শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৩৮, রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১ আপডেট:

কবরী কেন কানাডার নাগরিকত্ব নেননি!

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
অনলাইন ভার্সন
কবরী কেন কানাডার নাগরিকত্ব নেননি!

২০০৭’এ কবরী ইমিগ্রেশন নিয়ে কানাডায় এসেছিলেন। তখন থাকতেন টরন্টোস্থ থ্রি ম্যাসীতে। তাঁর অফুরন্ত অবসরে প্রায় বিকেলেই আড্ডা দিতে চলে আসতেন ড্যানফোর্থের সাপ্তাহিক বাংলা রিপোর্টারের কার্যালয়ে। সেটা ছিল আমার বাসা-কাম-অফিস। আমি তখন পত্রিকাটি সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলাম। এখানে আড্ডা দিয়ে এসেছিলেন- জিয়া হায়দার, হায়াৎ মামুদ, ফজলুল আলম এবং আরো অনেকেই।

সেই সময় বৃষ্টির দিনে আমার অফিসে ইলিশ-খিচুরি, বেগুণ ভাজি-আলুভর্তা চলতো। ইকবাল হাসানের বাসায় পানাহারের আসর, কবরীর বাসায় ডিনার এভাবে বেশ কিছু দিন সুন্দর সময় কেটেছে আমাদের। যদিও তখন সারোয়ার ভাইয়ের সাথে সম্পর্কটা দিন দিন ক্রমশই অবনতির দিকে যাচ্ছিলো! আমার জন্য সময়গুলো মধুর হলেও তাঁর জন্য ছিলো তিক্তকর। দাম্পত্য জীবনের অবসানের সূত্রপাত ঢাকা থেকে ঘটলেও অসুস্থ ছোট ছেলের সুস্থ জীবনের কথা ভেবে কবরী এবং সারোয়ার এসেছিলেন কানাডায়।

প্রথমে কবি ইকবালের বাসায় কিছুদিন থাকার পর তাঁরা আলাদা বাসা নেন। সম্পর্ক অবনতি ঘটানোর পেছনে কলকাঠি নাড়ানোর নাটের গুরু ছিলো কবি ইকবাল হাসান। তিনি তার স্বভাব মোতাবেক দুই নৌকায় পা দিয়ে, দু’দিকেই তাল দিতেন এবং দু’জনের কান ভারী করতেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে কবরী আপা খুব ক্ষেপে যান।

একদিন কবরী পরিচালিত ‘আয়না’ ছবিটি আমরা বাংলা রিপোর্টারে দেখি। কবরী ছবি দেখতে দেখতে বললেন, নিজের লেখা বইয়ের পাঠক হওয়া আর নিজের পরিচালিত ছবি দেখা একই রকম।

পরে সেই আয়না নিয়ে একটা আলোচনা কবরী আপার প্রতিক্রিয়াসহ বাংলা রিপোর্টারে ছাপা হয়। তার কাউন্টার দেয়ার জন্য ইকবাল হাসান মুক্তিযোদ্ধা সফিউদ্দীন সারোয়ারের একটি সাক্ষাৎকার এনে ছাপার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন। তা বাংলা রিপোর্টারে ছাপা হয়। কিন্তু এটা যে একটা ‘প্যাচ’ তা টের পাইনি। আর সেই সাক্ষাৎকারটি ছাপার জন্যই কবরী আপার বাসায় পার্টি দিয়েছেন সারোয়ার সাহেব এবং ইকবাল হাসান। বাজার, রান্নাবান্না হচ্ছে। কিন্তু কবরী আপাকে ঠিক মতো জানানো হয়নি। তাই তিনি প্রচণ্ড অভিমান আর অপমানে আমার অফিসে হাজির। আমি কাজ করছি। তাঁর মন খারাপ। বিষণ্ণ হয়ে বসে আছেন। তিনি পেছনের বিশাল ছাদে বসে থাকলেন কিছুক্ষণ। আমি চা নিয়ে যোগ দিলাম।

তখন বললেন মনে জমে থাকা দুঃখের কথা। এক পর্যায়ে আফসোস করে বললেন, বোম্বের বিখ্যাত নায়িকা মিনা কুমারী আর বাংলা চলচিত্রের মিনা পাল অর্থাৎ দুই মিনার দুঃখ-বেদনা সমান্তরাল। মিনা কুমারী কবিতা লিখে নিজের যন্ত্রণার উপশম ঘটাতেন। আমি তো তা-ও পারিনা! আমাকে কি তার ‘চান্দ তানহা’ বা ‘মীনা কুমারী কি শায়েরি’ জুগাড় করে দিতে পারেন?
আমি বললাম, বাংলায় অনুবাদ হয়েছে কিনা জানি না। ওসব তো উর্দূতে।
-আমি উর্দূ জানি। উর্দু ভাষার ‘বাহানা’ ও সো’য়ে নদীয়া জাগে পানি’তে অভিনয় করেছি।
-হাহাহাহা।
-হাসলেন কেন?
-জানা আর পাঠ তো এক নয়। আপনি কি উর্দূ পড়তে পারেন।
-তা-ও তো কথা! আসলে তা মাথায় আসেনি। সাংবাদিকদের সাথে পারা মুশকিল।
 
এই সব আলাপচারিতার মধ্যে বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তীতুল্য নায়িকা, রূপকথা রাজকুমারী কবরীকে সেদিন খুব নিঃসঙ্গ মনে হলো এবং ভেজা চোখে নিঃসঙ্গতা প্রকাশ করে বললেন, একজন ভালো স্বামী পেলাম না, ভালো বন্ধু পেলাম না, ভালো মানুষ পেলাম না!

আমি তাঁকে কি শান্তনা দেবো, বুঝতে পারছিলাম না। আমি বললাম, ইমিগ্রেশনের জন্য আপনাকে তো হাজার দিন কানাডায় অবস্থা করতেই হবে। এই ফাঁকে আপনার আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা শুরু করেন।

কবরী আপা রাজি হলেন। আমি স্মৃতিচারণের অনুলিখন লিখবো। সেই সূত্রে মিনা পাল থেকে কবরী হয়ে উঠা, সৈয়দ হকের দেয়া নাম- কবরী, কবরী থেকে সাহরা বেগম, ধর্মান্তরিত জীবন, প্রথম ছবি সুতরাং, নিজের পরিচালিত ছবি আয়না, মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার কথা, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে দিল্লির ছবি ‘জয় বাংলা’ ছবি নির্মাণ, পরিচালকদের আচরণ, ঢাকার ছবিতে রাজ্জাকসহ অন্যান্য নায়কদের সাথে তিক্ত মধুর সম্পর্ক, শাবানা-ববিতার অজানা গল্প জেনেছি। ইকবাল হাসান চাকরি করতেন ইত্তেফাক গ্রুপের সিনে সাপ্তাহিক পূর্বাণীতে। তিনি হাসতে হাসতে মজা করে বলতেন, ইকবাল তখন আমাকে পছন্দ করতো না। সে ফুল নিয়ে ববিতার বাসায় যেতো।

উত্তম-সুচিত্রার মতোই রাজ্জাক-কবরীর জুটি ছিলো প্রবাদতুল্য। আজ সাংবাদিক শর্বাণী দত্ত’র লেখায় পেলামঃ ‘রাজ্জাকের সঙ্গে কেমিস্ট্রি আর প্রেমের গুজব নিয়ে প্রশ্ন করায় কিছুটা বিরক্তি ই দেখিয়েছিলেন। তারপর স্বভাবজাত ঠোঁটকাটা ভঙ্গিতে বললেন, ‘হ্যাঁ, একসঙ্গে অতগুলো প্রেমের ছবি করলে অটোমেটিক দু'জনের ভেতর একটা ভালো লাগার সম্পর্ক হয়ে যায়। আমাদেরও হয়েছিল। না হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। উনি শট দেওয়ার আগেই আমি বুঝতাম উনার অভিব্যক্তি কি হবে, আমি শুধু improvise করে যেতাম। আমাদের অসংখ্য শট ছিল, যেগুলো একবারেই নেওয়া হয়ে যেতো। এত সহজ ছিল উনার সঙ্গে কাজ করা’।

কিন্তু সেদিন কবরী আপা তাঁর জুটি রাজ্জাক সম্পর্কে খুব একটা উচ্ছ্বাস বা আগ্রহ দেখাননি। তবে শ্রদ্ধা-সন্মান দেখিয়েছেন যথেষ্ট।
অনেক অপ্রকাশিত কথা বলতেন আড্ডায়। তাঁর জীবন ছিলো বর্ণিল এবং একই সাথে বেদনায় জড়ানো। একবার একটি স্মরণীয় ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন। হোটেলের লবির এক দিকে নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলছেন। অন্য দিকে ভীষণ ভিড়। প্রবাসী বাঙালিরা এসেছে কবরীর সাথে দেখা করতে, ছবি তুলতে, অটোগ্রাফ নিতে! সেদিন তিনি খুব বিব্রত এবং লজ্জিত হয়েছেন।
ইমিগ্রেশন না নিয়েই ২০০৭ সালেই দেশে ফিরে গেলেন। ২০০৮ সালে বইমেলায় গিয়ে যোগাযোগ করলাম। নিজ হাতে রান্না করে বনানীর লেকের পাড়ে ফ্ল্যাটে নিমন্ত্রণ করলেন। সেদিনও আবার সেই কানাডার দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করতে করতে বললেনঃ ‘দুলাল, শোনেন। আমি কানাডার পি আর কার্ড সারেন্ডার করে দিচ্ছি। আমি ইলেকশন করবো। নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে। যদিও রাজনীতি অনেক টাফ এন্ড রাফ’!

এবার বুঝলাম, তিনি কেন কানাডার ইমিগ্রেশন ছেড়ে দেন। 

প্রথমতঃ সাংসদ-মন্ত্রীদের দ্বৈত নাগরিক বিধি সম্মত নয়। তাই তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। 
দ্বিতীয়তঃ বাংলাদেশ, দেশের মানুষ, শিল্প-সংস্কৃতির সাথে এতো নিবিড় ভাবে জড়িয়ে ছিলেন যে, সেই বন্ধন থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করা তাঁর পক্ষে কঠিন ছিলো। 
তৃতীয়তঃ বিবাহ বিচ্ছেদ, সংসারে ভাঙ্গন বিষয়টি তাঁকে অনেক কিছু থেকেই অনাগ্রহ করে তুলেছিলো।
যাই হোক। আরেক বার গুলশানে কানাডাস্থ দুতাবাসে বউ-বাচ্চাদের ভিসা আনতে গেলাম কোনো এক সকালে। হাতে ঘণ্টা খানেক সময়। কল দিলাম কবরী আপাকে। তিনি বললেন, 'এতো কাছে! বাহ, চলে আসুন- এক সাথে নাস্তা করবো'। অপিকে নিয়ে গেলাম গুলশানের বাসায়। আবারো যথারীতি সেই আপ্যায়ন।
 
২০১৭ সালে বের হলো কবরীর জীবনীগ্রন্থ- স্মৃতিটুকু থাক। ১৫৬ পৃষ্ঠার বইটির ভূমিকা লিখেছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। প্রকাশ করছে বিপিএল প্রকাশনী।
তিনি জড়িয়ে গেলেন রাজনীতিতে। নির্বাচিত সাংসদ হলেন। ছেড়ে দিলেন কানাডার অভিবসানের স্বপ্ন। ফলে আর আমার সেই অনুলিখিন লেখা হলো না!
২০২০ সালে বইমেলায় গিয়ে যোগাযোগ করি। কথা প্রসঙ্গে বলেন, ইত্তেফাকে পাঠানো ববিতাকে নিয়ে আপনার নিউজ দেখি। ইমিগ্রেশনটা সারেন্ডার না করলে আমার ছেলেও আজ কানাডিয়ান হতো!

তারপর তিনি জানতে চান আমেরিকায় শাবানার কথা, কানাডায় ববিতার কথা, চম্পার কথা, আরিফুল হকের কথা। ববিতার ছেলে অনিক পাড়াশোনা শেষ করে এখন কানাডার নাগরিক।
আমার খোঁজ-খবর নিতে গিয়ে জানলেন আমি ‘বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১০০ কবির ১০০ কবিতা’ সম্পাদনা করছি। তিনি বললেন, আমার একটি কবিতা আছে। নেবেন না?

আমি প্রথমে গ্রন্থিত করতে চাইনি। কিন্তু তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করি। আমাকে বাদ দিবেন কেন?
পরে সিদ্ধান্তে নতুন ভাবনা যুক্ত করি যে, যাঁরা কবি না হয়েও বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধায়-ভালোবাসায় কবিতা লিখেছেন; তাঁদের কবিতা নির্বাচিত করি। তাদের মধ্যে ‘অকবি’, গদ্যলেখক কবীর চৌধুরী, ইসমাইল মোহাম্মদ, গাজীউল হক, মাহমুদুল হক, রাহাত খান, হায়াৎ মামুদ, সন্তোষ গুপ্ত এঁদের যুক্ত করি এবং কবরীকেও। কারণ, এটা ঐতিহাসিক ব্যাপার। পরে কবরীর ‘জাতির জনক’ কবিতাটি সংকলনভূক্ত করি। কিন্তু তাঁকে সৌজন্য কপিটা আর দেয়া হয়নি। আর কোন দিন তাঁর লেখক কপি দেয়া হবে না!

লেখক: সাংবাদিক।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা