শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

ভুল দুয়ারে এক পশলা কবিতা

আল পারভেজ
প্রিন্ট ভার্সন
ভুল দুয়ারে এক পশলা কবিতা

আকাশটা আজ মেঘদূতের মনের মতোই থমথমে। শ্রাবণের এক নিস্তব্ধ দুপুর, অথচ মেঘের নিবিড় ভারে যেন সন্ধ্যা নেমেছে চরাচরে। জানালার বাইরে বৃষ্টির আয়োজন চলছে। ঘরের ভিতরটা আরও অন্ধকার, আরও নিবিড়। অবিন্যস্ত বইয়ের তাকগুলোতে পড়েছে ধুলোর কোমল আস্তরণ, টেবিলে পড়ে থাকা সাদা পাতাগুলো যেন একরাশ শূন্যতা নিয়ে তাকিয়ে আছে তার দিকে। মেঘদূত, এক সময়ের সাড়া জাগানো কবি, আজ শব্দের কারবার থেকে বহুদূরে এক স্বেচ্ছানির্বাসিত নাবিক। তার কলম এখন আর কবিতা লেখে না, লেখে জীবনের নীরস প্রয়োজন।

হঠাৎ কলিংবেলের শব্দটা শীতল স্রোতের মতো শিরশির করে বয়ে গেল তার শিরায়-উপশিরায়। এই অসময়ে কে আসতে পারে! এই নির্বাসনের জীবনে তো কোনো অভ্যাগত নেই। অনিচ্ছা সত্ত্বেও দরজা খুলতেই তার পৃথিবীটা যেন এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। তার বুকের ভিতর শত শত ভাঙা কাচের টুকরো যেন ঝনঝন করে উঠল।

বাইরে দাঁড়িয়ে আছে অন্বেষা। শ্রাবণের প্রথম বৃষ্টির কণা তার চুলে, কপালে মুক্তোর মতো জমেছে। ভেজা শাড়ির আঁচলটা আলতো করে গায়ে জড়ানো। সেই মায়াবী চোখ, সেই শান্ত মুখ, সময়ের ধুলো যাকে এতটুকুও ম্লান করতে পারেনি। মেঘদূতের মনে হলো, সময় যেন ঘড়ির কাঁটা উল্টো ঘুরিয়ে দিয়েছে। যে মুখটা সে রোজ কল্পনাতে আঁকত, আজ তা বাস্তব হয়ে তার দরজায়!

মেঘদূতের ঠোঁট কাঁপছিল। অনেক কষ্টে উচ্চারণ করল, “অন্বেষা! তুমি?”

অন্বেষা মৃদু হাসল। সে হাসিতে হাজারও না-বলা কথা ভিড় করে ছিল। ‘কবি সাহেব!’

মেঘদূতের মনে হলো, এই ডাক শোনার জন্য সে অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে। এই ডাকটা শুধু অন্বেষারই ছিল। সে নিজেকে সামলে নিয়ে, একরাশ অভিমান গলায় জড়িয়ে বলল, ‘পথ ভুল করে, আজ ভুল দুয়ারে এলে যে!’ কথাটা বলার সময় তার কণ্ঠস্বর নিজের কাছেই অচেনা লাগল। তাতে ছিল বিস্ময় আর এক সমুদ্র চাপা কষ্ট।

“তোমার মুখে ‘কবিতা’ ডাক শুনি না অনেকদিন, সেই লোভেই হয়তো আসা!” অন্বেষার উত্তরটা ছিল বাতাসের মতো সহজ, কিন্তু তার গভীরতা ছিল অতলান্ত।

মেঘদূত এক শুকনো, বিদ্রুপাত্মক হাসি হাসল। “হা হা হা। হাসালে ভীষণ! যে বাগানের মালি নিজেই আজ আর মালি নয়, সেখানে ফুলের আশায় আসাটা কি বাতুলতা নয়?”

অন্বেষা ধীর পায়ে ভিতরে প্রবেশ করল। ঘরের চারপাশে তাকিয়ে তার বুকটা হাহাকার করে উঠল। ঘরটার অযত্ন, বইগুলোর নীরব কান্না তার চোখ এড়াল না। সে ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়ে মেঘদূতের লেখার টেবিলের সামনে দাঁড়াল। ধুলোমাখা কলমটার দিকে তাকিয়ে বলল, “কবিতা কি কবির খোঁজে আসতে পারে না!”

এই একটি প্রশ্নে মেঘদূতের ভিতরের সব প্রতিরোধ, সব অভিমানের দেয়াল হুড়মুড় করে ভেঙে গেল। সে চেয়ারে ধপ করে বসে পড়ল। দুহাতে মুখ ঢেকে বলল, “আসতে পারে! তবে সময় থাকতে সঠিক দরজায় কড়া নাড়তে না পারা, আর ভুল দুয়ারে এসে দাঁড়ানো- দুটোই কখনো সুখের হয় না। দরজার কড়া নাড়ার শব্দ যখন মিলিয়ে যায়, তখন দরজা খুলে দাঁড়িয়ে থাকাটা কেবলই শূন্যতার মঞ্চায়ন।” মেঘদূত মুখ তুলে অন্বেষার দিকে তাকাল। তার চোখে ছিল একরাশ অনুশোচনা। “এই যে, কথায় কথায় ‘সুখের’ আগমন। বড্ড জানতে ইচ্ছা করে, যে সুখের আশায় পাড়ি দিলে সহস্র মাইলের পথ, সে সুখ কি পেলে!”

প্রশ্নটা ছিল একটা ধারালো ছুরির ফলার মতো। অন্বেষা জানত, মেঘদূত তাকেই দোষারোপ করছে। কিন্তু সে শান্ত রইল। তার কণ্ঠ আরও কোমল, আরও আর্দ্র শোনাল। “সুখের কথা-ই যদি বলি, তবে তোমার স্মৃতি বুকে পুষে হাজারও জনম পার করা কি যায় না! সুখ তো আপেক্ষিক, মেঘদূত। তুমি চেয়েছিলে নিশ্চিত জীবন, আর আমি চেয়েছিলাম তোমাকে। আমাদের চাওয়াটা এক সরলরেখায় মেলেনি।”

মেঘদূতের মনে পড়ল সেই দিনগুলোর কথা। যখন সে ছিল এক উঠতি কবি। তার কবিতায় আগুন ছিল, অন্বেষার চোখে ছিল স্বপ্ন। ভাড়া বাড়ির এক চিলতে ছাদে বসে তারা রাতকে ভোর করত। মেঘদূত কবিতা শোনাত আর অন্বেষা তার চুলে বিলি কেটে দিত। অন্বেষাই ছিল তার কবিতার প্রাণ, তার প্রতিটি শব্দের অনুপ্রেরণা।

কিন্তু জীবন শুধু কবিতায় চলে না। বাস্তবতা কঠিন পাথরের মতো পথ আগলে দাঁড়িয়েছিল। মেঘদূত এক প্রকাশনীর মোটা মাইনের চাকরিতে ঢুকেছিল। যে কলম লিখত প্রেম আর বিপ্লবের কথা, সে কলম লিখতে শুরু করল বাজারের কাটতি হওয়া সস্তা উপন্যাস, বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন। সে নিজেকে বুঝিয়েছিল, অন্বেষার জন্যই এই স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

একদিন অন্বেষা বলেছিল, “মেঘদূত, তোমার কবিতাগুলো কেমন প্রাণহীন হয়ে যাচ্ছে। তোমার ভিতরের কবি সত্তাটাকে তুমি নিজের হাতে হত্যা করছ!”

মেঘদূত সেদিন চিৎকার করে উঠেছিল, “কবিতা দিয়ে পেট ভরে না, অন্বেষা! এই শহরের বুকে একটা ছাদ লাগে, দুটো ভাত লাগে। আমি তোমার জন্য একটা নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়তে চাই।”

“আমার ভবিষ্যৎ তো তোমাতেই ছিল, তোমার কবিতায় ছিল,” অন্বেষার ভেজা কণ্ঠ সেদিন মেঘদূতের কানে পৌঁছায়নি। ব্যস্ততার অহংকারে সে বধির হয়ে গিয়েছিল।

ধীরে ধীরে তাদের মাঝে এক অদৃশ্য দেয়াল উঠে গেল। মেঘদূত টাকার পেছনে ছুটতে ছুটতে এতটাই যান্ত্রিক হয়ে গিয়েছিল যে, সে টেরই পায়নি কখন অন্বেষা নামের কবিতাটা তার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। যেদিন অন্বেষা এক টুকরো চিঠি লিখে চলে গিয়েছিল সেদিন মেঘদূত প্রথম বুঝেছিল-সে ছাদ পেয়েছে, কিন্তু আকাশটা হারিয়ে ফেলেছে।

আজ এতদিন পর অন্বেষাকে সামনে দেখে তার বুকের ভিতরটা তোলপাড় করছিল। সে দেখছিল, অন্বেষার চোখে সেই পুরনো মায়া থাকলেও তাতে এখন যোগ হয়েছে এক গভীর প্রশান্তি, যা মেঘদূতের নেই।

মেঘদূত উঠে দাঁড়াল। অন্বেষার কাছাকাছি গিয়ে তার হাতটা ধরতে গিয়েও পারল না। একরাশ দ্বিধা তাকে থামিয়ে দিল। সে ফিসফিস করে বলল, “আমি জানি, আমি ভুল করেছিলাম, অন্বেষা। আমি সোনা খুঁজতে গিয়ে হীরা হারিয়ে ফেলেছি। আমি কবি ছিলাম, তোমার ভালোবাসায়। আজ আমি শুধু একজন শব্দশ্রমিক।”

তার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল। সে বহু বছর পর আবার কবিতার ভাষায় কথা বলল। স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার মুখ থেকে বেরিয়ে এলো-

“হারানো পথের ধুলোয় মেশে, হারানো দিনের সুর,

তোমার চোখের কাজলে ভাসে, আমার অচিনপুর।

স্মৃতির পাতায় আঙুল ছোঁয়ালেই, সময় থমকে যায়,

এখন আমার একলা আকাশ, মেঘে মেঘে হারায়,

যে নদীটা মরে গেছে বুকে, তার আর কীসের ভয়?

বলো, অন্বেষা, এই জীবনের কী আর পরিচয়?”

কবিতাটা শুনে অন্বেষার চোখ ছলছল করে উঠল। সে বলল, “তোমার কবিসত্তা এখনো মরেনি, মেঘদূত। সে শুধু ঘুমিয়ে আছে। অভিমান করে আছে।”

মেঘদূত ব্যাকুলভাবে বলল, “তবে তাকে জাগিয়ে দিয়ে যাও, অন্বেষা। একবার, শুধু একবারের জন্য আমার জীবনে ফিরে এসো। আমার এই ভুল দুয়ারকে সঠিক করে দিয়ে যাও। আমি সব ছেড়ে দেব, সব কিছু। শুধু তোমায় আর আমার কবিতাকে নিয়ে বাঁচব।”

তার আকুতিতে ঘরটার নিস্তব্ধতা আরও ভারী হয়ে উঠল। বাইরে তখন ঝমঝম করে বৃষ্টি নেমেছে। অন্বেষা জানালার দিকে তাকাল। কাচের গায়ে বৃষ্টির ধারা, যেন তার মনের ভিতরের কান্না।

সে ঘুরে দাঁড়াল। মেঘদূতের দিকে তাকিয়ে স্নিগ্ধ কিন্তু দৃঢ় গলায় বলল, “কিছু কিছু ভুলের কোনো ক্ষমা হয় না, মেঘদূত। আর কিছু কিছু পথ একবার হারিয়ে গেলে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তুমি যখন তোমার জগৎ গোছাচ্ছিলে, আমি তখন আমার একার জগৎ তৈরি করতে শিখে গেছি। সেখানে তুমি আছো, তবে শুধু স্মৃতি হয়ে। বাস্তবে নয়।”

মেঘদূতের মনে হলো তার পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। সে অস্ফুটে বলল, ‘তার মানে?’

“আমি এসেছিলাম শুধু দেখতে, আমার কবি কেমন আছে। তার ভিতরের আগুনটা কি পুরোপুরি নিভে গেছে, নাকি এখনো ধিকিধিকি জ্বলে। এসে দেখলাম, ছাইচাপা আগুন এখনো আছে। আমার আসাটা সার্থক।” অন্বেষা দরজার দিকে এগোল।

মেঘদূত মরিয়া হয়ে বলল, “যেয়ো না, অন্বেষা! মিনতি করি... তুমি ছাড়া আমি যে একটা সুতো ছেঁড়া ঘুড়ি। কোথায় যাব, কার আকাশে উড়ব?”

অন্বেষার মুখে এবার এক বিষণ্ন, সুন্দর হাসি ফুটে উঠল। “সুতো ছিঁড়ে গেলে ঘুড়ি ফেরে না, জানে বাতাস শুধু। সে শুধু উড়তে উড়তে হারিয়ে যায়। তুমিও উড়বে, মেঘদূত। তবে এবার নিজের আকাশে। তোমার কবিতাগুলোই হবে তোমার আকাশ।”

সে আর দাঁড়াল না। দরজা খুলে বৃষ্টির মাঝে মিলিয়ে গেল। যাওয়ার আগে শুধু বলে গেল, “অপ্রাপ্তিটাও মাঝে মাঝে খুব সুন্দর হয়, কবি। ওটা থেকেও দারুণ কবিতা জন্মায়।”

মেঘদূত স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার মনে হচ্ছিল, এক পশলা কবিতা হয়ে অন্বেষা তার জীবনে এসেছিল এবং তাকে পুরোপুরি ভিজিয়ে দিয়ে আবার মেঘের দেশে মিলিয়ে গেছে। সে জানত, অন্বেষা আর ফিরবে না। এই অপ্রাপ্তি, এই তীব্র শূন্যতাই এখন তার জীবনের একমাত্র সত্যি।

সে টলতে টলতে তার লেখার টেবিলে ফিরে এলো। ধুলোমাখা কলমটা তুলে নিল। সাদা কাগজের দিকে তাকিয়ে তার চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়তে লাগল। এক ফোঁটা জল পড়ল কাগজের ওপর, তারপর আর এক ফোঁটা।

অনেক বছর পর, তার কলমের ডগা থেকে কালির সঙ্গে মিশে বেরিয়ে এলো কয়েকটি লাইন। এবার আর কোনো সস্তা বাজারের জন্য নয়, শুধু তার হারিয়ে যাওয়া অন্বেষার জন্য, তার অনুশোচনার জন্য, তার অপূর্ণ ভালোবাসার জন্য।

“সুতো ছিঁড়ে গেলে ঘুড়ি ফেরে না, জানে বাতাস শুধু,

পোড়া কাগজের ছাই ওড়ে জানি, হয় না তো ফের বধূ।

যে দুয়ারে কড়া নাড়লে না আর, সে দুয়ারে কেন আসা?

অপ্রাপ্তিই হোক শেষ কবিতা, আমার ভালোবাসা।”

বাইরে বৃষ্টি তখনো পড়ছে। ঘরের ভিতর একজন কবি তার শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে কষ্টের কবিতাটি লিখছিল। যে কবিতার প্রতিটি শব্দজুড়ে ছিল এক নারীর ছায়া, যার নাম ‘কবিতা’, কিন্তু আর কখনো হয়তো কবিতা কবির হবে না। ভালোবাসা মাঝে মাঝে এভাবেই ভাঙে আর গড়ে। এক ভাঙা হৃদয় নিয়ে সৃষ্টি হয় অমর কোনো শিল্প।

এই বিভাগের আরও খবর
অনুপস্থিত স্যার!
অনুপস্থিত স্যার!
শিং
শিং
ডুয়েল সিম
ডুয়েল সিম
স্নো-পাউডার
স্নো-পাউডার
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টর
বুড়িগঙ্গা হত্যায় আমরা শতভাগ সফল হয়েছি
বুড়িগঙ্গা হত্যায় আমরা শতভাগ সফল হয়েছি
নিশীথিনী...
নিশীথিনী...
কাজী নজরুল সমকালের চোখে
কাজী নজরুল সমকালের চোখে
সাহিত্য বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা
সাহিত্য বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা
আগুন
আগুন
হৃদয়ের দোষ কী
হৃদয়ের দোষ কী
পর্যটনের পাহাড়
পর্যটনের পাহাড়
সর্বশেষ খবর
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি
দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি

২ মিনিট আগে | জাতীয়

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপে আবেদন শুরু

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮
ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে গ্রেফতার ৮

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর
বৈশ্বিক তালিকায় এক ধাপ পেছাল চট্টগ্রাম বন্দর

২৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০
মধ্যরাতে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে আহত ৬০

২৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?
বার্সেলোনায় ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কে এই ইব্রাহিম বাবায়েভ?

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা
ভিয়েতনামের গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল নিয়ে রহস্যে বিজ্ঞানীরা

৫৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

২১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন