শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:১৬

যত্রতত্র মশা প্রজনন ক্ষেত্র!

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

যত্রতত্র মশা প্রজনন ক্ষেত্র!

চট্টগ্রাম নগরে ব্যাপক হারে চলছে উন্নয়ন কার্যক্রম। জানা যায়, নগরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), চট্টগ্রাম ওয়াসা ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব প্রকল্প এলাকায় মাটি খনন করে গর্ত, নির্মাণ উপকরণ পড়ে থাকা, নালা-নর্দমায় আবর্জনার স্তূপ, ড্রামে করে বিটুমিন পোড়ার পর দীর্ঘদিন ড্রামে পানি জমে থাকা, নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে নানাভাবে মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি হয়ে আছে। এসব স্থানে মশার প্রজনন হওয়ার শঙ্কা বেশি। তাছাড়া ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের সময় ১৪-২৮ দিন ধরে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতেও মশা প্রজননের সম্ভাবনা থাকে।      

সরেজমিন দেখা যায়, ঘাটফরহাদবেগ, চকবাজার, সিনেমা প্যালেস, ডিসি হিল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে বিটুমিন পোড়ানোর ড্রাম। তাছাড়া সিরাজুদ্দৌলা রোড, সিনেমা প্যালেস, কাটাপাহাড় লেন, নন্দনকানন, তিনপুলের মাথা, নিউ মার্কেট মোড় এলাকার সংস্কারের জন্য রাখা নানা উপকরণেও জমছে পানি। এসব পানিতে মশা প্রজননের সম্ভাবনা আছে বলে জানা যায়। আন্দরকিল্লা ঘাটফরহাদবেগ এলাকার বাসিন্দা আবরার আনাস বলেন, ‘আমাদের এলাকায় সিটি করপোরেশন সড়ক সংস্কারে বিটুমিনের কাজ করে গেছে প্রায় তিন মাস আগে। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিটুমিন পোড়ার ড্রাম রয়ে গেছে।’  

জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের সদস্য সচিব ডা. সুশান্ত বড়–য়া বলেন, ‘যেখানে ৩-৪ দিন পানি জমে থাকে যেমন- পানির ট্যাংক, নির্মাণাধীন ভবনের আশপাশ, ড্রামে জমে থাকা পানি, বালতি, ইটের লোগো থাকা অংশ, ফ্রিজের নিচের ট্রে, ছোট-বড় কৌটা ইত্যাদিতে জমা পানির ওপরে  শেওলার স্তর তাদের লার্ভার খাবার। অনেক সময় পানি শুকিয়ে গেলেও ৬-১২ মাস লার্ভা বেঁচে থাকে এবং মশার জন্ম হয়। এ মশা বেশি শীত সহ্য করতে পারে না। এ সময় ডিমও পাড়ে না। ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি তাপমাত্রায় মারা যায়।’

চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী বলেন, ‘বিভিন্ন সড়ক সংস্কার এবং উন্নয়ন কাজের উপকরণ বিষয়ে আমরা প্রকৌশল বিভাগকে অবহিত করেছি। তবে বাসাবাড়ির আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে সবাইকে সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। নিজের আঙিনা নিজকেই পরিষ্কার রাখতে হবে।’  


আপনার মন্তব্য