শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ মে, ২০১৯ ২৩:৪১

শিরোপার কাছাকাছি বসুন্ধরা

আসিফ ইকবাল

শিরোপার কাছাকাছি বসুন্ধরা

বড় ম্যাচ। আকাশসম চাপ। জিতলে শিরোপা লড়াইয়ে এগিয়ে যাবে আরও এক ধাপ। ঢাকা আবাহনীর বিপক্ষে এমন সমীকরণের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতেছে বসুন্ধরা কিংস। জিতেছে অস্কার ব্রুজোনের দারুণ কৌশলী ট্যাকটিক্সে। নবাগত দলটি অসাধারণ, দুরন্ত ও কৌশলী জয় উপহার দিয়েছেন বসুন্ধরার কিরগিজস্তানের ফুটবলার বখতিয়ার দুইশবেকভ। এই জয়ে বসুন্ধরার পয়েন্ট ১৪ ম্যাচে ১৩ জয় ও এক ড্রয়ে ৪০। পক্ষান্তরে ১৪ ম্যাচের তিনটিতে হেরে আবাহনীর পয়েন্ট ৩৩। প্রথম পর্বে নীলফামারীতে ৩-০ গোলে আবাহনীকে বিধ্বস্ত করেছিল বসুন্ধরা। গতকাল ফিরতি লেগে জিতল ১-০ গোলে। সামনে এখন বড় বাধা সাইফ ও শেখ রাসেল। এই দুই ম্যাচে হারলেও কোন ক্ষতি হবে না যদি পচা শামুকে কিংসের পা না কাটে।

শিরোপা রেসে টিকে থাকতে গতকাল জয়ের বিকল্প ছিল না আবাহনীর। সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে খেলতে নামে বসুন্ধরা। গতকাল মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে ১৩ ম্যাচ শেষে দুই দলের পয়েন্টের ব্যবধান ছিল ৪। তাই জিতলেই ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে নবাগত দলটি। জিতলে আবাহনী ফিরবে শিরোপা লড়াইয়ে। এমন সমীকরণের ম্যাচে মাঠে উপস্থিত হাজার পাঁচেক ফুটবলপ্রেমী উপভোগ করেছেন মনমাতানো ফুটবল। প্রথমার্ধে ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল আবাহনীর। কিন্তু  গোলরক্ষক জিকোর দুরন্তপনার কাছে এসে বারবার পরাস্ত হচ্ছিল আকাশী-হলুদ শিবিরের আক্রমণগুলো। নাবীব নেওয়াজ জীবন, কারভেন্স বেলফোর্ট, সানডে চিজোবারা অলআউট ফুটবল খেলেছেন। কিন্তু আরাধ্য গোলের দেখা পায়নি। বিপরীতে রক্ষণভাগ সামলে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবল খেলে ৩৯ মিনিটে গোল আদায় করে নেয় অস্কার ব্রুজোনের বসুন্ধরা। ৩৯ মিনিটে ডি বক্সের মাথায় ড্যানিয়েল কলিনড্রেসকে ফাউল করে আবাহনীর রক্ষণভাগ। প্রায় ৩০ মিটার দূর থেকে বসুন্ধরাকে উচ্ছ্বাসে মাতান বখতিয়ার দুইশবেকভ। ডান পায়ের বাঁকানো শটে আবাহনীর গোলরক্ষক শহীদুল ইসলাম সোহেলকে বোকা বানান (১-০)। ওই গোলের পর রক্ষণভাগ আরও আঁটোসাঁটো করে নেয় স্বাধীনতা কাপের চ্যাম্পিয়নরা।

ফলে প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। 

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একাধিক পরিবর্তন আনে একাদশে। গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে আবাহনী। প্রথম ২০ মিনিট বসুন্ধরার রক্ষণভাগে আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেয় ধানমন্ডি পাড়ার দলটি। কিন্তু হিমালয় প্রাচীরের দৃঢ়তায় গড়া জিকোকে পরাস্ত করতে পারছিল না। এরমধ্যে ৫৯ মিনিটে ছোট বক্সে গোলরক্ষকে একা পেয়েও সমতা আনতে পারেননি বেলফোর্ট। পক্ষান্তরে ৬২ মিনিটে কলিনড্রেসের ভলি গোলবক্স থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক শহীদুল। ৮৯ মিনিটে নিশ্চিত গোল মিস করেন আবাহনীর রুবেল। সব মিলিয়ে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে অসাধারণ ফুটবল উপভোগ করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা।


আপনার মন্তব্য