শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২৬, শনিবার, ২৯ মে, ২০২১ আপডেট:

শান্তিনিকেতনে এক টুকরো বাংলাদেশ

জাফর ওয়াজেদ
অনলাইন ভার্সন
শান্তিনিকেতনে এক টুকরো বাংলাদেশ

সেই কবে ১৯০৯ সাল তথা ১৩১৬ বাংলা সনে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন ‘বর্তমান যুগ’ প্রবন্ধে, ‘হাজার হাজার শতাব্দীর মধ্যে পৃথিবীতে এমন শতাব্দী খুব অল্পই এসেছে। কেবল আমাদের দেশে নয়, পৃথিবীজুড়ে এক উত্তাল তরঙ্গ উঠেছে। বিশ্বমানব প্রকৃতির মধ্যে একটা চাঞ্চল্য প্রকাশ পেয়েছে, সবাই আজ জাগ্রত। পুরাতন জীর্ণ সংস্কার ত্যাগ করার জন্য, সকল প্রকার অন্যায়কে চূর্ণ করার জন্য, মানবমাত্রেই উঠে পড়ে লেগেছে, নতুনভাবে জীবনকে দেশকে গড়ে তুলবে। ... মানবপ্রকৃতি পূর্ণতার আস্বাদ পেয়েছে। একে এখন কোনো মতেই বাইরের শক্তি দ্বারা চেপে ছোট করে রাখা চলবে না।’ 

রবীন্দ্রনাথের সেই শতাব্দী মূলত বিংশ শতাব্দী। যে সময়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে স্বাধীন সার্বভৌম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই নবীন দেশে নতুনভাবে জীবনকে গড়ে তুলতে চেয়েছিল বাঙালী। হাজার বছরের পরাধীন বাঙালী জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল সেই ১৯৭১ সালে। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বাঙালি নিধনে মত্ত হয়েছিল। এক কোটি বাঙালী সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল শরণার্থী হিসেবে। বাঙালীর অস্তিত্বের লড়াইয়ে সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগিতা দেয়ার মতো দুরূহ, ব্যয়বহুল ও প্রায় অসাধ্য কাজটিই ভারত করেছিল। সেই ভারতেরই পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে বাঙালীর আত্মসাধনার মিলন কেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। ব্রহ্মচর্য আশ্রম থেকে আজ যা মহীরূহ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়েছে। শান্তিনিকেতন তাই শুধু পশ্চিমবঙ্গের নয়, বাংলাদেশেরও। 

রবীন্দ্রনাথ তার সৃষ্টির সেরা সময় অতিবাহিত করেছেন শাহজাদপুর, শিলাইদহে। পূর্ববঙ্গের আকাশ, বাতাস, নদ-নদী; সবুজ মাঠ কবিকে দিয়েছে প্রেরণা। সেই প্রেরণার বাতাবরণে বাংলা সাহিত্য পেয়েছে অমূল্য সম্পদ। উনিশ বছর আগে ১৯৯৯ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী ‘দেশিকোত্তম’ গ্রহণকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে দেশে কালে কালে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির ভাব গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত হওয়ার কথা বলেছিলেন। বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল পূণ্য হয়ে যাতে ওঠে, রবীন্দ্রনাথকে সামনে রেখে সেই প্রার্থনাই করেছিলেন। রাষ্ট্রনায়কোচিত আচরণের বহির্প্রকাশ ঘটিয়ে তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন, যে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে নিজেকে সমাসীন করার জন্য প্রস্তুতি পর্ব সমাপন করে সম্মুখে শান্তি পারাবার নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। ভূগোলের গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি নিজেকে প্রসারিত করেছেন বিশ্বভাবনায়। দেশজ ভাবনার সীমারেখা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশ্বভাবনাকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত জানাতেও পিছপা নন তিনি। আর উনিশ বছর পর একই স্থানে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনা উচ্চারণ করলেন; ‘পারিপার্শ্বিকতা আমাদের আলাদা করে রাখলেও বাঙালীরা মনে প্রাণে এক এবং অভিন্ন। অনেক সময় ক্ষুদ্র স্বার্থ আমাদের মনের মধ্যে দেয়াল তৈরি করে। আমরা ভুল পথে পরিচালিত হই। এই দেয়াল ভাঙতে হবে। মনের ভেতর অন্ধকার দানা বাঁধতে দেয়া যাবে না। ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিতে পারলেই কেবল বৃহত্তর অর্জন সম্ভব।’ সঠিক কথাই বলেছেন শেখ হাসিনা। দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক যোগাযোগও সুদৃঢ় করা সঙ্গত। শান্তিনিকেতনে বহুল আকাঙ্ক্ষিত ও নয়নাভিরাম ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন হলো। বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে নির্মিত বাংলাদেশ ভবনটি দুই বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি, গবেষণা সর্বোপরি জ্ঞানচর্চায় সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। দুই দেশের জ্ঞানপিপাসুদের তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হোক বাংলাদেশ ভবন, এই প্রত্যাশা শেখ হাসিনার মতো দুই বাংলার মানুষেরও। 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও মনে করেন, দুদেশের বন্ধুত্বের প্রতীক এখন এই বাংলাদেশ ভবন। এটা দুদেশের সেই সম্পর্ক, যা ইংরেজরা দেশ ভাগ করেও ভাঙতে পারেনি।

শান্তিনিকেতন বাঙালীর জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। রবীন্দ্রনাথ যাকে বলতেন, ‘মোদের প্রাণের সঙ্গে প্রাণে সে যে মিলিয়েছে এক তানে,/মোদের ভাইয়ের সঙ্গে ভাইকে সে যে করেছে এক-মন।’ আসলেই তাই। শান্তিনিকেতন রবীন্দ্রনাথের কাছে ছিল সব থেকে আপন। বাঙালীর কাছে আজও তাই। শেখ হাসিনা শান্তিনিকেতনের ছাত্রী না হলেও বিশ্বভারতী প্রদত্ত ‘দেশিকোত্তম’ তাকে বিশ্বভারতীর একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। 

বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ। কবির সার্ধশত জন্মবার্ষিকীর উদযাপন ঘিরে বাংলাদেশের অর্থায়নে শান্তিনিকেতনে যে ভবন নির্মাণ হয়েছে, তা ‘সম্প্রীতির প্রতীক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ভবনের ফলক উন্মোচনকালে দুদেশের প্রধানমন্ত্রী সেভাবেই মূল্যায়ন করেছেন। জীবদ্দশায় রবীন্দ্রনাথ সারা এশিয়ার মধ্যে শান্তি ও সৌহার্দ্য স্থাপনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন চীনা ভবন। যা আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আর শতবর্ষ পরে প্রতিষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ ভবন’। শেখ হাসিনার উপস্থিতি রবীন্দ্রনাথ অনন্তলোক থেকে হয়তো অবলোকন করেছেন। হয়তো কবিরও মনে পড়েছে ১৩২১ সালের মাঘ মাসে লেখা ‘আবির্ভাব’ নিবন্ধটির কথা। লিখেছিলেন তিনি, ‘তুমি যে এসেছ মোর ভবনে। রব উঠেছে ভুবনে।’

দূরদর্শী কবি হয়তো এমনটাই ভেবেছিলেন ভাবীকালকে নিয়ে, যে উচ্চতায় শেখ হাসিনা সমাসীন আজ। কবি লিখেছিলেন শতবর্ষেরও আগে, ‘যিনি বিশ্বভুবনের সব জায়গা জুড়ে বসে আছেন, তাকেই আমরা বলছি, ‘তুমি আমার ভবনে অতিথি।’ কারণ, আমার ভবনে তাকে ডাকবার এবং না ডাকবার অধিকার তিনিই আমাকে দিয়েছেন।’ রবীন্দ্রনাথ বাঙালীর আত্মার মধ্যে বসবাস করে আসছেন তার সর্বসত্তা দিয়ে। আর রবীন্দ্রনাথ এই বাংলায় স্থিতি পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতেই। ১৯৬৭ সালে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা শাসকরা রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল। কবি সাহিত্যিক সাংবাদিকদের একটি অংশ এই নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তারা রবীন্দ্রনাথ বিরোধিতায় গদ্যও লিখেছেন। শেখ মুজিব তখন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, রবীন্দ্রনাথের গান আমরা শুনবই। তার কবিতা পাঠ করবো। কেউ তা রুখে দিতে পারবে না। সেই হুমকিতে শাসক গোষ্ঠী তাদের অবস্থান বদলাতে বাধ্য হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে রবীন্দ্রনাথ আবার ফিরে এসেছিলেন এই বাংলায়। 

শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর রবীন্দ্র প্রীতির কথা ভবনের উদ্বোধনকালে বলেছেনও, ‘বঙ্গবন্ধু ঢাকা থেকে স্টিমারে যাওয়ার সময় ডেকে দাঁড়িয়ে কবিগুরুর কবিতা পড়তেন। তার রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা তিনি পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ থেকে।’ তাই দেখতে পাই আমরা কবিগুরুর ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেই ১৯৫৪ সালে কার্জন হলে এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর অনুরোধে সনজীদা খাতুন সেই গান গেয়েছিলেনও। বাঙালীর স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গান প্রেরণা হয়ে সাহস যুগিয়েছে। এখনও রবীন্দ্রনাথ বাঙালীর জন্য প্রাসঙ্গিক হয়ে আছেন। রবীন্দ্রবিশ্বে পূর্ব বাংলার স্থানও অনন্য।

শান্তিনিকেতনে স্থাপিত বাংলাদেশ ভবনের চিত্র সরাসরি সম্প্রচারকালে মুগ্ধ হয়ে দেখেছি। ভবনটি যেন শান্তিনিকেতনে এক টুকরো বাংলাদেশ হয়ে আছে। আর তখন সেই গানটি মনে ভাসছিল, ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি/তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী/ ওগো মা তোমায় দেখে দেখে আঁখি না ফিরে।’ ভবনটির দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ ফিরতে চায় না।

রবীন্দ্র ভুবনে বাংলাদেশের এই অবস্থান প্রাণে প্রাণ যোগ ঘটায় যেন। এই ভবন দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। শাশ্বত বাংলার লোকায়ত সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা যেমন হবে তেমনি রবীন্দ্রভাবনায় ভাবিত হওয়া, শান্তি ও মানবতার জন্য অর্জিত জ্ঞানকে ব্যবহার করার জন্য এই ভবন। শেখ হাসিনা অবশ্য জানান দিয়েছেন যে, এই ভবন হবে এমন একটি অনন্য কেন্দ্র, যেখানে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ; জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান; রবীন্দ্রনাথ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে লেখাপড়া ও গবেষণা করতে পারবে।’ এমন ক্ষেত্র তৈরি হওয়া বাংলাভাষীদের জন্য অবশ্যই গৌরবের এবং আনন্দের। 

কবিগুরুর মতো শেখ হাসিনাও বিশ্বাস করেন, পৃথিবীজুড়ে একটি দেশ, পৃথিবীর সমস্ত মানুষ মিলে একটি জাতি। এবং এটি মেনে নিলে পৃথিবীর সকল মানুষই এক দেশের, এক জাতির মানুষ হবে। দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে বৈরিতা থাকবে না। অবশ্য শেখ হাসিনা এটাও জানেন, এ কথা শুনতে যত সহজ, কাজে তত নয়। খুব উঁচু দরের শিক্ষা সংস্কৃতি থাকলে তবেই লোকে এ কথার মর্ম বুঝবে। প্রতিটি মানুষকে তার নিত্যদিনের অত্যাবশ্যক প্রয়োজন তথা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা চিকিৎসা সম্পর্কে নিশ্চিত করতে হবে। নিজ দেশে শিক্ষার প্রসারে শেখ হাসিনা যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপও নিয়েছেন। 

১৯৯৯ সালে যখন দেশিকোত্তম পান বিশ্বভারতী হতে, তখন শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছিলেন, রবীন্দ্রনাথের প্রতি বাঙালীর অপরিসীম ঋণ। সেই ঋণ অপরিশোধ্য। কিন্তু সেই ঋণ যেন প্রতিটি বাঙালী স্বীকার করে। রবীন্দ্রনাথ বাংলা এবং উপমহাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্ব কবিতে পরিণত হয়েছিলেন। বাঙালীর জীবন চর্চায় তিনি প্রাণ যুগিয়েছেন। তাই রবীন্দ্রনাথের চেতনাকে বাংলাদেশের মানুষ অন্তরে ধারণ করে রাখার জন্য সংগ্রাম করেছে। এই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভবন হবে। যা বাংলাদেশবাসী হিসেবে আমাদের গৌরবান্বিত করে। মোদিও বলেছেন শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে, বঙ্গবন্ধুকে আপনারা যা সম্মান দেন, আমরাও সেই সম্মান দেই। আসলেই তাই, বঙ্গবন্ধু এই উপমহাদেশের মানুষের কাছে সাহসী ও বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে প্রতিভাত। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল ভারত। বর্হিবিশ্বে বঙ্গবন্ধুর পর শেখ হাসিনা বাঙালীর অগ্রগতিকে যতখানি সামনে তুলে এনেছেন, তা অতুলনীয়। বাংলাদেশ সমৃদ্ধ দেশ এবং বাঙালীকে সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে সামনে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশী শেখ হাসিনা। রবীন্দ্রনাথের মতো শেখ হাসিনাও জানেন, যে গাছে সুগন্ধ ফুল ফোটে, সে গাছে আহার্য ফল না ফললেও চলে।’ শান্তিনিকেতনে একটুকরো বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শেখ হাসিনা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন। রবীন্দ্রানুরাগী এবং রবীন্দ্র সাহিত্যের ছাত্রী শেখ হাসিনা জানেন এবং বিশ্বাস করেন, ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিতে পারলেই কোন বৃহত্তর অর্জন সম্ভব। আসানসোলে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনাকে ডি লিট প্রদান করে যথাযথ সম্মান দিয়েছে বলা যায়। বাংলাদেশের জাতীয় কবি নজরুল ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও প্রেরণা হয়েছিলেন। এখনও তিনি প্রাণে প্রাণ যোগান। নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা নজরুলের স্বপ্নপূরণের দিকটি উন্মোচিত করেছেন। রবীন্দ্রনাথ থেকে নজরুল হচ্ছে বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনার প্রেরণার অপর নাম। হয়তো একদিন আসানসোলেও হবে বাংলাদেশ ভবন। কবি নজরুল ঝাঁকড়া চুলে দাঁড়িয়ে থাকবেন এক টুকরো বাংলাদেশে। দুই বাঙালী কবির জীবন চলার পথ খুব মসৃণ ছিল না।

শেখ হাসিনার ধাপে ধাপে সংগ্রাম, ত্যাগ তিতিক্ষার ভেতর দিয়ে এগিয়েছেন তিনি। মহাত্মা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধুর প্রিয় গান, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’ গুনগুন করে শেখ হাসিনাও সুর তোলেন। কিংবা নজরুলের ‘একি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী জননী’ তাকেও আপ্লুত করে।
শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রবলয়ে বাংলাদেশ ভবন বাঙালীর জীবনে প্রেরণা হয়ে থাকবে। সেই সঙ্গে জ্বলজ্বল করে জ্বলবে শেখ হাসিনার নাম। আর বাংলাদেশের বাঙালী বিশ্বসভায় আসন করবে আরও মজবুত।

প্রকাশিত : ২৮ মে ২০১৮

লেখক: মহাপরিচালক, প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

১০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৩০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

৩৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা