শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ মে, ২০২১ ২৩:১৬

হাসারাঙ্গাকে থামিয়ে হাসে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

হাসারাঙ্গাকে থামিয়ে হাসে বাংলাদেশ
ছবি : রোহেত রাজীব
Google News

জয়টা সহজে পেয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লঙ্কান ব্যাটসম্যান হাসারাঙ্গা ২২ গজে গিয়ে ঝড় তোলেন। পাল্টে দেন ম্যাচের চিত্র। তবে শেষ রক্ষা করতে পারেননি। হাসারাঙ্গাকে থামিয়ে দিয়েই শেষ হাসি হাসে বাংলাদেশ। ৩৩ রানে জিতে ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-০-তে এগিয়ে গেল টাইগাররা।

মিরপুর স্টেডিয়ামে সর্বশেষ দুই ম্যাচের যে স্কোর, তাতে ৬ উইকেটে ২৫৭ রানকে পাহাড়সম বলাই যায়। গত ফেব্রুয়ারিতে দুই টাইগার স্পিনার সাকিব ও মেহেদী মিরাজের ঘূর্ণিতে ১২২ ও ১৪৮ রানের বেশি করতে পারেনি ক্যারিবীয়রা। সেখানে আড়াই শর ওপর স্কোর একটু বেশিই। আর এই স্কোরটি গতকাল বাংলাদেশ গড়েছে তিন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের হাফসেঞ্চুরিতে। অধিনায়ক তামিম ইকবালের ৫২, দলের সবচেয়ে সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের ৮৪ ও ধ্রুপদী ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ৫৪ রানে ভর করে স্কোরটি গড়ে। যা মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। মিরপুরে সর্বোচ্চ স্কোর ৭ উইকেটে ৩২০, ২০১৮ সালে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০১০ সালে ৭ উইকেটে ২৬০ এবং গতকালের স্কোর ছিল তৃতীয় সর্বোচ্চ।

তিন-তিনটি হাফসেঞ্চুরির ইনিংসের পরও আফসোস রয়ে গেছে টাইগারদের। দুরন্ত খেলতে থাকা মুশফিক মাত্র ১৪ রান দূরে থাকতে  ফেরেন সাজঘরে। অথচ রিভার্স সুইপের ভুলে আউটটি না হলে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি হতো শুধু মুশফিকময়। হয়নি। তবে ম্যাচসেরা হয়েছেন। মুশফিকের না হওয়ার বেদনার দিনে রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন টাইগার অধিনায়ক তামিম। প্রথম টাইগার ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০ ক্রিকেটে ১৪ হাজার রানের মাইলফলক গড়েছেন টাইগার অধিনায়ক। ৫২ রানের নান্দনিক ইনিংসটি খেলার পর বর্তমানে ৩৫৬ ম্যাচে তার রান ১৪,০৫০। ১৩ নম্বর ওভারের প্রথম বলে সাকিবের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন মুশফিক। ৪৪ নম্বরের প্রথম বলে সাজঘরে ফেরার আগে খেলেন ক্যারিয়ারের ৪০ নম্বর হাফসেঞ্চুরি। ৮৪ রানের ইনিংসটি খেলেন ৮৭ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায়। ইনিংস খেলার পথে তিনি পঞ্চম উইকেট জুটিতে মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে ১০৯ রান যোগ করেন দলের ক্রান্তিকালে। দুই বর্ষীয়ান হাল ধরেন ৯৯ রানে ৪ উইকেট পতনের পর।

দলীয় ২৩ নম্বর ওভারের পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে ধনাঞ্জয়া লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তামিম ও মোহাম্মদ মিথুনকে। মুশফিকের বিদায়ের পর দলের দায়িত্ব তুলে নেন মাহমুদুল্লাহ। ছয়ে ব্যাট করতে নামা মাহমুদুল্লাহ ক্যারিয়ারের ২৪ নম্বর হাফসেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেন ৭৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায়। তার বিদায়ের পর আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করেন তরুণ আফিফ হোসেন ধ্রুব।