শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫০, সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, অপারেশন সার্চলাইট-বিগবার্ড ও তরুণ প্রজন্মের দায়

সাইফুল ইসলাম (স্বপ্নীল)
অনলাইন ভার্সন
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, অপারেশন সার্চলাইট-বিগবার্ড ও তরুণ প্রজন্মের দায়

আমি এ দেশের মানুষ চাই না, মাটি চাই। হ্যাঁ, এটা ইয়াহিয়া খানের নৃশংস ও নির্মম দম্ভোক্তি। ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তানের এক মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানের অন্য মুসলিম ভাইদের প্রতি এ ধরনের উক্তি প্রমাণ করে কতটা হাস্যকর ও অবাস্তব ধর্মের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত একটি রাষ্ট্র। একটি রাষ্ট্রের মূল্যবোধ ও মূলনীতি যখন সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের চিন্তা-চেতনাকে প্রতিফলিত করে না, বরং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বদলে নানা অজুহাতে একনায়কতান্ত্রিক, সেনাশাসন ও স্বৈরশাসনকে বছরের পর বছর উৎসাহিত করা হয়, সে রাষ্ট্রব্যবস্থা জনকল্যাণের পরিবর্তে গলার কাঁটা হিসেবে আবির্ভূত হবে সেটাই স্বাভাবিক।

শেরেবাংলা ও সোহরাওয়ার্দী সাহেব তো ষাটের দশকে গত হয়েছিলেন। ভাসানী সাহেব আইয়ুব খানের শাসনকে No Disturb নীতি গ্রহণ করে প্রকারান্তরে বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষার সাথে উপহাস করেছিলেন। পক্ষান্তরে উদীয়মান, প্রাণচঞ্চল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৫৮'র সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ৬২'র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬'র দফা উত্থাপন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ এবং সর্বশেষ একাত্তরের মহান স্বাধীনতার ঘোষণা ও সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান সবই বঙ্গবন্ধুকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছিল।

ইয়াহিয়া খানের সাথে আলোচনা কার্যত ব্যর্থ হবার পরে ২৫ শে মার্চ সারাদিন বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডির বাসায় কাটিয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর কাছে আসন্ন লড়াই ও সংগ্রামের দিক-নির্দেশনা গ্রহণ করেন। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ধারণা করছিলেন আজকেই কিছু একটা হতে পারে। সেদিন সে বাসার লাইব্রেরিতে বসে বঙ্গবন্ধু ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সাথে রাজনৈতিক আলোচনা করছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামান, কাজী গোলাম মোস্তফা ও ড. কামাল হোসেন।

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর্যালোচনা, আসন্ন মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও সামগ্রিক পদক্ষেপ সম্পর্কিত আলোচনা করছিলেন তারা। বঙ্গবন্ধু তার আলোচনায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছিলেন। বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ডক্টর এম এ ওয়াজেদ মিয়া তার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’ বইতে লিখেছেন , ‘২৫ শে মার্চ সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই আওয়ামী লীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জাতির পিতার সাথে দেখা করে তার নির্দেশ নিয়ে চলে যান’। তিনি আরো বলেন, ২৫ মার্চ রাত ১১টায় ধানমন্ডির বাসার সিঁড়িতে বঙ্গবন্ধুর সাথে কথা হয়েছিল তৎকালীন ছাত্রনেতা আ.স. ম আব্দুর রব, সিরাজুল আলম খান ও শাহজাহান সিরাজের। তারাও আশঙ্কা করছিলেন আজকে রাতেই কিছু একটা হতে পারে। তার পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু তাদের দিকনির্দেশনা দেন।

২৫ মার্চ দিবাগত রাতে অপারেশন সার্চলাইট নামে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালিদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে নির্বিচারে গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করতে থাকে। এমতাবস্থায় ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে গ্রেফতারের পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণা ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র তৃতীয় খণ্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই ঘোষণা উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে এ ঘোষণা দেন তিনি, যা তৎকালীন ইপিআর এর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরে চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ২৬ ও ২৭ মার্চ বেশ কয়েকজন শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।

বঙ্গবন্ধুর ঘোষণার মূল্যবান দলিলটি সেখানে লিপিবদ্ধ হয়েছে এভাবে ‘ইহাই হয়তো আমাদের শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছে, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও। শেখ মুজিবুর রহমান। ২৬ মার্চ, ১৯৭১।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক লেখক মঈদুল হাসানের ভাষ্যমতে, ‘২৫ শে মার্চ সন্ধ্যায় মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সাথেই বঙ্গবন্ধু তাজউদ্দিনকে ঢাকার শহরতলীতে আত্মগোপনের নির্দেশ দেন, যাতে অতি শিগগিরই তারা একত্রিত হতে পারেন’।

২৫ মার্চ বেলা ১১টায় পূর্ব পাকিস্তানের জিওসি জেনারেল খাদিম হোসেন রাজার সাথে পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক টিক্কা খান টেলিফোনে  আলাপচারিতায় বলেন, ‘খাদিম এটা আজই হবে’। পাশে বসা সিদ্দিক সালিক তার উইটনেস টু সারেন্ডার বইতে লিখেন, ‘টিক্কা খানের টেলিফোন খাদিম হোসেন রাজার মধ্যে কোনো উত্তেজনা তৈরি করেনি, তিনি যেন হাতুড়িপেটা করার জন্যই তৈরি ছিলেন’।

বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার জন্য সব প্রস্তুতিই পাক হানাদাররা গ্রহণ করেছিল। রাত একটার দিকে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের সময় নির্দিষ্ট করা হয়। কারণ, সে সময়ের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান নিরাপদে করাচি পৌঁছাতে পারবেন। জাতির পিতাকে গ্রেফতারের পাশাপাশি যুগপৎভাবে অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে নিরস্ত্র, নিরীহ, বেসামরিক বাঙালিদের ওপর পাক হানাদারদের নির্মম, নৃশংস গণহত্যা পরিচালনা করার পরিকল্পনা করা হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতে রাজারবাগ পুলিশলাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা শহরসহ সমগ্র দেশব্যাপী ইতিহাসের বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করে পাকিস্তানি বাহিনী। তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি আবালবৃদ্ধবনিতা।

বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য ক্যান্টনমেন্ট থেকে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে পাক সৈন্যদল ট্যাংক, কামান, গোলাবারুদ নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ এর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। পথিমধ্যে ফার্মগেট এলাকায় সৈন্যদল ব্যারিকেডের সম্মুখীন হয়। সেখানে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া নিরস্ত্র বাঙালির ওপর তাদের স্টেনগান কেঁপে ওঠে। হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে তারা ধানমন্ডি ৩২ এর বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়।

বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য গিয়েছিলেন লে. কর্নেল জেড এ খান ও মেজর বিল্লাল। সিদ্দিক সালিকের ভাষায়, ‘বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কম্পাউন্ডে গুলি চালিয়ে সৈন্যরা তাদের উপস্থিতি জানান দেয়; বঙ্গবন্ধুকে বাইরে বেরিয়ে আসতে বলে। কিন্তু বাড়ির ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। তখন সৈন্যরা বাড়ির দরজা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তখন বঙ্গবন্ধু বেরিয়ে আসেন। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি এটার জন্য তৈরি ছিলেন’।

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মেজর জাফর ওয়ারলেসে বলেন,‘বড় পাখিটা এখন খাঁচায় বন্দি, বাকিদের খুঁজে পাওয়া যায়নি’। সে রাতেই বঙ্গবন্ধুকে আর্মির গাড়িতে করে গণপরিষদ ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেদিন রাতে বঙ্গবন্ধুকে আদমজী স্কুলে রাখা হয়। তারপর ক্যান্টনমেন্ট ফ্ল্যাগ স্টাফ হাউসে ৬ দিন রাখার পর তাকে রাওয়ালপিন্ডি মিয়ানওয়ালি কারাগারে বন্দী করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর পরিবার জানতেন না তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এপ্রিলের প্রথমদিকে করাচি বিমানবন্দরের লাউঞ্জে প্রহরারত অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘২৭ শে মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করা হয়।’

একাত্তরের আগস্টে পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্র জানায়, পশ্চিম পাকিস্তানে সামরিক আইনে শেখ মুজিবের বিচার শুরু হয়েছে। ৪ ডিসেম্বর বিচার শেষ হয়। ঘটনাচক্রে ৩ ডিসেম্বর ভারত মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের চাপ সত্ত্বেও সে বিচারের রায় প্রকাশিত হয়নি।

জেনারেল নিয়াজীর জেলা মিয়ানওয়ালি কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। যেহেতু কারাগারের বন্দী বেশিরভাগই জেনারেল নিয়াজীর জেলার, তাই জেনারেল নিয়াজির মৃত্যু সংবাদের গুজব কারাগারের বন্দীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। কিন্তু জেল সুপার ভোর চারটায় বঙ্গবন্ধুকে তার বাসায় নিয়ে যান। পরে পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় বঙ্গবন্ধুকে নিরাপদে রাখা হয়।

আমাদের একবিংশ শতকের তরুণপ্রজন্ম তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞান-বিজ্ঞান, অত্যাধুনিক জীবনযাপন সবকিছুই চর্চা করে। দুঃখের বিষয় আজকে এই প্রজন্মের অনেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনেক কিছুই জানে না। জানতে চায়ও না। বরং একটা বিকৃত প্রজন্ম লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যারা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের নামে টিটকারি, হাস্যরস, ব্যঙ্গ ও হেয়প্রতিপন্ন করে অনেক মজা পায়। যে জাতি নিজের গৌরবের ইতিহাস চর্চা করে না, নিজের সোনালি অর্জন নিয়ে গর্ব করে না; সে জাতির আত্মা মরে যায়, তৈরি হয় আত্মমর্যাদাহীন পরগাছা প্রজন্ম।

বর্তমান সরকারের ১৫ বছরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনেক চর্চা হলেও বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা ও অন্যান্য মাদ্রাসার ছাত্ররা এ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। কওমি মাদ্রাসায় পড়ুয়া লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে হবে। ইসলামের নামে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের নিরীহ, নিরস্র বাঙালির ওপর যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ও অত্যাচার হয়েছিল সেগুলো সম্পর্কে এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। দেশপ্রেম, মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাহলেই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানবিক ও আগামীর বাংলাদেশ একটি স্মার্ট, সর্বজনীন ও কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

লেখক : শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক
[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

১৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৭ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়