শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:৩০

বাংলাদেশের শুটিংয়ে উন্নয়ন চায় আইএসএসএফ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশের শুটিংয়ে উন্নয়ন চায় আইএসএসএফ

রাশিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি ভøাদিমির লিসিন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের (আইএসএসএফ) সভাপতি। তার সেক্রেটারি জেনারেলও আরেক রুশ ব্যবসায়ী আলেকজান্ডার রাতন। দুজনই বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের মহাসচিব ইন্তেখাবুল হামিদের আমন্ত্রণে ঢাকা সফরে আসেন। শনিবার ভøাদিমির গুলশান শুটিং কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি রেঞ্জ ঘুরে ঘুরে দেখেন। কথা বলেন, দেশের শুটারদের সঙ্গে। পরে ফেডারেশনের নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকেও বসেন।

মিডিয়ার সঙ্গে কথাও বলেন আইএসএসএফ সভাপতি। তিনি বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশের শুটিং উন্নয়ন। পরিকল্পনা করে এগিয়ে যাক। সেখানে আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করব। তবে ফেডারেশনকে অর্থ সাহায্যের প্রশ্নে এই রুশ ধনাঢ্য ব্যক্তি সরাসরি কিছুই বলেননি। তার কথা বিশ্বে ১৫০টিরও বেশি শুটিং ফেডারেশন আছে। সবাইকে আর্থিক সহযোগিতা করা সম্ভব নয়। তার চেয়ে বরং অবকাঠামো ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা করা সম্ভব।

ইন্তেখাবুল হামিদ বাংলাদেশের শুটিংয়ের চালচিত্র তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা চেয়েছেন। বাংলাদেশের শুটাররা এখন কমনওয়েলথ গেমস রাঙাতে পারে। এখনো অলিম্পিকে যেতে হয় ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে। এশিয়ান গেমসেও লড়াই করতে পারে না সেভাবে। এ জন্য শুটার উন্নয়ন, ট্রেনিং ও রেঞ্জের উন্নয়নের আইএসএসএফের কাছে সহযোগিতা চান বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের মহাসচিব।

প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের কোনো সভাপতি ঢাকায় এলেন। দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য শুটিং বিশ্বকাপ উপলক্ষেই লিসিনের এই উপমহাদেশ সফর।

লিসিন ঢাকার শুটিং অবকাঠামো দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও সামনে এগুনোর জন্য আরও উন্নতি চান। গুলশান শুটিং রেঞ্জ ঘুরতে ঘুরতে ৬২ বছর বয়সী লিসিন বলেন, নভেম্বর থেকে আমি আফ্রিকার ছয়টি দেশ সফর করেছি। তাদের তুলনায় বাংলাদেশের শুটিং অবকাঠামোগতভাবে অনেক এগিয়ে। তবে শুটিং রেঞ্জের দেয়ালগুলো ফাঁকা দেখছি। এগুলো স্পন্সরশিপ দিয়ে ঢাকা উচিত ছিল। কারণ খেলাটা এগিয়ে যাবে স্পন্সরের অর্থে। জনপ্রিয় করে তুলতে শুটারদের সাফল্য দরকার। খেলাটা ইন্টারনেট ও টিভিতে সম্প্রচার করতে। সংবাদ মাধ্যমকে কাজে লাগাতে হবে।

আইএসএসএফের সভাপতি ঢাকায় আসাতেই খুশি ইন্তেখাবুল হামিদ। সম্পর্কটা কাজে লাগিয়ে সামনে বড় কিছু পাওয়ার আশা করেন তিনি। তারা আমাদের বেশি কিছু গাইড লাইন দিয়েছে। আমাদের মধ্যে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হলো। আশা করছি ভবিষ্যতে কিছু সহযোগিতা পাব।


আপনার মন্তব্য