়মিত ঔষধ সরবরাহ করা হয়েছিল। খাবারে তরকারির মান অপেক্ষাকৃত ভালো ছিল। 

টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন হলে খুবই ভয় হতো। কারণ হাঁটতে খুবই কষ্ট হতো। হাঁটু ভেঙে বসে টয়লেট করতে পারতাম না। দাঁড়ানো অবস্থায় কোন রকম বাঁকা হয়ে টয়লেট করতে হতো। একদিন টয়লেট থেকে ফিরে আসার সময় হঠাৎ শুনতে পেলাম, ক্ষীণ আওয়াজে ফ্যাস ফ্যাস স্বরে কে একজন আমাকে ডাকছে, ‘আওলাদ ভাই, আওলাদ ভাই, আমি রাজ্জাক’। আমি হতচকিত হরিণের মতো চারিদিকে তাকালাম, কোথা থেকে কে ডাকতে পারে? হঠাৎ চোখে পরলো আমার ডান পাশের রুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে এক জোড়া চোখ তাকিয়ে আছে আমার দিকে। আমার দু'দিন পূর্বে রাজ্জাক ও জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্জাক আমার খুবই ঘনিষ্ঠ একজন সাবেক ছাত্রনেতা, ডাকসুর সাবেক সদস্য। পরবর্তিতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৭ নং সেলে সুখে-দুঃখে এক সাথে দীর্ঘদিন অবস্থান করেছি। 

বেশ কয়েকমাস নিয়মিত চিকিৎসার পর নির্যাতনের ক্ষত নিরাময় হয়েছে বটে তবে এখনও নির্যাতনের রেশ শেষ হয়নি। শীতের প্রকোপে পায়ের হাড়ের ভিতর ব্যাথা অনুভব করি। 

দুইদিন রাতে ক্রসফায়ার করা হবে বলে অজু করিয়ে হুজুরকে দিয়ে কালেমা পাঠ করানো হয়েছিল। মৃত্যুর আগে শেষ ইচ্ছা কি, ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং ক্রসফায়ার করার জন্য বাহিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। 

তন্মধ্যে একদিন সন্ধ্যারাতে চোখে কাপড় বেঁধে, হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে বের হলো। কিছুদুর চলার পর হঠাৎ গাড়ি থেমে গেল। আমার চোখের কাপড় ও হ্যান্ডকাফ খুলে দিল। চোখ খোলা রেখে মাথার চুল পরিপাটি করে একটি খোলা মাঠ পায়ে হেটে অতিক্রম একটি মার্কেটের দোতলায় নিয়ে গিয়েছিল। মার্কেটে বিভিন্ন দোকানের সাইনবোর্ড দেখে মনে হলো কাফরুলের কোন একটি মার্কেট। আমাকে গাড়ি থেকে নামানোর সময় বলা হয়েছিল, ‘চালাকির চেষ্টা করলে বা পালানোর চেষ্টা করলে পাখির মত গুলি করে মারা হবে’।

খোলা মাঠের মধ্যখানে কিছু লোক গোল করে দাঁড়িয়ে আছে, এর মধ্য দিয়ে আমাকে পায়ে হেঁটে যেতে হবে। গোলাকার আকৃতির এই দৃশ্য দেখে মনে পরে যায় পত্রিকায় প্রকাশিত তথাকথিত ‘ক্রসফায়ার’ এর ছবি। মনে মনে ভাবছি হয়তো, এই গোল চক্কর অতিক্রম করার সময় আমারও ঐ একই দশা হবে। মনে মনে দোয়া-দরুদ পাঠ করে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে গোল চক্করে প্রবেশ করলাম। বুক ধড়ফড় করছে। এই বুঝি মৃত্যু দূত হাজির হবে। কিন্তু না, এইযাত্রায় বেঁচে গেলাম। গোল চক্কর অতিক্রম করে সামান্য এগুতেই দোতলা মার্কেট। দোতলায় একটি কাপড়ের দোকানে যাওয়ার নির্দেশ রয়েছে। সেখানে ঘুরে ঘুরে কাপড় দেখে ক্যাশ কাউন্টারে যেতে হবে। আমি ভয়ে ভয়ে ধীর গতিতে দোতলায় উঠে নির্দেশ মোতাবেক ঘুরে ঘুরে কাপড় দেখছি। তারপর যথারীতি ক্যাশ কাউন্টারে গেলাম। ক্যাশ কাউন্টার থেকে একজন বললেন, ‘আপনার কাজ শেষ, আপনি চলে যান’। এর মাঝে লক্ষ্য করলাম খানিকটা দূর থেকে একজন লোক আমাকে ভিডিওবন্দী করছে। মনে আরেক আতঙ্ক দানা বেঁধে উঠলো। তবে কি, ওরা আমাকে ফেরার পথে ঐ গোল চক্কর অতিক্রম করার সময় মারবে? পরে নিউজ করবে, মার্কেটে ডাকাতি করতে গিয়ে গোলাগুলিতে মারা গেছে। এই সন্দেহ হওয়ার কারণ, ওরা আমাকে মার্কেটে নিয়ে এসেছে। কিন্তু দেশের প্রচলিত আইনে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে নাই। কেউ জানে না, কে বা কারা আমাকে এনেছে, কোথায় এনেছে। এমনি মনের অবস্থা নিয়ে দোতলা থেকে নামতে নামতে আবারো দোয়া-কলেমা পড়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি। চোখের সামনে ভেসে উঠল ছোট ছোট দুটি মেয়ে নিয়ে স্ত্রী, বৃদ্ধ মা ও অন্যান্য প্রিয় মুখের ছবি। আমার মাতৃতুল্য নেত্রী জানতেও পারবেন না, তাঁর স্নেহের ডঃ আওলাদ কোথায় কিভাবে হারিয়ে গেল।

ভাবতে ভাবতে কখন গোল চক্কর অতিক্রম করেছি টেরই পাইনি। যথারীতি সেই গাড়িতে উঠে বসলাম। মনে হলো নতুন জীবন ফিরে পেলাম। গাড়িতে উঠতেই একটি লোক আমার পাশে এসে বসলেন, ঝড়ের বেগে আমার চোখ বেঁধে ফেললেন, হ্যান্ডকাফ পরিয়ে দিলেন। সামনের সিটে বসা কে একজন বললেন, ‘কি হলো’? আমার পাশে বসা লোকটা উত্তর দিলেন, ‘সুযোগ দিলাম, আবারো চেষ্টা করি, দেখি রাজি হয় কিনা’। ফিরে এলাম সেই পুরানো জায়গা JIC (Joint Interogation Cell)-এ।

অন্য আরেকদিন গভীর রাতে খালি পায়ে, চোখ বেঁধে, হাতকড়াসহ কোথাও কোন খোলা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল। পায়ের নিচে ঠাণ্ডা ভিজা বালি, ঠাণ্ডা বাতাস, চোখ বাঁধা, চারিদিকে নীরব নিস্তব্ধ। আমাকে শেষবারের মত রাজী করাতে চেষ্টা করছে। আমার মনে নানা ধরনের চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। ভাবলাম, আমি মুসলমান, আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, জন্ম-মৃত্যু আল্লাহর হাতে। মরি-বাঁচি মাথানত করবো না। 

আমি চিৎকার করে বলেছিলাম, ‘শেখ হাসিনা নির্দোষ, নিষ্পাপ’। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে, আমার মায়ের দোয়ায়, আমার এলাকার অসংখ্য নেতাকর্মীর নফল রোজা ও দোয়ার বরকতে, আমি আজও বেঁচে আছি। আমি গর্ব করে বলি, অমানুষিক  নির্যাতন ও মৃত্যুর মুখোমুখি করেও আমাকে দিয়ে মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোন মিথ্যা তথ্য দেওয়াতে পারেনি, কোন মিথ্যা মামলায় বাদী বা সাক্ষী করাতে পারেনি। আমি গর্বিত আমি শেখ হাসিনার কর্মী, আমি মুজিব সৈনিক।

পরবর্তী বিবরণ আগামীকাল...

লেখক: ড. মোঃ আওলাদ হোসেন
ভেটেরিনারীয়ান, পরিবেশবিজ্ঞানী, রাজনৈতিক কর্মী।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩১ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা