শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫৩, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১১:৪৯, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

সাংস্কৃতিক মুক্তির প্রশ্নে

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
সাংস্কৃতিক মুক্তির প্রশ্নে

দারিদ্র্য যদি খুঁজি তা-ও আছে, অসাম্য খুঁজলে তা-ও। আমাদের সংস্কৃতিতে এই দুই উপাদানের কোনো অভাব নেই। এবং দারিদ্র্য ও অসাম্যকে এমনিতে যতটা পরস্পর নিকটবর্তী মনে হয়, আসলে তারা তার চেয়েও বেশি ঘনিষ্ঠ। বললে ভুল হবে না মোটেই যে অসাম্যই দারিদ্র্যের মূল কারণ।

অসাম্য যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে ধনীতে ও দরিদ্রে, শহরে ও গ্রামে, শিক্ষিতে ও অশিক্ষিতে, সেই বিভেদই দারিদ্র্য সৃষ্টির জন্য দায়ী—কি অর্থনীতিতে, কি সংস্কৃতিতে, যেমন মূল কাঠামোতে, তেমনি ওপরকাঠামোতে। অর্থনৈতিক দারিদ্র্যের পক্ষে সাংস্কৃতিক দারিদ্র্যের কারণ হওয়ার পথে কোনো প্রতিবন্ধক নেই। এ কথাও অবশ্যি সত্য, টাকা হাতে এলেই যে সংস্কৃতিতে উৎকর্ষ আসবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই, মধ্যপ্রাচ্যের তেল-ধনী কোনো কোনো দেশ এ বিষয়ে সরলরৈখিক সমীকরণ টানার বিপক্ষে রায় দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যেতে হবে কেন, আমাদের হাতের কাছেই হঠাত্-ধনী পরিবার খুঁজলে পাওয়া যাবে, যারা ওপরে যত বেড়েছে, হৃদয়ে তত বাড়েনি।

না, টাকা থাকলেই রুচিবান হওয়া যায় না, কিন্তু বিপরীত পক্ষে আবার টাকা না থাকলে রুচিও বেঁচে থাকে না, কিছুই থাকে না। কেবল খাওয়ার জন্য মানুষ বাঁচে না বটে, তবে বাঁচতে হলে খেতেই হয়।
কিন্তু এ আলোচনার প্রারম্ভেই বোধ করি বলে নেওয়া আবশ্যক যে সংস্কৃতি কোনো সংকীর্ণ অর্থে বিবেচনা করছি না আমরা। সংস্কৃতি বলতে সুকুমার শিল্পের চর্চাকেই শুধু বোঝানো হচ্ছে না, বরং চিন্তা-চেতনার প্রকাশগুলোকেই ধরা হচ্ছে, যাদের মধ্যে সুকুমার শিল্পগুলো থাকবে তো বটেই, কিন্তু কেবল তারাই থাকবে না, সঙ্গে আপন আপন দাবি নিয়ে থাকবে ভাষা ও সাহিত্য, দর্শন ও বিজ্ঞান, থাকবে শিক্ষা ও জ্ঞানানুশীলন।

আসলে সংস্কৃতি হচ্ছে পরিবেশ ও প্রকৃতির ওপর কর্তৃত্ব স্থাপনে মানুষের যে প্রয়াস, তারই বহিঃপ্রকাশ। এই প্রয়াসে আনন্দ আছে, বেদনা আছে। এর অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে চিন্তাধারা। এই প্রয়াসে পরিবেশ ও প্রকৃতি যেমন বদলায়, তেমনি মানুষ নিজেও যায় বদলে।

যদি সংস্কৃতির বিভিন্ন এলাকায় আলাদাভাবে চোখ দিই, তবে দেখা যাবে দারিদ্র্য ও অসাম্য, তারা নানাভাবে নানারূপে কাজ করে যাচ্ছে।

আসলে আমাদের এই আলোচনা সেই দৃষ্টিপাত ভিন্ন অন্য কিছু নয়। সিদ্ধান্তটা যদি আগে থেকেই দিয়ে দেওয়া হয় সে শুধু এই কারণে যে এ কোনো গোপন ব্যাপার নয়, এর মধ্যে লুকোচুরি নেই। সত্যটা সামান্যই, অসামান্য সত্যের কার্যকারিতা, কর্মদক্ষতা ও সর্বত্র বিরাজমানতা।

২.

আমাদের এই অঞ্চলে ভাষা সব সময়েই একটি বড় সমস্যা। তার একটি প্রধান কারণ বেশির ভাগ মানুষই অশিক্ষিত এখানে। অশিক্ষিতজনের কোনো ভাষা নেই, এক আর্তনাদ এবং ক্বচিত্-কখনো হুংকার ছাড়া। কিন্তু শিক্ষিতজনের মধ্যেও ভাষার সমস্যা বারবার দেখা গেছে, অত্যন্ত কিম্ভূত, নিতান্ত কুৎসিত আকারে। বাংলা এখানে রাষ্ট্রভাষা আগে কখনোই ছিল না। শাসক ও শাসকের সহযোগী শ্রেণি সংস্কৃতের চর্চা করেছে কখনো, কখনো ফারসির, তারপর ইংরেজির, এমনকি সেবা করতে চেয়েছিল উর্দুরও। নিকট অতীতেও ইংরেজির প্রবল প্রাদুর্ভাব ছিল। দুইবার স্বাধীন হওয়ার পরও ইংরেজির চল কমেনি, বাড়ছেই বরং দিনকে দিন। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে নতুন করে শপথ নিতে হয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষা প্রচলনের। সে শপথ পরের দিনই বিলীন হয় বিস্মৃতির গহ্বরে। বলা বাহুল্য, এর কারণটা খুবই স্পষ্ট। ইংরেজ গেছে, আমেরিকা এসেছে, সাম্রাজ্যবাদ ঘটা করে চলে গেল নতুন করে, আরো প্রবলভাবে ফিরে আসার জন্য।

আজ দুর্ভাগা বাংলাদেশের সর্বত্র বিদেশের উপস্থিতি, তার পুঁজি আসছে বিদেশ থেকে, আসছে ঋণ, দান, অনুদান সাহায্য। বিক্রি হয়ে যাচ্ছে পানির মাছ, হবে মনে হয় মাটির নিচের গ্যাস, ওপরের আকাশ। যুগ-যুগান্তরের জন্য বন্ধক রাখা হয়ে গেছে আমাদের ভবিষ্যত্। যার গায়ের জামায়, মুখের ভাষায়, মেধার রেখায় যত বেশি বিদেশের ছাপ, সে-ই তত বেশি মহত্ এ দেশে। তেমন অবস্থায় বাংলা কেন চলবে? না, চলে না। সমাজের অধিপতি শ্রেণি বাংলা চর্চা করে না। বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা বাংলা, না উর্দু—এই মর্মান্তিক বিতর্ক একদিন উঠেছিল। আজও উঠতে পারে নতুন এক বিতর্ক—বাঙালির মাতৃভাষা বাংলা, নাকি ইংরেজি? উচ্চশিক্ষিত বাঙালির প্রধান অংশটাই বাংলাচর্চায় যেমন অনভ্যস্ত, তেমনি অনাগ্রহী। এমনকি যে বাঙালি বাংলা ব্যবহার করে, তারও বাক্যের মধ্যে ইংরেজির অনুপ্রবেশ ক্রমবর্ধমান। কারণ এই শ্রেণির মধ্যে উদগ্র লালসাটা হলো যেকোনো পথে হোক, যেকোনোভাবেই হোক সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। এরা উপগ্রহ, গ্রহের আলোকেই আলোকিত। এটা একদিক। অন্যদিকে এই শ্রেণি দেশের ব্যাপক জনসাধারণের সঙ্গে নিজের দূরত্বটাকে যেভাবে পারে, যতটা পারে বজায় রাখতে চায়। সে ক্ষেত্রেও ভাষা মানুষের সহায়ক বটে। ভাষা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, কিন্তু এ ক্ষেত্রে ভাষা মানুষকে বিচ্ছিন্ন করেছে। ইংরেজি আসছে বিচ্ছিন্নতার তথা আভিজাত্যের স্মারক চিহ্ন হিসেবে। যেমন—এককালে ফারসি এসেছিল, তার আগে এসেছিল সংস্কৃত। আবির্ভাব হয়েছিল উর্দুরও। ফস করে যদি কেউ প্রশ্ন করেন, বাংলা ভাষাটা তাহলে কোথায় আছে? বলা যাবে সে আছে সাধারণ মানুষের জীবনে। এ দেশের সাধারণ মানুষ অসাধারণরূপে বিপন্ন, কিন্তু সেই বিপন্ন মানুষই বিপন্ন ভাষাকে রক্ষা করছে, মা যেমন রক্ষা করেন আপন শিশুকে। বিদেশিরা বারবার এসেছে এ দেশে, এসে শাসন করেছে দেশ, তাদের তাঁবেদার শ্রেণি শাসকদের ভাষাকেই নিজেদের ভাষা হিসেবে সানন্দে মেনে নিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ ওই ‘অসিলাটা’ পায়নি, তারা থেকেছে নিজস্ব ‘অন্ধকারে’, যায়নি দালালির পথে, হয়নি বেনিয়া-ফড়িয়া কিংবা আমলা। তাদের ভাষা সব যুগেই স্বদেশি ভাষা। এমনকি বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনও সফল হতো না (যতটা হয়েছে) যদি না সাধারণ মানুষ নিজেদের নতুনভাবে বিপন্ন করে এগিয়ে এসে যোগ দিত লড়াইয়ে।

মাতৃভাষা চর্চাই যদি দেশপ্রেমের সবচেয়ে অকৃত্রিম ও নির্ভরযোগ্য নিরিখ হয়, তাহলে এ দেশের শ্রমিক-কৃষকই যে সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক, সেই বিষয়ে কোনো প্রকার সন্দেহ থাকে না; শ্রমিকের চেয়েও উচ্চস্থান কৃষকের। বিদেশ কৃষককে ছুঁয়েছে সবচেয়ে কম। যে শ্রেণি উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রধান শক্তি, সেই একই শ্রেণি যে সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক, এ ঘটনা তাৎপর্যবিহীন নয়।

কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের সত্যি কোনো ভাষা আছে কি? সেও তো একটি মর্মান্তিক প্রশ্ন। শ্রমজীবী মানুষেয় জীবনটা ছোট শিশুর জীবনের চেয়েও সংকীর্ণ। কেননা তাতে শিশুর হ্রস্বত্ব আছে ঠিকই, কিন্তু শিশুর কল্পনাটা নেই। যেন আজন্ম বৃদ্ধ সে, লোলচর্ম। বাংলাদেশের গ্রামগুলোর মতোই অন্ধকারাচ্ছন্ন-আতঙ্কে জড়সড়। না, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মতো ভাষাহীন প্রাণী খুঁজে পাওয়া ভার। বিষয়ীর সঙ্গে বিষয় এখানে এমন গলাগলি, ঠাসাঠাসি করে দাঁড়িয়ে যে সাধ্য কি সেখানে ভাষা প্রবেশ করে, অন্তঃপ্রবিষ্ট হয় বস্তুজ্ঞান অথবা তত্ত্বচিন্তা। বিশেষ্যকে সেখানে ছাপিয়ে ওঠে বিশেষণ। তাই যদি হয়, কেমন করে তাহলে বলব যে সাধারণ মানুষের অতিসংকীর্ণ জীবনে ভাষা আছে? না, এক অর্থে ভাষা নেই। আর এখানেই আরেকটি মর্মান্তিকতা, যাদের মুখে ভাষা নেই, ভাষা রক্ষার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হচ্ছে। এ অবশ্যি অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় আমাদের দেশে। এখানে উৎপাদন যে করে, উৎপাদিত পণ্য সে ভোগ করে না, এখানে দরিদ্রই দরিদ্রকে সাহায্য করে এবং দরিদ্রই ধনীকে বাঁচায়।

উচ্চবিত্তদের জীবনে বাংলার চলনটা কম। বিত্তের উচ্চতা ও বাংলার ব্যবহার বিপরীত অনুপাতে চলে। এই বৈপরীত্য বাড়ছে বৈ কমছে না। আমাদের উচ্চবিত্তদের জগত্ এত বেশি উদার ও বৃহত্, সাহসী ও বিকাশপ্রিয় যে তারা ও বিত্তহীনরা যে একই দেশের মানুষ, তা ভাবলে যে ধাঁধা লাগে না তার কারণ আমরা এ বিষয়ে ভাবিই না। এদের জগত্ মোটামুটি আন্তর্জাতিক, আর আন্তর্জাতিক মানে বাংলার উচ্চমূল্য নির্ধারণ সহজ কাজ নয়।

মাঝখানে মধ্যবিত্ত, তার জীবনে বাংলার চল উচ্চবিত্তের চেয়ে বেশি, কিন্তু বিত্তহীনের তুলনায় কম। মধ্যবিত্ত চিরকালই অসন্তুষ্ট, এ ক্ষেত্রেও তার স্বাভাবিক অসন্তোষ বিদ্যমান। সে অসন্তুষ্ট উচ্চবিত্ত থেকে সে যথেষ্ট দূরের বলে, অর্থাত্ কিনা যদৃচ্ছা ইংরেজি ব্যবহার করতে পারে না দেখে এবং অন্যদিকে আবার অসন্তুষ্ট নিম্নবর্তী শ্রেণির যথেষ্ট নিকটবর্তী বলে, অর্থাত্ কিনা বাংলা বহুল পরিমাণে ব্যবহার করতে হয় দেখে। ব্যাপারটা এমন স্পষ্ট নয়, কিন্তু অস্পষ্টভাবে হলেও ব্যাপারটা এই রকমই।

আমরা বলে থাকি, বাংলা চলছে না। কথাটির অর্থ কী? একটি অর্থ, অফিস-আদালতে চলছে না; শিক্ষায়, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষায় চলছে না। অফিস-আদালতে বাংলা চলবে, বাংলা ছাড়া আর কিছুই চলবে না, এই রকম হুকুম থেকে থেকে জারি হয়, কিন্তু এই ভীতির দেশেও অফিসের কলম দেখা যাচ্ছে বেশ নির্ভীক, ইংরেজিই লেখে সে নির্ভয়ে। এমনকি ভুল লিখলেও। কিন্তু না হয় ধরেই নিলাম আমরা আমাদের ঈপ্সিত লক্ষ্যে সত্যি পৌঁছে গেলাম, বাংলা ছাড়া আর কোনো ফাইলই চলছে না, কিন্তু সেই চলমানতায় কি লিখিত বাংলা ভাষা সর্বত্র চলে যাবে, পৌঁছে যাবে দীনদরিদ্র, অশিক্ষিত, অখ্যাতজনের কুঁড়েঘরে। অক্ষরজ্ঞান কি সবার আছে, সবার কি সামর্থ্য আছে বই কিনবে, কিনে পড়বে?

কিন্তু অফিসে-আদালতে এবং উচ্চশিক্ষায় বাংলা চালু হয়ে যাবে এই কল্পনাটাও আপাতত আকাশকুসুম বটে। প্রথম সত্য এই যে আমাদের বিদেশনির্ভরতাকে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করে বাংলা ভাষাকে আমরা

যথোপযুক্তরূপে এমনকি অফিসে-আদালতেও চালু করতে পারব না, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তো নয়ই। টাকা যেখান থেকে আসে, ভাষাও সেখান থেকেই আসবে। টাকাই আসলে কথা বলে, অন্য সব কিছুকে ছাপিয়ে ওঠে তার গলার স্বর। সামাজিক বীররা বাংলা বলেন না বা যত কম বলেন, ততই বেশি পরিমাণে বীরের মর্যাদা পান—এই দৃশ্য আমরা অতীতে দেখেছি, ভবিষ্যতেও দেখতে থাকব, যদি না হঠাত্ করে সামাজিক বিপ্লব ঘটে যায়। দ্বিতীয়ত, অফিসে-আদালতে বাংলা চলছে, বাংলা ছাড়া আর কিছুই চলছে না—এই লোমহর্ষক ছবি দেশবাসীর জন্য বৈপ্লবিক কোনো মঙ্গল আপনা থেকেই বয়ে নিয়ে আসবে এমনও তো ভরসা হয় না। জেল-ফাঁসি তো মস্ত ব্যাপার, জরিমানার কথাটাই যদি ইংরেজিতে না এসে বাংলায় আসে, তাহলে আমরা যে আহ্লাদে একেবারে আটখানা হব এমন তো ভরসা রাখি না। বাংলা, ইংরেজি, আরবি, উর্দু সবই সমান তখন আমাদের কাছে। বাংলা ভাষায় উচ্চশিক্ষা দেব কী করে? পাঠ্যপুস্তক কোথায়? কোথায় পরিভাষা? কে করবে অনুবাদ? এই সমস্ত উত্তেজিত প্রশ্নের অভ্যন্তরে আছে একটি শান্ত সিদ্ধান্ত, পাঠ্যপুস্তক দেশে লেখা হবে না, তাকে আনতে হবে বিদেশ থেকে, তার বিষয়বস্তু আপাদমস্তক বিদেশি, আবরণটাই শুধু স্বদেশি। ওইটুকুই। উচ্চশিক্ষা সব দিক দিয়েই বিদেশমুখো এবং বিদেশে তো বাংলার চল নেই।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন