শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৯:৫৭
আপডেট : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:১০

জিতেও হার ৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর, এমনটাই অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

জিতেও হার ৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর, এমনটাই অভিযোগ
আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ফল জালিয়াতি করে ভোটে হারিয়ে দেয়ার অভিযোগ বাড়ছে। ভোটের সংখ্যা পাল্টে প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দক্ষিণের ৩১ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড এবং উত্তর সিটির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া হিসাবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী জানতেন জিতেছেন ২৭ ভোটে। কিন্তু রাতে প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে তিনি দেখেন টিফিন ক্যারিয়ার মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়েদ আদেল এর কাছে হেরেছেন ২১০ ভোটে।

রবিবার রির্টার্নিং অফিসে গিয়ে কাগজপত্রসহ বিষয়টি জানান রির্টানিং কর্মকর্তাকে। পরে সন্ধ্যায় গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ফলাফল স্থগিত করেন দক্ষিনের রিটার্নিং কর্মকর্তা।

একই সিটির ঠিক পাশের ৩২ নং ওয়ার্ডেও একই ধরণের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে ওই ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী বিল্লাল শাহ জানান, ইভিএম এ ভোট হওয়ার পরও কেন্দ্রের ফলাফল ও ঘোষিত ফলাফলে ব্যাপক গড়মিল।

এ নিয়ে এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোন ফল না পাওয়ায় তিনি উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কারণ স্পষ্ট না করলেও ফল স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।

ঝুড়ি মার্কায় প্রতিদ্বন্দিতা করা আলমগীর বলছেন, ইভিএমএর প্রিন্টেড কপির হিসেবে দক্ষিণ সিটির ৩১ নাম্বর ওয়ার্ডের আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-২ পুরুষ কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ৪৩৯ ভোট। কিন্তু ফলাফলে দেখানো হয়েছে তিনি পেয়েছেন ২০২টি ভোট। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইরোজ আহমেদের ঘুড়ি মার্কায় পড়েছে ৪৩৯ ভোট। আর ঘোষণাকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়েদ আদেলের টিফিন ক্যারিয়ার মার্কায় পড়ে ২২৬ ভোট। সূত্র: চ্যানেল ২৪।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য