শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৭, সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

স্থবির পুঁজিবাজার স্বাভাবিক করতে বিএসইসির কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন

নিরঞ্জন রায়
অনলাইন ভার্সন
স্থবির পুঁজিবাজার স্বাভাবিক করতে বিএসইসির কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন

দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘদিন ধরে বেশ খারাপ অবস্থায় পড়ে আছে। পুঁজিবাজারের যে দুটি অবস্থান অর্থাৎ প্রাথমিক পুঁজিবাজার এবং দ্বিতীয় স্তরের পুঁজিবাজার, উভয় খাতেই মারাত্মক স্থবিরতা বিরাজ করছে। প্রাথমিক পুঁজিবাজার মূলত এমন একটি অবস্থান, যেখান থেকে আইপিও (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং) শেয়ার বিক্রি করে কম্পানি মূলধন সংগ্রহের সুযোগ পায়। একটি লিমিটেড কম্পানি যে পদ্ধতিতে প্রথমেই জনগণের মাঝে শেয়ার বিক্রি করে প্রাথমিক মূলধন সংগ্রহ করে, সেটিই হচ্ছে প্রাথমিক পুঁজিবাজার বা প্রাইমারি মার্কেট।


পক্ষান্তরে কম্পানির ইস্যু করা আইপিও শেয়ার যেখানে বা যে পদ্ধতিতে ক্রয়-বিক্রয় বা হাতবদল হয়, সেটিই হচ্ছে দ্বিতীয় স্তরের পুঁজিবাজার বা সেকেন্ডারি মার্কেট। দেশের স্টক মার্কেট হচ্ছে পুঁজিবাজারের দ্বিতীয় স্তরের বাজার। পুঁজিবাজারের জন্য দুটি পদ্ধতি অর্থাৎ প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি মার্কেট ওতপ্রোতভাবে জড়িত হলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার বলতে স্টক মার্কেটকেই বুঝে থাকে।

বেশ কিছুদিন ধরে পুঁজিবাজারের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উভয় মার্কেটে মন্দা অবস্থা বিরাজ করলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা স্টক মার্কেটের মন্দা অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রাইমারি মার্কেট যেহেতু আইপিও শেয়ারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই সংখ্যায় কম আইপিও বাজারে এলে সেখানে মন্দা অবস্থা বিরাজ করে। কম আইপিও আসার কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কিছু লাভ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। কিন্তু এ কারণে তাঁরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন না। আইপিও বাজার মন্দা থাকলে বিনিয়োগকারীদের চেয়ে উদ্যোক্তা বা কম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বেশি খারাপ অবস্থায় থাকে।

কেননা তারা পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং তাদের ব্যবসার অগ্রগতি থমকে যায়। প্রাইমারি মার্কেটের ঠিক উল্টা অবস্থা বিরাজ করে স্টক মার্কেটে। কেননা স্টক মার্কেটে মন্দা অবস্থা থাকলে উদ্যোক্তা বা কম্পানির তেমন কোনো সমস্যা হয় না বললেই চলে। কিন্তু সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হন যখন দেশের স্টক মার্কেটে মন্দা অবস্থা বিরাজ করে।

পুঁজিবাজার মন্দা থাকতেই পারে।

কিন্তু মন্দা থাকার চেয়েও বেশি খারাপ অবস্থা হচ্ছে স্থবির হয়ে থাকা। আমাদের দেশে পুঁজিবাজার মূলত স্থবির হয়ে পড়ে আছে। পুঁজিবাজারের বৈশিষ্ট্যই এমন যে এখানে কখনো চাঙ্গাভাব বিরাজ করবে আবার কখনো মন্দা অবস্থা থাকবে। এককথায় পুঁজিবাজার হচ্ছে এমন একটি স্থান, যেখানে ষাঁড় এবং ভালুক (বুল অ্যান্ড বিয়ার) উভয়ই অবস্থান করে। পুঁজিবাজারে ষাঁড় এবং ভালুকের অবস্থান জেনেই বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করতে আসেন। কিন্তু তাঁরা এটি কখনো বিবেচনায় নেন না যে এখানে দীর্ঘ সময় স্থবির অবস্থা বিরাজ করবে। আমাদের দেশের পুঁজিবাজার মূলত স্থবির হয়ে আছে দীর্ঘ সময় ধরে।
পুঁজিবাজারে মন্দা অবস্থা বিরাজ করা আর স্থবির হয়ে থাকার মধ্যে পার্থক্য আছে। পুঁজিবাজারে যখন  বেশির ভাগ শেয়ারের ক্রমাগত দরপতন ঘটে এবং শেয়ার মূল্যসূচক হ্রাস পেতে থাকে, তখন বলা হয় পুঁজিবাজারে মন্দা অবস্থা চলছে। বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন ঘটলেও শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ যে সব সময় কমে তেমন নয়, বরং শেয়ারের দাম কমলেও শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ বাড়তেও পারে এবং অতীতে এ রকম অনেক হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, শেয়ারবাজারে মন্দা অবস্থা বিরাজ করলেও বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন না। তাঁরা বাজারেই থাকেন এবং অবস্থা বুঝে তাঁদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের কৌশল নির্ধারণ করেন। অবশ্য কিছু দুর্বল চিত্তের বিনিয়োগকারী থাকেন, যাঁরা আতঙ্কিত হয়ে তড়িঘড়ি শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে সরে যান। আবার বাজার ভালোর দিকে মোড় নিতেই সেসব বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে ফিরেও আসেন।

পুঁজিবাজার স্থবির হয়ে থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে শুধু যে শেয়ারের দরপতন এবং শেয়ার মূল্যসূচক হ্রাস পায় তেমন নয়, সেই সঙ্গে শেয়ার লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হ্রাস পায়। শেয়ার লেনদেনে কোনো রকম গতি থাকে না। বিনিয়োগকারীরা দিশাহারা অবস্থায় পড়ে যান। অনেক খুচরা বিনিয়োগকারী তো বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও কিছুটা গুটিয়ে থাকে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সে রকম তৎপরতা মোটেই লক্ষ করা যায় না। সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকেও সে রকম দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় না। সাধারণত যেসব পুঁজিবাজার সেভাবে পরিপক্ব বা ম্যাচিউরড নয়, সেখানেই এ ধরনের অবস্থা হয়। এর বাইরে যখন দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বিরাজ করে, তখনো সেখানকার পুঁজিবাজারে স্থবিরতা বিরাজ করে। মন্দা পুঁজিবাজারেও শেয়ার লেনদেনের কার্যক্রম যথারীতি চালু থাকে এবং কিছু বিনিয়োগকারী যেমন লাভবান হন, তেমনি অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হন, যা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু পুঁজিবাজার যখন স্থবির হয়ে থাকে, তখন বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি সব কিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুঁজিবাজার স্থবির হয়ে থাকার কারণে দুই ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে। প্রথমত, স্বল্পমেয়াদি বা তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং স্টক মার্কেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ। দ্বিতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্মুখীন হয় দেশের পুঁজিবাজার ও অর্থনীতি।

পুঁজিবাজারে বিরাজমান স্থবির অবস্থা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তাদের কার্যকর ভূমিকা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপই পারে স্থবির পুঁজিবাজারকে কার্যকর করে তুলতে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে বিএসইসি পুঁজিবাজারকে কার্যকর এবং বিনিয়োগবান্ধব রাখতে সেই ভূমিকা পালন করতে পারছে বলে মনে হয় না। পুঁজিবাজারে তাদের অবস্থানই এখন সেভাবে বোঝা যায় না। মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মতৎপরতা অন্তত দৃশ্যমান। ফলাফল যেমনই হোক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু পদক্ষেপ বেশ আঁচ করা যায়। সেই তুলনায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির অবস্থান মোটেই দৃশ্যমান নয়। অবস্থা দেখে মনে হয় যে পুঁজিবাজারের চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বেশি ঝিমিয়ে পড়েছে। অথচ এ কথা অনস্বীকার্য যে পুঁজিবাজারে বিএসইসি যত বেশি তাদের দৃঢ় অবস্থান দৃশ্যমান করতে পারবে, তত দ্রুত পুঁজিবাজারের স্থবিরতা কাটতে থাকবে। তবে এই দৃশ্যমান অবস্থানের অর্থ এই নয় যে তাদের দেখে বিনিয়োগকারী ভীতসন্ত্রস্ত হবেন। মূলত তাদের দৃশ্যমান কৌশল এমন হবে, যেখানে দুষ্ট বিনিয়োগকারী বা বাজার কারসাজির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের জন্য বিএসইসি হবে এক আতঙ্ক এবং ভালো বিনিয়োগকারীর জন্য হবে সবচেয়ে বেশি আস্থার জায়গা।

সারা বিশ্বে, এমনকি অনেক উন্নয়নশীল দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ধরন, বিনিয়োগ মাধ্যম—সব কিছুতেই এসেছে অনেক পরিবর্তন এবং আধুনিকতা। অথচ আমাদের দেশের শেয়ারবাজার সেই সেকেলে ধরনের ব্যক্তি উদ্যোগে স্টক ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। পোর্টফলিও ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের সুযোগ সেভাবে সৃষ্টি হয়নি। সম্পদ ব্যবস্থাপনা বা ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট আমাদের দেশে এখনো এক অচেনা বিনিয়োগ প্রডাক্ট। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ব্যবস্থা একেবারেই নেই। প্রবাসী মিউচুয়াল ফান্ড গঠন করে প্রবাসীদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেই। কার্যকর বন্ড মার্কেট চালু করে কম ঝুঁকির, মধ্যম ঝুঁকির এবং অধিক ঝুঁকির বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। সর্বোপরি আমরা দেশের বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে পারিনি যে শেয়ারবাজার মোটেই রাতারাতি বড়লোক হওয়ার জায়গা নয়, বরং এটি ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের একটি বিকল্প ব্যবস্থা, যেখান থেকে ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের ওপর উপার্জনের চেয়ে কিছু কম উপার্জন হবে, কিন্তু ভবিষ্যতে ভালো উপার্জনের একটি সুযোগ থাকবে।

দেশে স্থিতিশীল পুঁজিবাজারের স্বার্থে বিএসইসি এই কাজগুলো করতে সক্ষম হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর বিএসইসির পুরো কমিশন অর্থাৎ চেয়ারম্যান, মেম্বার সবাই পরিবর্তন হয়েছেন। এখন যাঁরা এসেছেন, তাঁরা সবাই নতুন এবং তাঁদের পেশগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যথেষ্টই আছে। কিন্তু তার পরও দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে তাঁরা সে রকম ভূমিকা এখন পর্যন্ত রাখতে পারেননি। বিএসইসির যে কাঠামো, সেখানে কমিশন নিয়োগ হয় নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য। পক্ষান্তরে কমিশনের কর্মকর্তারা সেখানে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে তাঁদের পেশাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অনেক বেশি। তাঁরা একদিকে যেমন কমিশনকে সহযোগিতা করেন সঠিকভাবে পুঁজিবাজার বিষয়ে নীতি প্রণয়নে, অন্যদিকে তেমনি সেই নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন কমিশনের কর্মকর্তারাই। ফলে পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএসইসির কমিশন ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকতে হয় এবং আছেও। কিন্তু মাঝেমধ্যে কিছু ব্যত্যয় ঘটে এবং তখনই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দেশের শেয়ারবাজারে। এ রকম কিছু ব্যত্যয়ের ঘটনা সম্প্রতি এই বিএসইসিতে ঘটেছে এবং এর প্রভাব নিশ্চয়ই শেয়ারবাজারে পড়েছে। যেসব কর্মকর্তা ভুক্তভোগী, তাঁরা নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং তাঁদের অবদান থেকে দেশের শেয়ারবাজার বঞ্চিত হয়। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় যখন ভুক্তভোগী নন এমন কর্মকর্তাও স্বচ্ছন্দে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না এই চিন্তা থেকে যে ভবিষ্যতে তাঁরাও ভুক্তভোগী হতে পারেন। এ রকম অবস্থায় সব কর্মকর্তার পক্ষে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ দেশের পুঁজিবাজার এখন যে অবস্থায় আছে, সেখান থেকে এর উন্নতি ঘটাতে হলে বিএসইসির নিরন্তর কাজ করার প্রয়োজন আছে। কমিশন এবং কর্মকর্তা একযোগে কমিটমেন্ট নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারলেই পুঁজিবাজারের স্থবিরতা কাটতে পারে। পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএসইসির অনেক কিছু করার আছে। কেননা দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএসইসির ভূমিকাই মুখ্য। 
 

লেখক : সার্টিফায়েড অ্যান্টি মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

২৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন