শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:০১, বৃহস্পতিবার, ০১ এপ্রিল, ২০২১

উপলক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি, টার্গেট বাংলাদেশ!

হাসান ইবনে হামিদ
অনলাইন ভার্সন
উপলক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি, টার্গেট বাংলাদেশ!

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করেছেন। শুধু নরেন্দ্র মোদি নয় বরং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিরাও এই সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। 

বিশ্বের অনেক দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশের এই আনন্দযজ্ঞে শামিল হয়েছেন। গোটা দেশ যখন স্বাধীনতার ৫০ বছর পালনে নানামুখী আয়োজনে ব্যস্ত, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে তারা তাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে, ঠিক সেই মুহূর্তকেই বেছে নিয়ে হেফাজতে ইসলাম দেশব্যাপী চালাচ্ছে সন্ত্রাসী কার্যক্রম। আর এই সন্ত্রাসকে বৈধতা দিতে তারা পূর্বের ন্যায় এবারো খেলেছে ধর্মীয় কার্ড। 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মানুষকে এই বার্তা দিয়েছে যে, নরেন্দ্র মোদি 'ইসলামবিরোধী' ও 'গুজরাট দাঙ্গা'র মূল হোতা। তাই বাংলাদেশে কোনভাবেই আসতে দেয়া যাবে না নরেন্দ্র মোদিকে। আর একে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে হেফাজতে ইসলাম নারকীয় তাণ্ডব দেশব্যাপী চালাচ্ছে। প্রকাশ্য মিডিয়াতে মামুনুল হকরা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে এবার লিপ্ত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদিকে প্রতিহত করতে দেশে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেয়ারও হুমকি দিয়েছে। যেই কথা সেই কাজ, আমরা দেখলাম চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে হেফাজতে ইসলাম মিছিল নিয়ে এসে আচমকা হামলা চালায় হাটহাজারী থানা, ভূমি অফিস ও ডাকবাংলোতে। 

পুলিশ-হেফাজত সংঘর্ষে নিহত হয় চারজন। লাশ না পড়লে সহিংসতা জমেনা তা ভালো করেই জানে মামুনুল হকেরা, ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি এরা করছে অনেককাল আগে থেকেই। এবারো তারা তাই করছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেয়া হচ্ছে যে, 'আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ যারা করে তারা মুসলমান না, তাদেরকে হত্যা করা জায়েজ'। এই ভিডিও ইতোমধ্যে গণমাধ্যমেও এসেছে। একবার ভাবুন, মসজিদ যেটা ধর্ম পালনের স্থান, উপাসনালয়ের স্থান সেই মসজিদ কিনা ব্যবহার হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের আঁতুড়ঘর হিসেবে। এই মসজিদ ব্যবহার করেই তারা চালাচ্ছে সন্ত্রাস। একই অবস্থা বায়তুল মোকাররমের, নামাজের স্থান আগেই ব্যবহৃত হচ্ছে অস্ত্র রাখার জায়গা হিসেবে।

হেফাজতে ইসলাম ২০১৩ সালের ৫ মে এই বায়তুল মোকাররমে অস্ত্র মজুদ রেখে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, এবারো অস্ত্রের ঝনঝনানি প্রত্যক্ষ করেছে এই বায়তুল মোকাররম। সাধারণ মুসল্লিরা এখন আর বায়তুল মোকাররমে যেতে পারে না আতঙ্কে, ভয়ে। কেননা প্রতি শুক্রবার এই জাতীয় মসজিদ এখন রাজনীতির জন্য ব্যবহার করে হেফাজতে ইসলাম। এই ধ্বংসলীলা আমাদের আরেকবার মনে করিয়ে দিচ্ছে ৫ মে'র কথা, আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে সেই রক্তপাত, সেই ভাঙচুর, সেই দেশবিরোধী রাজাকার আলবদরের বংশধরদের তান্ডবলীলা। 

আজ তারা বায়তুল মোকারমমের সামনে স্লোগান দিচ্ছে, 'বাংলা হবে আফগান, আমরা হবো তালেবান'! স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে এসে এই বাংলাদেশে যদি এমন স্লোগান আমাদের শুনতে হয় তবে মনে হয় সবকিছু বুঝি বৃথা; এতো সমৃদ্ধ ইতিহাস, ত্রিশ লাখ মানুষের প্রাণহানী, লাখো নারীর আত্মত্যাগ বুঝি ম্লান হয়ে যায় এই মৌলবাদীদের আস্ফালনেই! 

শুধু কি নরেন্দ্র মোদির বিরোধীতাই এখানে মুখ্য নাকি এর পেছনে কোন ভিন্ন কারণ রয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এর আগেও তো নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে এসেছেন, প্রায় তিন দিন বাংলাদেশে অবস্থান করেছেন, কই তখন তো কেউই প্রতিবাদ করেনি, তখন তো কেউ রাস্তায় নেমে এমন অরাজকতা সৃষ্টি করেনি! তাহলে এই হঠাৎ মোদি বিরোধীতার কারণ কি!

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে যদি বাংলাদেশ কোন একটি দেশকেও আমন্ত্রণ জানায় তবে সেই দেশটি যে হবে ভারত সে ব্যাপারে কারো কোন সন্দেহ থাকবে বলে মনে হয় না। কারণ আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধে যে দেশটি সার্বিক সহায়তা দিয়েছে সেটি হলো ভারত। এককোটি শরণার্থীকে আশ্রয়দান, নয় মাস নিত্য-প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানো, যুদ্ধকালীন অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দান থেকে শুরু করে সার্বিক সহায়তাই দিয়েছে ভারত। বলতে গেলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল কেন্দ্রই ছিলো ভারতে যেখান থেকে বুদ্ধি,পরামর্শ, অস্ত্র, কলাকৌশল সবকিছু আসতো। কিন্তু আমরা দেখলাম স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে যখনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলো সাথে সাথেই শুরু হলো ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম। যদি ভেবে থাকেন নরেন্দ্র মোদীর কারণেই এই অবস্থা, তবে আপনাদের একটা বিষয় পরিস্কার হবার দরকার আছে। 

নরেন্দ্র মোদির আগমনের বিরোধীতার কারণ হিসেবে হেফাজতে ইসলাম বললো, মোদি গুজরাট দাঙ্গার হোতা এবং ইসলামবিরোধী! যদি এটাই কারণ হয়ে থাকে তবে নরেন্দ্র মোদি তো ২০১৫ সালেও বাংলাদেশ সফর করেছে তখন কেনো কোন প্রতিবাদ করেনি হেফাজতে ইসলাম? তখন কেন রাজপথে নামেনি তারা? নাকি হেফাজত তখন শীতনিদ্রায় ছিল? এতোদিন পর হঠাৎ করেই তাদের মনে হলো নরেন্দ্র মোদি গুজরাট দাঙ্গার জন্য দায়ী! নরেন্দ্র মোদির বিরোধীতার পেছনে মূলত গুজরাট  বা অন্যকিছু যে মুখ্য না তা স্পষ্ট, যদি গুজরাট বা ইসলামবিরোধীতা মুখ্য হত তবে ২০১৫ সালেই মোদির সফরকে কেন্দ্র করে বিরোধীতা হতো। কেনো নরেন্দ্র মোদি কেবল উপলক্ষ্য তা কয়েকটি বিষয় সামনে আনলেই বুঝা যাবে। 

সরকার যেমন সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপনের ঘোষণা আগেই দিয়েছে, হেফাজতে ইসলামও সরকারের সাথে পাল্লা দিয়েই অনেক আগে থেকে এই উৎসবকে নারকীয় তান্ডবে রূপ দেয়ার মিশনে নেমেছে। মূলত তারা আজকের এই ধ্বংসযজ্ঞের ড্রেস রিহার্সেল দিয়েছে গতবছরই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে তারা প্রথম আঘাত হানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ওপরই। যেহেতু বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু একে অপরের পরিপূরক, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশই পেতাম না তাই তাদের মূল ক্ষোভের জায়গাটিতেই প্রথম হামলা চালায় হেফাজত। 

হেফাজতে ইসলাম নেতা, একাত্তরের রাজাকারপুত্র আল্লামা মামুনুল হক জাতির পিতার ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেয়ার ঘোষণা দেয়। এই ভাস্কর্য ইস্যুতে তখন গোটা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। বেছে বেছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ওপর রাতের অন্ধকারে হামলা চালায় হেফাজতে ইসলাম, নানা জায়গায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক ভাঙচুর করে তারা। এখানে একটা বিষয় লক্ষণীয়, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫০ বছর। এই ৫০ বছরে ভাস্কর্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা হয়নি, এই ৫০ বছরে ভাস্কর্যের কারণে ধর্মের ক্ষতি হয়নি কিন্তু এখন হঠাৎ করেই জাতির পিতার ভাস্কর্য তাদের কাছে বড় ইস্যু হয়ে গিয়েছে। জাতির পিতার ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায় না ফেললে তাদের ধর্ম চলে যাচ্ছে! 

ভাস্কর্য ইস্যুর পরেই হেফাজতে ইসলাম আক্রমণ চালালো শাল্লায়। শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণের মাধ্যমে হেফাজতে ইসলাম তাদের দ্বিতীয় আঘাত হানে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার ওপর। ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতার যে চর্চা বাংলাদেশ রাষ্ট্র করতে চায় শাল্লায় আক্রমণ হলো সেই নীতির সাথে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।  একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে মামুনুল হকের অনুসারীরা সুনামগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর আক্রমণ চালালেও মূলত এই হামলা ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত, ফেসবুক স্ট্যাটাস তো ছিল কেবল একটা বাহানা মাত্র। শাল্লার হামলায় ৮৮টি হিন্দু বাড়ি ভাঙচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়, ৮টি মন্দির ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনার একদিন আগে শাল্লায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ছিল যেখানে বাবুনগরী ও মামুনুল হক এসেছিল। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে সেখানের মানুষকে উস্কে দিয়েছিল তারা এবং এর ফল এই শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ। অথচ এই আক্রমণের ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও হামলাকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা চালায় সাম্প্রদায়িক অপশক্তি। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের মূলস্তম্ভের ওপর একের পর এক আঘাত হানে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি। 

উপরোক্ত প্রতিটি ঘটনা একটির সাথে আরেকটি সম্পর্কিত। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনকের জন্মশতবর্ষকে নানা উপায়ে কালিমা লেপনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টায়রত দেশবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে যেনো অনেকটা হঠাৎ করেই আশীর্বাদ হয়ে ধরা দেয় নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের ঘটনা। বাংলাদেশে বহু আগে থেকেই যেহেতু ভারতবিরোধী রাজনীতি চলমান, বিএনপি-জাময়াতের হাত ধরে যেহেতু দেশবিরোধী একটি অংশের মাঝে চরম ভারতবিরোধীতা রয়েছে, ভারতের নাম শুনলেই যারা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে তারা সবাই হুমড়ি খেয়ে পরে এই সফরের বিরোধীতার আড়ালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে  বিতর্কিত করতে। 

এখানে স্পষ্ট যে, উপলক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি হলেও, মূল টার্গেট ছিল মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশ মানতে পারেনি মামুনুল হকের পিতা আল্লামা আজিজুল হক। পঞ্চাশ বছরের ক্ষত আজো ভুলতে না পারা আজিজুল হকের উত্তরসূরীরা এখনো পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে চায়, চাঁদ-তারা মার্কা বেইমান পতাকার স্বপ্নে বিভোর মামুনুল হক ও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। আর তাই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে পুরোপুরি বিতর্কিত ও রাষ্ট্রের আয়োজনকে নস্যাৎ করতে হেফাজতে ইসলাম এই ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। নরেন্দ্র মোদি তো একটা ইস্যু মাত্র যেখানে ধর্মীয় কার্ড খেলে সাধারণ মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে কলঙ্কিত করা যাবে। 

লেখক: রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে আরও নতুন ৩ প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

এই মাত্র | ক্যাম্পাস

বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা

১১ সেকেন্ড আগে | পাঁচফোড়ন

মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৪৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা