Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ জুন, ২০১৯ ১১:৫০

'ঘুংঘুর সম্মাননা' পেলেন হাসান ফেরদৌস

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে

'ঘুংঘুর সম্মাননা' পেলেন হাসান ফেরদৌস

 বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেছেন, আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন, আমরা বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা, লালসবুজের পতাকার প্রতিনিধিত্ব করছি। এই চেতনা সমুন্নত রেখেই আমাদের এগোতে হবে। মনে রাখতে হবে, বাংলা ভাষার ঐতিহ্য হাজার বছরের।

নিউইয়র্কে লিটল ম্যাগাজিন 'ঘুংঘুর'-এর ৫ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল তিন পর্বে বিভক্ত। 'ঘুংঘুর' এর ৫ বছর, এর ওয়েবজিন উদ্বোধন এবং সম্মাননা পর্ব।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক এবং কালি ও কলম সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক কবি আবুল হাসনাত।

বিশিষ্ট নাট্যজন শিরিন বকুলের উপস্থাপনায় শুরুতেই ভূমিকা বক্তব্য রাখেন 'ঘুংঘুর' সম্পাদক লেখক-কবি হুমায়ূন কবির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন 'ঘুংঘুর' সম্পাদনা পরিষদের সদস্য কবি ফকির ইলিয়াস। 

'ঘুংঘুর'কে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য দেন লিটল ম্যাগাজিন 'পঞ্চায়েত' এর সম্পাদনা পরিষদের সদস্য মাসুম আহমদ। এরপরে ঘুংঘুর সম্পর্কে কথা বলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক। তিনি এই লিটল ম্যাগাজিনের সমৃদ্ধি কামনা করেন।

দ্বিতীয় পর্বে ঘুংঘুর এর ওয়েবজিন উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। মুহুর্মুহু করতালির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় এই পর্ব।

তৃতীয়পর্বে ছিল সম্মাননা প্রদান। এবার এই সম্মাননা পেয়েছেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, চিন্তক হাসান ফেরদৌস। তাঁর পরিচিতি পর্ব তুলে ধরেন আরেকজন প্রাজ্ঞ প্রাবন্ধিক আহমাদ মাযহার। হাসান ফেরদৌস সম্পর্কে লিখিত বক্তব্য দেন কালি ও কলম সম্পাদক আবুল হাসনাত। তিনি হাসান ফেরদৌসের লেখালেখির শুরু ও তাঁর দীর্ঘ পথচলার বিবরণ তুলে ধরেন। 

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ২০১৭ সালে 'ঘুংঘুর'-সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বেলাল বেগ। 

হাসান ফেরদৌসকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আবুল হাসনাত। তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে হাসান ফেরদৌস বলেন, আমি প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু আমার বন্ধুরা যখন আমাকে একটি ফুলও দেন- তা খুব সানন্দে গ্রহণ করি। 'ঘুংঘুর'কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সাহিত্যের কাজটি মোটেই সহজ নয়। যারা এই কাজটি করেন, তারা নিশ্চয়ই মানুষের-মানবতার কল্যাণের জন্য নিবেদিত।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে একটি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে ডিনারে আপ্যায়িত করা হয়। 

বিডি-প্রতিদিন/২০ জুন, ২০১৯/মাহবুব


আপনার মন্তব্য