শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৩৮, শুক্রবার, ২১ মে, ২০২১

মানুষ মানুষের প্রিয়জন হোক, প্রয়োজন নয়

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
মানুষ মানুষের প্রিয়জন হোক, প্রয়োজন নয়

একটা মর্ম স্পর্শী কথা পেলাম “কেউ ভুলে যায় না! প্রয়ােজন শেষ…... তাই আর যােগাযােগ রাখে না"। খুব ছোট একটা লেখা অথচ কেমন করে যেন শূন্য বুকটাতে আঘাত করে যায়। ভিতরের আজন্ম লালিত নির্বোধ কষ্টটা কেমন করে যেন মোচড় দিয়ে উঠে। হয়তো এটাই জীবনবোধের বোঝা টানা উপকথার কাহিনী। রূপকথার গল্পের সাথে জীবনবোধের ঠান্ডা লড়াই।

এই জীবনবোধের গভীরতা থেকে এপিজে আব্দুল কালাম আজাদ তাই বলেছেন, "সম্পর্ক তৈরি করার আগে নিশ্চিত হন, আপনি তার প্রিয়জন, নাকি প্রয়োজন"। কিন্তু বাস্তবের মানুষকে চেনাটা এতটা সহজ নয়। মানুষ খুব সন্তর্পনে মানুষের ভিতরে ঢুকে পড়ে, একটা মায়াবী চশমা চোখে লাগিয়ে ধীরে ধীরে  মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে। তারপর একদিন মানুষের বুক থেকে কলজেটা বের করে নিয়ে বিশ্বাসকে হত্যা করে। স্বার্থপর পৃথিবীর মানুষরা এমনই হয়। সব সময় সামনের দিকটা দেখে, পিছনের দিকটা দেখে না। যেমন স্বার্থপর মানুষ দীপ্যমান সূর্যের সামনের দিকটা দেখে। রাতের আঁধারে চাঁদের মায়াবী রূপকে দেখে। অথচ এদের পিছনের অদেখা পৃথিবীটা দেখে না। 

যে মানুষটা একদিন পৃথিবীকে আলোকিত করেছিল, যেদিন তার প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় সেদিন মানুষ সেই মূল্যহীন হয়ে পড়া মানুষটার আর খোঁজ নেয় না। অকৃতজ্ঞ মানুষ বিবেকহীন আনন্দের শূন্যতায় ঝুলে থাকে, সেটাকে মানুষ জীবনের কোলাহল ভাবে। বাণিজ্যিক পৃথিবীতে তার স্বার্থের জয় ভাবে। অথচ এই আত্মমগ্নতা মানুষের ভিতরের মনুষ্যত্বকে ক্রমাগতভাবে নিঃশেষ করে দেয়। সেখানে আর মানুষ থাকে না, সেখানে মানুষের পরিবর্তে জন্ম হয় অস্থিমজ্জাহীন কংকালদের। আমি আবেগতাড়িত হয়ে কথাগুলো বলছি না। বরং জীবনের অচলায়তন ভেঙে মানুষের ভিতরের মানুষের অনেক গভীরে থাকা একবিন্দু পাপের অনুতাপ থেকে উত্তাপ ছড়ানো অদেখা বাস্তবতা থেকে বলছি। মানুষ সব দেখতে পায় না। যে মানুষটা অন্যের কাছে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে তার একটা একাকিত্বের পৃথিবী তৈরী হয়। সে পৃথিবীর রাজা হয় মানুষটা। তার কোনো রাজা থাকে না। যারা তাকে ত্যাগ করে চলে যায় তারা তার প্রজা হয়ে যায়। এই দর্শনতত্বটা খুব অদ্ভুত। যা মনস্তত্বের জটিলতাকেও হার মানায়।

যে বাবা-মা তিলে তিলে সন্তানদের বড় করে, সেই সন্তানরা উন্নত জীবনের মোহ নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমায়। বাবা-মা অযত্নে-অবহেলায় পড়ে থাকে দেশের মাটিতে। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া  মানুষদের সে সময় সন্তানদের হাত ধরে উঠে দাঁড়াবার খুব প্রয়োজন হয়। সেটা আর কপালে জুটে না। সন্তান যত বড় হয় বাবা-মায়ের সাথে বন্ধনটাও তত দুর্বল হয়। তখন আবেগ প্রযুক্তির বেগের কাছে হার মানে।  কি আপন, কি পর। সবাই যে খুব স্বার্থপর হয়। কিসের ভালোবাসার বন্ধন, কিসের নাড়ির টান। হয়তো সেগুলো বইয়ের পাতায় লেখা কতগুলো নির্বাক শব্দ, অর্থহীন মহান বাণী। আধুনিক প্রযুক্তির একটা মোবাইল ফোনে বিদেশে থাকা সন্তানরা বাবা-মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে। কি আর এমন ঘটে, কিছু না। আর আট-দশটা মৃত্যুর মতো বাবা-মায়ের না ফেরার দেশে চলে যাওয়াটা একটা খবর হয়। তারপর একদিন সময়ের গর্ভে চাপা পড়ে যায় সম্পর্কের অদৃশ্য সুতোর টানগুলো। যারা দেশে থাকে সে সন্তানরা নিজেদের সংসার গড়ে। সে রঙিন সংসারে সাদাকালো যুগের বাবা-মায়েরা কেমন যেন ব্যাক ডেটেড হয়ে যায়। বাবা-মা এক একটা বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।  দামি দামি ফার্নিচার, শোপিচ, গাড়ি, বাড়ি, মোবাইল সবকিছুর সাথে বাবা-মা কেমন যেন বেমানান হয়ে পড়ে। কারণ মানুষের কাছে বস্তুবাদী, ভোগবাদী চিন্তাটা এখন যতটা বড়, মানবতাবাদী চিন্তাটা ততটাই ছোট। যান্ত্রিক মানুষ বাবা-মায়ের তথাকথিত সুখের চিন্তা করে বাবা-মাকে বৃদ্বাশ্রমে রেখে আসে অথচ  সে সুখের অসুখে সে আক্রান্ত হয়। তারপর যার যার তার তার মতো জীবন। এরপর  আর কোনোদিন সন্তানদের মুখ দেখেনা বাবা-মা। 

শিক্ষা নাকি মানুষকে মহত করে, উদার করে, অনেক বড় করে। কিসের কি? যে যত শিক্ষিত হয় সে তত সম্পর্কগুলোকে পদদলিত করে। একটা গরিব অশিক্ষিত মানুষ তার বাবা-মাকে যতটা আগলে রাখে, একটা শিক্ষিত সাহেব গোছের মানুষ ততটাই তার বাবা-মায়ের অবহেলা করে। এই দলছুট সমীকরণটা মেলানো খুব কঠিন। বাবা-মা যখন সন্তানের প্রয়োজন ছিল, তখন হয়তো তারা প্রিয়জন ছিল। প্রয়োজন যদি প্রিয়জন বানায় তবে প্রিয়জনের আমরা যে নাটক সাজিয়েছি সে নাটকের যবনিকাপাত ঘটানো দরকার। কারণ শেষ থেকেই আবার উপলব্ধির যাত্রা শুরু হয়। একতরফা সন্তাদের দোষ দেওয়াটা যৌক্তিক হবে না।আধুনিক পৃথিবীর বাবা-মা এখন নিজেদের স্বার্থের কারণে সন্তানদের অবহেলা করছে। ইট পাথরের প্রাচীরে প্রতিদিন একটার পর একটা সংসারে বাবা-মায়ের সম্পর্কের  ফাটল ধরছে। ছোট ছোট সন্তানরা বাবা-মায়ের এই বিচ্ছেদে একা হয়ে পড়ছে। একটা মমতাহীন পৃথিবীতে সন্তানদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ, অভিমান আর আবেগের যেন কোনো মূল্য নেই। ভোগবাদী পৃথিবী বাবা-মাকেও কেমন যেন উন্মাদ করে দিচ্ছে। ছোট ছোট সন্তানদের চেয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ বড় হয়ে উঠছে। সব যেন উল্টে পাল্টে সভ্যতাকে পিছনে টেনে ধরছে। জানিনা আমার এমন চিন্তাকে কেউ প্রাচীন বলবে কিনা। কারণ আমরা যাকে প্রাচীন বলছি সেটাই আধুনিকতা আর যেটাকে আধুনিকতা বলছি সেটাই প্রাচীন। বাস্তবে মানুষ তার মনস্তত্ত্বে যে চিন্তার বীজ বুনছে সেখানে একটা অস্থিরতার বলয় তৈরী হয়েছে। সে বলয় যেটা মানুষকে ভাবা দরকার সেটা ভাবতে দিচ্ছেন বরং যেটা ভাবা উচিত নয় সেটাই ভাবাচ্ছে।      

একজন ছাত্রের একটা মূল্যবান কথা কেমন করে যেন মনকে নাড়া দিয়ে গেলো। সে লিখেছে, "উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে এসে বুঝেছি শিক্ষার অবহেলা। আমাদের দেশের শিক্ষা দেওয়ার জন্য শিক্ষিত করা হয় না। একটা ডিগ্রী দেবার জন্যই শিক্ষা দেওয়া হয়"। তাহলে আমাদের শিক্ষায় গলদ আছে। যেখানে মুখস্ত বিদ্যায় মানুষকে পারদর্শী করা হলেও তার নতুন চিন্তার স্বকীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। প্রকৃত শিক্ষা অন্ধকারে অবহেলায় পড়ে থাকছে আর যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানাতে পারছেনা সে শিক্ষার সাথে আমাদের সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। একই ভাবে শিক্ষার মতো জীবনের জন্য যে অপরিহার্য  উপাদানগুলো রয়েছে সেগুলোর ঠিক যেভাবে মানুষের সাথে সম্পর্কিত হবার কথা ছিল তা হচ্ছে না। সততা, সহমর্মিতা ও উদারতার সাথে মানুষ সম্পর্ক গড়ছেনা বরং অসততা, অসহিষ্ণুতা, কুপমুন্ডকতার সাথে মানুষের সম্পর্ক গড়ে উঠছে। সমাজের ভালো ও সৃজনশীল মানুষটি মানুষের দ্বারা উপেক্ষিত হচ্ছে। ক্ষমতা, অর্থ আর পেশিশক্তির প্রতি মানুষ আকৃষ্ট হয়ে নেতিবাচক শক্তির সাথে সম্পর্ক গড়ছে। মানুষ মানুষের উদারতাকে দুর্বলতা ভাবছে আর অবৈধতাকে শক্তির উৎস ভাবছে। ধীরে ধীরে  বিনয়, কৃতজ্ঞতাবোধ, আনুগত্য, সদাচারণ নির্বাসিত হচ্ছে। সত্যরা ক্রমশ কোনঠাসা হচ্ছে, মিথ্যারা ক্রমাগত ফণা তুলে উঠছে। গুণীদের সমাজে যত কদর কমছে, নির্বোধ গলাবাজদের তত কদর বাড়ছে। সংখ্যাধিক্যের জোরে যুক্তি, বিজ্ঞান ও পান্ডিত্যের পরাজয় ঘটানো হচ্ছে।

এতো সব অন্ধকার, পশ্চাদ্গামিতা, চিন্তার সংকীর্ণতা মানুষকে আস্টেপিস্টে জড়িয়ে ধরেছে। তারপরও নিঃসঙ্গ আলো অন্ধকারের ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে আলোর যে তারাবাতি জ্বালাতে চায় তাকে রুখবে এমন শুভবোধের শক্তি আর কার আছে। একটুকরো সোনা আগেও যেমন মূল্যবান থাকে তেমনি সব সময় মূল্যবান থাকে। যে মানুষটা মানুষের প্রয়োজন হয়ে প্রিয়জন হয়ে উঠে সে মানুষটা জানে মানুষ তাকে প্রয়োজন মনে করে, প্রিয়জন নয়। সে মনে মনে হাসে, নীরবে কাঁদে। তারপরও সবাই একে একে তাকে ফেলে গেলেও তার পৃথিবীতে সবাই প্রিয়জন হয়েই থাকে। কারণ সে তখন তার পৃথিবীর রাজা হয়ে উঠে। আর সে রাজার কাছে সব প্রজারা সব সময় মূল্যবান বলে বিবেচিত হয়। তারপরও কথা থাকে......তবে সে কথার কোনো উত্তর থাকে না। মানুষের মানুষকে দেখার চোখ একরকম হয়না, সত্যকে দেখার চোখ একরকম  হয়না, সম্পর্ককে দেখার চোখ একরকম হয় না। এটার একটাই কারণ হতে পারে তা হলো একজন মানুষের মন থেকে আরেকজন মানুষের মন সম্পূর্ণ ভিন্ন। সবকিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় হয়তো বা কিন্তু মানুষকে নিয়ে কখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। রাজনীতিতে যেমন শেষ কথা বলে কিছু  নেই, মানুষকে নিয়েও শেষ কথা বলে কিছু নেই। তবে মানুষ রাজনীতির মতো হোক এমনটা আমরা চাই না, মানুষ মানুষের মতন হোক এমনটাই আমরা চাই।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা