শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২২, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রয়োজন টেকসই পরিকল্পনা

শফিকুল আলম
অনলাইন ভার্সন
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রয়োজন টেকসই পরিকল্পনা

গত দেড় দশকে বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে আমদানিনির্ভরতা হু হু করে বেড়েছে। আবার ২০১৯ সালে এসে দেখা যায়, প্রয়োজনের তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার পরিমাণ অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করলেও বিদ্যুতের অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা কিংবা জ্বালানির আমদানিনির্ভরতা হ্রাসে খুব বেশি উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অর্থিনীতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রয়োজন টেকসই পরিকল্পনাআমদানিনির্ভরতা কিংবা বিদ্যুৎ খাতের মাত্রাতিরিক্ত সক্ষমতার প্রভাব খুব বেশি বোঝা না গেলেও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ২০১৯-২০ অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদনে লক্ষ করা যায়, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জীবাশ্ম জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া মাত্রই (২০২২ সালে) আমাদের জ্বালানি খাতের ভঙ্গুরতা দৃষ্টগোচর হয়। পরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য স্বাভাবিক হলেও আমাদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা রয়েই গেছে। কাজেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

বাস্তবসম্মত চাহিদা প্রাক্কলন
পর্যাপ্ত চাহিদা না থাকায় বিদ্যুেকন্দ্র ভাড়া বাবদ আমাদের প্রতিবছর অনেক টাকা ভর্তুকি গুনতে হয়। আমাদের গ্রিডে যেহেতু আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের পরিমাণ খুবই কম, বর্তমান রিসার্ভ মার্জিন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বলা যায়।  ভবিষ্যতে বিদ্যুতের চাহিদার প্রাক্কলনে সতর্ক হতে হবে, যাতে রিসার্ভ মার্জিন সহনীয় পর্যায়ে রেখে এই খাতের ব্যয় কমানো যায়। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ভবিষ্যৎ অবকাঠামো স্থাপনেও সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনায় ২০৫০ সাল নাগাদ এলএনজির চাহিদার যে প্রাক্কলন করা হয়েছে তা ২০২৩ সালের আমদানীকৃত এলএনজির ৪.৩৫ থেকে ৯.৮৫ গুণ হতে পারে।

প্রতি ইউনিট এলএনজির আমদানি মূল্য মাত্র ৮ ডলার ধরলেও ২০৫০ সালে এলএনজির পেছনে আমাদের ব্যয় হতে পারে ৮ থেকে ১৮.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রকৃতপক্ষে এই খরচ আরো বেশি হবে। সুতরাং আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে, শুধু এলএনজি আমদানি না বাড়িয়ে নিজস্ব গ্যাসকূপ খননে বিনিয়োগ বেশি যুক্তিযুক্ত কি না।

শিল্প খাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়ানো
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রয়োজন টেকসই পরিকল্পনাযখন অনেক বিদ্যুেকন্দ্রকে কম সক্ষমতায় ব্যবহার করায় সরকারকে প্রতিবছর কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ভর্তুকি দিতে হয়, তখন শিল্প খাতে গ্যাসচালিত ক্যাপটিভ জেনারেটর ব্যবহারের অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যালোচনা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, গ্রিডের কম্বাইন্ড সাইকলের বিদ্যুেকন্দ্রগুলোর জ্বালানি দক্ষতা ক্যাপটিভ জেনারেটরের তুলনায় অনেক বেশি।

আবার বেশ কিছু বেইসলোডের বিদ্যুেকন্দ্র শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় গ্রিডের বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ানো না গেলে এই খাতে ভর্তুকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমাধানের একটি পথ হতে পারে শিল্প-কারখানাগুলোকে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহারে উত্সাহিত করা। এ ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়নে উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা
অনেক দিন ধরেই শুধু আলোচনা হচ্ছে, গ্রিডে আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল নবায়নযোগ্য জ্বালানি কতটুকু সংযুক্ত করা যায়? ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল অ্যানালিসিসের (আইইইএফএ) ২০২৩ সালের গবেষণায় দেখা যায়, আমরা দুই থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ (আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল) সহজেই গ্রিডে সংযুক্ত করতে পারি, যা আমাদের খরুচে তেলের (মূলত ফার্নেস অয়েল) ব্যবহার কমাবে। ২০২৫ সালে যেহেতু বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা আরো বাড়বে, আমরা আরেকটু বেশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ গ্রিডে নিতে পারব (ব্যাটারি স্টোরেজ ছাড়া)।

তবে বাস্তবতা হলো, আমাদের গ্রিডে এই মুহূর্তে ৭০৩ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত আছে নেট-মিটারিংয়ের আওতায়, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ রয়েছে ১১২ মেগাওয়াট, আর বায়ুবিদ্যুৎ রয়েছে ৬০ মেগাওয়াট সক্ষমতার। এর পাশাপাশি প্রায় ৪৫০ মেগাওয়াট সক্ষমতার প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রশ্ন থেকেই যায়, ২০৩০ সালে কি আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা (সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ মিলিয়ে) অন্তত ৪০০০ মেগাওয়াট হবে? নাকি তখনো আমরা দিনের বেলা ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করব? যেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে ৩৮২.৮৯ বিলিয়ন টাকা এবং তার পরও লোকসান হয়েছে ৮৭.৬৪ বিলিয়ন টাকা, দিনের বেলা খরুচে তেলভিত্তিক বিদ্যুতের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার করা আর্থিক দিক দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণই বটে।

আবার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ খাতও খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে। কিন্তু এর যন্ত্রাংশের আমদানি শুল্ক কমানোর গুরুত্ব আমরা মনে হয় অনুধাবন করতে পারছি না। হয়তো ভাবছি, শুল্ক অব্যাহতি দিলে আমরা অনেক রাজস্ব হারাব। বাস্তবতা অন্য রকম—১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা থেকে যে রাজস্ব পাওয়া যাবে তা ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আদায়কৃত রাজস্বের ০.০৫ শতাংশের চেয়েও কম। অন্যদিকে ১০০ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ তেলভিত্তিক বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে এক বছরেই এর চেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে। আর ২৫ বছরের জীবদ্দশায় এই সৌরবিদ্যুৎ বাংলাদেশের রাজস্ব বোর্ডের একবার প্রাপ্ত শুল্কের ২৫ গুণের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে। এ ধরনের প্রকল্পে জমি ব্যবহারেরও প্রয়োজন নেই। কাজেই ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ আমদানি শুল্ক মওকুফ বা কমানো যুক্তিসংগত বলা চলে।

একই কথা প্রযোজ্য সৌরবিদ্যুত্চালিত সেচব্যবস্থার ক্ষেত্রে। সেচ খাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে ডিজেল আমদানি কমবে, কিন্তু এই খাতে কোনো প্রণোদনা তো দেওয়া হয় না; বরং উচ্চ আমদানি শুল্ক রয়েছে।

অনেকে ভাবতে পারেন, আমদানি শুল্ক কমানোর চেয়ে আমরা বরং সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ নিজেরাই তৈরি করব। নতুন কারখানা স্থাপনে উদ্যোগ নেওয়া যেতেই পারে। তবে এতে সময় লাগবে। আবার সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ তৈরিতে যে বিশেষ খনিজ (critical minerals) লাগে, তা আমাদের আমদানি করতে হবে।

সব দিক বিবেচনায়, সময়ক্ষেপণ না করে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে নীতিমালায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই
২০২২-২৩ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিডের বিদ্যুতের প্রায় ৫৬ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে বাসাবাড়িতে। ক্রমেই লোকজনের মাঝে বিভিন্ন অ্যপ্লায়েন্স কেনার প্রবণতা বাড়ছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে তাই দক্ষতা বৃদ্ধি ও অপচয় রোধ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যায়, শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানি (বিশেষত গ্যাস) ব্যবহারে সাশ্রয়ের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আবার পর্যাপ্ত জ্বালানি ও বিদ্যুতের অভাবে কয়েক বছর ধরে শিল্প খাত ভুগছে।  কাজেই শিল্প খাতে জ্বালানি নিরীক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় আরো গুরুত্ব দিতে হবে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকায়নে বিনিয়োগ
শিল্প-কারখানাকে গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল করতে হলে বিভ্রাটবিহীন ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে। এ জন্য আমাদের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকায়নে বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই বিনিয়োগের ফলে ভবিষ্যতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বাড়তি সক্ষমতাও গ্রিডে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। কাজেই গ্রিড আধুনিকায়নে বিনিয়োগের যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে।

পরিশেষে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যাগুলো দূর করতে হলে টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে আমাদের অবশ্যই একটি দীর্ঘিমেয়াদি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। দ্রুত পরিবর্তন আনতে গিয়ে খরচ বেড়ে যাতে অসংগতি তৈরি না হয় সে দিকটা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

অন্যদিকে পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর মাঝে সমন্বয় বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা দূর করতে হবে। যেহেতু নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার বাড়ানোতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য, তাই বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গেও সমন্বয় করতে হবে। আবার অংশীজনদের সক্ষমতা বাড়াতেও সরকারি সংস্থা, যেমন—স্রেডাকে কাজ করে যেতে হবে।

লেখক : ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল অ্যানালিসিস (আইইইএফএ)বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৬ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১৮ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়